banglanewspaper

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের জনপ্রিয় ডিন শিবলী রুবায়েত-উল-ইসলাম বিগত সাড়ে তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যকলাপের সাথে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন। তার আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ভবনের নতুন কাঠামো প্রদান করা হয়েছে। অতি শীঘ্রই এখানে ২০ তলা বিশিষ্ট একটি আধুনিক ভবনের নকশা অনুমোদন হয়েছে। সূত্রমতে, এখানে বিভিন্ন কর্পোরেট বিভাগের অনুদানে নির্মিত হবে। 

এই অনুষদে নির্মিত হয়েছে বিশ্বের অত্যাধুনিক ই-লাইব্রেরী। বর্তমানে ছাত্র-শিক্ষক এ লাইব্রেরীর অনলাইন জার্নাল, বই, পত্রিকা ও পাণ্ডুলিপি ব্যবহার করে বিভিন্ন এসাইন্মেন্ট ও উন্নত মানের গবেষণা কার্যকলাপের সুযোগ পাচ্ছে। এই ই-লাইব্রেরীতে আরও রয়েছে অত্যাধুনিক ইন্টারনেট ব্রাউজিং ল্যাব। আশ্চর্য হলেও সত্য সম্পূর্ণ ফ্যাকাল্টি ওয়াইফাই আওতাধীন। যার ফলে পার্শ্ববর্তী বিভাগ ও অনুষদের ছাত্র-ছাত্রীরা বিনা খরচে এখানে ইন্টারনেট ব্রাউজিং সুবিধা পাচ্ছে। 


দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়ার পর অধ্যাপক শিবলী রুবায়েত অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের একাধিক প্রফেশনাল মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মাস্টার্স অফ একাউন্টিং, মাস্টার্স ইন প্রফেশনাল হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, মাস্টার্স ইন প্রফেশনাল মার্কেটিং, মাস্টার্স ইন প্রফেশনাল ব্যাংকিং প্রোগ্রাম। এসকল প্রোগ্রাম অধ্যায়ন করে কর্পোরেট বিশ্বে কর্মজীবীরা পাচ্ছেন উন্নতমানের প্রশিক্ষণ ও কর্মদক্ষতা। 

এই ফ্যাকাল্টিতে আরও চালু হয়েছে উচ্চমানের গবেষণা প্রসার করার জন্য ডক্টর অব বিজনেস এডমিন্সট্রেটিভ প্রোগ্রাম। সম্প্রতি এই প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছে বাংলাদেশের সরকারী-বেসরকারী উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। 

শিক্ষকদের জন্য বিগত এক বছরে প্রচুর সংখ্যাক বিদেশে মাস্টার্স এবং পিএইচডি লাভের জন্য শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা করা করেছেন। সূত্রমতে, প্রায় ৩০ জন শিক্ষককে জাপান, বৃটেন, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকায় এখন উক্ত সুবিধা ভোগ করছে। এসবের পেছনে রয়েছে অধ্যাপক শিবলী রুবায়েতের অবদান। তিনি বিভিন্ন সময় পাশ্চ্যাতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্বারক চুক্তি সম্পাদন করেছেন। তাঁহার ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায় সম্প্রতি বৃটেন ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় ও অস্ট্রেলিয়ার মনাস বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে এক যুগোপযোগী সেমিনার সম্পাদন করেছে। অধ্যাপক শিবলী রুবায়েতের ফেসবুক পেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষকদের ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায়, বর্তমানে থাইল্যান্ডে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন তিনটি পুরষ্কার এই বানিজ্য অনুষদের শিক্ষকরা জিতেছেন। 

 

 

বানিজ্য অনুষদের ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায়, ৪০ জন গরীব মেধাবী ছাত্রীদের জন্য একটি প্রাইভেট ব্যাংকের সহায়তায় মেধা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। মেয়েদের জন্য তৈরী হয়েছে অত্যাধুনিক মানের কমন রুম এবং প্রার্থনা কক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্থাপিত হয়েছে ছেলেদের কম রুম ও ফুড কোর্ট। 


বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন ও একাডেমিক কার্যকলাপ সম্প্রসারণ হওয়ার পরেও একটি মহল ঈর্ষানিত হয়ে গত কয়েকদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে অধ্যাপক শিবলী রুবায়েতের বিরুদ্ধে একটি ব্যাংকের ঋণ খেলাপি হিসাবে খবর প্রকাশিত করেছে। ধারণা করা যাচ্ছে যে, সামনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন নির্বাচন আসন্ন হওয়াতে পূর্বের ন্যায় এবারও তাঁহার প্রতিপক্ষরা এমন অপবাদ ছড়াচ্ছে।  
 

ট্যাগ:

আইন-আদালত
হাতিরঝিলের বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদ-ওয়াটার ট্যাক্সি বন্ধের নির্দেশ

banglanewspaper

রাজধানীর বিনোদন ও নান্দনিক এলাকা হাতিরঝিলকে ‘জনগণের সম্পত্তি’ ঘোষণা করে সেখানে হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা এখতিয়ারবহির্ভূত মর্মে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৪ মে) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের স্বাক্ষরে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৫ পৃষ্ঠার লিখিত পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে হাতিরঝিল এলাকার সব বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রায়ে চার দফা নির্দেশনাসহ ৯টি পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে বলা হয়, সংবিধান, পরিবেশ আইন, পানি আইন এবং তুরাগ নদী রায় মোতাবেক রাজধানী ঢাকার ফুসফুস বেগুনবাড়ী খালসহ হাতিরঝিল এলাকা যা ‘হাতিরঝিল’ নামে পরিচিত পাবলিক ট্রাস্ট প্রপার্টি (Public Trust Property) তথা জনগণের জাতীয় সম্পত্তি।

রাজধানীর হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রজেক্টকে পাবলিক ট্রাস্ট (জনগণের সম্পত্তি) ঘোষণা করে ২০২১ সালের ৩০ জুন হাইকোর্টের উল্লিখিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

হাতিরঝিলের ব্যবসায়িক স্থাপনা উচ্ছেদে জারি করা রুলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, হাতিরঝিলের পানি এবং এর নজরকাড়া সৌন্দর্য অমূল্য সম্পদ। এ অমূল্য সম্পদকে কোনোভাবেই ধ্বংস বা ক্ষতি করা যাবে না।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী রিপন বাড়ৈ ও সঞ্জয় মন্ডল । রাজউকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওয়ায়েস আল হারুনী ও আশেক মোমিন।

রায়ে বলা হয়, পানির প্রতিটি ফোটা অতি মূল্যবান। পানির চেয়ে তথা সুপেয় পানির চেয়ে মূল্যবান আর কোনো সম্পদ এ পৃথিবীতে নেই। সুতরাং প্রতি ফোটা পানির দূষণ প্রতিরোধ একান্ত আবশ্যক।

পরামর্শসমূহের মধ্যে হাতিরঝিল এলাকায় পায়ে চলার রাস্তা, বাইসাইকেল লেন, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক লেন তৈরির পাশাপাশি পানির জন্য ক্ষতিকর লেকে এরকম সব যান্ত্রিক যান তথা ওয়াটার ট্যাক্সি সার্ভিস নিষিদ্ধের কথা বলা হয়েছে।

রায়ে আদালত আরও বলেছেন, There is no 'planet B'। দ্বিতীয় কোনো পৃথিবী নেই। এ পৃথিবী ব্যতিত আর কোনো গ্রহে পানির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে এক ফোঁটা পানি এ পৃথিবীর বাইরে থেকে আনতে সক্ষম হয়নি। অথচ উক্ত খরচের শত ভাগের এক ভাগ টাকা খরচ করলে আমরা আমাদের গ্রহের পানিকে দূষণমুক্ত ব্যবহারযোগ্য রাখতে সক্ষম। হাতিরঝিলের পানি এবং এর নজরকাড়া সৌন্দর্য অমূল্য সম্পদ। এ অমূল্য সম্পদকে কোনোরূপ ধ্বংস বা ক্ষতি করা যাবে না।

রায়ে রিট মামলাটি একটি চলমান আদেশ হিসেবে অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া যেসব প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া হাতিরঝিল ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক প্রচারণা ও সোচ্চার ভূমিকা পালন করে চলেছে রায়ে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
নর্থ সাউথের ৬ ট্রাস্টির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

banglanewspaper

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ট্রাস্টির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

আসামিরা হলেন- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান এবং আশালয় হাউজিং ও ডেভেলপারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিন মো. হিলালী।

মঙ্গলবার (২৪ মে) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত এ আদেশ দেন। দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার (২৩ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ চার ট্রাস্টিকে একদিন করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। তারা হলেন- রেহানা রহমান, এম এ কাশেম, মোহাম্মদ শাহজাহান ও বেনজীর আহমেদ।

এদিন দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর দুদক তাদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা কারাগারে প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের ৭ কার্যদিবসের মধ্যে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেন। এছাড়া কারাবিধি অনুযায়ী তাদের ডিভিশন দেওয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষে নির্দেশ দেন।

রোববার তাদের আগাম জামিনের আবেদন সরাসরি খারিজ করে আদেশ দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ। একইসঙ্গে তাদের শাহবাগ থানার হেফাজতে দেওয়া হয়।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা বাবদ অতিরিক্ত ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়ে, তা আত্মসাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গত ৫ মে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পাশ কাটিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যের অনুমোদন/সম্মতির মাধ্যমে ক্যাম্পাস উন্নয়নের নামে ৯ হাজার ৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমেল জমির দাম ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা বেশি দেখিয়ে, তা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে তারা প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিক্রেতার নিকট থেকে নিজেদের লোকের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন এবং পরবর্তীতে নিজেরা উক্ত এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

অবৈধ ও অপরাধলব্ধ আয়ের অবস্থান গোপনের জন্য ওই অর্থ হস্তান্তর ও স্থানান্তর মাধ্যমে অর্থপাচারের অপরাধও করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯/৪২০/১৬১/১৬৫ ‘ক’ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪(২)(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বোর্ড অব ট্রাস্টিজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

banglanewspaper

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ট্রাস্টিকে একদিন করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ চার ট্রাস্টি হলেন- রেহানা রহমান, এম এ কাশেম, মোহাম্মদ শাহজাহান ও বেনজীর আহমেদ।

সোমবার (২৩ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত এ নির্দেশ দেন।

এদিন দুপুর ১ টা ৩৫ মিনিটে আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর দুদক তাদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করেন।অপর দিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা কারাগারে প্রথম শ্রেনীর ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন।উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের সাত কার্যদিবসের মধ্যে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেন।এছাড়া কারাবিধি অনুযায়ী তাদের ডিভিশন দেওয়ার জন্য কারাকর্তৃপক্ষে নির্দেশ দেন।

গতকাল রোববার তাদের আগাম জামিনের আবেদন সরাসরি খারিজ করে আদেশ দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ। একইসঙ্গে তাদের শাহবাগ থানার হেফাজতে দেওয়া হয়।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা বাবদ অতিরিক্ত ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ৫ মে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।

আসামিরা হলেন- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান এবং আশালয় হাউজিং ও ডেভেলপারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিন মো. হিলালী।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পাশ কাটিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যের অনুমোদন/সম্মতির মাধ্যমে ক্যাম্পাস উন্নয়নের নামে ৯০৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমেল জমির দাম ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা বেশি দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে তারা প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিক্রেতার নিকট থেকে নিজেদের লোকের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন এবং পরবর্তীতে নিজেরা উক্ত এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

অবৈধ ও অপরাধলব্ধ আয়ের অবস্থান গোপনের জন্য উক্ত অর্থ হস্তান্তর ও স্থানান্তর মাধ্যমে অর্থ পাচারের অপরাধও করেন।মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯/৪২০/১৬১/১৬৫ক ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন- ২০১০ অনুযায়ী নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বোর্ড অব ট্রাস্টিজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
যে কোনো শর্তে জামিন চেয়েছেন হাজী সেলিম

banglanewspaper

তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিচারিক আদালতে আজ (রবিবার) আত্মসমর্পণের আবেদন করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম। এর পাশাপাশি কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আরও দুইটি আবেদন করা হয়েছে।

রবিবার (২২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে এ আবেদন করেন হাজী সেলিমের আইনজীবী। এদিন দুপুর ২টার দিকে আদালতে সশরীরে উপস্থিত হবেন হাজী সেলিম। এরপর এ আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। 

আবেদনে হাজী সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বাক-শক্তিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সেলিম। তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলে থাকলে চিকিৎসার অভাবে ও বাক-শক্তিহীনের কারণে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে যে কোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করছি। জামিন পেলে তিনি পলাতক হবেন না। তাই আপিল শর্তে আত্মসমর্পণ পূর্বক তার জামিন আবেদন করছি।

গত ২৫ এপ্রিল দুপুর ৩টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে হাইকোর্ট থেকে মামলার নথি এসে পৌঁছায়। এদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে রায়ের নথি পাঠানো হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, আইন অনুযায়ী আজ থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আর হাইকোর্টের রায়ের ফলে তার সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা নেই।

এর আগে হাজী সেলিমকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট।

২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় রায়।

এ ছাড়া, জরিমানার টাকা অনাদায়ে হাজী সেলিমকে আদালত আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আত্মসমর্পণ না করলে জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। এ ছাড়া, জব্দ করা হাজী সেলিমের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে বলা হয়।

জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

পরে ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর হাজী সেলিম এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৩ বছরের সাজা বাতিল করে রায় দেন।

এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে দুদক। শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের ওই রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে হাজী সেলিমের আপিল পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় দেন হাইকোর্ট। সেখানে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছর বহাল থাকে।
 

ট্যাগ:

আইন-আদালত
সন্তানদের বিদেশে নেয়ার অনুমতি চেয়ে জাপানি মায়ের আবেদন

banglanewspaper

জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকো তার দুই শিশু সন্তান জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে সঙ্গে নিয়ে বিদেশে যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মে) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আবেদনে বলা হয়েছে, দুই মেয়ে শিশুকে নিয়ে জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকো বাংলাদেশে অনেক দিন কাটিয়েছেন। তারা অবকাশ কাটাতে দেশের বাইরে বেড়ানোর জন্য যেতে চান। সেটা জাপানেও হতে পারে।

এর আগে জাপান থেকে আসা দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনার সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুসরণ না করার অভিযোগ তুলে শিশুদের বাবা বাংলাদেশি নাগরিক ইমরান শরীফের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনতে আবেদন করেছেন মা নাকানো এরিকো। এর পরেই আবার এই আবেদন করেন তিনি।

এ বিষয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানি হতে পারে বলেও জানান আবেদনকারী আইনজীবী।

এর আগে ঢাকার পারিবারিক আদালতে করা মামলাটির (শিশুদের বাবার) নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাপান থেকে আসা দুই শিশু তাদের মা জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকোর হেফাজতে থাকবে বলে আদেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আর পারিবারিক আদালতে থাকা মামলাটি তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

জাপান থেকে আসা দুই শিশু নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তাদের মা নাকানো এরিকো করা আবেদন (লিভ টু আপিল) নিষ্পত্তি করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের ভার্চুয়াল আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে শিশুদের মায়ের করা আবেদনের ওপর ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ১৩ ফেব্রুয়ারি আদেশের জন্য দিন রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় ওইদিন বিষয়টি আদেশ দেন আদালত।

দুই শিশুকে তাদের বাবার হেফাজতে আটক রাখা বে-আইনি ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এর আগের আদেশের পর দুই শিশু কূটনৈতিকপাড়ায় অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে তাদের মায়ের সঙ্গে আছে। এখন ঢাকার পারিবারিক আদালতে থাকা মামলাটির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুরা আগের মতোই মায়ের কাছে থাকবে বলে জানান মামলায় মায়ের পক্ষে থাকা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম।

ঘোষিত আদেশে আদালত বলেন, মামলার পারিপার্শ্বিকতা ও শিশুদের স্বার্থ বিবেচনায় শিশুদের এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে (দেশের বাইরে) নেওয়া যাবে না। ঢাকার পারিবারিক আদালতে ২০২১ সালে করা মামলাটি (শিশুদের বাবার) নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই শিশু তাদের মায়ের হেফাজতে থাকবে।

আরও বলা হয়, আপিল বিভাগের আদেশের অনুলিপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালতকে মামলাটি তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো। হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বাতিল করা হলো। শিশুদের বাবা তাদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন।

আদালতে ওইদিন শিশুদের বাবার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল, ফাওজিয়া করিম ফিরোজ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। শিশুদের মায়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও মোহাম্মদ শিশির মনির।

জাপানের নাগরিক নাকানো এরিকো ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইমরান শরীফের ২০০৮ সালের ১১ জুলাই বিয়ে হয়। তাদের তিন মেয়ে রয়েছে। ২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি এরিকোর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন ইমরান। এরপর গত বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন তিনি। ছোট মেয়ে জাপানেই রয়েছে। 

পরে ইমরানের কাছ থেকে ১০ ও ১১ বছর বয়সী দুই মেয়েকে ফিরে পেতে ঢাকায় এসে গত ১৯ আগস্ট রিট করেন তার স্ত্রী নাকানো এরিকো। এতে দুই মেয়েকে বে-আইনিভাবে আটক রাখা হয়নি, তা নিশ্চিতে তাদের আদালতে হাজির করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। অন্যদিকে, ছোট মেয়েকে ফিরে পেতে আরেকটি রিট করেন ইমরান।

নাকানো এরিকো ও ইমরানের পৃথক রিটের ওপর শুনানি নিয়ে দুই শিশু তাদের বাবা ইমরানের হেফাজতে থাকবে বলে গত ২১ নভেম্বর হাইকোর্ট আদেশ দেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন এরিকো, যা চেম্বার জজ আদালত হয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে।

পরে আপিল বিভাগ দুই শিশুকে তাদের মায়ের কাছে রাখার আদেশ দেন। বাবা শিশুদের সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে দেখা করতে পারবেন বলেও আদেশে বলা হয়। পাশাপাশি আবেদনকারীপক্ষকে (শিশুদের মা) নিয়মিত লিভ টু আপিলও দায়ের করতে বলা হয়। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশ প্রকাশের পর শিশুদের মা গত ২ ফেব্রুয়ারি নিয়মিত লিভ টু আপিল করেন। এর ওপর শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ‘ দুই শিশুকে তাদের বাবার হেফাজতে আটক রাখা বেআইনি ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এর আগের আদেশের পর দুই শিশু কূটনৈতিকপাড়ায় অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে তাদের মায়ের সঙ্গে আছে। এখন ঢাকার পারিবারিক আদালতে থাকা মামলাটির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুরা আগের মতোই মায়ের কাছে থাকবে।’

ট্যাগ: