banglanewspaper

ক্রীড়া ডেস্ক: চলতি বছর উইকেট নেওয়ার বিচারে বাংলাদেশ সবচেয়ে খারাপ দল। বাংলাদেশের উপরে আছে আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এমনকি আয়াল্যান্ড ও আমিরাতের মতো দুর্বল দল। মাশরাফি ও মুস্তাফিজ ছাড়া অন্যদের বোলিং খুবই হতাশাজনক। সবচেয়ে করুণ অবস্থা স্পিনার সাকিবের। এ বছর ওয়ানডেতে তার বোলিং গড় ১১৯.২০!

বাংলাদেশের বিপক্ষে বর্তমানে সিরিজ খেলতে ব্যস্ত দক্ষিণ আফ্রিকা এ বছর মোট ১৭টি ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম স্থানে।
রঙ্গিন পোশাকে এবছর মোট ১২টি ম্যাচ খেলেছে টাইগাররা। আর এই ১২ ওয়ানডেতেই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশী বোলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি। বলতে গেলে এবছর পুরো মলিন টাইগার পেসাররা।

একসময় বোলিংই সবচেয়ে দুর্বল দিক ছিল বাংলাদেশ দলের। মূল ভরসা ছিল ব্যাটিং। মুস্তাফিজের অভিষেকের পর সেই চিত্র পাল্টে যায় রাতারাতি। অভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইন আপের সঙ্গে মুস্তাফিজের বোলিং ক্যারিশমা মিলে বিপজ্জনক দল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ইনজুরি, অপারেশন ইত্যাদি কারণে মুস্তাফিজের বোলিংয়ে আর আগের মতো ধার নেই। কিছুটা ভাটা পড়েছে তার পারফরম্যান্সে (যদিও গত বছর সেরা বোলার ছিলেন তিনিই)।

অভিজ্ঞতায় বল করে সমীহ আদায় করে নিচ্ছেন মাশরাফি। কিন্তু অন্য বোলার যারা আছেন তাদের অবস্থা বড়ই ভয়াবহ। সব মিলে বোলিং হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের দুর্ভাবনার  নাম, বিশেষ করে ওয়ানডে ফরম্যাটে।

এক সমীকরণ থেকে দেখা গিয়েছে চলতি বছর উইকেট শিকারের দিক দিয়ে বাংলাদেশের বোলাররা দল হিসেবে আছেন ১২ নম্বরে। অথচ ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের তলানিতে থাকা  আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে বা আয়ারল্যান্ডের বোলাররা টাইগার বোলারদের চেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছে।

এছাড়াও এ বছর তাসকিন-মুস্তাফিজরা কেউই ওয়ানডেতে ৫ উইকেটের পাননি। এখন পর্যন্ত ১২ ওয়ানডে খেলে বাংলাদেশের বোলাররা নিয়েছেন ৫৭ উইকেট। অথচ ৭ ম্যাচেই ৫৭ উইকেট আছে আরব আমিরাতের বোলারদের! আর ১২ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বোলাররা তুলে নিয়েছেন ৮৩ উইকেট। ১৩ ম্যাচে আফগানদের উইকেট ৯৪টি!
এই তালিকায় সবার উপরে আছে ভারত। এখন পর্যন্ত উমেশ জাদভ-বুমরাহরা ২৩ ম্যাচে পেয়েছে মোট ১৫৮ উইকেট। ২০ ম্যাচে ১৪৪ উইকেট নিয়ে তালিকায় দুই নম্বরে আছে ইংলিশরা।

ট্যাগ: