banglanewspaper

৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আধা ঘণ্টার কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে গোটা শহর। ৪ ঘণ্টারও বেশি সময় শহর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে একজন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
 
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোরে প্রচণ্ড বেগে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। আধা ঘণ্টা ধরে চলে প্রচণ্ড বেগে ঝড়। এ ঝড়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক তার, বিলবোর্ড, সাইন বোর্ড ধসে পড়ে। অনেকের ঘরের টিন উড়ে যায়। সাথে সাথে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে শহর। যশোরের ২২টি রুটের সবকটিতে রাস্তার পাশের গাছ উপড়ে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
 
ঝড়ে আতঙ্কিত হয়ে উপশহর তেঁতুলতলা এলাকায় জামেলা বেগম নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। শহরের শংকরপুর এলাকার আইটি পার্কের পাশে ঝড়ের কবলে পড়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। এদের মধ্যে কামরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, তসিকুর রহমান, আব্দুল্লাহ হুসাইন, আব্দুল মালেক, সবুজকে এ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 
যশোর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন কমান্ডার মাসুদ সরদার জানান, সংবাদ পেয়ে শহরের এইচএমএম রোড, দড়াটানা , হাসপাতাল মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বৈদ্যুতিক তার অপসারণ করা হয়েছে। যশোর-মাগুরা সড়কের হুদোর মোড়, মনোহরপুর, যশোর-বেনাপোল সড়কের নীমতলা, ঝিকরগাছা, যশোর-খুলনা রোডের রুপদিয়া এলাকায় রাস্তার উপর বড় গাছ পড়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছিল। সেখান থেকে গাছ অপসারণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অনেক সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
 
যশোর ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জানান, ঝড় শুরুর পর থেকে শহরে বিদ্যুৎ নেই। সবকটি অঞ্চলে বিদ্যুতের তার ছিড়ে গেছে। রাস্তার উপর গাছপালা পড়ে আছে। সেগুলো অপসারণের চেষ্টা চলছে। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সংযোগ হবে তা বলা যাচ্ছে না বলে তিনি জানিয়েছেন।
 
কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, ঝড়ের কারণে অনেক ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া গেছে। তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। রাতে ক্ষতির পরিমাণ বা কোথায় কি সমস্যা তা নিরুপণের চেষ্টা চলছে।
 

ট্যাগ: