banglanewspaper

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (‍সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। এই পরিস্থিতি নির্বাচন পর্যন্ত থাকবে বলে আমি আশা করছি। সিটি নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এই জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

বুধবার (২০ জুন) দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিটি নির্বাচনের উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে সিইসি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এ সময় ইসি সচিব বলেন, খুলনা সিটি নির্বাচন থেকে আমরা অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সেই অভিজ্ঞতা গাজীপুরে কাজে লাগানো হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, গাজীপুর সিটিতে ২৬ জুন নির্বাচন কীভাবে হবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব কী হবে এবং প্রশাসনের ভূমিকা ও পরিকল্পনা কী হবে- সেসব নিয়ে সফল আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময় হয়েছে। আমারা আশা করি, ২৬ জুনের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে পারবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, খুলনায় প্রতিটি কেন্দ্রে এত প্রস্তুতি থাকার পরও কেন ভোট স্টাপিং হলো, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এবার গাজীপুর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য যারা সভায় ছিলেন, তারা কথা দিয়েছেন যে গাজীপুরে সেটা হবে না।

নির্বাচনে আচরণবিধি  ভঙ্গের জন্য বিএনপি প্রার্থী বারবার অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কোথায় আচরণবিধি ভঙ্গ হচ্ছে, সেটা তো বলতে হবে। আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে জানালে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারকে ব্যবস্থা নিতে বলব।

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কেএম আলী আজমের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। এতে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন।

এ সময় পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল মামুন, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ: banglanewspaper সিইসি