banglanewspaper

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতি আসনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের অংশ হিসেবে জরিপের পর জরিপ চলছে আওয়ামী লীগে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার এসব জরিপ প্রক্রিয়ায় জড়িত ও আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জরিপে বর্তমান সংসদের ৫০ এমপি ও ১৭ মন্ত্রীর জনপ্রিয়তায় ব্যাপক ধস উঠে এসেছে। সব মিলিয়ে অন্তত দেড়শ’ এমপির অবস্থা নাজুক। তবে প্রধানমন্ত্রীর কড়া ঘোষণার পর প্রায় সবাই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সময় দিচ্ছেন। বৈঠকে বসছেন উঠানে উঠানে। হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনেকে মাটি কাটছেন শ্রমিকদের সঙ্গে, হাসপাতালের মেঝে পরিস্কার করছেন।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, অনেক অজনপ্রিয় নেতাদের হাতেও নৌকার টিকিট উঠবে। কেন্দ্রীয় নেতা ও বর্তমান মন্ত্রীদের মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। না হলে নির্বাচনী মাঠে এর প্রভাব পড়তে পারে। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতি জেলায় অন্তত দু’একটি আসনে মনোনয়ন পরিবর্তন হবে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র। এর কারণ হিসেবে তারা বলছে, নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ ও আলোচনা ছড়ানো এবং কর্মীদের চাঙ্গা রাখার জন্য হলেও প্রতি জেলায় অন্তত একটি আসনে প্রার্থী বদল করার সিদ্ধান্ত আছে আওয়ামী লীগ হাই কমান্ডের। সে হিসাবে ৬৪ জেলায় অন্তত ৮০ থেকে ৯০টি আসনে নতুন মুখ আসতে পারে। আবার চার থেকে পাঁচটি আসনে বর্তমান এমপিদের আসন পরিবর্তন হতে পারে। বার্ধক্যের কারণে বাদ পড়বেন বেশ কয়েক বর্তমান এমপি। বিভিন্ন জরিপে জনপ্রিয়তায় ধস যে ৫০ এমপির তারা হলেন- নীলফামারী-৩ আসনের গোলাম মোস্তফা, লালমনিরহাট-৩ আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ (দুলাল), রংপুর-২ আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৫ ফজলে রাব্বী মিয়া, ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, নওগাঁ-৫ আবদুল মালেক, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, সিরাজগঞ্জ-৩ গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আজিজুল হক আরজু, ঝিনাইদহ-৩ নবী নেওয়াজ, যশোর-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক, মাগুরা-১ মে. জে. এটিএম আবদুল ওয়াহহাব (অব.), খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৬ শেখ মো. নূরুল হক, বরগুনা-২ শওকত হাচানুর রহমান (রিমন), বরিশাল-২ তালুকদার মো. ইউনুস, বরিশাল-৫ বেগম জেবুন্নেছা আফরোজ, ভোলা-২ আলী আজম, টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান খান রানা, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন, জামালপুর-২ ফরিদুল হক খান, জামালপুর-৫ রেজাউল করিম হীরা, ময়মনসিংহ-৩ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দিন, ময়মনসিংহ-১১ মোহাম্মদ আমানউল্লাহ, নেত্রকোনা-১ ছবি বিশ্বাস, নেত্রকোনা-৩ ইফতিখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক, ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা, গাজীপুর-৩ রহমত আলী, মুন্সীগঞ্জ-১ সুকুমার রঞ্জন ঘোষ, নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দিন আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৩ এমএ মান্নান, নোয়াখালী-১ এইচএম ইব্রাহীম, নোয়াখালী-৬ আয়েশা ফেরদাউস, লক্ষ্মীপুর-৪ মো. আব্দুল্লাহ, চট্টগ্রাম-১৬ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, শরীয়তপুর-১ বিএম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ শওকত আলী।

শরিক ও টেকনোক্রেট বাদে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত মন্ত্রী ৪০ জন। এর মধ্যে জনপ্রিয়তায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন ঝালকাঠি-২ শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, ভোলা-১ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কিশোরগঞ্জ-১ জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, নোয়াখালী-৫ যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দিনাজপুর-৫ আসনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-১ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, গাজীপুর-১ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, নীলফামারী-২ সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জান নূর, ঢাকা-১২ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-১ মৎস্যমন্ত্রী ছায়েদুল হক, চাঁদপুর-২ ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মাদারীপুর-২ নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে জামালপুর-৩ পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

কোন্দল মিটিয়ে দলীয় কর্মীদের মাঠে নামাতে পারলে জিতে আসতে পারবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, লালমনিরহাট-২ আসনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক। বাকি মন্ত্রীদের মধ্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জনপ্রিয়তা পুনরুদ্ধারে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কারণে বাকি মন্ত্রীদের জনপ্রিয়তায় ধস। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন মনোনয়ন বঞ্চিতও হতে পারেন।

আসন পরিবর্তন হতে পারে ঢাকা-৮ এ। বর্তমান এমপি রাশেদ খান মেননকে জোটের প্রার্থী করা হতে পারে বরিশালের কোনো আসনে। জাহাঙ্গীর কবীর নানককেও মনোনয়ন দেয়া হতে পারে বরিশালের কোনো একটি আসনে। আর ভোলা-১ আসনের এমপি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ তার নিজের আসনে যেমন জনপ্রিয়; আরো বেশি জনপ্রিয় ভোলা-২ আসনে। নেত্রকোনায় উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের আসনে আসতে পারেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। সূত্রঃ মানবকণ্ঠ।

ট্যাগ:

রাজনীতি
২৫ ইউপি ও তিন পৌরসভায় আ.লীগের প্রার্থী যারা

banglanewspaper

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলা পরিষদ, তিনটি পৌরসভা ও ২৫টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

রোববার (২৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

ট্যাগ:

রাজনীতি
‘সবার মুখে হাসি আর বিএনপির মুখে শ্রাবণের মেঘ’

banglanewspaper

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে সবার মুখে আনন্দের হাসি। আর বিএনপির মুখে শ্রাবণের আকাশের মেঘ। এত ষড়যন্ত্র, এত কূটচাল তারপরও শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু করে ফেললেন। মির্জা ফখরুলের মন খারাপ, বুকে বড় ব্যথা, বড় বিষ জ্বালা। জ্বালায়-জ্বালায় মরছে তারা।

শনিবার (২৫ জুন) মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ীতে আওয়ামী লীগের জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ পদ্মার পাড়ে কত ছেলে তার অসুস্থ মাকে নিয়ে অপেক্ষা করেছে। কিন্তু ফেরি আসেনি। পরে মায়ের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। পদ্মায় আটকা পড়ে কত ছেলে তারা বাবার জানাজায় যেতে পারেনি। অনেকে বলে, পদ্মা সেতুর জন্য এত টাকা, এত টোল, কিন্তু এ এলাকার মানুষ জানে পদ্মা সেতু তাদের কত প্রয়োজন। যারা বিষয়টি জানে না তারা পদ্মা সেতুর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবে না।

‘আজ পদ্মা সেতুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তার নাম যুক্ত করেননি। কিন্তু যত দিন এখানে চন্দ্র ও সূর্য উদয় হবে, তত দিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আপনাকে স্মরণ করবে। বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করে, শেখ হাসিনার মুখের দিকে চেয়ে আপনারা পৈতৃক ফসলি জমি দিয়েছেন। পদ্মার পাড়ের মানুষের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শত বাধা আসলেও প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু বানাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন। সেজন্য আপনারা আজ এখানে একত্রিত হয়েছেন।

ট্যাগ:

রাজনীতি
ফের করোনায় আক্রান্ত মির্জা ফখরুল

banglanewspaper

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফের করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় বিএনপি মহাসচিবের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে নিশ্চিত করেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য খায়রুল কবির খান।

তিনি বলেন, শুক্রবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করা হয়। আজ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর দেখা যায় তিনি করোনা পজিটিভ। মির্জা ফখরুল ডা. রায়হান রাব্বানীর তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পরিবারের পক্ষ মির্জা ফখরুলের দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। যদিও তিনি করোনা ভ্যাকসিনের বুস্টার (তৃতীয়) ডোজ নিয়েছিলেন।

ট্যাগ:

রাজনীতি
৭৩ বছর পেরোলেও আ.লীগ এখন টগবগে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

banglanewspaper

পথচলা ৭৩ বছর পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগ এখনো টগবগে যুবক বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আ.লীগ মানে বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গবন্ধু মানে আ.লীগ। আওয়ামী লীগের ৭৩ বছরের পথচলা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক পর্ষদ ও বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ’ আয়োজিত ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর জয়-বিশ্বের বিস্ময়’ শীর্ষক আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রতিটি সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নিজেকে সংস্কার করেছে। সমাজ, দেশ ও জাতির কথা চিন্তা করে আওয়ামী লীগ চলতে পেরেছে। সামনে এগিয়ে চলার জন‍্য নেতৃত্ব তৈরি করেছে। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন একটি দেশ দিয়েছেন আর তার কন‍্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়ন ও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে গেছেন।

খালিদ মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। তিনি পদ্মা সেতু করতে চেয়েছেন; ষড়যন্ত্রকারীরা টেনে ধরতে চেয়েছেন। ষড়যন্ত্রকারীরা পারেননি। শেখ হাসিনা পেরেছেন। তাঁর নেতৃত্বে উন্নয়নের বিষয় নিয়ে তৃতীয় বিশ্বের লোকজন গবেষণা করবে-এটা আওয়ামী লীগের নেতি-কর্মীদের জন‍্য অহংকার।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার পর দেশ অন্ধকার যুগে চলে গিয়েছিল। বাংলাদেশ বন্ধুহীন হয়ে পড়েছিল। সে জায়গা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নে কোথায় গেছে-তাবত দুনিয়া সেটি দেখছে। একমাত্র পদ্মা সেতু নিয়ে ৮০ লাখ কন্টেন্ট তৈরি হয়েছে।

কবি আসলাম সানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব‍্য রাখেন অধ‍্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, শিশু সাহিত‍্যিক সুজন বড়ুয়া, ড. শাহাদাত হোসেন নিপু, কবি বাপ্পী রহমান, কবি আসাদুজ্জামান, মিডিয়া ব‍্যক্তিত্ব সুজন হালদার।

ট্যাগ:

রাজনীতি
আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ ড. ইউনূসের, সাফ জবাব বিএনপির

banglanewspaper

বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২২ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সেতু বিভাগ।

একই দিন বেলা ১১টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন সেতু বিভাগের উপসচিব দুলাল চন্দ্র সূত্রধর। কিন্তু আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেননি রিজভী।

এদিন বিকেলে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তারা এই অনুষ্ঠানে যাবেন না।

তিনি বলেন, যারা এদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বেগম খালেদা জিয়াকে পদ্মায় ডুবিয়ে মারতে চায়, যারা এদেশের সবচেয়ে প্রতিথযশা এবং এদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জন করে আনা ব্যক্তি গোটা পৃথিবীতে যিনি নন্দিত মানুষ ড. মুহাম্মদ ইউনূস, তাকে চুবিয়ে মারতে চায়, তাদের আমন্ত্রণে বিএনপির কোনো নেতা বা কোনো কর্মী কখনোই যেতে পারে না।

আমন্ত্রণপত্রে বিএনপির সাতজন শীর্ষ নেতার নাম থাকলেও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নাম ছিল না।

আমন্ত্রণ পাওয়া বিএনপির শীর্ষ নেতারা হলেন- দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

এ বিষয়ে রিজভী বলেন, সরকারের তিনজন কর্মকর্তা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র দিয়ে গেছেন। কিন্তু আমরা সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করিনি।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে ১ টাকার জায়গায় ৩ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, সব টাকা আওয়ামী লীগ নেতাদের পকেটে গেছে, বিদেশে পাচার হয়েছে। নৈতিকভাবে বিএনপি কোনো অন্যায়ের সমর্থন করে না। এ জন্য এই অনুষ্ঠানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ জুন বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগ: