banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী জাতীয় সংসদ (একাদশ) নির্বাচনে ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী, দানবীর ও সাবেক ছাত্রনেতা আখতার হোসেন। তিনি এখন ব্যাপক আলোচনায়।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রমতে, ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার) আসনে এবার পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। আর জনমুখী নানা ইতিবাচক কর্মকান্ড আর সুখে-দুঃখে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আখতার হোসেন মনোনয়নের বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে এগিয়ে আছেন। আগামী নির্বাচনে এই আসনে যারা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

তাই সুখে-দুখে জনতার পাশে থাকা এবং দলীয় কর্মকান্ড ও আন্দোলনে অন্যতম সাহসী ভূমিকা পালনকারী হিসেবে তাকে নিয়ে আসনের দলীয় নেতা-কর্মীরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। আর তিনি দলের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মারাত্মক ভাবে আহত হন। তিনি ১/১১ এর দুঃসময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন, যা বিভিন্ন মিডিয়ায় তখন আলোচিত ছিল।

এছাড়া বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকান্ড আর বিচক্ষণ নেতৃত্বগুণে ইতিমধ্যে ঢাকা-৭ আসন বাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তিনি এলাকায় নানান কর্মকান্ডে আত্মনিয়োগ করছেন। দলীয় কর্মসূচির পাশা-পাশি সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডে তাকে সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে দেখা গেছে। এছাড়াও নিজ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

অন্যদিকে, এই নির্বাচনী এলাকার জনগণও তাকে সাদরে গ্রহণ করছেন বলেও জানিয়েছে একটি সূত্র।

এ ব্যাপারে ঢাকা-৭ আসনের অনেকেই বলেন, কর্মী বান্ধব আখতার হোসেন এ আসনের জনসাধারণকে যেভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন, তা সত্যি অভূতপূর্ব। এছাড়া সে হাসি মুখে অনেকেরই মন জয় করে নিয়েছেন। তাই আমরা তাকেই আগামীতে সংসদ নির্বাচনে এই আসনের এমপি হিসেবে পেতে চাই। 

এ ব্যাপারে আখতার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ লালাবাগ-চকবাজার এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাঙ্খার কথা জেনেছি। স্বাধ্যমত তাদের সেবা করেছি। আর দলের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে আমি বারবার হামলা-মামলা ও নানান নির্যাতনে স্বীকার হয়েছি। তার পরেও দলীয় কর্মকান্ড ও আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা পালন করেছি।

তবে দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। আর ইনশাআল্লাহ, মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারেও আমি আশাবাদী। সব সময় আন্দোলন কর্মসূচিতে থাকার চেষ্টা করেছি। যদি দল সুযোগ দেয়, সফল হতে পারব। সেই বিশ্বাস নিয়েই কাজ করছি। আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র হাতকে আরও শক্তিশালী করার জন্য নিরলস ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

অন্যদিকে, আখতার হোসেন এবার দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও তার সমর্থকরা। তারা বলেন, তিনি এলাকায় নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি সহ পথসভা, মতবিনিময় ও গণসংযোগ এবং সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন। আর তিনিই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। বিভিন্ন দূর্ঘটনায় কবলিতদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন। তাই তিনিই মনোনয়নের দাবিদার।

তারা আরও বলেন, বিগতদিনে দলের জন্য তার অনেক ত্যাগ রয়েছে। তিনি ছাত্র অবস্থা থেকে রাজনীতি শুরু করেন। আর বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের  প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত।

এর আগে তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দলের সকল কর্মকান্ডে শতভাগ ত্যাগ স্বীকার করে অংশ গ্রহণ করেন। তার ত্যাগ ও ব্যক্তিগত ক্লিন ইমেজের কারণে তিনি মনোনয়ন পেলেই এমপি নির্বাচিত হবেন। 

ট্যাগ: Banglanewspaper ঢাকা