banglanewspaper

দুই বছর বয়সে ষাঁড়ের ওজন হবে প্রায় ২৭ মণ। আর এক বছর বয়সে ওজন দাঁড়াবে ১০ মণেরও বেশি। দেশে এমনি এক আধুনিক মাংসল জাতের গরু পালনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর ‘বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্রাহমা জাতের এই গরু উৎপাদন হলে দেশের মাংসের চাহিদার ঘাটতি অনেকাংশ পূরণ হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে গাভী নির্বাচন, আমেরিকা থেকে ব্রাহমা জাতের সিমেন সংগ্রহের প্রক্রিয়াসহ প্রায় সব ধরনের কার্যক্রম সম্পাদন হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক এম এ সামাদ  জানান, ২০০৮ সালে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে প্রথম ব্রাহমা নামের মাংসল জাতের ষাঁড়ের সিমেন আমদানি করে একটি শংকর মাংসল জাত সৃষ্টি করা হয়। এতে সফলতাও পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় গবাদিপশু উন্নয়নের কলেবর বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ব্রাহমা জাতের গরুর সিমেন দিয়ে দেশি গাভীর মাধ্যমে ওই জাতের গরু পালন হবে। অনেক আগেই উপজেলা পর্যায়ে গাভী নির্বাচনের যাবতীয় কাজও সম্পাদন হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৩ সালের জুনে এ প্রকল্পের যাত্রা শুরু। ৩৮ জেলার ৮০টি উপজেলায় যাদের ন্যূনতম দুইটি করে গাভী আছে এমন ১৩০ জন খামারিকে নির্বাচন করা হয়েছে। এদের প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। গাভী প্রজননের উপযুক্ত হলে বিনামূল্যে ওই সিমেন দেয়া হবে। সফলতা পেলে এর আকার আরও বৃদ্ধি হবে।
প্রতিটি উপজেলায় সংশ্লিষ্ট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে খামারিদের সহায়তা করবেন। তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের ব্যয় হবে প্রায় ২৫ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অজয় কুমার রায়  বলেন, মাংসল জাতীয় এ জাতের গরু আমাদের দেশে আবহাওয়া উপযোগী। এতে সফলতা পেলে অনেক বেশি মাংস উৎপাদন সম্ভব হবে।
তিনি জানান, চলতি মাসে মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রাণী সম্পদ) আলী নূরের নেতৃত্বে তিনি সহ ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি আমেরিকায় গিয়ে ব্রাহমা জাতের গরুর সিমেন আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা ব্রাহমা জাতের গরু সম্পর্কে জানান, দেশী জাতের গরুর দৈহিক বৃদ্ধি প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম। কিন্তু মাংস জাত ব্রাহমা গরুর দৈহিক বৃদ্ধি এক থেকে দেড় কেজি। বাণিজ্যিকভাবেও এর পালন অনেক লাভজনক।
এর মাধ্যমে মাংস উৎপাদনের পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশে কম বয়সে এতো বেশি ওজনের মাংসল জাতীয় গরু উৎপাদন হয়নি।
এক নজরে ব্রাহমা জাতের গরু: ইংরেজি শব্দ `Brahman’ এর সংক্ষিপ্ত বাংলা ভাষা ব্রাহমা নামে পরিচিত। এ জাতের গরুর আদি আবাসস্থল ভারতীয় উপমহাদেশ। মূলত ভারতীয় তিন ধরণের গরুর উপজাত থেকে ব্রাহমা জাত তৈরি হয়েছে। ১৮৫৪ থেকে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত ভারত থেকে এ উপমহাদেশের বস ইনডিকাস জাতের ২৬৬টি ষাঁড় ও ২২টি গাভী সংগ্রহ করে জাত উন্নয়নের কাজ শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ক্যারাবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্রসমূহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর আরও অনেক দেশে এ গরু প্রতিপালন হচ্ছে।
ব্রাহমা জাতের গবাদিপশুর শরীরের আকার মাঝারি ধরনের হয়ে থাকে। জন্মের সময়ে বাচ্চার ওজন হয় ২৮ থেকে ৩৫ কেজি। পূর্ণ বয়স্ক গাভীর ওজন ৪৫০ থেকে ৬৫০ কেজি। শিং সাধারণত ছোট আকৃতির হয়। গরুর গায়ে ছোট ও মোটা লোমযুক্ত চকচকে চামড়া থাকায় বেশ গরম সহ্য করতে পারে এরা।
গলার নিচে দীর্ঘ ও লম্বাকৃতির তুলতুলে গলকম্বল থাকে। গায়ের রং বাছুরের হালকা ধূসর থেকে লাল হয়। আবার অনেক সময়ে কালো হয়ে থাকে। পূর্ণ বয়স্ক ষাঁড় সাদা ও কালো রঙের হয়। স্বভাবে শান্ত প্রকৃতির হলেও কর্মঠ।
এ জাতের গরু পরিবেশের তাপমাত্রার তারতম্যের সাথে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তাছাড়া খাদ্য সঙ্কটের সময়ও খুব সাধারণ মানের খাদ্য খেয়ে দৈহিক বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে এ জাতের গরু ৪০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রাও স্বাভাবিক আচরণ ও খাদ্য গ্রহণ করে থাকে। অন্যান্য জাতের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন এর মাংসে চর্বির পরিমাণও কম।

ট্যাগ:

অন্যরকম
মারা গেলেন তসলিমা নাসরিন!

banglanewspaper

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে। তার প্রফাইলে গেলে দেখা যায় ‘রিমেম্বারিং তসলিমা নাসরিন’ লেখা একটি নোটিশ টাঙ্গিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এটা সাধারণত মৃত ইউজারদের আইডিতে দেখা যায়। ঠিক তেমনি তসলিমা নাসরিনকে মৃত দেখাচ্ছে কোম্পানিটি। তাহলে কি জনপ্রিয় এই লেখিকা মারা গেলেন? এমন প্রশ্ন ভক্ত-অনুরাগীদের।

তবে তসলিমা নাসরিন মারা যাননি। তিনি বেঁচে আছেন। বরং ফেসবুকে নিজেকে ‘মৃত’ অবস্থায় দেখে বেজায় ক্ষেপেছেন নির্বাসিত এই লেখিকা। এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আইডি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তসলিমা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একাধিক টুইটের মাধ্যমে ফেসবুকের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন তসলিমা নাসরিন। এক টুইটে তিনি বলেছেন, “ফেসবুক আমাকে মেরে ফেলেছে। অথচ আমি জীবিত। আমি অসুস্থ হইনি, বিছানায় পড়িনি অথবা হাসপাতালেও ভর্তি হইনি, তবু ফেসবুক আমার অ্যাকাউন্ট ‘স্মরণীয়’ করে দিয়েছে।”



এরপর ফেসবুক আইডির একটি স্কৃনশট দিয়ে আরেক টুইটে তসলিমা বলেন, “আমি পুরোপুরি জীবিত। কিন্তু আপনারা আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্মরণীয় করে দিয়েছেন। খুবই খারাপ খবর! আপনারা এটা কীভাবে করতে পারলেন? দয়া করে আমার অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেন।”

ট্যাগ:

অন্যরকম
৮৭ বছরের জীবনে ৬৭ বছর গোসলই করেননি তিনি!

banglanewspaper

বয়স তার ৮৬ বছর। তবে অশীতিপর এই বৃদ্ধ ৬৭ বছর গোসলই করেননি। শুনতে গ্রিক মিথোলজির কোনো চরিত্র মনে হলেও ছয় দশকের বেশি সময় গোসলের ধারেকাছে না যাওয়া এই ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে ইরানে। দেশটির কেরমানশাহ প্রদেশের দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দা আমো হাজির গোসল না করার এই খবর দিয়েছে তেহরান টাইমস।

এক অনলাইন প্রতিবেদনে ইরানি সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আমো হাজির গোসল না করার ঘটনা এরইমধ্যে নেটদুনিয়ায় চর্চা হচ্ছে। গোসল না করার পাশাপাশি জীবনাচারেও অদ্ভুত আমো হাজি। তিনি মৃত পশুর মাংস ভক্ষণ করেন। পোশাক পরিধানেও আর দশজন মানুষের থেকে একদম ভিন্ন এই বৃদ্ধ। এছাড়া গোঁফ দাড়িও কোনো নাপিতের কাছে গিয়ে কাটেননি তিনি।

তেহরান টাইমসকে আমো হাজি বলেছেন, পানি দেখলেই তার মনে ভয় উদ্রেক হয়। তার মনে হয় পানি ধরলেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। দীর্ঘ কয়েক দশক গোসল না করার ফলে তার চুল ও ত্বক কিছুটা রুক্ষ হলেও নিজেকে একদম সুস্থ বলেই দাবি আমোর।

ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে এই বৃদ্ধকে দেখা গেছে, তিনি যেন প্রাচীনকাল থেকে উঠে আসা কোনও চরিত্র। গোঁফ—দাড়িতে ঢাকা গোটা মুখ। অর্ধেক মাথা টাক আর বাকিটায় উস্কোখুস্কো চুল। সারা শরীরে ছাই মাখা। চলাফেরার সময় হেলমেট পরেন সবসময়।

দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দারা আমো হাজির থাকার জন্য পাহাড়ি গুহার মধ্যে একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। দীর্ঘকাল ধরে তিনি বিচ্ছিন্নভাবে সেখানেই বাস করছেন। তবে কেন এই জনবিচ্ছিন্নতা? তেহরান টাইমসকে অশীতিপর বৃদ্ধ বলেন, ‘যৌবনে বড় ব্যথা পেয়েছিলাম। তাই মানুষের থেকে দূরে সরে গেছি।’ তবে কীসের সেই ব্যথা খোলাসা করেননি ইরানের এই বাসিন্দা।

ট্যাগ:

অন্যরকম
কাঁচা বাদামের পর এবার ভাইরাল ‘ভাজা বাদাম’ (ভিডিও)

banglanewspaper

সম্প্রতি সময়ে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল গানটি হলো ‘কাঁচা বাদাম’। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় গানটি ঘিরে আগ্রহের কমতি নেই। ‘বাদাম বাদাম দাদা, কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম...’ এমনই কথায় ভুবন বাদ্যকরের গাওয়া গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় সেলিব্রেটি বনে গেছেন তিনি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ‘কাঁচা বাদাম’ গানের অনুকরণে তৈরি হলো নতুন গান ‘ভাজা বাদাম।’ এই গানের স্রষ্টা আরেক বাদাম বিক্রেতা।

জানা গেছে, ‘ভাজা বাদাম’ গানের বাদাম বিক্রেতার নাম গুরুপদ সরকার। তিনি জলপাইগুড়ির ধাপগঞ্জের বাসিন্দা।

গুরুপদ সরকারের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে- ‘আমার কাছে নাই কাঁচা বাদাম, আছে শুধু ভাজা বাদাম, একশো গ্রাম কুড়ি টাকা দাম, আসেন দাদারা-দিদিরা ভাজা বাদাম খান।’ তার গানটিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘ভাজা বাদাম’ গানটি।

ভাজা বাদাম গান গেয়ে ভাইরাল হওয়া গুরুপদ বলেন, গান গাইলে অনেক মানুষকে সহজে আকর্ষণ করা যায়। তাই আগের তুলনায় বাদাম বিক্রি বেড়েছে। আর সেটাই লক্ষ্য ছিল। তাই ভুবন বাদ্যকারের পথ অনুসরণ করি।

তিনি আরও বলেন, নিজের মতো করে সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলাম। তাই ভাজা বাদাম গান গেয়েছি। তবে ‘কাঁচা বাদাম’ গানের অনুকরণে ‘ভাজা বাদাম’ গান বানিয়েছি।

প্রসঙ্গত, ভুবন বাদ্যকর গান গেয়ে ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করেন। ভাজা বাদাম নয়, কাঁচা বাদাম। ভাজা বাদামের অপকারিতা আর কাঁচাবাদামের উপকারিতা নিয়ে একটি গান বেঁধেছেন তিনি। এই গানের কথা যুক্ত হয়েছে টাকা ছাড়াও কীসের বিনিময়ে বাদাম বিক্রি করেন, যেমন ভাঙা মোবাইল, সিটি গোল্ডের পুরনো জিনিস, মাথার চুল ইত্যাদি। গানের কথায় এসব আর অদ্ভুত সুর তরুণরা ইন্টারনেটে পাওয়া মাত্রই লুফে নেয়।

অন্যদিকে গুরুপদ সরকার জলপাইগুড়ি শহরের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে বাদাম বিক্রি করেন। হাতে তার দাড়িপাল্লা। সামনে সাজানো থাকে ভাজা বাদাম।

ট্যাগ:

অন্যরকম
নারিকেল ভাঙতে গিয়ে ফাটল রাস্তা!

banglanewspaper

কোটি টাকার বেশি খরচ করে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা। কাজ শেষে রাস্তাটির উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক সূচি মৌসম চৌধুরী। নারিকেল ভেঙে সড়কটির উদ্বোধন করতে যান তিনি। কিন্তু তাতেই বাধে বিপত্তি। নারিকেল ফাটাতে গিয়ে নারিকেল না ভাঙলেও ফাটল দেখা দেয় নতুন সড়কে। এটা দেখেই রাগে জ্বলে ওঠেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের যোগীরাজ্যের বিজনৌরে।

জানা যায়, সড়কের এমন অবস্থা দেখার পর রাস্তাতেই তিন ঘণ্টা সময় পার করেন মৌসম চৌধুরী। পরে একদল আধিকারিককে ডেকে রাস্তার নমুনা সংগ্রহ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।

ঘটনার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন তিনি।

মৌসম চৌধুরী বলেন, কোটি টাকা খরচ করে সেচ দপ্তর রাস্তাটি বানিয়েছে। আমাকে রাস্তা উদ্বোধন করতে বলা হয়েছিল। আমি নারিকেল ফাটিয়ে উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু নারকেল তো ভাঙেইনি, উল্টে রাস্তাই ভেঙে গিয়েছে।’

ট্যাগ:

অন্যরকম
ভেঙে গেছে মহাকাশ স্টেশনের টয়লেট, ডায়াপার পরে আছেন নভোচারীরা!

banglanewspaper

ভরশূন্য অবস্থায় বিভিন্ন গবেষণা চালাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গত ছয় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন চার মহাকাশচারী। মিশন শেষ করে এবার পৃথিবীতে ফিরে আসার পালা। তাদের আনতে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় আছে রকেটও। কিন্তু হঠাৎ করেই স্টেশনের টয়লেট ভেঙে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এই মহাকাশচারীরা। টানা ২০ ঘণ্টা ধরে পরে আছেন ডায়াপার। শনিবার ভোরে এই খবর দিয়েছে নাসা।

নাসা জানিয়েছে, টয়লেট ভেঙে যাওয়ায় পৃথিবীর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে প্রদক্ষিণ করা মহাকাশ স্টেশনে টানা ২০ ঘণ্টা ধরে ডায়াপার পরে রয়েছেন চার মহাকাশচারী। তারা হলেন- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকিহিকো হোশিদে, নাসার শেন কিমব্রো ও মেগান ম্যাকআর্থার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির থমাস পেসকাট।

বিশ্ব বিখ্যাত বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার মালিক এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর ক্রু-২ মিশন রকেটে চাপিয়ে ওই চার মহাকাশচারীকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার কথা। কিন্তু আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে কিছুতেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হচ্ছে না স্পেস এক্স-এর রকেট। ফলে, ডায়াপার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে মহাকাশ স্টেশনে থাকা চার মহাকাশচারীকে।

ট্যাগ: