banglanewspaper

দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি নিয়োগের পর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা পদত্যাগ করেছেন। আজ শুক্রবার রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি শুক্রবার দুপুরে মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের আদেশে সই করার পর সন্ধ্যায় বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞা বঙ্গভবনে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন বলে তার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

দৃশ্যত প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ না পেয়েই চাকরির মেয়াদের ১০ মাস আগেই পদত্যাগ করলেন ওয়াহহাব মিঞা। তবে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো চিঠিতে তার প্রকাশ ঘটেনি।

সুপ্রিম কোর্টের প্যাডে পাঠানো ওই চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ‘ব্যক্তিগত কারণের’ কথা বলেছেন বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞা।

তিনি লিখেছেন, “আমার অনিবার্য ব্যক্তিগত কারণ বশত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের পদ হইতে এতদ্বারা পদত্যাগ করিলাম।”

আওয়ামী লীগ আমলে ১৯৯৯ সালে হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ওয়াহহাব মিঞা। দুই বছর পর তার নিয়োগ স্থায়ী হয়। ২০১১ সালে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

গত বছরের ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদত্যাগ করার পর থেকে প্রধান বিচারপতির পদ খালি ছিল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আবদুল ওয়াহহাব মিঞা।

গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালতের বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে নিয়ে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা ও  আইনজীবীরা। তাঁরা প্রধান বিচারপতির পদত্যাগেরও দাবি তোলেন। এরই মধ্যে গত ২ অক্টোবর হঠাৎ করেই এক মাসের ছুটিতে যান প্রধান বিচারপতি। তিনি আবেদনে ৩ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটিতে যাওয়ার কথা জানান রাষ্ট্রপতিকে।

পরে গত ১৩ অক্টোবর রাতে  সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়েন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। ১০ নভেম্বর ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনই দেশের বাইরে থেকেই পদত্যাগপত্র পাঠান এস কে সিনহা।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা  সংসদের ওপর ন্যস্ত হয়। এ নিয়েই বিচার বিভাগ ও সরকার পরস্পর বিরোধী অবস্থানে চলে যায়।

ট্যাগ: Banglanewspaper পদত্যাগ বিচারপতি ওয়াহহাব

আইন-আদালত
করোনার ভুয়া রিপোর্ট : সাবরিনাসহ ৮ জনের মামলার রায় ১৯ জুলাই

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তা ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও আরিফুল চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বুধবার (২৯ জুন) রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম, বিপ্লব দাস, সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইন্সেসের স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান।

গত ১১ মে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান আসামিরা। এর আগে গত ২০ এপ্রিল মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলাটিতে ৪০ জনের মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে গত ৫ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট জিআর শাখায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী এই চার্জশিট জমা দেন।

প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির অভিযোগে গত বছর ২৩ জুন জেকেজির সিইও আরিফসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় মামলা করেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাবরিনা ও তার স্বামীর প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেন। যার বেশির ভাগই ভুয়া।

এরপর গত বছরের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।

ডিবির পরিদর্শক লিয়াকত আলী গত বছরের ৫ আগস্ট এ মামলায় ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর সেই বছরের ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে আদালত।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র কারিদের খুঁজতে রুল শুনানি হবে রোববার

banglanewspaper

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতি বিষয়ক যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল সেই তথ্য দাতাদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠনে হাইকোর্টে করা রুলের শুনানির উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রোববার (২৬ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে। শনিবার (২৫ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও যোগাযোগ সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

হাইকোর্ট স্ব-প্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

শনিবার পদ্মার মাওয়া প্রান্তে সকাল ১০টায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীরা। সেতুর মাওয়া প্রান্তে টোল পরিশোধ শেষে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে জাজিরা প্রান্তে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল-২ এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন।

এরপর জনসভায় যোগদান শেষে জাজিরা প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-২-তে যাবেন। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে ঢাকায় ফিরে আসবেন।

তথ্যমতে, বাংলাদেশের বুকে সবচেয়ে বড় অবকাঠামোর নাম পদ্মা সেতু। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের সেতুটি ঢাকা বিভাগের দুই জেলা মুন্সীগঞ্জ আর শরীয়তপুরকে সংযুক্ত করেছে। সেতুর ডাঙার অংশ যোগ করলে মোট দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার। স্টিল আর কংক্রিটের তৈরি দ্বিতল সেতুর ওপরের স্তরে রয়েছে চার লেনের সড়ক আর নিচে একক রেলপথ।

বিশ্বের খরস্রোতা নদীর তালিকায় আমাজনের পরেই পদ্মার অবস্থান। এমন খরস্রোতা নদীর ওপর বিশ্বে সেতু হয়েছে মাত্র একটি। তাই সেতুকে টেকসই করতে নির্মাণের সময় বিশেষ প্রযুক্তির পাশাপাশি উচ্চমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়। পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা ৪২ আর স্প্যান ৪১টি। খুঁটির নিচে সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীরে স্টিলের পাইল বসানো হয়। অর্থাৎ প্রায় ৪০তলা ভবনের উচ্চতার গভীরে পাইল নিয়ে যেতে হয়। বিশ্বে এখন পর্যন্ত কোনো সেতুর জন্য এত গভীর পাইলিং হয়নি।

