banglanewspaper

মোহাম্মদ রনি খাঁ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়: মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধ করা, বাধ্যতামূলকভাবে ভাতা হতে থাকা-খাওয়া বাবদ খরচ কর্তন না করে শুধুমাত্র যারা হোস্টেলে থাকবে তারা যেন আলাদাভাবে পরিশোধ করতে পারে, সে ব্যবস্থা করাসহ মোট ৬টি দাবিতে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য শুরু হওয়া কর্মবিরতির আজ বৃহস্পতিবার (৫জুলাই) দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত করেছেন সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা।

কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে হাসপাতালে রোগীদের হয়রানি লক্ষ্য করা গেলেও কোন ধরনের পদক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে এখনো কোন ধরনের পদক্ষেপ বা সদুত্তর না মেলায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি চালু রেখেছেন। ৫জুলাই দ্বিতীয় দিনে এসে ৬২ জন নব্য ইন্টার্নদের সাথে ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে যুক্ত হয়েছেন ৩২ জন ট্রেইনি মেডিকেল অফিসার (টিএমও)। ছয় দফা দাবিতে আজ (বৃহস্পতিবার) চিকিৎসকরা হাসপাতাল পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেন তাঁরা।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ডা. লায়লা পারভিন বানু জানান, ‘আমি জানি না তারা কেন কর্ম বিরতিতে রয়েছেন। তাদের বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে যদি তারা আন্দোলন চালিয়ে যান, তবে সেটা হবে অন্যায়।’

প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা সেমিস্টার ফি বাড়ানো হলেও সেই ২০১২ সাল থেকে ভাতার পরিমাণ রয়ে গেছে ৪৫০০ টাকা। বর্তমান সময়ে একজন চিকিৎসক কিভাবে ৪৫০০ টাকা দিয়ে এক মাস চলবে, তা বারবার বুঝানোর চেষ্টা করা হলেও কর্তৃপক্ষ শুনতে অথবা কোনো ব্যবস্থা নিতে রাজি নন।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে বিরত থাকবেন ইন্টার্ন ডাক্তারেরা। তবে ইমার্জেন্সিতে কোন রোগী আসলে তাদের সকল প্রকার সেবা নিশ্চিত করছেন তাঁরা।

এদিকে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, নার্সদের সহায়তায় চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। শুক্রবার কোন মেডিকেল অফিসার থাকবেন না। যদি কালকেও ইন্টার্নরা কর্মে যোগদান না করেন, তাহলে বিপাক অবস্থায় পড়তে পারেন চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশীরা।

ট্যাগ: banglanewspaper গণস্বাস্থ্য মেডিকেল