banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি এখনও দেড় বছর। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসনগুলোতে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী হাওয়া। ইতোমধ্যেই আসনগুলোতে মনোনয়ন লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ব্যাপক শো-ডাউন, জনসংযোগ, কর্মীসভা, প্রচার, প্রচারণার যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বর্তমান এমপিদের মধ্য থেকে শতাধিক প্রার্থীকে নতুন করে মনোনয়ন দিচ্ছে না— এই খবর ছড়িয়ে পড়ায় একেক আসনে ২ থেকে ৫ জন, কোথাও বা তারও অধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী মাঠে নেমেছেন। গতকাল রবিবার প্রকাশ করা হয়েছিল ৫০ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা। বিডিনিউজ আওয়ারের ধারাবাহিক এ আয়োজনে আজ থাকছে আরও ৫০ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা।

মনোনয়ন চান যারা:

রাজশাহী- (বাগমারা): বর্তমান সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু, তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।

রাজশাহী- (পুঠিয়া-দুর্গাপুর): বর্তমান সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা, সাবেক সাংসদ তাজুল ইসলাম মোহাম্মাদ ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান-উল হক মাসুদ।

রাজশাহী- (বাঘা-চারঘাট): বর্তমান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, সাবেক সাংসদ রায়হানুল হক রায়হান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক লায়েব উদ্দিন লাভলু ও বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাস আলী।

নাটোর- (লালপুর বাগাতিপাড়া): জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম এমপি, সহ-সভাপতি মাজেদুর রহমান চাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বকুল, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুল হক আতিক, আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লে. কর্ণেল (অব.) মোহাম্মদ রমজান, আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমেদ সাগর, সিলভিয়া পারভীন লেনি।

নাটোর- (সদর): জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আহাদ আলী সরকার, নাটোর পৌর মেয়র ও জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি উমা চৌধুরী জলি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মালেক শেখ, জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাসিরুর রহমান খান এহিয়া।

নাটোর- (সিংড়া): বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সহ-সভাপতি শামসুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সুশান্ত কুমার ঘোষ।

নাটোর- (গুরুদাসপুর বড়াইগ্রাম): চারবারের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস এমপি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আহমদ হোসেন, বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারি, গুরুদাসপুর পৌর মেয়র ও গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ আলী, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের যুগ্ম-সম্পাদক কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, সাবেক ছাত্রনেতা আহমদ আলী মোল্লা (আহমেদ হোসেন)।

পাবনা- (সাঁথিয়া-বেড়ার আংশিক): বর্তমান সাংসদ ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ও সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা সরদার সোহেল মাহমুদের নামও শোনা যাচ্ছে।

পাবনা- (সুজানগর-বেড়ার আংশিক): বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হকের ভাই খন্দকার আজিজুল হক আরজু এমপি, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সচিব মীর্জা আব্দুল জলিল, সাবেক সংসদ সদস্য তফিজ মাস্টারের ছেলে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ কবির, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইমরান সিরাজ সম্রাট, যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির রানা, সাবেক সচিব মুজিবুর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মতিন ও পৌর মেয়র আব্দুল ওয়াহাব।

পাবনা- (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ফরিদপুর): জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কৃষিসংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও বর্তমান এমপি মোকবুল হোসেন, সাবেক পৌর মেয়র বাকিবিল্লাহ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুল ইসলাম আতিক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনীয়ার আব্দুল আলিম, চাটমহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাখো, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন।

পাবনা- (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া): বর্তমান সংসদ সদস্য ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান খান শরীফ এমপি, তার মেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা মাহজেবিন শিরিন পিয়া ও তার জামাতা ঈশ্বরদী পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, জাসদ থেকে আওয়ামী লীগে আসা সাবেক সংসদ সদস্য পাঞ্জাব আলী বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লিটন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রবিউল আলম বুদু।

পাবনা- (সদর): বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহিন, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক খ ম হাসান কবির আরিফ, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ভায়রা সাইদুল হক চুন্নু, দুদকের সাবেক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগ নেতা ফজলুল হক মন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মানিক।

বগুড়া- (শিবগঞ্জ): কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য আকরাম হোসেন, পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম মানিক।

বগুড়া- (আদমদিঘী-দুপচাঁচিয়া): আদমদিঘী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রাজু।

বগুড়া- (শেরপুর-ধুনট): হাবিবুর রহমান এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজনু।

বগুড়া- (গাবতলী-শাহজাহানপুর): জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. মোস্তফা আলম নান্নু, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ইমারত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক টি জামান নিকেতা ও আসাদুর রহমান দুলু।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ- (শিবগঞ্জ): বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এনামূল হক।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ- (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট): বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, সাবেক এমপি জিয়াউর রহমান, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম আনার, নাচোল উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের ও ভোলাহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. আশরাফুল আলম চুন্নু।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ- (চাঁপাই সদর): বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ রুহুল আমিন ও আওয়ামী লীগ নেতা বেনজুর রহমান।

নওগাঁ- (সাপাহার-পোরশা নিয়ামতপুর): বর্তমান সংসদ সদস্য ও নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ এনামুল হক, সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ শামসুল আলম শাহ চৌধুরী।

নওগাঁ- (ধামইরহাট-পত্নীতলা): বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান সরকার, শিল্পপতি আখতারুল আলম।

নওগাঁ- (মহাদেবপুর-বদলগাছী): বর্তমান এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম, সাবেক এমপি ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী।

নওগাঁ- (মান্দা): বর্তমান সংসদ সদস্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, মান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমদাদুল হক মোল্লা, সহ-সভাপতি ব্রহানী সুলতান গামা, সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ শেখ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান বকুল।

নওগাঁ- (সদর): বর্তমান এমপি ও নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল জলিলের ছেলে ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ রফিকুল ইসলাম রফিক।

নওগাঁ- (রাণীনগর-আত্রাই): বর্তমান এমপি ইসরাফিল আলম, সাবেক সাংসদ ওহিদুর রহমানের ছেলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন।

সিরাজগঞ্জ- (রায়গঞ্জ-তাড়াশ): ম ম আমজাদ হোসেন মিলন এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ও পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হোসেন মুনসুর, প্রয়াত এমপি ইছহাক হোসেন তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট।

সিরাজগঞ্জ- (উল্লাপাড়া): প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের ছেলে তানভীর ইমাম, সাবেক এমপি গাজী সফিকুল ইসলাম ও নারী নেত্রী মুক্তি মির্জা।

সিরাজগঞ্জ- (বেলকুচি চৌহালী): গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ মণ্ডল এমপি, সাবেক মন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ নেতা মীর মোশারফ হোসেন।

সিরাজগঞ্জ- (শাহজাদপুর): বর্তমান এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন ও সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম মনোনয়ন চাইবেন।

টাঙ্গাইল- (মধুপুর-ধনবাড়ী): আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী চারজন। এরা বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, ভোলা ও মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু, স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক ডা. ছানোয়ার হোসেন ও সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাড. রেজাউল করিম।

টাঙ্গাইল- (গোপালপুর-ভূঞাপুর): বয়সের ভারে ন্যুব্জ সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামানের ছেলে সোনালী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান (ছোট মনি), কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসমত আলী, গোপালপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ও গোপালপুর উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল আলম।

টাঙ্গাইল- (ঘাটাইল): বর্তমান সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমানুর রহমান খান রানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু এবং সদ্য দলে যোগদানকারী শিল্পপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আবদুল্লাহ তুহিন।

টাঙ্গাইল- (কালিহাতী): আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মন্ত্রিত্ব হারানো রাজনীতিক আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, তার স্ত্রী সাবেক সাংসদ বেগম লায়লা সিদ্দিকী, বর্তমান সাংসদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারি, এফবিসিসিআইর পরিচালক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাসের, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, টাঙ্গাইল বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এমএ আজিজ।

টাঙ্গাইল- (সদর): বর্তমান সাংসদ আলহাজ মো. ছানোয়ার হোসেন, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম। এছাড়া এ আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি আবুল কাশেম মনোনয়ন চাইবেন।

টাঙ্গাইল- (নাগরপুর-দেলদুয়ার): বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবদুল বাতেন এমপি, জেলা আ’লীগের বাণিজ্য ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু ও বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু।

টাঙ্গাইল- (মির্জাপুর): বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ মো. একাব্বর হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও হাকাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) খন্দকার এ হাফিজ। এছাড়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ এবং উপজেলা চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারবেন।

টাঙ্গাইল- (সখীপুর-বাসাইল): সংসদ সদস্য অনুপম শাজাহান জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক জিএম আবদুল মালেক মিয়া ও ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ।

কিশোরগঞ্জ- (কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া): বর্তমান এমপি অ্যাড. মো. সোহরাব উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এম এ আফজাল, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদের পুত্র রাসেল আহমেদ তুহিন, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল, পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু ও আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুজ্জামান অপু।

কিশোরগঞ্জ- (তাড়াইল-করিমগঞ্জ): সাবেক এমপি ড. মিজানুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ কবীর আহমেদ, করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ ও ব্যবসায়ী এরশাদ উদ্দিন।

কিশোরগঞ্জ- (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম): রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদের পুত্র ও বর্তমান এমপি রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. কামরুল আহসান শাহজাহান।

কিশোরগঞ্জ- (নিকলী-বাজিতপুর): বর্তমান এমপি মো. আফজাল হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকন, জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ।

কিশোরগঞ্জ- (কুলিয়ারচর-ভৈরব): বর্তমান এমপি নাজমুল হাসান পাপন ও সিআইপি মো. মুছা মিয়া।

মানিকগঞ্জ- (দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয়): জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক ক্রিকেটার এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম জাহিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম পিপি, সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ারুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রহিম খান, আওয়ামী লীগ নেতা ও শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আকবর।

মানিকগঞ্জ- (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর): সিঙ্গাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাটিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মনির হোসাইন।

মানিকগঞ্জ- (সদর-সাটুরিয়া): জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট বাদরুল ইসলাম খান বাবলু ও রাবেয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম।

মুন্সীগঞ্জ- (শ্রীনগর সিরাজদীখান): শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ এমপি, দলের সাবেক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক. ডা. বদিউজ্জামান ডবিস্নউ।

মুন্সীগঞ্জ- (লৌহজং টঙ্গিবাড়ী): সাগুপ্তা ইয়াসমীন এমিলি এমপি, অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম, টঙ্গিবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ।

মুন্সীগঞ্জ- (মুন্সীগঞ্জ সদর গজারিয়া): দলের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস এমপি এবং সাবেক এমপি ও সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব এম ইদ্রিস আলী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিসুজ্জামান আনিস।

ঢাকা- (দোহার নবাবগঞ্জ): প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আবদুল মান্নান খান ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান।

[আগামীকাল প্রকাশ করা হবে আরও ৫০ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নামের তালিকা- সাথেই  থাকুন বিডিনিউজআওয়ারে...]

 

ট্যাগ:

রাজনীতি
সাংবাদিকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শামীম ওসমান

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান। এজন্য তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পেশাগত কাজে নারায়ণগঞ্জে যাওয়া সাংবাদিকদের মা-বাবার জন্যও দোয়া করেন আলোচিত এই সংসদ সদস্য।

রবিবার বিকাল পৌনে চারটার দিকে হঠাৎ করে শহরের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন শামীম ওসমান। তিনি গত সংসদ নির্বাচনে সিটি করপোরেশনের বাইরে এনায়েতনগর ইউনিয়নে ভোটার ছিলেন। ফলে সবার ধারণা ছিল সিটি নির্বাচনে তার ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।

আপনি একাধিকবার আপনার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন, কারণ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই রাজনীতিক বলেন, ‘এর আগে জাতীয় নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভোট দিয়েছি। এবার সিটি নির্বাচনে মনে হয়েছে আমার একটি ভোট দেওয়া দরকার, তাই আমি এখানকার ভোটার হয়েছি। অনেকেই আমার বাড়ি থেকে কাউকে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন, এ কারণে আমি আগে থেকেই নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে নিয়েছিলাম। আমি চাইনি পলিটিক্স উত্তরাধিকারী সূত্রে হোক, পলিটিক্স যোগ্যতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।’

শামীম ওসমান বলেন, ‘ভালো ভোট হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের জন্য কার অবদান কী, কাদের কী অবদান সেটা আসলে বিষয় না। আমি প্রথমে সাংবাদিকদের থ্যাংকস জানাবো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকেও থ্যাংকস। এখানে মাত্র পাঁচ লাখ ভোটের নির্বাচন কভার করার জন্য এতসংখ্যক সংবাদকর্মীরা এসেছেন। কোথাও সমস্যা হলে দ্রুত আপনাদের টিম চলে গেছে। সাংবাদিকদের কারণে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।’

সাংসদ বলেন, ‘সাংবাদিকরা যে পরিশ্রমটা করেছেন নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু ভোটের জন্য সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। দোয়া করা ছাড়া আর কিছু আমার দেওয়ার নেই। আল্লাহ আপনাদের পিতামাতাকে হেফাজত করুন। যারা বেঁচে নেই তাদের শান্তিতে রাখুন।’

ট্যাগ:

রাজনীতি
ইভিএমে কারচুপির জন্য পরাজিত হয়েছি: তৈমূর

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রায় ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেছেন, ইভিএমে কারচুপির কারণে তিনি পরাজিত হয়েছেন। এছাড়া তার পক্ষের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে পরাজিত হলেও নিজেকে জনগণের ভালোবাসায় জয়ী বলে দাবি করেন।

রবিবার রাতে নিজ বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর বলেন, ‘এটা আমাদের নয়, সরকারের পরাজয়। একা খেলা দরকার ছিল, খেইলা দিছি। আমি না দাঁড়ালে নির্বাচনইতো হতো না। কোনো সমস্যা নেই, আল্লাহ ভরসা।’

ইভিএমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ত্রুটিপূর্ণ ও স্লো ছিল। অনেক লোক ভোট দিতে পারেনি। ইভিএমের কারচুপির জন্য আমাদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই যারা নির্বাচনে আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আমার লোকজন বাড়িতে থাকতে পারেনি। এটিএম কামালের মতো লোককে ঘেরাও করা হয়েছে গ্রেপ্তারের জন্য।’

তৈমূর বলেন, ‘ঢাকার মেহমানদের অতিরঞ্জিত কথার পরে গ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীর কবির নানককে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, ১২ ও ১৩নং ওয়ার্ড তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ১৩নং ওয়ার্ডে আমি থাকি, আমার ভাই তিনবারের কাউন্সিলর। আর ১২নং ওয়ার্ড সরকারি এমপির ওয়ার্ড। আমি বললাম সরকারই যদি তার এমপির কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তাহলে আমার কিছু করার নেই। আমার কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।’

পরাজিত প্রার্থী বলেন, ‘জনগণের ভালোবাসায় আমরা জয়ী, তাদের প্রতি, মিডিয়ার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। প্রতিটি ঘটনা আমি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আমার সমন্বয়ককে কাগজসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার মাধ্যমেই শুরু হয় এবং আমার লোকজন প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হতে থাকে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখবেন হেফাজতের মামলা দেওয়া হয়েছে সবাইকে। এদের মধ্যে হিন্দু লোকও আছে। এখন দেখা যায় মুসলমান তো করেই, হিন্দুরাও হেফাজত করে। আজ সকাল থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বন্দরের সমন্বয়ককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমার চিফ এজেন্টের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অবস্থায় একটা মানুষ স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে কীভাবে ঠিক থাকতে পারে। তারপরেও জনগণ আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

বিজয়ী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তৈমূর বলেন, ‘তার বিষয়ে আগেও মন্তব্য করিনি, এখনো করবো না। এটা খেলা হয়েছে সরকার বনাম জনগণ, সরকার বনাম তৈমুর আলম খন্দকার। আমি সিটি করপোরেশনের জন্য কী করেছি তা তাকে জিজ্ঞেস করেন। নারায়ণগঞ্জবাসী এগুলো জানে।’

এ সময় বিএনপির পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই নেতা দাবি করেন, বিএনপি আমার রক্তের সাথে মিশে গেছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
নারায়ণগঞ্জ সিটিসহ পরবর্তী নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ হবে: কাদের

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারাদেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অত্যন্ত আনন্দমুখর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করছি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনসমূহ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে ওসতুমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং কমিশনের কাজে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এবং আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে সরকার সর্বদা কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। আশা করি, আগামীতে যেকোনো ধরনের নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনী আরও তৎপর থাকবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপ চলমান রয়েছে। স্টেকহোল্ডার হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ১৭ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নিবে। একটি অর্থবহ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শক্তিশালী কমিশন গঠনে আওয়ামী লীগের মতামত ও প্রস্তাবনা সংলাপে উপস্থাপন করা হবে। আমরা মনে করি, পারস্পরিক আলোচনা যেকোনো জটিল সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। সংঘাত, সহিংসতা, জনমতবিরোধী তৎপরতা গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে আলাপ-আলোচনা, সংলাপ, পরমতসহিষ্ণুতা গণতন্ত্র বিকাশের পথকে কুসুমিত করে। যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে না, তারা রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ও প্রচলিত গণতান্ত্রিক রীতি-নীতিতে শ্রদ্ধাশীল নয়; তারা সংলাপে আস্থা রাখে না। বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করতে চায়।’

বিএনপি নেতারা বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সমাবেশের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার উস্কানি দিচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ কেউ আরেকটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছেন; ডাইরেক্ট অ্যাকশনের হুমকি দিচ্ছেন। আসলে পায়ের নিচে মাটি নেই বলে এসব তাদের নিজেদের ওপর ঝেঁকে বসা ভয় তাড়ানোর নির্জীব হুংকার। আত্মবিশ্বাস হারানো এক ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক দলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানতে চাই, কাদের নিয়ে তারা যুদ্ধ করবেন? কেন যুদ্ধ করবেন? তাদের যুদ্ধ কী লুটপাট, দুর্নীতি আর অরাজকতা সৃষ্টির জন্য? আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত। যারা মানুষের মৌলিক অধিকার হরণকারী, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষক, উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং যারা স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা ও স্বেচ্ছাচারিতামূলক অপরাজনীতির উত্তরাধিকার তাদেরকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের যেকোনো ধরনের আস্ফালনকে সর্বাত্মকভাবে প্রতিহত করা হবে।’

ট্যাগ:

রাজনীতি
স্ত্রীসহ বিএনপি মহাসচিব করোনায় আক্রান্ত

banglanewspaper

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা। তবে শারীরিকভাবে দুজনই সুস্থ আছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তারা দুজনই বর্তমানে উত্তরার বাসায় আছেন।

জানা গেছে, সোমবার করোনার পরীক্ষার পজিটিভ রিপোর্ট পান মির্জা ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা। মঙ্গলবার রিপোর্ট পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুজনই উত্তরার বাসায় আইসোলেশনে আছেন। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

করোনা সংক্রমণের প্রায় দুই বছরে বিএনপির অনেক কেন্দ্রীয় নেতাই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে দলের ভাইস চেয়ারম্য্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, কেন্দ্রীয় নেতা খুররম খান চৌধুরী, খন্দকার আহাদ আহমেদ, আবদুল আউয়াল খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানসহ বেশ কয়েকজন নেতা মারা গেছেন।

ট্যাগ:

রাজনীতি
আর যাই বলুন গডমাদার বলবেন না: শামীম ওসমান

banglanewspaper

সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে গডফাদার আখ্যা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটির নৌকার মেয়রপ্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা নিয়ে মুখ খুললেন শামীম ওসমান। আলোচিত এই সংসদ সদস্য অনুরোধ করেছেন, ‘আর যাই বলা হোক, তাকে যেন ‘গডমাদার’ না বলা হয়।

সোমবার দুপুরে নানা ইস্যু নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে প্রচারণার সময় শামীম ওসমান এবং তার ভাই জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে নিয়ে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এসময় তিনি শামীম ওসমানকে গডফাদার বলে মন্তব্য করেন।

আইভীর এমন বক্তব্য নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে চুপ থাকলেও আইভীর মন্তব্যের পর কথা বলেন শামীম ওসমান। নারায়ণগঞ্জের আলোচিত এই সংসদ সদস্য গতকাল বলেছিলেন তার বিরুদ্ধে আইভীর এমন বক্তব্য দেওয়াসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে করবেন তিনি।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- সেলিনা হায়াৎ আইভী আপনাকে গডফাদার বলে বক্তব্য দিয়েছেন। জবাবে শামীম ওসমান বলেন, ‘একই লোক আমাকে একদিন বললেন গডফাদার। একদিন আগে বললেন ব্রাদার। তারও একদিন আগে বললেন ভাই। এখন কেউ যদি কিছু বলে শান্তি পায় তাতে আমার সমস্যা নেই। কিন্তু দয়া করে গডমাদার বলবেন না।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এই সাংসদ বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি অন্তর দিয়ে, আবেগ দিয়ে। কে কী বললো আমি কেয়ার করি না। কেউ কিছু বলে শান্তি পেলে বলুক, বলতে দেন। আমি নীলকণ্ঠের মতো, সব হজম করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এত সমালোচনা সহ্য করে, বিষ হজম করে যদি রাজনীতি করতে পারেন আমরা কেন পারবো না।’

শামীম ওসমান ও নাসিম ওসমানের প্রার্থী তৈমূর নৌকার প্রার্থী আইভীর এমন বক্তব্যের জবাবে শামীম ওসমান বলেন, আসলে নির্বাচন করতে গেলে অনেক সময় স্ক্রু ঢিলা হয়।

ট্যাগ: