banglanewspaper

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার নানান সমস্যার কারনে সীমান্তের যাদুকাট নদী কয়েক দিন বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নদীতে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকগন কয়েক দিন নদীতে কাজ করতে না পারায় একবারেই বেকার হয়ে পড়ে।

এই নদীতে সমস্যার সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাবিরুর ইসলামের নির্দেশে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলের একান্ত প্রচেষ্টায় ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্ধ ও নদীতে কর্মরত শ্রমিক নেতাসহ যাদুকাটা নদীতে সম্পৃক্ত স্থানীয় সকল স্থরের জনসাধারনকে উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরীতে জরুরী সভার আহবান করেন।

ঘন্টা ব্যাপী সভায় সবার উপস্থিতে হাজার হাজার শ্রমিকের জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে নদীতে চাদাঁবাজি বন্ধ,সাধারন শ্রমিকরা ইচ্ছা মত সরকারী নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে উন্মুক্ত ভাবে বালি ও পাথর উত্তোলন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুনেদ্র দেব এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন,তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল,তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর, তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন, বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সরকার, দক্ষিন বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজর আলী, বালিজুরী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্ধ ও নদীর শ্রমিক নেতা সহ স্থানীয় সকল স্তরের জন সাধারন।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,যাদুকাটা নদী অবশেষে উন্মুক্ত হওয়ায় আগত হাজার হাজার শ্রমিক সহ সবাই খুশি। আমরা নদীতে হাজার হাজার শ্রমিকের জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে নদীতে যার যার যত সমস্যা থাকুক না কেন সাধারন শ্রমিকদের কেন কাজ বন্ধ থাকবে। সকল বেদাবেদ ভুলে হাজার হাজার শ্রমিকের কথা মাথায় রেখেই সবাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শ্রমিকরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নদীতে পরিশ্রম করবে আর চাঁদাবাজ রা চাঁদা তুলবে তা হবে না। নদীতে কোন প্রকার চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। সবাই সবার মত করে কাজ করবে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুনেদ্র দেব বলেন, হাজার হাজার শ্রমিকের দিক বিবেচনা করেই সবার ঐকমতের ভিত্তিত্বে নদীতে শনিবার থেকে নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে থেকে বালি ও পাথর উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

ট্যাগ: