banglanewspaper

মো রবিউল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া  সীমান্তবর্তি এলাকা হওয়ার সুবাদে মাদকের সহজলভ্যতা লক্ষনীয়। সকল শ্রেনি পেশার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে  এবং দিনদিন এর  বিস্তারলাভ হচ্ছে।। পুলিশ সহ আইনশৃংখলা বাহিনীর পর্যাপ্ত আন্তরিকতার অভাবে যখন তেঁতুলিয়া মাদকের কড়ালগ্রাসে, ঠিক সেই মুহুর্তে আশার আলো নিয়ে আসে ড্রাগস ফ্রি বাংলাদেশ (ডিএফবি) নামের একটি মাদক বিরোধী সংগঠন।

২০১৪ সালে এলাকার কিছু যুবককে সাথে নিয়ে মাদক নিয়ে কাজ করতে শুরু করে সংগঠনটি। সমাজে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে, মাদক বিরোধী র‍্যালী, পথসভা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী দের নিয়ে মতবিনিময়, মাদক বিরোধী পোস্টার লিফলেট বিতরন সহ নানাবিধ কাজ করে আসছে সংগঠনটি।

শুধু তাই নয় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়িদের আটক করতেও প্রশাসন কে সহায়তা করে আসছে ডিএফবি।

বিভিন্ন বাধা আর প্রাননাশের হুমকি উপেক্ষা করে  দেশপ্রেমের মহান ব্রত নিয়ে কাজ করা সংগঠনটি আজও পায়নি কোন রাজনৈতিক কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগীতা।। এরপরও মাদকমুক্ত বাংলাদেশের দাবী নিয়ে সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে অবিরাম ছুটে চলেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি মাদক বিরোধী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মহোদয়, মাদক নিয়ন্ত্রনে বিশেষ অবদানের জন্য, সংগঠনটি কে মহাত্মা গান্ধী পিস এ্যাওয়ার্ড দিয়ে  ভূষিত করে।

ড্রাগস ফ্রি বাংলাদেশ (ডিএফবি) এর  প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আতিকুজ্জামান শাকিল বলেন , মাদক বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। সংশ্লিষ্ট দফতর গুলোর আন্তরিকতা  সেই সাথে সচেতনতার অভাবে দেশ মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে। দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কিছু কর্তব্য রয়েছে, সে লক্ষেই আমরা কাজ করছি।। শুরুতে অসহযোগীতা থাকলেও বর্তমানে আমরা সর্বমহলের সহযোগীতা পাচ্ছি।। আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় কে, সেই সাথে বর্তমান সরকারের "চলো যাই যুদ্ধে -মাদকের বিরুদ্ধে" এই অভিযান কে। তবে শুধুৃমাত্র সরকারের পক্ষে দেশে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়, এযুদ্ধে জয়ী হতে হলে জনগনকেও একযোগে কাজ করতে হবে।

ট্যাগ: banglanewspaper তেঁতুলিয়া