banglanewspaper

ঈদের ছুটি শেষে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে থেমে যাওয়া প্রচার শুরু হচ্ছে সোমবার। তাই ছুটি কাটিয়ে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠতে চাইছে আওয়ামী লীগ। দলীয় প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের জয় নিশ্চিত করা এক ধরনের চ্যালেঞ্জ।

গাজীপুরে ভোট হওয়ার কথা ছিল ১৫ মে। কিন্তু ৬ মে সাভারের শিমুলিয়ার চেয়ারম্যান এ বি এম আজহারুল ইসলাম সুরুজের রিট আবেদনে স্থগিত হয়ে যাওয়া ভোট হতে যাচ্ছে ২৬ জুন। আর এই ভোটের স্থগিত প্রচার আবার শুরু হবে সোমবার।

ঈদের দুই দিন পরই নামতে হচ্ছে জনসংযোগে। কিন্তু এখন দেশবাসী ছুটির আনন্দে। এবার ঈদের ছুটির সঙ্গে অন্য কোনো ছুটি যোগ না হলেও নগর কর্মব্যস্ত হতে সময় লাগবে আরও বেশি কিছুদিন।

তবে বসে থাকার সুযোগ নেই প্রার্থীদের। যারা নগরে আছেন, তাদের কাছে আবার নতুন করে ছুটে চলার চেষ্টায় ঘাটতি থাকলে চলবে না। এ জন্যই এই নির্বাচনে যেসব নেতাদের দায়িত্ব দেয়া আছে তাদের যারা ঈদ করতে ঢাকার বাইরে গেছেন, তাদেরকে জরুরি তলব।

রবিবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা বৈঠক করেন গাজীপুরে ভোট নিয়ে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন।

বৈঠক থেকে তারা গাজীপুরের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্যাহ খানসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদেরও সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তাদের কাছ থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচন সক্রান্ত বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন।

কোথাও কোনো সমস্যা রয়েছে কি না বা ঈদের আনন্দের কারণে নির্বাচনী কাজে ভাটা পড়ছে কি না সে সম্পর্কে জেনেছেন। তারা জানিয়ে দে, নকোনোভাবেই নির্বাচন নিয়ে গাছাড়া ভাব দেখানো যাবে না।

বৈঠকে উপস্থিত একজন নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে তাদেরকে দ্রুত ঢাকায় আসতে তাগিদ দিয়েছি। আগামীকাল গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আবার বসবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। সকালে ধানমন্ডির কার্যালয়ে বৈঠক করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।’

ট্যাগ: banglanewspaper গাজীপুর নির্বাচন