banglanewspaper

ওমর ফারুক, বান্দরবান প্রতিনিধি: বর্ণাঢ্য আয়োজনে বান্দরবানে পালিত হয়েছে বেসরকারী টিভি চ্যানেল এশিয়ান টিভির ৫ম বর্ষপূূর্তি। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৮জানুয়ারি) সকালে প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়।

র‌্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ন প্রধান প্রদান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। পরে প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান সদর জোনের জোন কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেঃ কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল পিএসসি।

প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট মফিদুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস, বান্দরবান থেকে প্রকাশিত মাসিক নীলাচলের সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম কোম্পানী, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি এনামুল হক কাশেমী, সাধারন সম্পাদক ফরিদুল আলম প্রমুখ।

র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রথম আলো প্রতিনিধি বুদ্ধ জ্যোতি চাকমা, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও এটিএন বাংলা প্রতিনিধি মিনারুল হক, এনটিভি প্রতিনিধি আলাউদ্দীন শাহারিয়ার, আরটিভি প্রতিনিধি শায়ায়েত হোসেন, এশিয়ান টিভি প্রতিনিধি নুরুল কবির, জিটিভি প্রতিনিধি মো: ইসহাক, দৈনিক আজকের দর্পনের প্রতিনিধি বাতিং মারমা, একুশে টিভির প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম টিটু, এসএ টিভির প্রতিনিধি উসিথোয়াই মারমা, মাছরাঙ্গা টিভি প্রতিনিধি কৌশিক দাশ গুপ্ত, চ্যানেল নাইন প্রতিনিধি এন এ জাকির, দৈনিক তৃতীয়মাত্রা প্রতিনিধি ওমর ফারুক, মোহনা টিভির প্রতিনিধি রাহুল বড়ুয়া ছোটন, দি এশিয়ান এইজের প্রতিনিধি ইয়াছিনুল হাকিম, দৈনিক পুর্বদেশের নাইক্ষংছড়ি প্রতিনিধি আবুল বশর নয়নসহ অনুষ্ঠানে বান্দরবানের প্রিন্ট ও ইলেক্টট্রিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ: Banglanewspaper বান্দরবান বর্ণাঢ্য আয়োজন এশিয়ান টিভি

চট্রগ্রাম
দেড় কোটি টাকার স্বর্ণসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

banglanewspaper

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় প্রায় দেড় কোটি টাকার স্বর্ণসহ দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে র‌্যাব।

শনিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে র‌্যাব-৭-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জঙ্গল ছলিমপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, রোহিঙ্গা নাগরিক আসমত উল্লাহ ও তার মা ছহুরা খাতুন।

সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে জঙ্গল ছলিমপুরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। ওই বাসা থেকে আটটি স্বর্ণের বার, পাঁচটি চেইন, এক জোড়া বালা, তিন জোড়া কানের দুল, তিনটি স্বর্ণের আংটি ও তিনটি লকেট উদ্ধার করা হয়। এসব স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য দেড় কোটি টাকা।

তিনি আরও জানান, আটক দুজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
হোটেলে নিয়ে গৃহবধূর ভিডিও ধারণ, অতঃপর...

banglanewspaper

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় এক গৃহবধূকে (৩২) ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তার মোরশেদ আলম রুবেল (৩৫) উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার আটিয়াবাড়ী এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

শনিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আসামি রুবেলকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে সোনাইমুড়ীর পৌরসভার আটিয়াবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-ডিবি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আসামি রুবেলের সঙ্গে পাঁচ মাস আগে ওই গৃহবধূর মুঠোফোনে পরিচয় হয়। পরে চৌমুহনী থ্রি-স্টার হোটেলে এনে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরবর্তীতে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ৮৫ হাজার টাকা, ১টি স্বর্ণের চেইন ও ১ জোড়া কানের দুল হাতিয়ে নেন। আরও টাকা দেওয়ার জন্য ওই নারীকে চাপ দিতে থাকলে তিনি নোয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রতারণার শিকার ওই নারীর লিখিত অভিযোগটি জেলা গোয়েন্দার ওসিকে তদন্তের ভার দিয়ে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেই। ডিবি পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আসামি রুবেলকে হাতিয়ে নেওয়া ১টি স্বর্ণের চেইন, ১ জোড়া কানের দুল ও ভিডিও ধারণ করা ফোনসহ গ্রেপ্তার করে।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও ১ জনের লাশ উদ্ধার

banglanewspaper

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও ১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে শেডের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় দুপুর আড়াইটার দিকে শেডের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় একটি দেহাবশেষ (পায়ের দিকের কিছু হাড়গোড়) উদ্ধার করা হয়েছে। এটিকে একটি মরদেহ হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।এদের মধ্যে ১০ জন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের আগুন, পুড়ল ১২০০ ঘর

banglanewspaper

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটি ক্যাম্পে আবারও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক হাজার ২০০টি কাঁচাঘর পুড়ে গেছে। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

