banglanewspaper

গোয়ালের গরমে আর মাছির উৎপাতে কে থাকবে৷ তাই মহিষ শিং উঁচিয়ে ঢুকে পড়লেন সুন্দর করে সাজানো শোয়ার ঘরে৷ তারপর ঘরময় দাপিয়ে একরাশ গোবর ফেলে কাঁচুমাচু মুখে দাঁড়িয়ে রইলেন৷ যেন, এ আর কী ব্যাপার, এ তো আমি করেই থাকি৷

রাগ করেননি মহিষের মালিক৷ সেই যে মোষটা শোয়ার ঘরে ঢুকেছিল তারপর থেকে সেখানেই রাতে শোয়৷ জাবর কাটে৷ মজা করে টিভিতে অ্যাকশন সিনেমা দেখে৷ সবই চলছে দিব্বি৷ শুধু মহিষটা ভয়ঙ্কর৷ একেবারে জংলি৷ যার এক গুঁতোয় বড়সড় যাত্রীবাহী জিপ উল্টে যায়৷ মার্কিন মুলুকের টেক্সাসে রয়েছে এমনই এক হলিউডের মারকাটারি সিনেমার ভক্ত মহিষ৷ ভাঁটার মতো চোখগুলো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঝাড়পিট দেখতে ভীষণ ভালবাসে৷ মাঝে মধ্যেই গোবর ছড়িয়ে দেয় ঘরে৷ কিছুই বলেন না রনি৷ ১১৫০ কেজি ওজনের বিশাল জংলি মোষটা তাঁর খুব প্রিয়৷

শুধু শোয়ার ঘরে স্থান দেওয়া নয়, মহিষটার সঙ্গে লাঞ্চ, ডিনার খান বছর ষাটের রনি৷ ২০০৪ সাল পর্যন্ত রনির কাছে ৫২টি মহিষ ছিল৷ একদিন কী হল কে জানে৷ একটাকে বাদ দিয়ে সবকটাকে বিক্রি করে দেন রনি৷ তারপর ঘরে থাকা মহিষটাকে লালন পালন করেছেন৷ জংলি মহিষ ভয়ানক৷ তার গুঁতোয় যে কোনও সময় মৃত্যু হয়তে পারে৷ অনেকবার এমন হয়েছে৷ তবুও রনি নির্বিকার৷ তিনি দিব্বি রয়েছেন৷ অনেকেই এর বিরোধিতা করেছেন৷ তবুও দমেননি রনি৷ মহিষটাকে সঙ্গে নিয়েই তিনি থাকেন৷

ট্যাগ: