banglanewspaper

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবলে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীর লাশ বাড়ীর পাশের ডোবা থেকে উদ্বার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টারদিকে উপজেলার সোয়াইয়া গ্রামে।

জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার সোয়াইয়া গ্রামের মোঃ ফরিদ মিয়ার মেয়ে সোয়াইয়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ শামিমা আক্তার নাইমা (৯) প্রতিদিনের মত বুধবার দুপুরে ও স্কুল থেকে বাড়ী যাওয়ার পথে তার পিতা ফরিদ মিয়ার সাথে স্থানীয় সোয়াইয়া বাজারে দেখা হয়। এ সময় ফরিদ মিয়া তার মেয়ে শামিমাকে কেক কিনে দেন,শামিমা কেক নিয়ে বাড়ীতে যায়। তার কিছুক্ষন পরই ফরিদ মিয়ার কাছে খবর আসে যে তার মেয়ে শামিমাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর শুনে ফরিদ মিয়া গ্রামের অনেক লোকজনকে নিয়ে বাড়ীতে যান।

এ সময় আশপাশ থেকে গ্রামবাসীও আসেন সবাই মিলে অনেক খোঁজাখুজির পরও শামিমাকে না পেয়ে প্রতিবেশি লোকজন বাড়ীর পাশের ডোবাতে ও খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ীর পাশের ডোবাতে শামিমা আক্তার নাইমার লাশ পাওয়া যায়। 

এ ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই, সাতকাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আব্দাল মিয়া তালুকদার ও বাহুবল মডেল থানা ওসি তদন্ত বিশ্বজিৎ দেবের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তারা সেখানে গিয়ে গ্রামের অনেক লোকজনের সাথে কথা বলার পর শামিমার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

এদিকে শামিমার পিতা ফরিদ মিয়া বলেন, ওরা আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। এ সময় ফরিদ মিয়া সাংবাদিকদের জানান প্রায় বছর খানেক যাবৎ তার ভাইয়ের সাথে পারিবারিক ভাবে বিরোধ চলে আসছিল। তার দাবী এ ঘটনার জের এ শামিমাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেল সিনিয়র এ এসপি মোঃ রাসেলুর রহমান রাসেলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের পুলিশ গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে আসছে। তদন্ত  চলছে আগামীকাল ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরন করা হবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বোঝা যাচ্ছেনা। আর নিহত শামিমার পক্ষ থেকে যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে আমরা তদন্ত করে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

ট্যাগ: