banglanewspaper

রাজশাহীর : রাজশাহীর বাজারে কাঁচামরিচ ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৮০ টাকা শসা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কুরবানী উপলক্ষে রসুন ছাড়া আদা, পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। চালের দামে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য সবজির দাম তেমন একটা পরিবর্তন হয়নি।গতকাল শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সাহেব বাজার সবজি পট্টির সবজি ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম জানান, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে ৬০ টাকার কাঁচামরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি আদা ১০০ থেকে ১১০ টাকা, রসুন ২০০ টাকা, পেঁয়াজ মানভেদে ১৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কয়েক দিনের ব্যবধানে ৮০ টাকা শসা দাম কমে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্য দিকে প্রতি কেজি কচু ২০ টাকা, আলু ১৮ থেকে ২০ টাকা, বেগুন মানভেদে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাউ ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢেঁড়শ ২০ টাকা, পটল ২০ টাকা, ঝিংগা ২০ থেকে ২৫ টাকা।

সাহেব বাজার মুদি ব্যবসায়ী জহরুল ইসলাম জানান, খোলা সেয়াবিন তেল ৮৮ টাকা, বোতলজাত ৯৫ টাকা। প্রতি কেজি আতব চাল মানভেদে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, চিনি ৬৬ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড় গরম মসলা ঈদ উপলক্ষে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে চালের দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি আটাশ চাল ৩৪ থেকে দাম বেড়ে ৪০ টাকা, মিনিকেট চাল ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়ালার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। দেশি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। প্রতি কেজি গরু মাংস ৪০০ থেকে ৪১০ টাকা ও মহিষের মাংস ৪০০টাকা এবং খাসির মাংস ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে মাছের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে শুক্রবার হওয়া দাম একটু বেশি। বর্তমানে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১৭০ থেকে ২৫০ টাকায়, কাতল মাছ ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, চিংড়ি ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, বাটা ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা।

ট্যাগ: