banglanewspaper

নিয়মিত ব্যায়াম না করার পরিণাম ধূমপানজনিত শারীরিক ক্ষতির সমান—এ কথা অদ্ভুত মনে হলেও সত্যি। ধূমপান এড়িয়ে চলার (বা আসক্তি ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা) ব্যাপারে আমরা যেমন সচেতন, শরীরচর্চার ব্যাপারেও একই রকমের মনোযোগ ও গুরুত্ব জরুরি। ধূমপান যেমন বিষপানের সমতুল্য, তেমনি আলসেমি বা শারীরিক নিষ্ক্রিয়তাও আমাদের তিলে তিলে নিঃশেষ করে। গড়পড়তা হিসাবে, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম করেন না। 

নিয়মিত ব্যায়াম না করার পরিণাম ধূমপানজনিত শারীরিক ক্ষতির সমান—এ কথা অদ্ভুত মনে হলেও সত্যি। ধূমপান এড়িয়ে চলার (বা আসক্তি ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা) ব্যাপারে আমরা যেমন সচেতন, শরীরচর্চার ব্যাপারেও একই রকমের মনোযোগ ও গুরুত্ব জরুরি। ধূমপান যেমন বিষপানের সমতুল্য, তেমনি আলসেমি বা শারীরিক নিষ্ক্রিয়তাও আমাদের তিলে তিলে নিঃশেষ করে। গড়পড়তা হিসাবে, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম করেন না। তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার পরিণাম এখন স্থূলতার পরিণামের চেয়েও বেশি উদ্বেগের বিষয়।


শরীরচর্চার উপকারিতা অসংখ্য এবং সন্দেহাতীত। হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, স্তন ও কোলন ক্যানসার, স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া, বিষণ্নতা এবং আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে নিয়মিত ব্যায়াম করার জুড়ি নেই। শরীরচর্চায় সুস্থ জীবন এবং দীর্ঘায়ু পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।


কিন্তু শারীরিক ব্যায়ামে কী এমন আছে? হৃদ্রোগের কথাই ধরা যাক। শারীরিক উদ্দীপনার (ইনফ্লেমেশেন) সঙ্গে এই রোগের সম্পর্ক রয়েছে। শরীরচর্চায় এ ধরনের উদ্দীপনার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ তৈরি হয়। যখন আপনি নড়াচড়া করেন, মাংসপেশিগুলো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। আর প্রতিবার যখন আপনি ঘাম ঝরানোর ব্যায়াম করেন, রক্তের শর্করা, কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডগুলোর মাত্রার উন্নতি ঘটে। কিন্তু অলস বসে থাকলে এসব উপাদান বেড়ে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতা তৈরি করে।
অল্প শারীরিক ব্যায়ামেও অনেক সুফল পাওয়া যায়। এমনকি প্রতিদিন পাঁচ মিনিটের পথ হেঁটে অফিসে গেলেও স্বাস্থ্যের কিছু উপকার হয়। এভাবে শুরু করে আস্তে আস্তে ব্যায়ামের মাত্রা বাড়ানো যেতে পারে।


যদি ব্যায়াম করেও আপনার ওজন না কমে, নিরাশ হবেন না। চোখে না পড়লেও ব্যায়াম থেকে শরীর অনেকভাবে উপকৃত হয়। যদি আপনি স্থূল হয়েও রোগমুক্ত থাকেন, শরীরচর্চায় আপনার সুস্থতার স্থায়িত্ব বাড়বে। ফলে স্বাভাবিক ওজনের যেকোনো মানুষের চেয়ে আপনি এগিয়ে থাকবেন।
আপনার কি মনে হয়, ব্যায়াম করার বয়স পেরিয়ে এসেছেন? এ রকম ধারণা বাদ দিন। শরীরচর্চার কোনো বয়সসীমা নেই। ৮০ বছর বয়স পেরোনোর পরও শারীরিক সক্রিয়তার সুফল পাওয়া যায়। ব্যায়াম করার লক্ষ্য দীর্ঘায়ু অর্জন করা নয়, বরং ভালো থাকা এবং সুখী ও সুন্দর জীবন যাপন করা।


শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এখন সারা বিশ্বেই জীবনযাত্রায় এক বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। ল্যানসেটসাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে প্রতিবছর যত অকালমৃত্যু ঘটে, সেগুলোর প্রতি ১০টির মধ্যে একটি হয় ব্যায়াম না করার কারণে। এই পরিসংখ্যান ধূমপানের প্রভাবে অকালমৃত্যুর পরিসংখ্যানের সমান। বিশ্বজুড়ে ২০০৮ সালে ৫ কোটি ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ ছিল শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা। তাঁদের অধিকাংশই হৃদ্রোগ, টাইপ টু ডায়াবেটিস, স্তন ক্যানসার এবং কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ১০ শতাংশ কমাতে পারলে বছরে ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু এড়ানো সম্ভব। আর ২৫ শতাংশ কমাতে পারলে বাঁচানো যাবে ১৩ লাখ মানুষকে।তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার পরিণাম এখন স্থূলতার পরিণামের চেয়েও বেশি উদ্বেগের বিষয়। শরীরচর্চার উপকারিতা অসংখ্য এবং সন্দেহাতীত। হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, স্তন ও কোলন ক্যানসার, স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া, বিষণ্নতা এবং আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে নিয়মিত ব্যায়াম করার জুড়ি নেই। শরীরচর্চায় সুস্থ জীবন এবং দীর্ঘায়ু পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
গরুর মাংসের দোপেঁয়াজা, যেভাবে বানাবেন

banglanewspaper

নানা অঞ্চলের খাবারে কিছু বিশেষত্ব থাকে— যা স্বাদে-গন্ধে আনে ভিন্নতা। গরুর মাংস নানাভাবেই রান্না করা যায়। কখনও কখনও স্বাদে যেমন বৈচিত্র্য আনা যায়, তেমনি গন্ধেও আনা যায় ভিন্নতা। গরুর মাংসের দোপেঁয়াজা সেসবের মধ্যে অন্যতম। সাধারণ উপায়ে যে মাংস ভুনা করেন, সেই পদ্ধতিতে দোপেঁয়াজা রান্না করা যাবে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরুর মাংসের দোপেঁয়াজা রান্নার রেসিপি—

উপকরণ

গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ মোটা মোটা কাটা ২৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ বড় টুকরা ১০-১২টি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, এলাচ ২ টুকরা, দারুচিনি ২ টুকরা, তেজপাতা ২টি, লবঙ্গ ৪টি, গোল মরিচ ৫-৭টি, ভিনেগার ৩ টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো ও টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ।

প্রণালি

মাংস ছোট ছোট করে কেটে ধুয়ে নিন। এরপর তেল, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে সামান্য তেলে মেখে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। হাঁড়িতে তেল গরম করে মাখানো মাংস ঢেলে একটু কমিয়ে অল্প পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হলে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ দিয়ে কষিয়ে পেঁয়াজটা নরম হয়ে মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিন।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
মচমচে সুস্বাদু আলুর চিপস, যেভাবে বানাবেন

banglanewspaper

বাজার থেকে যে আলুর চিপস কিনে খান তা সুস্বাদু হলেও পরিমাণে থাকে খুবই কম। আবার সব সময় বাইরের খাবার খাওয়াও স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি চাইলে ঘরেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু আলুর চিপস। সেজন্য বিশ মিনিট সময় হলেই যথেষ্ট। চলুন জেনে নেওয়া যাক আলুর চিপস তৈরির রেসিপি—

উপকরণ

আলু ২টি, লবণ ১ চা চামচ, বিট লবণ ১/২ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১/২ চা চামচ, টেস্টিং সল্ট ১ চিমটি ও তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি

আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে পাতলা পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। ছুরি দিয়ে বা গ্রেটারের সাহায্যে কাটতে পারেন। এবার ঠান্ডা পানির মধ্যে লবণ দিয়ে দিন ও কেটে রাখা আলুর স্লাইসগুলো ডুবিয়ে রাখুন ৫ মিনিটের জন্য। এরপর তুলে কিচেন টিস্যুতে রেখে পানি ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।

একটি বড় প্যানে তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে আলুর চিপসগুলো ছেড়ে দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে ভালোভাবে ভেজে তুলে নিন। এবার বিট লবণ, মরিচের গুঁড়া, টেস্টিং সল্ট এবং সাধারণ লবণ নিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিন এবং চিপসের উপর ছড়িয়ে দিন ভালোভাবে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
যে ভিটামিনের অভাবে বিশ্রাম নিয়েও ক্লান্ত থাকেন

banglanewspaper

সুস্থ থাকাতে শরীরে প্রতিদিন বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল দরকার হয়। শরীরের জন‍্য অপরিহার্য এমনই একটি ভিটামিন-ডি, উৎপন্ন হয় শরীরের অভ‍্যন্তরেই। সঠিক মাত্রায় থাকলে ক‍্যালশিয়াম ও ফসফরাস শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায‍্য করে। তা ছাড়াও ভিটামিন ডি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। হাড় ও দাঁতের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশকেও সহজ করে তোলে ভিটামিন ডি।

বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে— ভিটামিন ডি হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, ত্বকের ব্যাধিতে, এমনকি, ক্যানসারের মতো রোগ প্রতিরোধে উপকারী। এটি শরীরের পেশিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১. ভিটামিন ডি কম থাকলে শরীরের প্রতিরোধ শক্তি কমে যায়। সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। ফলে ঘন ঘন সংক্রমণ হলে শরীরে ভিটামিন ডি-র মাত্রা পরীক্ষা করা দরকার।

২. ভিটামিন ডি-এর কারণে পেশিতেও টান ধরতে পারে। ভিটামিন ডি-র ঘাটতি বহু ক্ষেত্রে পেশির শক্তি কমিয়ে দেয়।

৩. ক্লান্তি হলো ভিটামিন ডি ঘাটতির আরও একটি উপসর্গ। পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে এবং ঠিক মতো খেয়েও যদি ক্লান্তি না কমে তবে এই বিষয়ে বাড়তি সচেতন হওয়া জরুরি।

৪ হাড়ে ব্যথাও ভিটামিন ডি-র ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। টানা এমন ব্যথা থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৫. পর্যাপ্ত যত্ন নিয়েও চুল পড়া কমছে না? ভিটামিন ডি-র অভাবেও এমনটি হতে পারে। এক বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি। ভিটামিনে ডি-এর অভাব ঘটলে ওষুধ খাওয়া জরুরি।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
অতিরিক্ত টমেটো সস শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর!

banglanewspaper

খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেকেই রান্নায় বিভিন্ন সস ব্যবহার করেন। এ ছাড়া ডিম বা আলুর চপ, সিঙ্গারা, পেঁয়াজু, নুডলস—এ ধরনের খাবার খেতেও সসের ব্যবহার আছে। এমন অভ্যাসে বেশি বেশি সস খাওয়া হয়। এতে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাজার থেকে কিনে আনা সসগুলো কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। যদিও বিজ্ঞাপনে প্রশংসার কমতি থাকে না। অজান্তেই রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অনেকে একটু বেশি পরিমাণ সসই খেয়ে থাকেন। এর মধ্যে বেশি খান টমেটোর সস। তবে, বিশেষজ্ঞরা লাগাম টানতে বলছেন। অতিরিক্ত সস খাওয়ায় শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। বিশেষ করে টমেটো সসে দেওয়া হয় উচ্চ ফ্রুক্টোজযুক্ত কর্ন সিরাপ। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় চিনি যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত টমেটো সস খেলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হতে পারে—

বদহজম

টমেটো সসে রয়েছে ম্যালিক অ্যাসিড ও সাইট্রিক অ্যাসিড। হজম ক্ষমতা দুর্বল এমন ব্যক্তিরা এই সস খেলে বদহজম, বুকজ্বালার মতো সমস্যা হতে পারে।

প্রদাহ

প্রক্রিয়াজাত খাবারে নানারকম রাসায়নিক মেশানো থাকে। এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই, টমেটো সস শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। ইউরিক অ্যাসিড বা বাতের ব্যথা থাকলে সস এড়ানোই ভালো।

হৃদরোগের ঝুঁকি

টমেটো সসে থাকে ফ্রুক্টোজযুক্ত কর্ন সিরাপ। এটি শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যা হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ায়।

ডায়াবেটিস

যেসব ব্যক্তি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের সস না খাওয়াই ভালো। ফ্রুক্টোজযুক্ত কর্ন সিরাপ শরীরে ইনসুলিনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করে। এটি দেহের বাড়তি ওজনের জন্যও দায়ী।

সস যদি খেতেই হয় তবে বাজারের সস না খেয়ে ঘরে তৈরি করে খান। তবে তা যেন স্বল্প পরিমাণে হয়। নয়তো স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

ট্যাগ:

লাইফস্টাইল
দেহের ওজন কমাতে যে ৩ সবজি খাবেন

banglanewspaper

অতিরিক্ত ওজন কারও কাম্য নয়। অনেকেই আছেন, যারা ওজন কমাতে অনেক টাকা খরচ করেও নিজেদের ফিট রাখতে পারেন না। অনেক সময় বিশেষ অস্ত্রোপচারের আগে জরুরি ভিত্তিতে রোগীর ওজন কমানোর দরকার পড়ে। অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। তাই এখন অনেকেই চেষ্টা করেন, অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলতে।

কিন্তু চাইলেই তো আর ওজন কমানো যায় না। তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা ও যথাযথ খাদ্যাভ্যাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক তিনটি সবজির কথা, যা সাহায্য করতে পারে ওজন কমাতে।

ব্রকলি

ব্রকলিতে ক্যালোরির মাত্রা কম। কিন্তু ভিটামিন সি ও ফাইবারের মাত্রা বেশি। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ভিটামিন সি-র অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট গুণ ওজন কমাতে অত্যন্ত উপযোগী।

শাখ আলু

ব্রকলির মতো শাখ আলুতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ফাইবার। শাখ আলুর ক্যালোরির মাত্রাও বেশ কম। পাশাপাশি শাখ আলুতে থাকে প্রচুর পরিমাণ জল। ফলে শাখ আলু খেলে সহজে পেট ভরে যায়।

বাঁধাকপি

বাঁধাকপি ফাইবার সমৃদ্ধ। যা ওজন কমাতে কাজে আসে। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতে বাঁধাকপি দেহে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিস সংক্রান্ত ওজনবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাশাপাশি বাঁধাকপি প্রদাহজনিত সমস্যা ও জারণ ঘটিত চাপ কমাতেও দারুণ কার্যকর।

ট্যাগ: