banglanewspaper

ডেস্ক রিপোর্ট: ছোটবেলায় ভুতের গল্প শুনতে শুনতে অনেকেরই শখ হয়েছে ভুত স্বচক্ষে দেখার। আর তাই অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়রা খোঁজ পেলে বেরিয়ে পড়েন ভুতুড়ে জায়গার সন্ধানে। সেসব মানুষের জন্য সুখবর(!)। রাজধানী ঢাকাতেই রয়েছে এমন কিছু ভৌতিক স্থান বা ঘটনা যার রহস্য সমাধান হয়নি আজও। জেনে নিন তেমনই কয়েকটি স্থানের কথা।

এয়ারপোর্ট রোড

ঢাকার সবচেয়ে পুরানো মহাসড়কগুলোর অন্যতম। এই মহাসড়ক নিয়ে রয়েছে নানান ভুতুড়ে গল্প। গভীর রাতে এখানে নাকি অশরীরীর দেখা পাওয়া যায়- এমন দাবি করেছেন অনেকেই। গাড়ি চালাতে চালাতে হঠাৎ করেই চালক আবিষ্কার করেন, বিপরীত দিক থেকে সাদা পোশাক পরিহিতা এক নারী অসম্ভব দ্রুতগতিতে গাড়ির দিকে ধেয়ে আসছে। অনেক চালকই এমন অবস্থায় ভয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এমন ঘটনার শিকার কারও কারও মতে, এই অশরীরী কোন মানুষ বা গাড়িকে স্পর্শ করে না; ভয় দেখিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোই নাকি এর মূল উদ্দেশ্য। ভয় পেয়ে নিয়ন্ত্রণ না হারিয়ে সোজা গাড়ি চালিয়ে গেলেই মুক্তি মিলবে এই অশরীরীর হাত থেকে।

এসব মিলিয়ে গল্পের ডালপালা ছড়িয়েছে বেশ! অনেক বছর আগে নাকি ঠিক এই সড়কেই একজন নারী তার পুরো পরিবারসহ শিকার হয়েছিলেন দুর্ঘটনার। সেই প্রতিশোধ নিতেই আজও এই রাস্তাতেই ঘুরে বেড়ায় সে। অন্যদেরও একই কায়দায় দুর্ঘটনার কবলে ফেলার মধ্যেই অশরীরীর আনন্দ। চাইলেও দিনের বেলায় এই অশরীরীর দেখা পাবেন না। ভুতুড়ে রহস্যপ্রেমী হয়ে থাকলে যেতে পারেন নির্জন কোনো এক রাতে সেই অশরীরীর সাক্ষাতে। তবে সেক্ষেত্রে দুর্ঘটনা, এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকি থেকেই যায়; এ কথাটি ক্ষণিকের জন্যেও ভুলবেন না যেন।

পুরান ঢাকা
পুরান ঢাকাতে কিছু মিষ্টির দোকান আছে যেখান থেকে কিছু লোক কয়েকদিন পর পর এসে রাত ৮টার দিকে ১০-১২ কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়। । তারা যেই দোকানে ঢুকে সেই দোকানের মালিককে লাইট নিভিয়ে দিতে বলে। অন্ধকারে তারা আসে, অন্ধকারে চলে যায়। এই লোকগুলো আকারে অনেক লম্বা এবং তাদের চেহারা আজ পর্যন্ত কেউ ভালো করে দেখতে পারেনি। ধারণা করা হয়, এরা জীন প্রজাতি। পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানের লোকেরাই উনাদের কথা জানেন।

এছাড়া পুরান ঢাকার একটি গার্লস স্কুলের সামনে দিয়ে নাকি রাত ১২টার পর একটা বউকে হেঁটে যেতে দেখা যায়। । যার পডরনে থাকে লাল পাড় দেয়া একটা হলুদ শাড়ি। সে কোথা থেকে আসে এবং কোথায় যায় তা কেউ আজ পর্যন্ত শনাক্ত করতে পারেনি। তবে অনেকেই বউটাকে দেখেছে বলে দাবি করেছে।

লালবাগ কেল্লা

লালবাগ কেল্লার নিচ দিয়ে অনেকগুলো সুড়ঙ্গ আছে, যেগুলো জমিদার আমলে করা। জমিদাররা বিপদ দেখলে সেইসব পথে পালিয়ে যেতো। তেমনই একটা সুড়ঙ্গ আছে, যার ভেতরে ঢুকলে আর কেউ ফিরে আসে না।

বিষয়টি পরীক্ষা করার জন্য একবার ২টা কুকুরকে চেইনে বেঁধে সেই সুড়ঙ্গে নামানো হয়েছিলো। আশ্চর্যজনকভাবে চেইন ফেরত আসে কিন্তু কুকুর দুটো ফিরে আসেনি।

মনিপুরীপাড়ার খ্রিস্টান বাড়ি
তেজগাঁও-এর মনিপুরীপাড়া এলাকায় একটা পুরনো খ্রিস্টান বাড়ি আছে। এই বাড়িতে ভাড়া থাকা প্রায় সব ভাড়াটিয়াই বিভিন্ন অদ্ভুত বা ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানার সম্মুখীন হন। অনেক সময়ই গভীর রাতে (রাত ১-২টার দিকে) বাড়িটার নিচের উঠোনের দোলনায় কাউকে দুলতে দেখা যায়। ঘটনাটি দেখেছেন এমন লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। এছাড়াও গভীর রাতে বাড়ির ছাদে অনেকসময় হইচই করা আওয়াজ শোনা গেছে।কিন্তু তৎক্ষণাৎ ছাদে গেলেও কাউকে দেখা যায় না। এই বাড়িটিকে ঘিরে লোক মনে কৌতূহলের কোনো শেষ নেই।

শোনা যায়, ওই বাড়িওয়ালার মেয়ে প্রায় ১৬ বছর আগে গলায় ফাঁস দিয়ে নিজ ঘরে মারা যায়। মেয়েটি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলো।। এই আত্মহত্যার পর থেকেই এমন অদ্ভুতুড়ে কার্যকলাপ শুরু হয়। 

মিরপুর ইনডোর স্টোডিয়াম

মিরপুর ইনডোর স্টোডিয়ামের জায়গায় আগে যখন পুকুর ছিল তখন সেখানে ২/৩ বছর পর পর একজন মানুষ মারা যেত বা নিখোঁজ হতো বলে শোনা যায়। শোনা যায়, একদিন দুপুর বেলা ৬নং সেকশনের নান্টু নামে একজন পুকুরে গোসল করতে নামে।  কিন্তু সে আর উঠে আসে না। পুকুর পাড়ে তার স্যান্ডেল লুঙ্গি, গামছা সব পড়ে ছিল। তারপর কত ডুবুরি কত মানুষ পুকুরে তন্ন তন্ন করে খুজল কিন্তু নান্টু মিয়াকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। অথচ ২৪ ঘন্টা পর তার লাশ ভেসে উঠছিল সম্পূর্ণ অক্ষতভাবেই।

এলাকাবাসীর ধারণা, শিকলে নিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া স্টোডিয়াম তৈরির সময়ও নাকি অনেক সমস্যা হয়েছিল বলে শোনা গিয়েছে।

banglanews

ট্যাগ:

অন্যরকম
মারা গেলেন তসলিমা নাসরিন!

banglanewspaper

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে। তার প্রফাইলে গেলে দেখা যায় ‘রিমেম্বারিং তসলিমা নাসরিন’ লেখা একটি নোটিশ টাঙ্গিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এটা সাধারণত মৃত ইউজারদের আইডিতে দেখা যায়। ঠিক তেমনি তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে কোম্পানিটি। তাহলে কি জনপ্রিয় এই লেখিকা মারা গেলেন? এমন প্রশ্ন ভক্ত-অনুরাগীদের।

তবে তসলিমা নাসরিন মারা যাননি। তিনি বেঁচে আছেন। বরং ফেসবুকে নিজেকে ‘মৃত’ অবস্থায় দেখে বেজায় ক্ষেপেছেন নির্বাসিত এই লেখিকা। এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আইডি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তসলিমা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একাধিক টুইটের মাধ্যমে ফেসবুকের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন তসলিমা নাসরিন। এক টুইটে তিনি বলেছেন, “ফেসবুক আমাকে মেরে ফেলেছে। অথচ আমি জীবিত। আমি অসুস্থ হইনি, বিছানায় পড়িনি অথবা হাসপাতালেও ভর্তি হইনি, তবু ফেসবুক আমার অ্যাকাউন্ট ‘স্মরণীয়’ করে দিয়েছে।”



এরপর ফেসবুক আইডির একটি স্কৃনশট দিয়ে আরেক টুইটে তসলিমা বলেন, “আমি পুরোপুরি জীবিত। কিন্তু আপনারা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছেন। খুবই খারাপ খবর! আপনারা এটা কীভাবে করতে পারলেন? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেন।”

ট্যাগ:

অন্যরকম
৮৭ বছরের জীবনে ৬৭ বছর গোসলই করেননি তিনি!

banglanewspaper

বয়স তার ৮৬ বছর। তবে অশীতিপর এই বৃদ্ধ ৬৭ বছর গোসলই করেননি। শুনতে গ্রিক মিথোলজির কোনো চরিত্র মনে হলেও ছয় দশকের বেশি সময় গোসলের ধারেকাছে না যাওয়া এই ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে ইরানে। দেশটির কেরমানশাহ প্রদেশের দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দা আমো হাজির গোসল না করার এই খবর দিয়েছে তেহরান টাইমস।

এক অনলাইন প্রতিবেদনে ইরানি সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আমো হাজির গোসল না করার ঘটনা এরইমধ্যে নেটদুনিয়ায় চর্চা হচ্ছে। গোসল না করার পাশাপাশি জীবনাচারেও অদ্ভুত আমো হাজি। তিনি মৃত পশুর মাংস ভক্ষণ করেন। পোশাক পরিধানেও আর দশজন মানুষের থেকে একদম ভিন্ন এই বৃদ্ধ। এছাড়া গোঁফ দাড়িও কোনো নাপিতের কাছে গিয়ে কাটেননি তিনি।

তেহরান টাইমসকে আমো হাজি বলেছেন, পানি দেখলেই তার মনে ভয় উদ্রেক হয়। তার মনে হয় পানি ধরলেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। দীর্ঘ কয়েক দশক গোসল না করার ফলে তার চুল ও ত্বক কিছুটা রুক্ষ হলেও নিজেকে একদম সুস্থ বলেই দাবি আমোর।

ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে এই বৃদ্ধকে দেখা গেছে, তিনি যেন প্রাচীনকাল থেকে উঠে আসা কোনও চরিত্র। গোঁফ—দাড়িতে ঢাকা গোটা মুখ। অর্ধেক মাথা টাক আর বাকিটায় উস্কোখুস্কো চুল। সারা শরীরে ছাই মাখা। চলাফেরার সময় হেলমেট পরেন সবসময়।

দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দারা আমো হাজির থাকার জন্য পাহাড়ি গুহার মধ্যে একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। দীর্ঘকাল ধরে তিনি বিচ্ছিন্নভাবে সেখানেই বাস করছেন। তবে কেন এই জনবিচ্ছিন্নতা? তেহরান টাইমসকে অশীতিপর বৃদ্ধ বলেন, ‘যৌবনে বড় ব্যথা পেয়েছিলাম। তাই মানুষের থেকে দূরে সরে গেছি।’ তবে কীসের সেই ব্যথা খোলাসা করেননি ইরানের এই বাসিন্দা।

ট্যাগ:

অন্যরকম
কাঁচা বাদামের পর এবার ভাইরাল ‘ভাজা বাদাম’ (ভিডিও)

banglanewspaper

সম্প্রতি সময়ে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল গানটি হলো ‘কাঁচা বাদাম’। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় গানটি ঘিরে আগ্রহের কমতি নেই। ‘বাদাম বাদাম দাদা, কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম...’ এমনই কথায় ভুবন বাদ্যকরের গাওয়া গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় সেলিব্রেটি বনে গেছেন তিনি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ‘কাঁচা বাদাম’ গানের অনুকরণে তৈরি হলো নতুন গান ‘ভাজা বাদাম।’ এই গানের স্রষ্টা আরেক বাদাম বিক্রেতা।

জানা গেছে, ‘ভাজা বাদাম’ গানের বাদাম বিক্রেতার নাম গুরুপদ সরকার। তিনি জলপাইগুড়ির ধাপগঞ্জের বাসিন্দা।

গুরুপদ সরকারের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে- ‘আমার কাছে নাই কাঁচা বাদাম, আছে শুধু ভাজা বাদাম, একশো গ্রাম কুড়ি টাকা দাম, আসেন দাদারা-দিদিরা ভাজা বাদাম খান।’ তার গানটিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘ভাজা বাদাম’ গানটি।

ভাজা বাদাম গান গেয়ে ভাইরাল হওয়া গুরুপদ বলেন, গান গাইলে অনেক মানুষকে সহজে আকর্ষণ করা যায়। তাই আগের তুলনায় বাদাম বিক্রি বেড়েছে। আর সেটাই লক্ষ্য ছিল। তাই ভুবন বাদ্যকারের পথ অনুসরণ করি।

তিনি আরও বলেন, নিজের মতো করে সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলাম। তাই ভাজা বাদাম গান গেয়েছি। তবে ‘কাঁচা বাদাম’ গানের অনুকরণে ‘ভাজা বাদাম’ গান বানিয়েছি।

প্রসঙ্গত, ভুবন বাদ্যকর গান গেয়ে ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করেন। ভাজা বাদাম নয়, কাঁচা বাদাম। ভাজা বাদামের অপকারিতা আর কাঁচাবাদামের উপকারিতা নিয়ে একটি গান বেঁধেছেন তিনি। এই গানের কথা যুক্ত হয়েছে টাকা ছাড়াও কীসের বিনিময়ে বাদাম বিক্রি করেন, যেমন ভাঙা মোবাইল, সিটি গোল্ডের পুরনো জিনিস, মাথার চুল ইত্যাদি। গানের কথায় এসব আর অদ্ভুত সুর তরুণরা ইন্টারনেটে পাওয়া মাত্রই লুফে নেয়।

অন্যদিকে গুরুপদ সরকার জলপাইগুড়ি শহরের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে বাদাম বিক্রি করেন। হাতে তার দাড়িপাল্লা। সামনে সাজানো থাকে ভাজা বাদাম।

ট্যাগ:

অন্যরকম
নারিকেল ভাঙতে গিয়ে ফাটল রাস্তা!

banglanewspaper

কোটি টাকার বেশি খরচ করে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা। কাজ শেষে রাস্তাটির উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক সূচি মৌসম চৌধুরী। নারিকেল ভেঙে সড়কটির উদ্বোধন করতে যান তিনি। কিন্তু তাতেই বাধে বিপত্তি। নারিকেল ফাটাতে গিয়ে নারিকেল না ভাঙলেও ফাটল দেখা দেয় নতুন সড়কে। এটা দেখেই রাগে জ্বলে ওঠেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের যোগীরাজ্যের বিজনৌরে।

জানা যায়, সড়কের এমন অবস্থা দেখার পর রাস্তাতেই তিন ঘণ্টা সময় পার করেন মৌসম চৌধুরী। পরে একদল আধিকারিককে ডেকে রাস্তার নমুনা সংগ্রহ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।

ঘটনার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি।

মৌসম চৌধুরী বলেন, কোটি টাকা খরচ করে সেচ দপ্তর রাস্তাটি বানিয়েছে। আমাকে রাস্তা উদ্বোধন করতে বলা হয়েছিল। আমি নারিকেল ফাটিয়ে উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু নারকেল তো ভাঙেইনি, উল্টে রাস্তাই ভেঙে গিয়েছে।’

ট্যাগ:

অন্যরকম
ভেঙে গেছে মহাকাশ স্টেশনের টয়লেট, ডায়াপার পরে আছেন নভোচারীরা!

banglanewspaper

ভরশূন্য অবস্থায় বিভিন্ন গবেষণা চালাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গত ছয় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন চার মহাকাশচারী। মিশন শেষ করে এবার পৃথিবীতে ফিরে আসার পালা। তাদের আনতে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় আছে রকেটও। কিন্তু হঠাৎ করেই স্টেশনের টয়লেট ভেঙে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এই মহাকাশচারীরা। টানা ২০ ঘণ্টা ধরে পরে আছেন ডায়াপার। শনিবার ভোরে এই খবর দিয়েছে নাসা।

নাসা জানিয়েছে, টয়লেট ভেঙে যাওয়ায় পৃথিবীর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে প্রদক্ষিণ করা মহাকাশ স্টেশনে টানা ২০ ঘণ্টা ধরে ডায়াপার পরে রয়েছেন চার মহাকাশচারী। তারা হলেন- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকিহিকো হোশিদে, নাসার শেন কিমব্রো ও মেগান ম্যাকআর্থার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির থমাস পেসকাট।

বিশ্ব বিখ্যাত বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার মালিক এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর ক্রু-২ মিশন রকেটে চাপিয়ে ওই চার মহাকাশচারীকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার কথা। কিন্তু আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে কিছুতেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হচ্ছে না স্পেস এক্স-এর রকেট। ফলে, ডায়াপার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনে থাকা চার মহাকাশচারীকে।

ট্যাগ: