banglanewspaper

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই শুরু করেছে বিএনপি। আসনভিক্তিক প্রার্থী বাছাইয়ে এরইমধ্যে প্রায় ১৫০ আসনে বিএনপি-জামায়েতের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ১৫০ আসনের প্রতিটিতে ৩ জন করে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম বিবেচনায় রয়েছে। জোটের শরিকদের জন্য বরাদ্ধকৃত আসনও অনেকটাই চূড়ান্ত। 

 

দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের হাইকমান্ডেও। বিশেষ করে বিভিন্ন বিভাগ ও জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা দলের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীর তালিকা তৈরি শুরু করেছেন। সেখানে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে- ক্লিন ইমেজের অধিকারী নেতাদের। প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে এবার বেশ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

 

আগামীর প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির ৫০৬ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থায়ী কমিটি সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, যুগ্ম মহাসচিব ও নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নাম রয়েছে। লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় সেখানে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন প্রার্থী তালিকা অনেকটাই গুছিয়ে এনেছেন। দলের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে এ নিয়ে ঢাকা-লন্ডন দফায় দফায় আলোচনা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। তবে শেষ মুহূর্তে ভোটার সংখ্যা বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন নতুন করে আসন বিন্যাস করলে প্রার্থী তালিকায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে বলেও জানা গেছে। এরইমধ্যে চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীরা নির্বাচনের আবহ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের হাই কমান্ড থেকে সবুজ সংকেত পাবেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা এবং আইনি জটিলতায় যদি শেষ মুহূর্তে কেউ প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে না পারেন সেজন্য সব আসনেই বিকল্প প্রার্থীর নাম বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

 

২০ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে জামায়াত ইসলামী (নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে) ১০ এবং বাকি ১৮ দলকে ১০-১২টি আসন দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা অনেকটাই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। লন্ডনে অবস্থানরত ছাত্রদলের একজন সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং দলের একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

 

প্রাপ্ত তথ্য মতে, গতবছরের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে কাউন্সিলরা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ক্ষমতা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৬ আগস্ট দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার অনুমোদিত কমিটির নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির আগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মোট সদস্য ৩৮৬ জন থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে ৫০৬ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়েছে। তবে ঘোষণা করা হয়েছে সর্বমোট ৫০২ জন সদস্যের নাম। এদের মধ্যে অনেকেই আগামীতে পাবেন জোটের মনোনয়ন।

 

অপর একটি সূত্র মতে, এবার ঢাকার বেশ কয়েকটি আসনে বিএনপির পুরনো প্রার্থী বদলের আভাস রয়েছে। দলে নিষ্ক্রিয়রা আগামীতে মনোনয়ন পাবেন না এমন খবর রয়েছে তৃণমূলে।

 

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত আসামি। দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এবারো ফেনীর একটিসহ ৫টি আসনে প্রার্থী হবেন। তিনি সিলেট-১ আসনেও প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারেন। তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান সিলেটে এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান ফরিদপুরের একটি আসনে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন এমন ভাবনা রয়েছে দলের হাই কমান্ডে।

 

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৯), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহ উদ্দিন আহমেদ এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ নিজ এলাকায় মনোনয়ন অনেকটাই চূড়ান্ত। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিঞার মনোনয়ন নিয়ে জটিলতা রয়েছে।

 

বিএনপি চেয়ারপার্সনের ৭৩ উপদেষ্টার মধ্যে উকিল আবদুস সাত্তার, তাহমিনা রুশদি লুনা (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াছ আলীর স্ত্রী), ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জ), ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান (ঢাকা-২০), আমান উল্লাহ আমান (ঢাকা-২), মিজানুর রহমান মিনু, জয়নাল আবেদীন ভি পি, আফরোজা খান রীতা (মানিকগঞ্জের হরিরামপুর), আবুল খায়ের ভুঁইয়া, মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, জয়নুল আবদিন ফারুক ও অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের মনোনয়ন নিয়ে জটিলতা নেই বলে জানা গেছে।

 

জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, ড. ওসমান ফারুক, আবদুল মান্নান ও গিয়াস কাদের চৌধুরীর মনোনয়ন অনেকটাই নিশ্চিত। এ ছাড়া সিনিয়ির যুগ্ম মহাসচিব (দপ্তরের দায়িত্বে) অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন ও হাবিব উন নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, আসাদুল হাবিব দুলু ও শামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক এহসানুল হক মিলন, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক এ্যাড গৌতম চক্রবর্তী, সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহশ্রমিকবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান (বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী তানভীর আহম্মেদ সিদ্দিকী দলত্যাগ করায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর), সহউপজাতিবিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) মনিষ দেওয়ান, নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর লবি, সহপরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু (ঢাকা-১৯), নির্বাহী কমিটির সদস্য রশিদুজ্জামান মিল্লাতের মনোনয়ন অনেকটাই চূড়ান্ত বলে জানা গেছে।

 

অন্যদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় পাবনা-১, ফরিদপুর-৩ এবং শেরপুর-১ আসনে জামায়াতকে আর ছাড় দিতে হবে না বলে মনে করে বিএনপি। অন্যদিকে একই মামলায় মাওলানা আবদুস সোবহান ও এ টি এম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ায় পাবনা-৫ ও রংপুর-২ নিয়ে বিএনপির ভাবনা কমেছে। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড হওয়ায় পিরোজপুর-১ আসনটি নিয়ে জটিলতা কমলেও তার পুত্র উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদীকে মনোনয়ন দেয়া হতে পার বলে বিএনপিতে আলোচনা আছে। তবে ওই আসন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারকেও ছেড়ে দেয়া হতে পারে। কুমিল্লা-১১ আসনে মরহুম কাজী জাফর আহমদের মেয়ে জয়া কাজী, মৌলভীবাজার-২ আসনে নওয়াব আলী আব্বাস এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনে এ এইচ এম গোলাম রেজার নাম আলোচনায় রয়েছে। কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও চট্টগ্রাম-১৪ আসনে আ ন ম শামসুল ইসলামকে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী করা হতে পারে।

 

তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে যারা দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন এমন কয়েকজনকেও ছাড় দেয়ার চিন্তা আছে বিএনপিতে। তখনকার ফলাফলে জামায়াত দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এমন ৩২টি আসনের মধ্যে আছে ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-১ ও ৬, নীলফামারী-২ ও ৩, লালমনিরহাট-১, রংপুর-১ ও ২, গাইবান্ধা-১, ৩ ও ৪, সিরাজগঞ্জ-৪, পাবনা-১ ও ৫, চুয়াডাঙ্গা-২, ঝিনাইদহ-৩, যশোর-১ ও ২, বাগেরহাট-৩ ও ৪, খুলনা-৫ ও ৬,সাতক্ষীরা-২, ৩ ও ৪, পিরোজপুর-১, শেরপুর-১, সিলেট-৫ ও ৬, কুমিল্লা-১১, কক্সবাজার-২ ও চট্টগ্রাম-১৪।

 

অন্যদিকে বাকি ১৮ দলকে ১০ থেকে ১২টি আসন ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। দলটির নেতাদের মতে, অলি আহমদের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৩টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি সর্বোচ্চ দুটি, বিজেপি দুটি, জাগপা একটি, জমিয়তে ওলামা ইসলাম একটি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) একটি ও মুসলিম লীগ একটি আসনে ছাড় পেতে পারে। বাকি বেশির ভাগ দলের নিবন্ধন নেই, নেতাদের আসনও নেই। এরমধ্যে চট্টগ্রাম-১৩ আসনে অলি আহমদ, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ এবং লক্ষীপুর-১ আসনে এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত। এ ছাড়া প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল করিম আব্বাসীর জন্য নেত্রকোনা-১, আবদুল গণির জন্য মেহেরপুর-২ ও আবু ইউসুফ খলিলুর রহমানের জন্য জয়পুরহাট-২ আসনে মনোনয়ন চাইবে এলডিপি। বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-১ এবং জমিয়তে ওলামা ইসলামের চেয়ারম্যান মুফতি মোহম্মদ ওয়াক্কাস যশোর-৫ আসন থেকে জোটের প্রার্থী হতে পারেন। দিনাজপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন সদ্য মরহুম জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের স্ত্রী রেহানা প্রধান।

 

কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমানের জন্য পাবনা-১ এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ইকবাল হাসান মাহমুদের জন্য নারায়ণগঞ্জ-২ আসন জোট নেত্রীর কাছে চাইবে দলটি। বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি নীলফামারী-১, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি এ এইচ এম কামরুজ্জামান কিশোরগঞ্জ-৫ এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান পিরোজপুর-২ আসনে জোটের প্রার্থী হতে চান। সূত্রঃ ভোরের কাগজ।

আরও পড়ুন- 

-> বিএনপির সমাবেশে জুয়া খেলায় মত্ত কর্মীরা

 

-> ‘আওয়ামী লীগে এবার মনোনয়ন পাবেন না যারা’

ট্যাগ:

রাজনীতি
সাংবাদিকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শামীম ওসমান

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান। এজন্য তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পেশাগত কাজে নারায়ণগঞ্জে যাওয়া সাংবাদিকদের মা-বাবার জন্যও দোয়া করেন আলোচিত এই সংসদ সদস্য।

রবিবার বিকাল পৌনে চারটার দিকে হঠাৎ করে শহরের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন শামীম ওসমান। তিনি গত সংসদ নির্বাচনে সিটি করপোরেশনের বাইরে এনায়েতনগর ইউনিয়নে ভোটার ছিলেন। ফলে সবার ধারণা ছিল সিটি নির্বাচনে তার ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।

আপনি একাধিকবার আপনার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন, কারণ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই রাজনীতিক বলেন, ‘এর আগে জাতীয় নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভোট দিয়েছি। এবার সিটি নির্বাচনে মনে হয়েছে আমার একটি ভোট দেওয়া দরকার, তাই আমি এখানকার ভোটার হয়েছি। অনেকেই আমার বাড়ি থেকে কাউকে প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন, এ কারণে আমি আগে থেকেই নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে নিয়েছিলাম। আমি চাইনি পলিটিক্স উত্তরাধিকারী সূত্রে হোক, পলিটিক্স যোগ্যতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।’

শামীম ওসমান বলেন, ‘ভালো ভোট হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের জন্য কার অবদান কী, কাদের কী অবদান সেটা আসলে বিষয় না। আমি প্রথমে সাংবাদিকদের থ্যাংকস জানাবো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকেও থ্যাংকস। এখানে মাত্র পাঁচ লাখ ভোটের নির্বাচন কভার করার জন্য এতসংখ্যক সংবাদকর্মীরা এসেছেন। কোথাও সমস্যা হলে দ্রুত আপনাদের টিম চলে গেছে। সাংবাদিকদের কারণে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।’

সাংসদ বলেন, ‘সাংবাদিকরা যে পরিশ্রমটা করেছেন নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু ভোটের জন্য সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। দোয়া করা ছাড়া আর কিছু আমার দেওয়ার নেই। আল্লাহ আপনাদের পিতামাতাকে হেফাজত করুন। যারা বেঁচে নেই তাদের শান্তিতে রাখুন।’

ট্যাগ:

রাজনীতি
ইভিএমে কারচুপির জন্য পরাজিত হয়েছি: তৈমূর

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রায় ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেছেন, ইভিএমে কারচুপির কারণে তিনি পরাজিত হয়েছেন। এছাড়া তার পক্ষের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে পরাজিত হলেও নিজেকে জনগণের ভালোবাসায় জয়ী বলে দাবি করেন।

রবিবার রাতে নিজ বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর বলেন, ‘এটা আমাদের নয়, সরকারের পরাজয়। একা খেলা দরকার ছিল, খেইলা দিছি। আমি না দাঁড়ালে নির্বাচনইতো হতো না। কোনো সমস্যা নেই, আল্লাহ ভরসা।’

ইভিএমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ত্রুটিপূর্ণ ও স্লো ছিল। অনেক লোক ভোট দিতে পারেনি। ইভিএমের কারচুপির জন্য আমাদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই যারা নির্বাচনে আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আমার লোকজন বাড়িতে থাকতে পারেনি। এটিএম কামালের মতো লোককে ঘেরাও করা হয়েছে গ্রেপ্তারের জন্য।’

তৈমূর বলেন, ‘ঢাকার মেহমানদের অতিরঞ্জিত কথার পরে গ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীর কবির নানককে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, ১২ ও ১৩নং ওয়ার্ড তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ১৩নং ওয়ার্ডে আমি থাকি, আমার ভাই তিনবারের কাউন্সিলর। আর ১২নং ওয়ার্ড সরকারি এমপির ওয়ার্ড। আমি বললাম সরকারই যদি তার এমপির কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে তাহলে আমার কিছু করার নেই। আমার কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।’

পরাজিত প্রার্থী বলেন, ‘জনগণের ভালোবাসায় আমরা জয়ী, তাদের প্রতি, মিডিয়ার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। প্রতিটি ঘটনা আমি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আমার সমন্বয়ককে কাগজসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার মাধ্যমেই শুরু হয় এবং আমার লোকজন প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হতে থাকে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখবেন হেফাজতের মামলা দেওয়া হয়েছে সবাইকে। এদের মধ্যে হিন্দু লোকও আছে। এখন দেখা যায় মুসলমান তো করেই, হিন্দুরাও হেফাজত করে। আজ সকাল থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বন্দরের সমন্বয়ককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমার চিফ এজেন্টের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অবস্থায় একটা মানুষ স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে কীভাবে ঠিক থাকতে পারে। তারপরেও জনগণ আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

বিজয়ী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তৈমূর বলেন, ‘তার বিষয়ে আগেও মন্তব্য করিনি, এখনো করবো না। এটা খেলা হয়েছে সরকার বনাম জনগণ, সরকার বনাম তৈমুর আলম খন্দকার। আমি সিটি করপোরেশনের জন্য কী করেছি তা তাকে জিজ্ঞেস করেন। নারায়ণগঞ্জবাসী এগুলো জানে।’

এ সময় বিএনপির পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই নেতা দাবি করেন, বিএনপি আমার রক্তের সাথে মিশে গেছে।

ট্যাগ:

রাজনীতি
নারায়ণগঞ্জ সিটিসহ পরবর্তী নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ হবে: কাদের

banglanewspaper

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারাদেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অত্যন্ত আনন্দমুখর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করছি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনসমূহ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে ওসতুমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং কমিশনের কাজে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এবং আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে সরকার সর্বদা কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। আশা করি, আগামীতে যেকোনো ধরনের নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনী আরও তৎপর থাকবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপ চলমান রয়েছে। স্টেকহোল্ডার হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ১৭ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নিবে। একটি অর্থবহ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শক্তিশালী কমিশন গঠনে আওয়ামী লীগের মতামত ও প্রস্তাবনা সংলাপে উপস্থাপন করা হবে। আমরা মনে করি, পারস্পরিক আলোচনা যেকোনো জটিল সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। সংঘাত, সহিংসতা, জনমতবিরোধী তৎপরতা গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে আলাপ-আলোচনা, সংলাপ, পরমতসহিষ্ণুতা গণতন্ত্র বিকাশের পথকে কুসুমিত করে। যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে না, তারা রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ও প্রচলিত গণতান্ত্রিক রীতি-নীতিতে শ্রদ্ধাশীল নয়; তারা সংলাপে আস্থা রাখে না। বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করতে চায়।’

বিএনপি নেতারা বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সমাবেশের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার উস্কানি দিচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ কেউ আরেকটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছেন; ডাইরেক্ট অ্যাকশনের হুমকি দিচ্ছেন। আসলে পায়ের নিচে মাটি নেই বলে এসব তাদের নিজেদের ওপর ঝেঁকে বসা ভয় তাড়ানোর নির্জীব হুংকার। আত্মবিশ্বাস হারানো এক ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক দলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানতে চাই, কাদের নিয়ে তারা যুদ্ধ করবেন? কেন যুদ্ধ করবেন? তাদের যুদ্ধ কী লুটপাট, দুর্নীতি আর অরাজকতা সৃষ্টির জন্য? আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত। যারা মানুষের মৌলিক অধিকার হরণকারী, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষক, উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং যারা স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা ও স্বেচ্ছাচারিতামূলক অপরাজনীতির উত্তরাধিকার তাদেরকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের যেকোনো ধরনের আস্ফালনকে সর্বাত্মকভাবে প্রতিহত করা হবে।’

ট্যাগ:

রাজনীতি
স্ত্রীসহ বিএনপি মহাসচিব করোনায় আক্রান্ত

banglanewspaper

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা। তবে শারীরিকভাবে দুজনই সুস্থ আছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তারা দুজনই বর্তমানে উত্তরার বাসায় আছেন।

জানা গেছে, সোমবার করোনার পরীক্ষার পজিটিভ রিপোর্ট পান মির্জা ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা। মঙ্গলবার রিপোর্ট পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুজনই উত্তরার বাসায় আইসোলেশনে আছেন। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

করোনা সংক্রমণের প্রায় দুই বছরে বিএনপির অনেক কেন্দ্রীয় নেতাই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে দলের ভাইস চেয়ারম্য্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, কেন্দ্রীয় নেতা খুররম খান চৌধুরী, খন্দকার আহাদ আহমেদ, আবদুল আউয়াল খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানসহ বেশ কয়েকজন নেতা মারা গেছেন।

ট্যাগ:

রাজনীতি
আর যাই বলুন গডমাদার বলবেন না: শামীম ওসমান

banglanewspaper

সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে গডফাদার আখ্যা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটির নৌকার মেয়রপ্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা নিয়ে মুখ খুললেন শামীম ওসমান। আলোচিত এই সংসদ সদস্য অনুরোধ করেছেন, ‘আর যাই বলা হোক, তাকে যেন ‘গডমাদার’ না বলা হয়।

সোমবার দুপুরে নানা ইস্যু নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে প্রচারণার সময় শামীম ওসমান এবং তার ভাই জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে নিয়ে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এসময় তিনি শামীম ওসমানকে গডফাদার বলে মন্তব্য করেন।

আইভীর এমন বক্তব্য নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে চুপ থাকলেও আইভীর মন্তব্যের পর কথা বলেন শামীম ওসমান। নারায়ণগঞ্জের আলোচিত এই সংসদ সদস্য গতকাল বলেছিলেন তার বিরুদ্ধে আইভীর এমন বক্তব্য দেওয়াসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে করবেন তিনি।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- সেলিনা হায়াৎ আইভী আপনাকে গডফাদার বলে বক্তব্য দিয়েছেন। জবাবে শামীম ওসমান বলেন, ‘একই লোক আমাকে একদিন বললেন গডফাদার। একদিন আগে বললেন ব্রাদার। তারও একদিন আগে বললেন ভাই। এখন কেউ যদি কিছু বলে শান্তি পায় তাতে আমার সমস্যা নেই। কিন্তু দয়া করে গডমাদার বলবেন না।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এই সাংসদ বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি অন্তর দিয়ে, আবেগ দিয়ে। কে কী বললো আমি কেয়ার করি না। কেউ কিছু বলে শান্তি পেলে বলুক, বলতে দেন। আমি নীলকণ্ঠের মতো, সব হজম করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এত সমালোচনা সহ্য করে, বিষ হজম করে যদি রাজনীতি করতে পারেন আমরা কেন পারবো না।’

শামীম ওসমান ও নাসিম ওসমানের প্রার্থী তৈমূর নৌকার প্রার্থী আইভীর এমন বক্তব্যের জবাবে শামীম ওসমান বলেন, আসলে নির্বাচন করতে গেলে অনেক সময় স্ক্রু ঢিলা হয়।

ট্যাগ: