banglanewspaper

এবিএম আতিকুর রমান বাশার: কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার গুনাইঘর গ্রামের আল-আমিন’র কণ্যা ও বাঙ্গরী উচ্চ বিদ্যালয়’র নবম শ্রেণীর ছাত্রী শাহিনূর আক্তার নামে এক কিশোরী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার সংবাদ পাওয়া গেছে। রোববার দুপুরে নিজ ঘরের তীরের সাথে উড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা যায়।
    

ভিক্টিম কিশোরীর এক মাত্র ভাই রাজীব আহমেদ (১৭) জানায়, আমার ৫ বোনের মধ্যে শাহিনূর তৃতীয় ছিল। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ঘটনার সময় বাড়িতে আমার ছোট বোন শাহিনূর ছাড়া আর কেহ ছিলনা। আমি মসজিদ থেকে নামাজ শেষে আমার কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করে দখি ভেতর দিয়ে দরজা বন্ধ। পরে অনেক চেষ্টা করেও কারোর খোঁজ না পেয়ে মই এনে ঘরের ভেন্টিলেটার দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে দেখি বোন ঘরের পাইরের (তীরের) সাথে উড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছে। আমি তাকে উপরের উঠালেও গলার ফাঁস খুলতে পারি নাই। পরে আমার সূর চিৎকারে বাড়ির লোকজন আসলেও দরজা বন্ধ থাকায় কেহ ঘরে ঢুকতে পারেনি। পরে তাকে ছেড়ে দিয়ে দরজা খুললে বাড়ির লোকজনের সহায়তায় তাকে ফাঁসী থেকে নামিয়ে দুুপুর সোয়া ২টায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত: ঘোষনা করে। কি কারনে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি। তবে শাহিনূর’র কাকা বলেন, ২/৩দিন পূর্বে পারিবারিক কথা কাটা কাটিতে কিছুটা মনমালন্য ছিল।
    

সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) খাইরুল আলম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শাহিনূর’র মরদেহ উদ্ধারপূর্বক থানায় নিয়ে যায়। সোমবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকের কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেঢন করেছে।
    

দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) খাইরুল আলম জানান, ছোরতহাল রিপোর্টে পাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হলেও ময়না তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে হত্যা না আত্মহত্যা। শোনেছি শাহিনূরকে তা মা শাসন করায় রাগে ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করেছে। ওই ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
 

ট্যাগ: