banglanewspaper

গ্রাহক হয়রানি ও ভূতুড়ি বিলের অভিযোগে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে (ডিপিডিসি) ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

বরিবার (২৪ জুন) পৃথক দুজন গ্রাহকের অভিযোগের পর গণশুনানি শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এ রায় দেয়। অভিযোগকারী দুজনই রাজধানীর বনশ্রীর বাসিন্দা। 

বনশ্রীর মধ্য নন্দিপাড়া বড় বটতলা ২নং স্কুল রোডের ৮১/২ বাড়ির রনি ইসলামের অভিযোগ, তিনি ২০১৫ সালে তার ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলের সব টাকা পরিশোধ করেছিলেন। নিয়মিত বিদুৎ বিল পরিশোধের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে একটি প্রত্যয়পত্রও দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ২০১৫ সালের সকল বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য ডিপিডিসির পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ। 

কিন্তু ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি তাকে জানানো হয় ২০১৫ সালের মোট ৩ হাজার ৭৭২ ইউনিট বিদ্যুৎ বিল কম জারি হয়েছে। যার জন্য তাকে ৩৮ হাজার ৮১৮ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। সেটা দ্রুত পরিশোধ না করা হলে তার বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে। পরে তিনি ভোক্তা অধিদফতরে একটি অভিযোগ দেন। 

এদিকে বনশ্রীর ব্লক-ই ৪ নম্বর রোডের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান খান মুন্নার অভিযোগ তারা বাসার বিদ্যুৎ বিল প্রতিমাসে ১০০ থেকে ১৩০ ইউনিট খরচ হত। যার জন্য তাকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হত। কিন্তু ২০১৭ সালের জুলাই মাসের তার মিটার রিডিংয়ে ব্যবহৃত ইউনিট শুন্য দেখিয়ে ১২১ টাকা বিল করা হয়। কিন্তু আগস্ট মাসে ৩৬৫ ইউনিট দেখিয়ে বিল করা হয় ২০৫৮ টাকা।  

অথচ তার বিদ্যুৎ বিল ব্যবহারে তেমন কোন পার্থক্য ছিল না। ডিপিডিসির ট্যারিফ হার অনুযায়ী আব্দুল হান্নান খান মুন্না এ এবং বি এর গ্রাহক। যেখানে তার বিদ্যুৎ বিলের ইউনিট প্রতি বিল করা হত ৫ টাকা ১৪ পয়সা। কিন্তু কারচুপি করে তাকে ডি ইউনিটে নিয়ে বিল করা হয় ৫ টাকা ৬৩ পয়সা। 

ঢাকা ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘নশ্রীর দুই বাসিন্দার অভিযোগ পাওয়ার পর তিনবার শুনানী শেষে ডিপিডিসিকে পৃথক ভাবে আড়াই লাখ করে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। 

তিনি বলেন, ‘আমরা মিটার পরীক্ষা থেকে শুরু করে বিলের সকল কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছি। সেখানে ডিপিডিসির বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।’

ট্যাগ: banglanewspaper ডিপিডিসি