banglanewspaper

স্বরূপকাঠী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : উপজেলার সুটিয়াকাঠি ইউনিয়নের বালিহারী গুচ্ছ গ্রামে এক মাদকাসক্তের দায়ের কোপে বাবা, বোন, প্রতিবেশি ও তার শিশু বাচ্চাসহ ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন ।

আহত বোন নাসরিন ও প্রতিবেশি কবির হোসেনের অবস্থা গুরুতর দেখে তাদেরকে স্বরুপকাঠি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বরিশালে স্থানাস্তর করা হয়েছে। এসময় তারেকের দায়ের কোপে কবিরের শিশু শ্রেনীতে পড়ুয়া তানজিলা (৭), প্রতিবেশি মুর্শিদা (২৬) ও তারেকের বাবা মোঃ সিদ্দিকও আহত হন। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা পাহাড়াদার দুলালের সহযোগিতায় তারেকে আটক করে গনধোলাই দেয়।

এক পর্যায়ে শিকল দিয়ে ডুবী বাজার সংলগ্ন বালিহারী গ্রামে একটি দোকানের সাথে বেধে রাখে। সরজমিনে জানা যায়, সুটিয়াকাঠি ১নং ওয়ার্ডের সমাজসেবী মরহুম আলহাজ্ব আব্দুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত গুচ্ছ গ্রামে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেন নদীভাঙ্গন কবলীত কৌরিখাড়ার বাসিন্ধা তারেকের বাবা মোঃ সিদ্দিক। তারেক বেশ কিছুদিন ধরে মাদকাশক্ত হয়ে পড়েন। এ জন্যে তারেকের স্ত্রী গত দুইমাস পূর্বেই সোহাগদলস্থ তার বাবার বাড়িতে চলে যান। তারেক আজ সকাল ৮ টার দিকে শশুর বাড়ি থেকে এসেই বাবার কাছে অটো গাড়ির চাবির কথা জানতে চান। এসময় বাবার সাথে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দা নিয়ে বাবা মাকে কোপাতে উদ্ধত হলে বাবা মা দুজনই পার্শবর্তী কবিরের ঘরে আশ্রয় নেয়। তারেক কবিরের ঘরে গিয়ে বাবা সিদ্দিককে মারতে চাইলে কবির বাধা দেয়।

একপর্যায়ে তারেকের বিবাহিত বোন ছুটে আসলে তার ঘারে ও বাম হাতের বাহুতে কোপায়। এসময় শিশু বাচ্চা তানজিলার হাতের উপরে দায়ের কোপ লাগে। মেয়েকে বাচাতে গেলে দায়ের কোপে কবিরের কব্জির উপর থেকে কেটে ঝুলে থাকে। এসময় প্রতিবেশি মুর্শিদা (২৫) এর ডান হাতে কোপ লাগে ও শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে যায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক জন।

পাহারাদার দুলাল বলেন, আমি সাহস করে ওকে ঝাপটে না ধরলে আরো দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো।

পরবর্তিতে স্বরুপকাঠি থানা পুলিশ নেছারাবাদ থানার জিআর মামলা নং ৫২/১৭ এর এফআইআর ভুক্ত আসামীকে সুটিয়াকাঠি ইউনিয়নেরর চেয়ারম্যান গাউস মিয়া তালুকদার ও সংশ্লিষ্ট ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বর বাবুল মিয়ার সহযোগীতায় তারেককে মুক্ত করে স্বরুপকাঠি থানায় নিয়ে যায়।

ট্যাগ: banglanewspaper পিরোজপুর