banglanewspaper

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় স্থানীয় এক ঝাঁড়–দারের দাপটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন উপ-সহকারি এক ভ’মি কর্মকর্তা। ফলে ওই ঝাঁড়–দারের প্রবল দাপটের কারনে ভ’মি কর্মকর্তাকে এখন কিছুটা নিরাপত্তাহীন অবস্থাঢ থাকতে  হচ্ছে। এলাকায় আলোচিত এই ঘটনাটি জেলার পোরশা উপজেলার গাংগুরিয়া ছাওড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ভ’মি অফিসের এম এল এস এস রিয়াদুল ইসলাম মানিকের সাথে  গত ৩ জুলাই দুপুর ১২ টার দিকে উৎকোচের টাকা ভাগবাটোয়ারা  নিয়ে ঝাঁড়–দার সাইদুর রহমানের বিরোধ বাধে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক-বিতন্ডা চলতে থাকলে এই অফিসের উপ-সহকারি ভ’মি কর্মকর্তা আতাউর রহমান এটি মিমাংসার চেষ্টা করেন।

এ সময় কর্মকতা আতাউর রহমানের কথা না শুনে উল্টো তার সাথে র্দুব্যবহার করলে তিনি ঝাঁড়– দেবার পর সাইদুর রহমানকে অফিসে না থাকার নিদের্শ দেন। এরই প্রেক্ষিতে সাইদুর রহমান ভুমি কর্মকর্তা আতাউর রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে এখানে আর চাকুরী করতে দিবেননা বলে জানিয়ে দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ জুলাই দুপুরে সাইদুর রহমানের পরিবারের লোকজন, আত্নীয় স্বজনসহ তার পক্ষের প্রায় অর্ধ শতাধিক লোকজন ভুমি অফিসে আসেন। তারা ভুমি কর্মকর্তাকে উতপ্ত ভাষায় গালিগালাজসহ ঝাড়–দারকে অফিসে থাকার অনুমতি দানের জন্য চাপ সৃষ্টি করেন সেইসাথে  ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তার অপসারন দাবী করেন। এই অবস্থায় খবর পেয়ে পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফিরোজ মাহমুদ ঘটনাসএল এসে  পরিস্থিতি শান্ত করেন। 

এ বিষয়ে ঝাড়–দার সাইদুর রহমান জানান, আমি আতাউর স্যারের সাথে কোন দূর্ব্যবহার করিনি। একটা ছোট্ট ঘটনা অনেক বড় হয়েগেছে। এব্যাপারে আমি কিছু জানিনা।

ভুমি কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, উতপ্ত পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি। তিনি এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। 

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফিরোজ মাহমুদ বলেন, আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং উদ্ভুত পরিস্থিতির সুষ্ঠ সমাধানের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। এখন ওই ভুমি অফিসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, উদ্ভুত পরিস্থিতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হবে।

ট্যাগ: banglanewspaper নওগাঁ