banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিনিধি: ট্রাফিক পুলিশের কষ্ট গাঁথা নিয়ে একটি শর্ট ফিল্ম মানুষের বিবেককে নাড়া নিয়েছে। দিন রাত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা রাস্তার কিভাবে পরিশ্রম করে তার একটি বাস্তব চিত্র এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শর্ট ফিল্মটি দেখে কাঁদেনি এমন মানুষ পাওয়া হয়ত দুরুহ হয়ে দাঁড়াবে।

রাজধানীর রাস্তায় যানজট নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। দিনভর রোদে পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজে হাতের ইশারায় রাস্তা সচল রাখার চেষ্টা করলেও উল্টো গতি কমছে সড়কের। ঢাকায় ডিজিটাল ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম চালুর করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।

রোজার মধ্যেও দিনভর বড় সিগন্যালে যানজট লেগে আছে। রাজপথে শৃঙ্খলা আনার জন্য দঁড়ি দিয়ে রাস্তা আটকানো, ইউটার্ন বন্ধ করা ও ডিভাইডার তৈরিসহ বেশ কিছু দৃশ্যমান কর্মকাণ্ড দেখা গেছে। এখন মানুষকে সচেতন করতে নানা কাজ চলছে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, দেশে ট্রাফিক পুলিশ ব্যবস্থার প্রবর্তন স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে। সেই সময় সারা দেশে মাত্র ১০৯ জন ট্রাফিক পুলিশ ছিল। এর পর প্রতিবছরই সড়কের ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৯৮০ সালে ছিল তিন হাজার, ১৯৯০ সালে চার হাজার, ২০০০ সালে পাঁচ হাজার, ২০১০ সালে ছয় হাজার এবং বর্তমানে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার।

যার মধ্যে শুধু রাজধানী ঢাকায় চার হাজার ট্রাফিক সদস্য আছে। ট্রাফিক পুলিশের উন্নয়নে একের পর এক উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ: Banglanewspaper পুলিশ কষ্টের চিত্র কেঁদেছে সবাই