banglanewspaper

হবিগঞ্জের মাধবপুরে লিজা আক্তার নামের এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি তাকবির হাসান (২০)। তিনি জানিয়েছেন, প্রেমিকার সঙ্গে তাকে দেখে ফেলায় শিশুটিকে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহ বাঁশঝাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

গতকাল রোববার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝুমু সরকারের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তাকবির হাসান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওসি আব্দুল আহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তাকবিরের সঙ্গে একই গ্রামের এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক চলাকালীন একদিন সন্ধ্যায় তারা দেখা করতে গেলে নিহত শিশু লিজা আক্তার (৯) তাদের দেখে ফেলে। সে ঘটনাটি তার মাকে জানিয়ে দেয়। এরপর থেকে মেয়েটির সঙ্গে তাকবিরের প্রেমে বিচ্ছেদ হয়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত বছরের ২১ জুলাই শিশু লিজাকে গলা টিপে হত্যা করেন তাকবির। পরে তার মরদেহ বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে রেখে আত্মগোপনে চলে যান। মরদেহ উদ্ধারের পর লিজার বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

নিহত শিশু লিজা আক্তারের বাড়ি মাধবপুর উপজেলার আইলাবই গ্রামে। আসামি তাকবির ওই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, শিশু লিজা আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের পাঁচ মাস পর শনিবার (২৩ জুলাই) প্রধান আসামি তাকবির হাসানকে খুলনার খালিশপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তিনি ঘটনার পর খুলনায় পালিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজ নেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

ট্যাগ: হত্যা

সিলেট
নদীতে ভাসছে ঢাবির ৫০ শিক্ষার্থী-বিসিএস ক্যাডারসহ শতাধিক মানুষ

banglanewspaper

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার এলাকায় বন্যার পানিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থী আটকে পড়েছেন। তারা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের কাছে আকুতি জানিয়েছেন।

জানা যায়, শনিবার (১৮ জুন) দুপুর দুইটার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স থেকে কপোতাক্ষ অনির্বাণ ট্যুরিজম বোট'' নামের লঞ্চে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ জন ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীসহ শতাধিক শিক্ষার্থী সিলেট শহরের দিকে রওনা করেন। কিন্তু রাত সাড়ে আটটার দিকে তারা সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর চরে আটকা পড়েন।

সেখান থেকে ইউল্যাব এর শিক্ষার্থী মালিহা ওয়াদুদ জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার বেড়ি বাঁধের সামনে বন্যার পানিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী, ৩৮তম বিসিএস ক্যাডার, মেডিকেল শিক্ষার্থীসহ ১১০ জনকে নিয়ে একটি বোট সকাল থেকে আটকা পড়ে আছে। সবার মোবাইলের চার্জ শেষ। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

আটকে পড়া অপর এক শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকে জানান, রাত হয়ে গেছে। এখানে খুব অন্ধকার। চারিদিকে পানি আর পানি। আমরা সেনাবাহিনীকে বলেছি। কিন্তু কেউ ঠিকমতো সাহায্য করতে পারছে না। প্রচুর বৃষ্টিও হচ্ছে। এই রাতে সবাই জীবন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছি। জরুরি ভিত্তিতে আমাদের উদ্ধার করার আহ্বান জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা তাদেরকে উদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা করছি। ওখানকার প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে।

ঢাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর জানান, তাদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর একটি টিম কাজ করছে।

ট্যাগ:

সিলেট
সিলেটে জ্বালানি সংকট, বন্ধ হচ্ছে পাম্প

banglanewspaper

সিলেটের পাম্পগুলোতে কয়েকদিন ধরে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রথমদিকে তেল মজুদ থাকায় সংকট কিছুটা কম হলেও মজুদ ফুরিয়ে আসায় সিলেটজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বেশিরভাগ পাম্পে মিলছে না অকটেন। একই চিত্র নগরীতেও। ফলে শতাধিক পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে দ্রুত জ্বালানি তেলের সংকট সমাধান না হলে লাগাতার ধর্মঘট পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিলেটের পাম্প মালিকরা।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নগরের কয়েকটি পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, পাম্পগুলোতে অকটেন নেই। এ সময় অনেককে তেল না নিয়েই ফিরতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার অকটেন না পেয়ে পেট্রোল নিয়ে যাচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় পেট্রোলও মজুদ না থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা মিটাতে পারছে না পাম্পগুলো।

সিলেট নগরের মদিনা মার্কেট এলাকার সিএনজি ও নর্থ ইস্ট ওয়েল পাম্পের ম্যানেজার স্বপন কুমার দত্ত জানান, তিন চারদিন থেকে কোম্পানিগুলো অকটেন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। প্রথদিকে মজুদকৃত তেল দিয়ে সংকট কাভার করা গেলেও এখন মজুদও ফুরিয়ে গেছে। ফলে আমরা অকটেন সরবরাহ বন্ধ রেখেছি। এভাবে চলতে থাকলে পাম্প বন্ধ করে দিতে বলেও জানান তিনি।

পাম্প মালিকরা জানান, চাহিদার তুলনায় তেল সরবরাহ কম হওয়ায় বিভাগের ১১৪টি পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে নিরবচ্ছিন্ন রেলের তেলবাহী ওয়াগন না আসায় এবং সিলেটের গ্যাস ফিল্ডগুলোর খনি থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন বন্ধ রাখায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্ঠি হয়েছে।

আগামী রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে তেল সংকটের সমাধান না হলে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিষদের নেতারা। এর আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের গত ২৭ ডিসেম্বর ধর্মঘটের ডাক দিলেও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ২৬ ডিসেম্বর ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেন নেতারা।

সূত্র জানায়, সিলেট বিভাগের চার জেলায় ১১৪টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট মহানগরীতে ৪৫টি ও জেলায় ৭০টি পাম্প রয়েছে। বর্তমানে সিলেটে প্রতিদিন ১০ লাখ লিটারেরও বেশি জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর তুলনায় প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার তেল আসছে।

সূত্র আরও জানায়, তেল সরবরাহের জন্য প্রথম পর্যায়ে ২৪টি ওয়াগন দিলেও পরে তা কমিয়ে ২০টি করা হয়েছে। ফেঞ্চুগঞ্জের রেল দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম থেকে বর্তমানে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত রেলের ২০টি ওয়াগন আসছে। শায়েস্তাগঞ্জে আসার পর ১০টি করে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এ কারণে তেল পরিবহণে বেশি সময় লাগছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ চৌধুরী জানান, আমাদের সমস্যার কথা একাধিকবার জেলা প্রশাসনকে জানালেও তারা আমাদের কথা রাখেননি। এমনকি তাদের আশ্বাসে আমরা ধর্মঘট স্থগিত করেছি। আমাদের কাছ থেকে জেলা প্রশাসক মহোদয় সময় নিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, ব্যক্তিস্বার্থের কারণে সিলেটের গ্যাস ফিল্ডের খনি থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। পূর্বে সাপ্তাহে ৩ রেক তেল আসলেও এখন আসে ১ রেক তেল। যা সিলেটের চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সিলেটের চাহিদা সাড়ে ৫ লাখ লিটার তেল সিলেট বিভাগে। এর মধ্যে বর্তমানে সিলেট বিভাগের ১১৪টি পাম্পে বিতরণ করা হয় প্রায় ১লাখ লিটার তেল। 

তিনি আরও বলেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জের গ্যাস ফিল্ড থেকে তেল উৎপাদন বন্ধ করে রেখেছে একটি চক্র। তেল বিক্রি না করায় এই গ্যাস ফিল্ড থেকে সরকারের প্রায় আড়াই থেকে ৩ কোটি টাকার তেল নষ্ট হচ্ছে।

ট্যাগ:

সিলেট
সাকিবকে হত্যার হুমকি: স্ত্রীর সহযোগিতায় গ্রেফতার মহসিন

banglanewspaper

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে হত্যার হুমকি দিয়ে সিলেট থেকে সুনামগঞ্জে পালিয়ে ছিলেন মহসিন তালুকদার। লুকিয়ে ছিলেন জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের রনসি গ্রামের একটি বাড়িতে। ওই বাড়িটি তার ভায়রার। সেখান থেকেই আজ মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে র‌্যাব তাকে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব-৯-এর জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ রাসেল বলেন, মহসিন সুনামগঞ্জে লুকিয়ে আছেন, এই খবর পেয়ে সোমবার রাতেই তিনটি দল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযানে নামে। সুনামগঞ্জে থাকা তার বিভিন্ন আত্মীয় ও পরিচিত ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। সিলেট থেকে তার স্ত্রী ও ওই এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সুনামগঞ্জে আনা হয়। স্ত্রীও মহসিনকে ধরতে সহায়তা করেন। মঙ্গলবার সকালে একপর্যায়ে স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন মহসিন।ওই ফোনের সূত্র ধরেই তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় র‌্যাব। পরে রনসি গ্রামের ওই বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর মহসিনকে সিলেট র‌্যাব কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

মহসিন তালুকদার সিলেট সদর উপজেলার শাহপুর তালুকদারপাড়া গ্রামের আজাদ বক্স তালুকদারের ছেলে। মহসিন একসময় ব্যবসা করলেও করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে বেকার।

গত শনিবার রাত ১২টার দিকে তিনি তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে আসেন। সম্প্রতি কলকাতায় কালীপূজার একটি অনুষ্ঠানে সাকিবের উপস্থিতির কারণে তাকে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেন এই যুবক। এরপর রবিবার ভোর ছয়টার দিকে আবারও লাইভে এসে আগের ভিডিওর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সাকিব আল হাসানকে জাতির উদ্দেশে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে গতকাল কলকাতায় পূজার আয়োজনে অংশ নেওয়া এবং এক ভক্তের মোবাইল ভাঙার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ভিডিও বার্তা দেন সাকিব।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে জালালাবাদ থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব মোর্শেদ বাদী হয়ে মহসিন উদ্দিনকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন।

সুনামগঞ্জ থেকে মহসিনকে গ্রেফতারের সময় র‌্যাব-৯-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু মুসা মোহাম্মদ শফিউর রহমান, র‍্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম, র‌্যাবের সুনামগঞ্জ কোম্পানির কমান্ডার ফয়সল আহমদ, একই কোম্পানির জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

সিলেট
লাউয়াছড়া ও মাধবকুণ্ড খুলছে আজ

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ থাকার পর আজ রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও কমলগঞ্জ উপজেলায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজারের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রেজাউল করিম বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় ৭ মাস লাউয়াছড়া উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত পর্যটকদের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এখন আবার পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকরা আজ থেকে মাধবকুণ্ড ও লাউয়াছড়া যেতে পারবেন।

সরকারি নির্দেশে গত ১৯ মার্চ থেকে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অবস্থিত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত ও কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল।  

ট্যাগ:

সিলেট
ধর্ষকদের ধরতে সিলেট সীমান্তে কড়া নজরদারি

banglanewspaper

সিলেট এমসি কলেজে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার মধ্যেই এ মামলায় প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান ও ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ থেকে সাইফুর ও হবিগঞ্জ থেকে অর্জুনকে গ্রেফতার করা হয়।  এদিকে ধর্ষকরা যাতে কোনোভাবে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য সিলেটের সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি জারি করা হয়েছে। 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান শুরু হয়।  গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জের ছাতকে অভিযান চালানো হয়।  এ সময় গ্রেফতার হয় ধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে হেফাজতে নেবে সিলেটের শাহপরান থানা পুলিশ।

একই সময়ে হবিগঞ্জের মাধপুরের মনতোলা সীমান্ত এলাকায়ও অভিযান চালায় পুলিশ।  এ সময় গ্রেফতার হয় মামলার ৪ নম্বর আসামি আরেক ছাত্রলীগ নেতা অর্জুন লস্কর।  সেখান থেকে তাকে নেয়া হয় সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে।

এদিকে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, সহযোগীসহ বাকি সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি আমরা।  ধর্ষণের অপর অভিযুক্তদের পালানো ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি জারি করা হয়েছে।

এদিকে গণধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসা চলছে।  শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামীকে নিয়ে এমসি কলেজে ঘুরতে গিয়েছিলেন ওই তরুণী।  সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সাইফুরসহ ছাত্রলীগের কয়েকজনের বিরুদ্ধে।  খবর পেয়ে ওই তরুণী ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে শাহপরান থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ৯ জনকে আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা করা হয়। এছাড়া শুক্রবার রাতে ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে পাইপগানসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায়ও মামলা করে পুলিশ। ওই মামলায়ও প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছে সাইফুরের নাম।  

ট্যাগ: