banglanewspaper

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পুরোদমে ভিড় শুরু হয়েছে রেলপথে। বুধবার স্পেশাল সার্ভিস শুরু হওয়ায় যাত্রী পরিবহন সক্ষমতাও বেড়েছে রেল পথে। সকাল থেকে রাত অবধি যাত্রীদের উপস্থিতিতে এখন সরগরম কমলাপুরের বিশাল প্ল্যাটফর্ম। যাত্রীদের বেশিরভাগই নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই আসছেন স্টেশনে। যে যেখানে যেভাবে পারছেন ব্যাগ-ব্যগেজ নিয়ে বসে পড়ছেন। অপেক্ষা নির্ধারিত ট্রেনের জন্য। তাদের অপেক্ষার এ সময়টুকুতে সঙ্গ দিচ্ছে হাতের স্মার্টফোন। নারী-পুরুষ, তরুণ কিংবা মাঝবয়সী এসব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের দেখলে মনে হয়— ট্রেন যখন খুশি আসুক, কোনো সমস্যা নেই।

দুপুর একটায় ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে কথা হয় পাবনার শরীফুলের সঙ্গে। রাজশাহী এক্সপ্রেসের জন্য প্ল্যাটফর্মের পিলারের নিচে বসে আছেন। হাতের স্মার্টফোনে ব্রাউজ করছেন ফেসবুক। সেইসঙ্গে সমানতালে বন্ধুদের সঙ্গে চলছে চ্যাটিংও।  তিনি বলেন, সাড়ে ১২টায় ট্রেন, এখনো আসেনি। তাই বসে বসে সময় কাটাচ্ছি।

তার পাশে নিলুফার জাহানও ওই ট্রেনের অপেক্ষায়। যাবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বললেন, মোবাইলে পত্রিকা পড়ি। নতুন নতুন কিছু রেসিপিও দেখছি। স্মার্টফোনের ব্যবহার জানেন বলে সময়টা খারাপ যাচ্ছে না, এমনই মত নিলুফারের।

স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ‘ট্রেনের শিডিউলে খুব বেশি নড়চড় হচ্ছে না। সময়তোই ট্রেন ছাড়ছে। ভেতরে দাঁড়িয়ে যাত্রীরা যাতায়াত করলেও নিরাপত্তার স্বার্থে এবার ছাদে কাউকে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না।’

ট্যাগ: banglanewspaper ঈদে ট্রেন যাত্রা