banglanewspaper

কোটা সংস্কার অান্দোলন যারা অংশগ্রহণ করেছেন তারা কখোনই রাজনীতিবিদ হতে অাসেনি। মানুষের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবি নিয়ে অহিংস অান্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে মাত্র। তারা কোনো অন্যায় তো করেনি। তারা তো শুধু একা নয়, ৯৫% ছাত্রলীগের ছোট বড় নেতাকর্মী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই যৌক্তিক  অান্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। সুতরাং এটা কোনো সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এমন দোষারোপ করার কোনো অবকাশ নেই। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাধারণ ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কথার পরে অার কোনো কথা থাকতে পারেনা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কথার পরেও কিছু কিছু মহল কেন এরকম দোষারোপ করছে? সাধারণ ছাত্রদের কেন বিভিন্ন ট্যাগ লাগিয়ে দিচ্ছেন? 

অান্দোলনে যারা অংশগ্রহণ করেছেন বা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এবং সাধারণ ছাত্র। টিউশন, পার্টটাইম জব করে অামরা পড়াশোনার বহন করি। আমাদের ছোট ভাই-বোন ও পরিবারকেও সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো কোনো পরিবার অনেকটাই আমাদের উপর নির্ভরশীল।

অান্দোলনকারীরা ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যেতে চায়, তারা অাবার  লাইব্রেরিতে যেতে চায়, টেবিলে বসতে চায়। তাহলে কেনো তাদের নামে হয়রানিমূলক অজ্ঞাতনামা মামলা দেওয়া হয়েছে। যারা দোষী তাদের নামে মামলা দেওয়া হউক, তাদের বিচারের অধীনে নিয়ে অাসা হউক। অজ্ঞাতনামা মামলা দিয়ে যে কাউকে হয়রানি করা যায়। এজন্য সাধারণ ছাত্রদের কেনো অাতঙ্কে থাকতে হবে। 

মধ্যবিত্ত সাধারণ ছাত্রদের হয়রানি করে তাদের কী লাভ জানিনা? তবে এটা বলতে পারি যে এতে তাদেরই ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছে।

মাননীয় প্রধামন্ত্রী কোটা বাতিলের মত যুগান্তকারী একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ওপর দৃঢ় অাস্থা রয়েছে সবার। এখন শুধু প্রজ্ঞাপন জারি করে বাস্তবায়নের অপেক্ষা।

সুতরাং বর্তমান সরকারের এই অর্জন সরকারকেই ধরে রাখতে হবে। সাধারণ ছাত্রদের ভালবাসতে শিখতে হবে, তাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে হবে। তাহলে এর ফলাফল অাজীবন ভোগ করতে পারবে।

লেখক:
মোঃ সোহরাব হোসেন
শিক্ষার্থী,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

 

 

 

 

 

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ নিউজ আওয়ার-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: banglanewspaper কোটা কোটা সংস্কার রাজনীতি