banglanewspaper

ধরলা ও তিস্তার পতিত বালু চরে এ বছর আলু চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন কুড়িগ্রামের আলু চাষিরা। ফলন ভাল হবার পাশাপাশি দাম ভাল পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। সেই সাথে বালু চরে আলুর চাষ সম্প্রসারণের ফলে কর্মসংস্থান হয়েছে স্থানীয় বেকার দিন মজুরদের। 


কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, ফসল ফলানোর অনুপযোগী হওয়ায় জেলার চরাঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমি পতিত থাকতো। বর্ষার পর কাঁশবন ও গবাদি পশুর চারণভূমি ছিল এসব অনাবাদি জমি। কিন্তু গত কয়েক বছর বালুকাময় এসব পতিত জমিতে শুরু হয়েছে নানা ফসলের চাষ। কলা, ডাল ও ভুট্রার পাশাপাশি ধরলার চরে এ বছর হয়েছে ব্যাপকভাবে আলুর চাষ। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে একরের পর একর জমিতে আলু চাষের ফলে বদলে গেছে এসব এলাকার আর্থ-সামাজিক চিত্র। এবার প্রতি একর জমিতে প্রায় ৩১০ মণ আলুর ফলন হয়েছে। কোন কোন জমিতে একটি আলুর ওজন হয়েছে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত। দাম জাতভেদে প্রতি কেজি ১০-১১ টাকা। এতে উৎপাদন খরচের প্রায় দ্বিগুন লাভ হচ্ছে কৃষকদের। 


সরেজমিন মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলার চর হলোখানায় গিয়ে দেখা যায়, কৃষি মজুররা ব্যস্ত জমি থেকে আলু তোলার কাজ নিয়ে। জমি ভরে আছে আলুতে। এ বছর চরের জমিতে ডায়মন্ড ও ষ্টারিক জাতের আলুর চাষ হয়েছে বেশী। এখানে বাণিজ্যিকভাবে আলুর চাষ করা কৃষক সদর উপজেলার শিবরাম গ্রামের আসাদুজ্জামান জানান, তিনি চরের কৃষকদের জমি লিজ নিয়ে এ বছর এই চরের ৪০ একর জমিতে আলুর চাষ করেছেন। একই ভাবে পাশর্^বর্তী সারোডোব চরে হাবিবুর রহমান ১৬ একর, বাবুল আখতার ৪০ একর, কাগজি পাড়ার চরে ওহাব আলী ৩২ একর, কাচির চরে আব্দুল লতিফ ৩৭ একরসহ অনেকেই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করেছেন আলুর। চরের জমিতে আলুর চাষ সম্পর্কে কৃষক আসাদুজ্জামান জানান, এসব জমিতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ গুণ সেচ এবং জৈব ও রাসায়নিক সার বেশী প্রয়োগ করতে হয়। তাতে ফলন বাড়ে। জমি ভাড়া ও মজুরের মজুরি কম থাকায় উৎপাদন খরচও কম পড়ে। পরিবহন ব্যবস্থার জন্য নৌকা ও ঘোড়ার গাড়ির উপর মুলত নির্ভর করতে হয়। তিনি জানান, চরের এসব জমি বছরে ৪-৬ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে আলু ছাড়াও ভুটার চাষ করা যায়। কেউ কেউ অবশ্য শুধু আলু চাষের জন্য জমি লিজ নেন। পতিত থাকার চেয়ে বছরে কয়েক হাজার টাকা হাতে পেয়ে খুশি চরের দরিদ্র কৃষকরা। সারোডোব চরের কৃষক মজিবর রহমান ও কাছু ফকির জানান, লিজের টাকা পাবার পাশাপাশি তারা আলুর চাষ কৌশলও শিখে নিচ্ছেন হাতে কলমে। 


স্থানীয় দিন মজুররা জানান, এলাকায় কাজ না থাকায় বছরের কয়েক মাস বেকার থাকতে হতো। কেউ কেউ কাজের সন্ধানে চলে যেতেন অন্য জেলায়। কিন্তু বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আলু চাষের ফলে বছরের কয়েক মাস নারী ও পুরুষ মজুরদের হাতে কাজ থাকায় বেকারত্ব ঘুচে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। হলোখানার চরের দিনমজুর এনামুল ও আশরাফুল জানান, আগে বন্যার পর পরই কাজের সন্ধানে ঢাকা, কুমিল্লা, চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় যেতে হতো। এখন তারা বছরের অন্ত: ৬ মাস দৈনিক ১৮০-২০০ টাকা মজুরিতে নিয়মিত কাজ পাচ্ছেন। এমনকি নারী মজুর কাজ করে দৈনিক ১২০ টাকা আয় করে সংসারে এনেছেন স্বচ্ছলতা। নারী মজুর আছিয়া বলেন, ‘এই সময়টা কোন কাজ কর্ম ছিলনা। এই আলুর প্রজেক্ট করিয়া হামরা করি মিলি খাবার নাগছি’। 


চরে আলুর চাষের কারণে বেড়ে গেছে ঘোড়ার গাড়ির কদর। কারণ চর থেকে আলু পরিবহন করতে ঘোড়ার গাড়ি ছাড়া উপায় নেই। ঘোড়ার গাড়ির চালক হেলাল, আনিছুর ও আব্দুল জব্বার জানান, তারা এই মৌসুমে চর থেকে হিমাগারে আলু পরিবহন করছেন। এখন পর্যন্ত জনপ্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ও করেছেন। তারা জানান, চরে এখন কয়েকশ ঘোড়ার গাড়ি চলছে। কর্মসংস্থানও হয়েছে অনেকের। চরে আলু চাষ সম্প্রসারণের ফলে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ বাড়ছে। আর এ কারণে হিমাগার মালিকরাও তাদের হিমাগারে সংরক্ষণের জন্য অনায়াসে আলু পাচ্ছেন। কুড়িগ্রামের হক হিমাগার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পনির উদ্দিন জানান, এ বছর চরে ব্যাপকভাবে আলুর চাষ ও ফলন ভাল হওয়ায় তাদের হিমাগারের দেড় লাখ বস্তা ধারণ ক্ষমতার পুরোটাই পূরণ হবার পথে। 


তবে চরে আলু চাষের সমস্যা হিসেবে উঁচু নিচু জমিতে সেচ, আগাছার পরিমাণ বেশী ও পরিবহন সমস্যাকে প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখছেন। 
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় এ বছর ৬ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৮০০ হেক্টর বেশী। এর পুরোটাই চাষ হয়েছে চরাঞ্চলে। প্রতি হেক্টরে গত বছরের চেয়ে ৫ মে. টন বেশী আলুর ফলন হয়েছে। গত বছর হেক্টওে ২০ মে. টন গড় ফলন হলেও এবার ২৪-২৫ মে. ট নপর্যন্ত ফলন হচ্ছে। 


কুড়িগ্রামের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো: মকবুল হোসেন জানান, চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও সেচের জন্য ফিতা পাইপের সরবারহ করা গেলে আলুসহ অন্যান্য ফসল চাষে বিপ্লব ঘটে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে ।

ট্যাগ:

সারাবাংলা
আবারও বুড়িগঙ্গা-তুরাগে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

banglanewspaper

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আজ মঙ্গলবার থেকে আবারও অভিযানে নামছে বিআইডব্লিউটিএ। এটি হবে চলমান অভিযানের দ্বিতীয় পর্ব।

আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত চারটি পর্যায়ে মোট ১২ দিন এ অভিযান চলবে। তবে রাজধানীর পশ্চিম হাজারীবাগে হাইক্কার খালের কাছে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগের সংযোগস্থলে বছিলা এলাকায় অবৈধভাবে নির্মিত আলোচিত ১০ তলা ভবনটি এবারের অভিযানের উচ্ছেদ তালিকার শীর্ষে থাকলেও এ নিয়ে এখন অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

অভিযানের প্রথম দিন আজই ভবনটি ভাঙার কথা ছিল। তবে রাজউকের সাড়া না মেলায় এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, মালিকপক্ষের দাবি, ভবনটি নদীর সীমানার মধ্যে পড়েনি। বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশলীরাও একই মত দিয়েছেন। তবে ভবনটি রাজউকের অনুমোদন ছাড়া নির্মিত হওয়ায় এটি ভাঙার দায়িত্ব ওই সংস্থার ওপরই বর্তায়। এ কারণেই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএ থেকে ভবনটি ভেঙে ফেলার বিষয়ে রাজউকের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল।

জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে আজ মঙ্গলবার শুরু হয়ে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অভিযান চালানো হবে। আজ সকাল ৯টায় বছিলার নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গার তীরে হাইক্কার খাল ও তুরাগের তীরে চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকা থেকে অভিযান শুরু হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২ থেকে ১৪ মার্চ, তৃতীয় পর্যায়ে ১৯ থেকে ২১ মার্চ এবং চতুর্থ পর্যায়ে ২৫, ২৭ ও ২৮ মার্চ বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ তীরের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও অপসারণ করা হবে। বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম পর্বের তালিকা ধরেই এ অভিযান চালানো হবে।

এর আগে ২৯ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম পর্বের উচ্ছেদ অভিযান চলেছে। চার পর্যায়ে মোট ১২ দিন বুড়িগঙ্গা ও তুরাগের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এ অভিযান চালানো হয়।

ট্যাগ:

সারাবাংলা
অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় ৪ জনকে আটক

banglanewspaper

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় ৪ জনকে আটক করেছে। ধামইরহাট থানার এস.আই পিযুষ কান্তি জানান, উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের রসপুর কোশামারী গ্রামের তাইবুল ইসলামের দুই মেয়ে তার নিজ বাড়ীতে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে গ্রামবাসীর এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা দেন।

এমন সময় গত ১৮ জুন দিবাগত রাতে গ্রামবাসীরা তাইবুলের বাড়ীতে অনৈতিক কর্মকান্ডে তার দুই মেয়েসহ উপজেলার ফার্শিপাড়া গ্রামের মো. বেলাল হোসেনের ছেলে শিহাব (২২) ও ছাইফুল ইসলামের ছেলে স্বাধীন (২০) হাতে নাতে আটক করে। পরে ১৯ জুন দুপুর ২ টায় তাদের দন্ডবিধি ২৯০ ধারা মোতাবেক আদালতে প্রেরণ করা হয়।  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেন জানান, তাইবুলের ওই মেয়েদ্বয় ইতিপূর্বে এমন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় জেল হাজত বাস করে।

 

ট্যাগ:

সারাবাংলা
‘পানিবন্দি মানুষের জানমাল রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব’

banglanewspaper

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, বন্যা দুর্গত মৌলভীবাজারসহ বৃহত্তর সিলেটের যে সব জায়গায় পানিবন্দি মানুষ কষ্টে আছে তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। যত দিন পর্যন্ত বন্যার্তদের দুঃখ-দুর্দশা ও কষ্ট লাঘব হবে না, তত দিন পর্যন্ত এ ত্রাণ দেওয়া অব্যাহত থাকবে। আমাদের ত্রাণের কোনো অভাব নাই। এলাকার মানুষের যে চাহিদা তার চেয়ে বেশি ত্রাণ দিতে সক্ষম হব।

আজ সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে প্রশাসনসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

পরে ত্রাণমন্ত্রী বন্যা দুর্গত এলাকা শহরের বড়হাট ও রাজনগর উপজেলার কদমহাটা এলাকা পরির্দশন করেন এবং দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

ভারতের উত্তর ত্রিপুরায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে মনু নদীর বারইকোনাতে প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙন দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করায় পৌর এলাকা এবং সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ও কনকপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরের বড়হাট এলাকায় আটকেপড়া মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীসহ স্থানীয় জনগণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ:

সারাবাংলা
মাগুরায় সড়ক দূর্ঘটনায় বাবা-মেয়ে সহ একই দিনে ৪ জন নিহত হয়েছে

banglanewspaper

শরীফ আনোয়ারুল হাসান রবীন, মাগুরা প্রতিনিধিঃ মাগুরার আজ সোমবার সড়ক দূর্টনায় বাবামেয়েসহ ৪জন নিহত হয়েছে।  নিহতরা হলেন শালিখার হারিশপুর গ্রামের বাবা মমতাজ হোসেন, তার শিশু কণ্যা সুমাইয়া, শ্রীপুরের গোয়ালদাহ গ্রামের শিশির বিশ্বাস ও সদরের বেলনগর গ্রামের সোহরাব হোসেন।

পুলিশ জানায়- আজ সোমবার দুপুরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে আড়পাড়া বাজার থেকে ভ্যানযোগে শতখালির দিকে  যাচ্ছিলেন মমতাজ। এ সময় একটি ইজিবাইকের সাথে ধাক্কা খেয়ে রাস্তার উপর তাদের ভ্যানটি উল্টে যায়।

এ সময় সোহাগ পরিবহনের একটি বাস উল্টোদিক থেকে এসে তাদের চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ৪ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে বাবা ও মেয়ে মারা যান। আহতদের চিকিৎসা চলছে।

অন্যদিকে সকালে শ্রীপুরের গোয়ালদাহ  ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশির অধিকারী ও গত রাতে মোত্রসাইকেলের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী বেলনগর এলাকারসোহরাব হোসেন  নামে এক পথচারি নিহত হয়েছেন।

ট্যাগ:

সারাবাংলা
ঈদে নানাবাড়ি বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু

banglanewspaper

ফরহাদ খান, নড়াইল প্রতিনিধিঃ  ঈদে নানাবাড়ি বেড়াতে এসে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামে মধুমতি নদীতে পড়ে নাহিদ (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৮ জুন) বেলা ১১টায় নদী থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাহিদ পাশের জয়পুর গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়ার রামকান্তপুর গ্রামে মা কাজলী বেগমের সঙ্গে  নানাবাড়িতে ঈদ করতে আসে নাহিদ। ঈদের পরেরদিন রোববার বিকেলে কাজলী বেগম সহ কয়েকজন বাবার বাড়ির পাশে মধুমতি নদীতে গোসল করতে যান।

এ সময় কাজলী তার ছেলে নাহিদকে নদীর পাড়ে বসিয়ে রেখে গোসল করতে নামেন। এক পর্যায়ে নাহিদ নদীতে নেমে  পড়লে ¯্রােতে টানে ডুবে যায়। স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিক খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধান পাননি।

লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস এবং খুলনার ডুবরি দলের সদস্যরাও নাহিদকে উদ্ধারে ব্যর্থ হন। এদিকে সোমবার সকালে মধুমতি নদীতে নাহিদের মৃতদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন তা উদ্ধার করেন। 

ট্যাগ: