banglanewspaper

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার কে.এস.এম ঢাকা মিনাপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী লাবনী আক্তার ডালিম কবরবাড়ি গ্রামের আকবর হোসেনের মেয়ে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সকালে স্কুল ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে নিহতের পরিবারের সদস্য ও এলাকার সাধারন মানুষ। এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর মামাত ভাই রিমন জানান, আমার কাজিন লাবনী আক্তার আমাকে মঙ্গলবার দুপুর ১.১০ মিনিটে ফোনদিয়ে বলে আমার এবারও পরীক্ষা দেয়া হলো না। কারন জানতে চাইলে সে বলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক মামুনর রশিদ মাসুদ স্যার আমাকে জানিয়ে দেয় তোমার একশত টাকা বকেয়া আছে। 

এছাড়াও মাসুদ স্যার অশ্লীল ভাষায় কুরুচীপুর্ন কথাবার্তা বলে আমার সাথে। এই বলে ফোন রেখে দেয় সে। পরে জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে। ওই ছাত্রীর পিতা জানান, আমার তিন ছেলে দুই মেয়ে। এটা ছোট মেয়ে। আমি মাঠে গিয়েছিলাম মাঠ থেকে এসে দেখি আমার মেয়ের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। সে আরো জানান, আমার স্ত্রী মনে করেছিল মেয়ে স্কুল ড্রেস চেঞ্চ করছে এই কারনে দরজা বন্ধ। অনেকক্ষন দরজা বন্ধ দেখে অনেক ডাকাডাকি করে দরজা না খুললে জানালা দিয়ে দেখতে পারে ঘরের আড়াঁর সাথে ঝুলছে।

বাড়িতে কারও সাথে কোন মান অভিমান হয়নি। পরে জানতে পারি শিক্ষক নাকি আমার মেয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। তাই সে নাকি আত্মহত্যা করেছে। আমি ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুনর রশিদ মাসুদ জানান, কাল আমার সাথে মেয়েটির দেখা হয়নি। তার সাথে এরুপ আচরন কি ভাবে করলাম?

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল করিম ডাবলু জানান, সে আমার কাছে এসেছিল আমি বলেছি দুই মাস আগে ফরম ফিলাপ এর তারিখ চলে গেছে এখন তুমি কিভাবে পরীক্ষা দিবা। মেয়েটি পরে স্কুল থেকে চলে যায়।

স্থানীয়রা জানান, এই কথা শোনার পরে অামরা স্কুল ঘেরাও করি। আমরা এই শিক্ষকের বিচার চাই। অামরা জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবো।

ট্যাগ: