banglanewspaper

মোঃ রায়হানুল ইসলাম জনিঃ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী কিন্তু জন্ম বীর মুক্তিযোদ্ধার ঘরে তাই অভাবের সংসারে ভিক্ষাবৃত্তি না করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখার প্রত্যয়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করেই কষ্টের সংসার পরিলানা করেছেন জুলহাস হাওলাদার । রাজধানীর শাহাবাগ এলাকায় দীর্ঘ ৫ বছর যাবত ঝাল মুড়ি বিক্রি করছেন তিনি। কিন্তু তার পোশাকের মধ্যে ছিল এক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য । তাই প্রতিবেদকের ১ম প্রশ্নই ছিল, আপনি ঝাল মুড়ি বিক্রি করেন তবে পোশাকের মধ্যে এই অফিসিয়াল ভাব কেন ? উত্তরে জুলহাস বলেন যে দিন থেকে শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার।

 

 

সেই দিন থেকেই আমি এই ভিন্ন রকমের পোশাক পরেছি। কারন কম্পিউটার, ইন্টারনেট এ সব আমি বুজি না,কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন কে বাস্তবায়নে, আমার এই পোশাক কেই আমি ডিজিটালের অংশ মনে করি। আর ভিক্ষা করি না কারন আমারা বাঙলালি জাতি ভিক্ষা করে অন্য কোন দেশের / মানুষের কাছে নিজেদের মাথা নত করতে রাজি না।

এই ভিন্নধর্মী মানুষটির বাবা মোঃ তসলিম হাওলাদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুরের ডামুরিয়ার ধান কুটিতে। বাবার অবর্তমানে ছোট ৫ ভাই ১ বনের বড় সংসার চালনার দায়িত্ব পরে আজিজের কাঁধের উপর । তাইতো জীবনের প্রয়োজনে আজ সে ঝাল মুড়ি বিক্রি করছে। প্রতিবেদকের ২য় প্রশ্ন ছিল তার কাছে, আপনার কি কোন সাহায্য দরকার আছে ? উত্তরে সে বলে, ভাই যখন ফুতপাতে মুড়ি বিক্রি করি(বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল এর গেটে) তখন কিছু কিছু আনছার ও পুলিশ সদস্যরা আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। তখন আমার বাবার মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট টা বুকে জড়িয়ে নির্বাক চোখে শুধু তাকিয়ে থাকি। আর চিৎকার করে বলি আব্বা তুমি কেন এই প্রতিবন্ধী ছেলেটাকে এই স্বাধীন দেশে রেখে গেলে। আমার এই শহর যাতে নোংরা না হয় তাই সর্বদাই আমার সাথে ময়লার ঝুড়ি বহন করি। অবশ্য প্রমান স্বরূপ তার ময়লার ঝুড়ি সামনে দেখা গেল।

 

 

পাঁচ ভাইবোনদের মধ্যে বড় ছিল আজিজ তাই সম্পূর্ণ সংসার এর ভারটাই ছিল তার কাঁধের উপর। প্রতিবেদকের ৩য় প্রশ্ন ছিল, আপানর এখন সব থেকে বড় কষ্ট কি ? উত্তরে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার একমাত্র ছেলেটার মাত্র ৮ বছর বসয় একটা দুর্ঘটনার কারনে সেও প্রতিবন্ধী হয়ে গেছে। তার চিকিৎসা করার মত টাকা আমার কাছে নাই। সে ঠিক মত দাড়তে পারে না, হাঁটতে পারে না , কিছু দিন আগে একটা হুইল চেয়ার এর জন্য আবেদন করছি তাও পাই নাই। গণজাগরণ মঞ্চের এক লোক আমার ছেলেটার স্কুল ড্রেস কিনে দিয়েছে তাই দিয়ে সে স্কুল করে। আর ছোট মেয়েটার বয়স ৩ বছর টাকার অভাবে তাকেও ঠিক মত পড়াতে পারছি না। সরকারের কাছে তার কোন আবেদন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছুই চাওয়ার নেই। কিন্তু তার এই জীবন যাপনের একমাত্র সম্বল মুড়ি বিক্রি যেন নির্ভয়ে চালিয়ে যেতে পারেন এটিই তার চাওয়া। তার দোকানে বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙ্গিয়ে রাখার কারনে অনেকবার নাকি জামায়েত ইসলামির সদস্যরা তার উপর হামলা চালিয়েছে।

 

যদিও সে সর্বদাই বঙ্গবন্ধুর ছবি ও বাবার মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট বুকে আগলিয়ে রাখে। সরজমিনে তার বাসায় গিয়ে দেখা গেছে তার ঘরে ছোট বড় আকৃতির অনেক বঙ্গবন্ধুর এবং মুক্তিযুদ্ধের ছবি টানিয়ে রেখেছে। প্রতিবেদকের সর্বশেষ প্রশ্ন ছিল এত টানপড়নের মধ্যে আপানি কি স্বপ্ন দেখেন। উত্তরে তিনি বলেছন, আমার প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়ে কে আমি ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল মানুষ হিসেবে দেখতে চাই, তারা যেন ভবিস্বতে বলতে পারে আমার বাবা, টাই, প্যান্ট ,সুট পরে রাস্তায় ঝাল মুড়ি বিক্রি করতো এই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে।

 

ট্যাগ:

অন্যরকম
মারা গেলেন তসলিমা নাসরিন!

banglanewspaper

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে। তার প্রফাইলে গেলে দেখা যায় ‘রিমেম্বারিং তসলিমা নাসরিন’ লেখা একটি নোটিশ টাঙ্গিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এটা সাধারণত মৃত ইউজারদের আইডিতে দেখা যায়। ঠিক তেমনি তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে কোম্পানিটি। তাহলে কি জনপ্রিয় এই লেখিকা মারা গেলেন? এমন প্রশ্ন ভক্ত-অনুরাগীদের।

তবে তসলিমা নাসরিন মারা যাননি। তিনি বেঁচে আছেন। বরং ফেসবুকে নিজেকে ‘মৃত’ অবস্থায় দেখে বেজায় ক্ষেপেছেন নির্বাসিত এই লেখিকা। এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আইডি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তসলিমা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একাধিক টুইটের মাধ্যমে ফেসবুকের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন তসলিমা নাসরিন। এক টুইটে তিনি বলেছেন, “ফেসবুক আমাকে মেরে ফেলেছে। অথচ আমি জীবিত। আমি অসুস্থ হইনি, বিছানায় পড়িনি অথবা হাসপাতালেও ভর্তি হইনি, তবু ফেসবুক আমার অ্যাকাউন্ট ‘স্মরণীয়’ করে দিয়েছে।”



এরপর ফেসবুক আইডির একটি স্কৃনশট দিয়ে আরেক টুইটে তসলিমা বলেন, “আমি পুরোপুরি জীবিত। কিন্তু আপনারা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছেন। খুবই খারাপ খবর! আপনারা এটা কীভাবে করতে পারলেন? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেন।”

ট্যাগ:

অন্যরকম
৮৭ বছরের জীবনে ৬৭ বছর গোসলই করেননি তিনি!

banglanewspaper

বয়স তার ৮৬ বছর। তবে অশীতিপর এই বৃদ্ধ ৬৭ বছর গোসলই করেননি। শুনতে গ্রিক মিথোলজির কোনো চরিত্র মনে হলেও ছয় দশকের বেশি সময় গোসলের ধারেকাছে না যাওয়া এই ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে ইরানে। দেশটির কেরমানশাহ প্রদেশের দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দা আমো হাজির গোসল না করার এই খবর দিয়েছে তেহরান টাইমস।

এক অনলাইন প্রতিবেদনে ইরানি সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আমো হাজির গোসল না করার ঘটনা এরইমধ্যে নেটদুনিয়ায় চর্চা হচ্ছে। গোসল না করার পাশাপাশি জীবনাচারেও অদ্ভুত আমো হাজি। তিনি মৃত পশুর মাংস ভক্ষণ করেন। পোশাক পরিধানেও আর দশজন মানুষের থেকে একদম ভিন্ন এই বৃদ্ধ। এছাড়া গোঁফ দাড়িও কোনো নাপিতের কাছে গিয়ে কাটেননি তিনি।

তেহরান টাইমসকে আমো হাজি বলেছেন, পানি দেখলেই তার মনে ভয় উদ্রেক হয়। তার মনে হয় পানি ধরলেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। দীর্ঘ কয়েক দশক গোসল না করার ফলে তার চুল ও ত্বক কিছুটা রুক্ষ হলেও নিজেকে একদম সুস্থ বলেই দাবি আমোর।

ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে এই বৃদ্ধকে দেখা গেছে, তিনি যেন প্রাচীনকাল থেকে উঠে আসা কোনও চরিত্র। গোঁফ—দাড়িতে ঢাকা গোটা মুখ। অর্ধেক মাথা টাক আর বাকিটায় উস্কোখুস্কো চুল। সারা শরীরে ছাই মাখা। চলাফেরার সময় হেলমেট পরেন সবসময়।

দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দারা আমো হাজির থাকার জন্য পাহাড়ি গুহার মধ্যে একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। দীর্ঘকাল ধরে তিনি বিচ্ছিন্নভাবে সেখানেই বাস করছেন। তবে কেন এই জনবিচ্ছিন্নতা? তেহরান টাইমসকে অশীতিপর বৃদ্ধ বলেন, ‘যৌবনে বড় ব্যথা পেয়েছিলাম। তাই মানুষের থেকে দূরে সরে গেছি।’ তবে কীসের সেই ব্যথা খোলাসা করেননি ইরানের এই বাসিন্দা।

ট্যাগ:

অন্যরকম
কাঁচা বাদামের পর এবার ভাইরাল ‘ভাজা বাদাম’ (ভিডিও)

banglanewspaper

সম্প্রতি সময়ে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল গানটি হলো ‘কাঁচা বাদাম’। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় গানটি ঘিরে আগ্রহের কমতি নেই। ‘বাদাম বাদাম দাদা, কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম...’ এমনই কথায় ভুবন বাদ্যকরের গাওয়া গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় সেলিব্রেটি বনে গেছেন তিনি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ‘কাঁচা বাদাম’ গানের অনুকরণে তৈরি হলো নতুন গান ‘ভাজা বাদাম।’ এই গানের স্রষ্টা আরেক বাদাম বিক্রেতা।

জানা গেছে, ‘ভাজা বাদাম’ গানের বাদাম বিক্রেতার নাম গুরুপদ সরকার। তিনি জলপাইগুড়ির ধাপগঞ্জের বাসিন্দা।

গুরুপদ সরকারের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে- ‘আমার কাছে নাই কাঁচা বাদাম, আছে শুধু ভাজা বাদাম, একশো গ্রাম কুড়ি টাকা দাম, আসেন দাদারা-দিদিরা ভাজা বাদাম খান।’ তার গানটিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘ভাজা বাদাম’ গানটি।

ভাজা বাদাম গান গেয়ে ভাইরাল হওয়া গুরুপদ বলেন, গান গাইলে অনেক মানুষকে সহজে আকর্ষণ করা যায়। তাই আগের তুলনায় বাদাম বিক্রি বেড়েছে। আর সেটাই লক্ষ্য ছিল। তাই ভুবন বাদ্যকারের পথ অনুসরণ করি।

তিনি আরও বলেন, নিজের মতো করে সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলাম। তাই ভাজা বাদাম গান গেয়েছি। তবে ‘কাঁচা বাদাম’ গানের অনুকরণে ‘ভাজা বাদাম’ গান বানিয়েছি।

প্রসঙ্গত, ভুবন বাদ্যকর গান গেয়ে ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করেন। ভাজা বাদাম নয়, কাঁচা বাদাম। ভাজা বাদামের অপকারিতা আর কাঁচাবাদামের উপকারিতা নিয়ে একটি গান বেঁধেছেন তিনি। এই গানের কথা যুক্ত হয়েছে টাকা ছাড়াও কীসের বিনিময়ে বাদাম বিক্রি করেন, যেমন ভাঙা মোবাইল, সিটি গোল্ডের পুরনো জিনিস, মাথার চুল ইত্যাদি। গানের কথায় এসব আর অদ্ভুত সুর তরুণরা ইন্টারনেটে পাওয়া মাত্রই লুফে নেয়।

অন্যদিকে গুরুপদ সরকার জলপাইগুড়ি শহরের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে বাদাম বিক্রি করেন। হাতে তার দাড়িপাল্লা। সামনে সাজানো থাকে ভাজা বাদাম।

ট্যাগ:

অন্যরকম
নারিকেল ভাঙতে গিয়ে ফাটল রাস্তা!

banglanewspaper

কোটি টাকার বেশি খরচ করে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা। কাজ শেষে রাস্তাটির উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক সূচি মৌসম চৌধুরী। নারিকেল ভেঙে সড়কটির উদ্বোধন করতে যান তিনি। কিন্তু তাতেই বাধে বিপত্তি। নারিকেল ফাটাতে গিয়ে নারিকেল না ভাঙলেও ফাটল দেখা দেয় নতুন সড়কে। এটা দেখেই রাগে জ্বলে ওঠেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের যোগীরাজ্যের বিজনৌরে।

জানা যায়, সড়কের এমন অবস্থা দেখার পর রাস্তাতেই তিন ঘণ্টা সময় পার করেন মৌসম চৌধুরী। পরে একদল আধিকারিককে ডেকে রাস্তার নমুনা সংগ্রহ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।

ঘটনার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি।

মৌসম চৌধুরী বলেন, কোটি টাকা খরচ করে সেচ দপ্তর রাস্তাটি বানিয়েছে। আমাকে রাস্তা উদ্বোধন করতে বলা হয়েছিল। আমি নারিকেল ফাটিয়ে উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু নারকেল তো ভাঙেইনি, উল্টে রাস্তাই ভেঙে গিয়েছে।’

ট্যাগ:

অন্যরকম
ভেঙে গেছে মহাকাশ স্টেশনের টয়লেট, ডায়াপার পরে আছেন নভোচারীরা!

banglanewspaper

ভরশূন্য অবস্থায় বিভিন্ন গবেষণা চালাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গত ছয় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন চার মহাকাশচারী। মিশন শেষ করে এবার পৃথিবীতে ফিরে আসার পালা। তাদের আনতে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় আছে রকেটও। কিন্তু হঠাৎ করেই স্টেশনের টয়লেট ভেঙে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এই মহাকাশচারীরা। টানা ২০ ঘণ্টা ধরে পরে আছেন ডায়াপার। শনিবার ভোরে এই খবর দিয়েছে নাসা।

নাসা জানিয়েছে, টয়লেট ভেঙে যাওয়ায় পৃথিবীর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে প্রদক্ষিণ করা মহাকাশ স্টেশনে টানা ২০ ঘণ্টা ধরে ডায়াপার পরে রয়েছেন চার মহাকাশচারী। তারা হলেন- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকিহিকো হোশিদে, নাসার শেন কিমব্রো ও মেগান ম্যাকআর্থার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির থমাস পেসকাট।

বিশ্ব বিখ্যাত বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার মালিক এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর ক্রু-২ মিশন রকেটে চাপিয়ে ওই চার মহাকাশচারীকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার কথা। কিন্তু আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে কিছুতেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হচ্ছে না স্পেস এক্স-এর রকেট। ফলে, ডায়াপার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনে থাকা চার মহাকাশচারীকে।

ট্যাগ: