banglanewspaper

এম. ডি. ইউসুফ, স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি: নেছারাবাদে বিভিন্ন আইনে চারটি ডায়গনস্টিক সেন্টার, দুইটি ক্লিনিক, চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দুটি ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি, হাসপাতালের খাবার কন্ট্রাকটর এবং হাসপাতালে দালাল চক্রের দুইজন জেল-জরিমানা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

১১ জুলাই (বুধবার) সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে জগন্নাথকাঠী বন্দরের ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ দন্ড প্রদান করেন। ভোক্তা অধিকার আইনে ডায়গনেস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক গুলোতে পর্যাপ্ত বেড, নিজস্ব ডাক্তার না থাকা, সার্টিফিকেট বিহীন টেকনিশিয়ান এবং অপরিস্কার থাকার কারনে স্বরূপ ডায়গনস্টিক সেন্টারকে ৩০,০০০/- টাকা, নোভা ডায়গনেস্টিক সেন্টারকে ৪০,০০০/- টাকা, মেডিপ্রাইম ডায়গনেস্টিক সেন্টারকে ২০,০০০/- টাকা, নেছারাবাদ ডিজিটাল ল্যাবকে ১৫,০০০/- টাকা, মেডিপ্রাইম ক্লিনিককে-৪০,০০০/- এবং এপেক্স হেলথ ক্লিনিককে ১,০০,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। 

এসময় ভোক্তা অধিকার আইনে ঔষধ কোম্পানির দুই প্রতিনিধি মোঃ ফয়েজ (স্কয়ার) ১৫০০০/- টাকা এবং মোঃ আলমগীর (পপুলার)কে ১৫০০০/- টাকা, হাসপাতালের রোগীদের নি¤œমানের খাবার পরিবেশন করায় কন্ট্রাকটর মোঃ সোহাগকে ২০,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। হাসপাতালে দালাল চক্রের মোসাঃ মেরী বেগম ও মোঃ আসলামকে ৭ দিনের জেল দেন। 

একই দিনে জগন্নাথকাঠী বন্দরের চাল ব্যবসায়ীরা পাটজাত মোড়কের পন্যে ব্যবহার না করায় চাল ব্যবসায়ী মিঠুন সাহাকে ২২,০০০/- টাকা, গোপাল সাহাকে ৫০,০০০/- টাকা, জহরলাল সাহাকে ৫০,০০০/- এবং মোঃ রফিককে ১০,০০০/- টাকা জরিমানা করেন। সর্বমোট চার লক্ষ সাতাস হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও দালাল চক্রের দুইজনকে ৭ দিনের কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। 

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ভ্রাম্যমান আদালতের খবর পেয়েই আগে থেকে বন্ধ করে পালিয়ে যায় লাইফ ডায়গনেস্টিক সেন্টারের কর্মকর্ত-কর্মচারীরা এবং নামে বে-নামে গজিয়ে ওঠা ঔষধ কোম্পানীর (পট) প্রতিনিধিরা রয়ে গেল ধরা ছোয়ার বাইরে।

আদালত পরিচালনা করেন, ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও নেছারাবাদ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ কাওছার হোসেন। এসময় বরিশাল র‌্যাব-৮ এর এ.এস.পি মুকুর চাকমা এর একটি টিম উপস্থিত ছিল। 

ট্যাগ: banglanewspaper স্বরূপকাঠী