banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক : “এসডিজি অর্জনে ভূমি প্রশাসনের ভূমিকা” শীর্ষক ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (এলএটিসি) গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (৭ জুন) রাজধানীর নীলক্ষেতে অবস্থিত ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (এলএটিসি) সন্মেলন কক্ষে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

ভূমি সংস্কার বোর্ডের  চেয়ারম্যান মো. মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনায় ‘এসডিজি অর্জনে ভূমি প্রশাসনের ভূমিকা’ শীর্ষক ওই আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভূমি সচিব মো. আবদুল জলিল বলেন, অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের সহযোগিতায় ভূমি মন্ত্রণালয় ডাটাবেজ তৈরির কাজ করছে। সহযোগী মন্ত্রণালয় হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য কর্মপরিকল্পনা (এসডিজি অ্যাকশন প্লান) তৈরি করেছে। এসডিজি অর্জনে নেতৃত্ব দেওয়া মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি লীজ ও অধিগ্রহণকৃত জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার আহবান জানান। 

‘এসডিজি অর্জনে ভূমি প্রশাসনের ভূমিকা’ শীর্ষক ওই আলোচনা অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত আটটি এসডিজি বাস্তবায়নকারী মূল মন্ত্রণালয়গুলোর (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়) প্রতিনিধিরা তাদের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। 

ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান বলেন, এসডিজি অর্জনে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের কী কী করতে হবে তা ইতোমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে। এখন সহযোগী হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য/ডাটাগুলো প্রয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়া মন্ত্রণালয়গুলোকে পুশ/ শেয়ার করে দিতে হবে। 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক মোহাম্মদ মুনির চৌধুরী জানান, সমস্যাটা মূলত গভর্নন্সের। তিনি ইট ভাটার মাধ্যমে কৃষি জমি ধ্বংসের বিষয়টি তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে উপস্থিত অন্যান্য প্রতিনিধিরা কৃষি জমি সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। 

গভর্নন্সে ইনোভেশন ইউনিটের পরিচালক বলেন, ভূমির ‘অপটিমাম ইউটিলাইজেশন’ নিশ্চিত করতে উপজেলা/পৌর এলাকার বাজারগুলোতে বহুতল ভবন তৈরি করা হলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ‘মাইগ্রেশন’ কম হবে। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সরকার আলী আক্কাস বলেন, লক্ষ্যগুলো নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বৃক্ষনিধনের হিসাব রাখা, বনায়ন নীতিমালা আরও সুনির্দিষ্টকরণ এবং ভূমির সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক মো. আবদুল হাই জানান, আলোচনায় ওঠে আসা সুপারিশগুলোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

ট্যাগ: banglanewspaper এসডিজি ভূমি