banglanewspaper

তখন ১৯৯২ সাল, তৎকালীন সময় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে আমার বাবা (অধ্যাপক আবেদ আলী) তৎকালীন সময়ের শৈলকুপা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে উপবিষ্ট ছিলেন, এছাড়াও আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-নেত্রীবৃন্দ এবং উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলা জেলা প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সাল যেমন বাঙালী জাতির জন্য প্রয়োজন ছিলো ঠিক তেমনই প্রয়োজন ছিলো ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট। এই কথা শোনা মাত্রই আমার বাবা (অধ্যাপক আবেদ আলী) তার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন এবং তাৎক্ষণিক তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন।

পরক্ষণে আমার বাবার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি শাহজাহান আলম সাজু (বর্তমানে সদস্য সচিব; শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাষ্ট, শিক্ষা মন্ত্রণালয়) কে সাথে নিয়ে তাকে (জেলা প্রশাসক) অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করেন।

এই প্রতিবাদের জন্য আমাদের পরিবার সেই-সময়ে নানারকমভাবে বিভিন্ন কুচক্রী মহল দ্বারা হয়রানির শিকার হয় এবং সকল প্রকার হয়রানি উপেক্ষা করে আমার বাবা (অধ্যাপক আবেদ আলী) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে সকল প্রকার অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়েছিলেন।
আজও তিনি একইভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্যে প্রাণপণ লড়ে যাচ্ছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান বীর-মুক্তিযোদ্ধার (অধ্যাপক আবেদ আলী) সন্তান হিসেবে আমি গর্ববোধ করি ছোটবেলায় বাবার মুখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও ওনার আদর্শের গল্প শুনতে শুনতেই আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে অতঃপ্রত ভাবে যুক্ত হতে উদ্বুদ্ধ হই এবং আমার বাবার মতোই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে সকল প্রকার অপ-শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হই।

যদি কখনো কোনোদিনও জীবন-মরন প্রশ্নের সম্মুখীনও হই তবুও বিন্দুমাত্র পিছুপা না হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সততা ও আদর্শ বুকে ধারণ করেই প্রাণপ্রিয় জননেত্রী দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে সর্বদা নিরন্তর লড়ে যাবো।

জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু।

ট্যাগ: banglanewspaper মুক্তিযোদ্ধা