রবিবার (৯ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শফিউল্লাহকাটা ক্যাম্প-১৬তে এই আগুনের ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

৮ এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬ এর বি/১ ব্লকের মোহাম্মদ আলীর ঘরের গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। পরে আগুন ওই ক্যাম্পের ব্লক-বি ও ব্লক-সি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ৮ এপিবিএনের অফিসার ফোর্স এবং ফায়ার সার্ভিসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক এসে কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের থাকার জন্য তৈরি কাঁচা ঘরে এর আগেও বেশ কয়েকবার আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

গত ২ জানুয়ারি (রবিবার) উখিয়ার ২০ এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে আগুন লাগে। সে ঘটনায় পুড়ে যায় হাসপাতালটির ৭০ শয্যা। এতে আট লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্মরণকালের ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে দশ হাজারের বেশি ঘর পুড়ে যায়। মারা যায় ১১ জন।

ট্যাগ:

চট্রগ্রাম
কক্সবাজারে পর্যটক ধর্ষণ: তিনজন শনাক্ত, হোটেল ম্যানেজার আটক

banglanewspaper

কক্সবাজারে নারী পর্যটককে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে শনাক্তের কথা জানিয়েছে র‌্যাব-১৫। এছাড়া রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) নামে এক হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে।

শনাক্তরা হলেন কক্সবাজার শহরের মধ্যম বাহারছড়া এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে আশিকুল ইসলাম (২৩) ও মোহাম্মদ শফিক ওরফে গুন্ডা শফির ছেলে ইসরাফিল হুদা জয়।

তবে অন্যজনের পরিচয় জানাতে পারেনি র‌্যাব। তবে অন্যজন আবুল কাসেমের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু ওরফে গুন্ডায়া বাবু বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ হোটেল ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিনকে আটক করলেও বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস।

এর আগে বুধবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে শহরের লাবণী পয়েন্ট থেকে ওই নারী পর্যটককে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে শহরের লাইট হাউজ এলাকার জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেল থেকে একই রাত দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করে র‌্যাব-১৫।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত আশিক সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন। ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনই কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এসএম সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী। ঘটনার পর থেকে সাদ্দামের সঙ্গে আশিক ও অন্যদের বিভিন্ন সময় তোলা নানা ধরনের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেকে আমার কাছে এসে ছবি তুলেছেন। এরাও তাদের মতো। ছবি থাকলে কি ছাত্রলীগ হয়? অভিযুক্তরা কেউ ছাত্রলীগের পদ-পদবিতে নেই বলেও দাবি করেন তিনি।’

ধর্ষণের শিকার ওই নারী গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন তারা। ওঠেন শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে। বিকেলে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ঘুরতে গিয়ে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যায় পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তিন যুবক তাকে তুলে নিয়ে যান পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে। সেখানে তারা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর তাকে নেওয়া হয় জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেলে। সেখানে ইয়াবা সেবনের পর আরেক দফা তাকে ধর্ষণ করেন ওই তিন যুবক। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে জানিয়ে রুম বাইরে থেকে বন্ধ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা।

ওই নারী আরও জানান, জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় কক্ষের দরজা খোলেন তিনি। তারপর ফোন দেন ৯৯৯-এ। পুলিশ তাকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেয়। আরেকজনের সহযোগিতায় কল দেন র‌্যাবকে। পরে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে পর্যটন গলফ মাঠ এলাকা থেকে স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘বারবার হাতে-পায়ে ধরলেও তারা আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়নি। বেড়াতে এসেছিলাম বেতন পেয়েছি সেই খুশিতে। এখন স্ত্রীর অবস্থা ভালো নয়।’

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির অনুসারী পরিচয় দিয়ে আশিক, বাবু জয়া, রেশাদ, হাসান, আমিনসহ আরও অনেকে হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় মাদক, ছিনতাই, দখলসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে চান না। বুধবারও নারীকে নিয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন আশিকসহ অন্যন্যরা।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে আমরা হোটেল থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধারের পর তার স্বামী-সন্তানকে উদ্ধার করি। এরই মধ্যে তিনজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হোটেল জিয়া গেস্ট ইনের ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় জাতীয় সেবা ৯৯৯ ফোন করে সহযোগিতা চাইলেও ওই নারীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি পুলিশ—এমন অভিযোগ অস্বীকার করে কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, ‘বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ৯৯৯ থেকে কোনো ফোন কক্সবাজার সদর থানায় সংযুক্ত করা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই নারী পর্যটককে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিসে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত (সন্ধ্যা সােয়া ৬টা) এজাহার আসেনি। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন বলা যায়।’

পুলিশ ধর্ষণের শিকার নারীকে উদ্ধারে এগিয়ে না আসা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে দায়িত্বে অবেহলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ: