banglanewspaper

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বরগুনা জেলা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শামসুল শাহরিয়ার ভূঁইয়াকে ঘুষের টাকাসহ আটক করা হয়েছে।

গোপন খবরের ভিত্তিতে সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি বিশেষ টিম নিজ কার্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে ঘুষের ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ তাকে আটক করে। 

দুদক সূত্র জানায়, ওই প্রকৌশলী ঠিকাদারদের কাজের ৬ কোটি টাকার একটি বিল পাস করিয়ে সেখান থেকে ১৫ লাখ টাকা নেন। তিনি তার কার্যালয়ের তিনতলার একটি কক্ষে বসবাস করছিলেন। 'কাজের বিল দেওয়ার বিনিময়ে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন ও ঘুষের টাকা তার বাসকক্ষে রেখেছেন'- এক ব্যক্তি গোপনে এই খবরটি দুদকের পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলমকে জানান। এরপর জাহাঙ্গীর আলম ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়কে বিষয়টি অবহিত করেন। কমিশন আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঘুষের টাকা উদ্ধার ও ঘুষ গ্রহণকারীকে গ্রেফতারের অনুমতি দেয়। উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে গঠন করা হয় বিশেষ টিম। 

ঢাকায় কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে গ্রেফতার অভিযান মনিটর করছিলেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। 

বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়ানুর রহমানের উপস্থিতিতে বিশেষ টিমের সদস্যরা উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে চ্যালেঞ্জ করে তার কক্ষ তল্লাশি করেন। এ সময় উদ্ধার করা হয় ঘুষের টাকা। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা গণনা করা হয়। পরে ঘুষ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন শামসুল শাহরিয়ার। 

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতারের পর তাৎক্ষণিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রকৌশলী শামসুল শাহরিয়ার ওই টাকার বৈধ উৎস জানাতে ব্যর্থ হন। একজন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর বাসকক্ষে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা থাকা অস্বাভাবিক। 

পরে দুদকের পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে প্রকৌশলী শামসুল শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে বরগুনা সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। 

ট্যাগ: bdnewshour24 ঘুষ