banglanewspaper

বিশ্বে স্তন ক্যান্সার মহিলাদের ক্যান্সার জনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারন। সাধারণত ৫০ বছরের বেশী বয়সীদের এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। শুধু মাত্র মহিলাদেরই স্তন ক্যান্সার হয় তা কিন্তু নয়, পুরুষেরও স্তন ক্যান্সার হাওয়ার ঝুকি রয়েছে। এ ক্যান্সারে আক্রান্তের হার প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে আশার কথা হল, প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার সনাক্ত করা গেলে ও নিয়মিত সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত ৯০% রোগীই ৫ বৎসর বা তার বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারেন।

স্তন ক্যান্সার কি?
স্তনের কিছু কোষ যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠে তখন স্তন ক্যান্সার হতে দেখা যায়। পুরুষের থেকে মহিলাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেশি থাকে।

স্তন ক্যান্সারের লক্ষন
১। স্তন কিংবা বগলে চাকা বা দলা অনুভব করা। ঋতুচক্রের সময় অনেক মহিলার ক্ষেত্রে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং ঋতুচক্র পরবর্তী সময়ে তা চলেও যায়, এতে ভয়ের কিছু নেই তবে এই লক্ষণ স্থায়ী হলে তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন। স্তন ক্যান্সার জনিত এ ধরনের চাকা বা দলায় সাধারনত কোন ব্যথা অনুভূত হয় না তবে এক ধরনের খোঁচা লাগে এমন অনুভূতি হতে পারে।
২। হাতের নিচে অর্থাৎ বগলের কোথাও নির্দিষ্ট কোন কারন ছাড়াই ফুলে ওঠা।
৩। স্তনের কোথাও লালচে ভাব কিংবা ব্যথা অনুভব করা।
৪। স্তনের কোন অংশ অস্বাভাবিক ভাবে দেবে যাওয়া।
৫। স্তনের আকার, রঙ, ত্বকের মসৃণতা কিংবা তাপমাত্রায় তারতম্য পরিলক্ষিত হওয়া। স্তনের ত্বকে লালচে আভা এবং কমলা লেবুর খোসার মত অমসৃণতা দেখা দিলে তা এডভান্সড ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের পরামর্ষ নেয়া প্রয়োজন।
৬। স্তনবৃন্তে (Nipple) বিশেষ কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হওয়া, যেমন- স্তনবৃন্ত দেবে যাওয়া, চুলকানি, জ্বালা পোড়া, খুস্কি অথবা ক্ষত কিংবা ঘা এর উপস্থিতি।
৭। স্তনবৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ। এ ক্ষেত্রে স্তনবৃন্ত থেকে পরিস্কার, রক্ত যুক্ত কিংবা অন্ন কোন রঙের পাতলা অথবা আঠালো তরল নিঃসরণ হতে পারে।
৮। চামড়ার নিচে কোন ধরনের গুটি অনুভব করা।

৯। স্তনে এমন যেকোনো ধরনের পরিবর্তন যা দৃশ্যতই অস্বাভাবিক।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি
১. জেনেটিক রিস্ক ফ্যাক্টর- স্তন ক্যান্সার হওয়ার একটি কারণ হলো উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ক্রুটিযুক্ত ‘জিন’। যেসব অস্বাভাবিক জিন স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়, তাদের মধ্যে আছে BRCA1 এবং BRCA2 জিন।

২. পারিবারিক ইতিহাস
• একই পরিবারের দুই বা তার বেশি নিকটাত্মীয়ের স্তনের ক্যান্সার।
• একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অন্যান্য ক্যান্সার- বিশেষ করে মলাশয় ও ভ্রুণকোষের ক্যান্সার, সেইসাথে স্তন ক্যান্সার।
• ৪০ বছরের কমবয়সী একজন নিকটাত্মীয়ের স্তন ক্যান্সার।
• স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত এমন একজন আত্মীয়, যার দুই স্তনেই এ রোগ হয়েছে।
৩. ব্যক্তিগত ইতিহাস
যেসব মহিলার এক স্তনে ক্যান্সার হয়েছে, তাদের অন্য স্তনে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

স্তন ক্যান্সারের অন্যান্য ঝুঁকি
১. সন্তানহীনতা বা বেশি বয়সে সন্তান হওয়া।
২. খুব অল্প বয়সেই ঋতুস্রাব হওয়া কিংবা ঋতুবন্ধ বেশি বয়সে হওয়া।
৩. গর্ভনিরোধক বড়ি ব্যবহার। যারা ১০ বছরের বেশি সময় আগে বড়ি খাওয়া বন্ধ করেছেন তাদের বেলায় সম্ভবত ঝুঁকি নেই।
৪. হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT)।
৫. শিশুকে বুকের দুধ পান না করানো।
৬. অ্যালকোহল ব্যবহার।
৭. স্থূলতা, অধিক চর্বিজাতীয় খাবার ও শারীরিক কর্মহীনতা। ক্যান্সার সংক্রামক রোগ নয় এবং একজনের রোগ আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই।

স্তন ক্যান্সার শনাক্তে যেসব টেস্ট করা হয়-
১. ম্যামোগ্রাম
২. আলট্রাসনোগ্রাম
৩. ফাইন নিডল অ্যাম্পিরেশন সাইটোলজি
৪. নিডল (কোর) বাইয়োপ্সি
৫. এক্সিসন বাইয়োপ্সি

উপরি উক্ত পরীক্ষায় যদি দেখা যায় আপনার স্তন ক্যান্সার হয়েছে, তাহলে চিকিৎসক আরো কিছু পরীক্ষা করে দেখতে চাইবেন ক্যান্সার শরীরের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়েছে কি না। যেমন-

১. লিভার আলট্রাসাইন্ড স্ক্যান
২. হাডের স্ক্যান
৩. সিটি স্ক্যান
৪. এমআরআই স্ক্যান
৫. পিইটি স্ক্যান।

ম্যামোগ্রাম
চল্লিশোর্ধ বয়সী মহিলাদের প্রতি বছর একবার ম্যামোগ্রাম করানো উচিত। যদিও ম্যামোগ্রাম কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সার নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়, তবুও স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে এটি একটি খুব ভালো পদ্ধতি।

ক্লিনিক্যাল ব্রেস্ট এক্সামিনেশন
২০-৪০ বছর বয়সী মেয়েদের প্রতি তিন বছরে একবার কোনো অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে স্তন পরীক্ষা করানো উচিত এবং চল্লিশোর্ধ বয়সী মহিলাদের প্রতি বছর এ পরীক্ষা করানো উচিত।

ব্রেস্ট সেলফ এক্সামিনেশন
২০ বছর বয়স থেকে মেয়েদের নিজের স্তন নিজেই পরীক্ষা শুরু করা উচিত। এর উপকারিতা এবং সীমাবদ্ধতা সম্পর্কেও জানা উচিত। ব্রেস্ট সেলফ এক্সামিনেশন করার সঠিক পদ্ধতি কোনো ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।

ব্রেস্ট বা স্তন ক্যান্সার এর চিকিৎসা:
স্তন ক্যান্সার,ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। বিভিন্ন ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের মধ্যে এর আনুপাতিক হার ১০% যা মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকিস্বরূপ। স্তন ক্যান্সার আক্রমনে নারী জীবন ও কাজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে যা তাদের পরিবারের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়। স্তন ক্যান্সার রোগীদের কিভাবে পর্যালোচনা করা উচিত তা রোগী এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।মডার্ণ ক্যান্সার হাসপাতাল গুয়াংজৌ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শনুযায়ী বায়োইম্যুনোথেরাপি স্তন ক্যান্সার রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি।

স্তন ক্যান্সারের জন্য সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি:
স্তন ক্যান্সারের জন্য সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অপারেশন, রেডিওথেরাপিএবং কেমোথেরাপি।অপারেশন প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার রোগীদের জন্য প্রধান পদ্ধতি। এর মাধ্যমে ক্যান্সার কোষগুলো ধবংস করে রোগী সুস্থ করা হয় । কিন্তু অপারেশনে কিছু নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রথমত,টার্মিনাল স্তন ক্যান্সার বা দুর্বল রোগীদের জন্য ক্যান্সার কোষ এক্সসিসন করার সময়ে কিছু স্বাভাবিক টিস্যু অপসারণ করতে হয়। দ্বিতীয়ত, অপারেশনের সাহায্যে ক্ষুদ্র টিউমারগুলো সরানো যায় না এবং এদের পুনরাবৃত্তি ও জীবানু ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়ে যায়। সুতরাং, অপারেশনের পরে পুনরায় চেক আপ করা উচিত।

রেডিওথেরাপি স্তন ক্যান্সার চিকিত্সায় শুধুমাত্র প্রধান পদ্ধতি নয়, এটি স্থানীয় চিকিৎসার  পদ্ধতির মধ্যে অন্যতম। অপারেশন সাথে তুলনা করলে রেডিওথেরাপি রোগীর শরীরে তেমন উপযোগী নয়।যদিও এর চিকিত্সামূলক ফলপ্রসূতা বায়োলজিক্যাল রে এর উপর নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে রেডিওথেরাপি এর মাধ্যমে টিউমার পুরোপুরি ধবংস করা যায় না।অপারেশন চিকিৎসা  তুলনায় রেডিওথেরাপি কম কার্যকর।সাধারণত বায়োলজিক্যাল ইম্যুনোথেরাপি রেডিওথেরাপির সাথে প্রয়োগ করে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং জটিলতা কমানো হয় যার ফলে আংশিক ক্ষতি হতে পারে ।

রেডিওথেরাপির মধ্যে কেমোথেরাপি একটি পদ্ধতিগত চিকিৎসা যার শক্তিশালী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে।কেমোথেরাপি ফলে অস্থি মজ্জা এর হেমাটোপোইটিক সিস্টেমকে নষ্ট করতে পারে যার ফলে ডব্লিউ বি সি এবং প্লেটলেট কমে যায়। চিকিৎসাগতভাবে , বায়োলজিক্যাল ইম্যুনোথেরাপি হেমাটোপোইটিক সিস্টেমের ক্ষতি কমিয়ে কেমোথেরাপি এর অসুবিধা কমাতে পারে।

স্তন ক্যান্সার চিকিৎসায় বায়োলজিক্যাল ইম্যুনোথেরাপি:
বায়োলজিক্যাল ইম্যুনোথেরাপি টিউমার চিকিৎসায় শুধুমাত্র আধুনিক প্রযুক্তি নয়।এটি সার্জারি, রেডিওথেরাপি এবং কেমোথেরাপি তুলনায় অনেক পরিণত ও বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তি।বায়োলজিক্যাল ইম্যুনোথেরাপি টিউমার কোষকে সরাসরি ধবংস করে ,মেটাস্টিসিস, পুনরাবৃত্তি থেকে রোধ করতে পারে, এবং জীবনযাপনের মান উন্নত করে।বায়ো ইম্যুনোথেরাপি মাধ্যমে রোগীর রক্ত সংগ্রহ করে,ইমিউনোলজিক সেল (ডিসি-সিআইকে) তৈরি করে যা টিউমার কোষকে চিহ্নিত করে ধবংস করতে সাহায্য করে।তারপর এই সংগৃহীত রক্ত রোগীর শরীরে পুনরায় প্রবেশ করিয়ে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে টিউমার সেলগুলোকে নষ্ট করা হয়।

এদিকে, সমন্বয় চিকিৎসা বায়োইম্যুনোথেরাপি প্রযুক্তি , আধুনিক সার্জারি, কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি ক্যান্সার চিকিত্সায় শক্তিশালী প্রভাব বিস্তার করে। যা শুধুমাত্র অবশিষ্ট ছোট ক্ষতকে সরায় না বরং এর পুনরাবৃত্তি এবং টিউমার স্থানান্তরণ হওয়া থেকে রোধ করে।এরফলে রোগীর রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে।

বর্তমান সময়ে বায়োলজিক্যাল বায়োইম্যুনোথেরাপি কোন আঘাত বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া এবং ভাল ফলাফলের সঙ্গে টিউমার রোগীদের কাছে গ্রহনযোগ্য হয়েছে।যা শুধুমাত্র সবচেয়ে সক্রিয় এবং প্রতিশ্রুতিশীল থেরাপি বলে সমস্ত স্তন ক্যান্সার চিকিত্সা পদ্ধতির মধ্যে মনে করা হয় কিন্তু এর কার্যকারীতা হল জীবনের মানকে বৃদ্ধি করা।

স্তন ক্যান্সার চিকিৎসায় ফলোআপ
স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা শেষ হলে স্বস্তি বোধ হয় তবে ক্যান্সার আবার ফিরে আসার দুঃশ্চিন্তা থাকে। চিকিৎসা শেষ হয়ে গেলে নিয়মিত ফলোআপ ভিজিটে আসা উচিত। এসব ভিজিটে ডাক্তার কোনো উপসর্গ আছে কি না জানতে চাইবেন, শারীরিক পরীক্ষা করবেন এবং প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে, ম্যামোগ্রাম ও সিটিস্ক্যান করতে উপদেশ দেবেন। ক্যান্সার ফিরে এসেছে কি না বা ছড়িয়ে গেছে কি না তা জানার জন্য ফলোআপ প্রয়োজন। প্রথম দিকে এ ভিজিটগুলো তিন-চার মাস অন্তর হয়ে থাকে। তারপর রোগীর অবস্থার ওপর নির্ভর করে ফলোআপের সময় বাড়িয়ে দেয়া হয়।

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়াতে
স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়াতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন।

১। ভুল সাইজের বক্ষবন্ধনী ব্যবহারঃ স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করুন। কেননা নয়তো এটি আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকখানি। স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলো কেটে ফেলতে পারে।

২। বক্ষবন্ধনী সারাক্ষণ পরে থাকাঃ সারাক্ষণ বক্ষবন্ধনী পরে থাকার কারণে ঘাম নির্গত হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। ঘরে থাকার সময়টুকুতে বক্ষবন্ধনী ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

৩। লেবেল না দেখে ডিওডোরেন্ট কেনাঃ আজকাল কর্মজীবী নারী হোক বা শিক্ষার্থী সারাদিনের বাইরে থাকা আর সেই সাথে ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাইই! এতে নিজের ফ্রেশ ভাবটা যেমন বজায় থাকে তেমনি ঘামের গন্ধের কারণে অন্য কারো সামনেও বিব্রত হতে হয় না। কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ায়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই কোন কোম্পানির পণ্যটি ব্যবহার করবেন তা আগে একজন স্কিন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নিন।

৪। ন্যাপথলিনের ব্যবহারঃ আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনের সিঙ্কেও ফেলে রাখেন কয়েকটি। কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে ১০০ মাইল দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়ায় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

প্রাথমিক অবস্থায় স্তন ক্যান্সার শনাক্ত হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নিরাময় সম্ভব। সুতরাং স্তন ক্যান্সার মানেই নিশ্চিত মৃত্যু নয়।

ট্যাগ: banglanewspaper স্তন ক্যান্সারে