banglanewspaper

চলছে মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান। সারাদিন আল্লাহর সন্তুষ্টির রোজার সন্ধ্যায় ইফতারের সমাহার। এই ইফতারে খেজুর থাকবে না তাই কি হয়? রোজাদাররা সুন্নত হিসেবেই খেজুর খেয়ে থাকেন। খেজুরের পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ এতটাই বেশি যে শুধুমাত্র একটা খেজুর খেয়ে সাহাবীগণ রোজা পালন করতেন এমন দৃষ্টান্ত রয়েছে। চলুন জেনে নিই  খেজুরের কি কি স্বাস্থ্যগত উপকার রয়েছে।

অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখে: শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনও সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুনভাবে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। তাই তো অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: খেজুরে উপস্থিত নানাবিধ ভিটামিন এবং খনিজ, বিশেষত পটাশিয়াম নার্ভের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার বাড়াতেও এই ফলটি দারুনভাবে সাহায্য করে।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। এই ফলে উপস্থিত সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন বৃদ্ধি পায়: নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়: খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই তো যারা সারা বছরই এই রোগে ভুগে থাকেন, তাদের রোজের ডায়েটে এই ফলটির অন্তর্ভুক্তি মাস্ট।

ট্যাগ: bdnewshour24 খেজুর