পদ্মা সেতুতে রয়েছে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা। সাধারণ আলোক সুবিধার পাশাপাশি সেতুতে রয়েছে আলোকসজ্জা ও সৌন্দর্য বর্ধনে রয়েছে আর্কিটেকচার লাইটিং। স্বাভাবিক সময়ে নদীর পানি থেকে সেতুর উচ্চতা প্রায় সাত ফুট। এর নিচ দিয়ে পাঁচ তলা উচ্চতার নৌযান চলাচল করতে পারবে। ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা বহুমুখী সেতু রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য বড় শহরের সঙ্গে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপন করবে।

পদ্মা সেতু দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার উন্নয়নের সঙ্গে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
‘ফাঁকি দেয়া করের’ ৯১ লাখ টাকা জমা দিলেন ড. কামাল

banglanewspaper

গণফোরামের সভাপতি ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের ল’ হাউস কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দাবি করা করের ছয় কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৫ টাকা ট্যাক্সের মধ্যে ১০ শতাংশ জমা দিয়েছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক কোটি চার লাখ তিন হাজার ৪৯৫ টাকা আয়কর রিটার্ন জমা দেয় কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ছয় কোটি নয় লাখ ৮৫ হাজার ৩১৫ টাকা আয়কর এবং আরও ৮৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬৩৪ টাকা সুদ দাবি করে।

বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে যায় ড. কামালের ল’ হাউস। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দাবি করা ছয় কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৫ টাকা ট্যাক্সের মধ্যে ১০ শতাংশ পরিশোধ করতে হয়। সে নির্দেশনা অনুযায়ী এ টাকা জমা দেয় তারা।

মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ড. কামালের আইনজীবী ব্যারিস্টার রমজান আলী শিকদার বলেন, হাইকোর্ট আমাদের রিটের শুনানি নিয়ে স্টাটাস কো (স্থিতিবস্থা) জারি করেছেন। পাশাপাশি রুল জারি করেছেন। ৮৩ লাখ টাকা আমরা আগেই জমা দেয়া আছে। গতকাল আরও ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা জমা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী যে টাকা পরিশোধ করে আপিল করতে হয়, আমরা তার সম্পূর্ণ পরিশোধ করলাম।’

গত ১৪ জুন কর ফাঁকির বিষয়ে আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয় হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। পরে বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে যান তারা।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বরে রাজস্ব বোর্ডের এক ডেপুটি কমিশনারের আদেশের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট যুগ্ম কমিশনারের কাছে আপিল করেন। আপিল শুনানি শেষে ২০২০ সালের ২৫ জুন তা খারিজ করে। এতে আগের আদেশ বহাল থাকে।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
তারেক রহমান পলাতক কি না, জানা যাবে ২৬ জুন

banglanewspaper

বিদেশে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পলাতক কি না, এ বিষয়ে আগামী ২৬ জুন সিদ্ধান্ত জানাবেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৯ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীনসহ তিনজন। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। উভরপক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২৬ জুন রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের অবৈধ সম্পদ ও তথ্য গোপনের অভিযোগে এ মামলা হয়। মামলায় তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। পরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এরপর চলতি বছরের ২৯ মে সে রিটের রুল শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসে। তবে আইনের দৃষ্টিতে তারেক রহমান পলাতক বলে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াতে পারেন কি না, তা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন রাখে দুদক।

এদিকে একই মামলা বাতিল চেয়ে জোবাইদা রহমানের আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল রায় দেন আপিল বিভাগ। রায়ে জোবাইদা রহমান পলাতক ঘোষণা করা হয়। পলাতক বলে তাদের পক্ষে আইনজীবী শুনানি করতে পারেন না।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
দেশ প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়েছে : আইনমন্ত্রী

banglanewspaper

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বর্তমানে দেশ প্রযুক্তিতে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। এই অবস্থায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলো ডিজিটাইজেশন বা ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালুর বিকল্প নেই। এই প্রক্রিয়া চালু হলে জনগণকে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

শনিবার (১৮ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিআরএসএর আয়োজিত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী নিবন্ধন পরিদপ্তরকে উন্নীত করা হয়েছে। সব কর্মকর্তাদের দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারের অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ বদলে গেছে, এই বদলে যাওয়া বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনকে (বিআরএসএ) খাপ খাইয়ে চলতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, একটা দেশ আর্থিকভাবে সচ্ছল থাকতে ৩ মাসের ইমপোর্ট বিল পেমেন্ট করার মতো রিজার্ভ থাকতে হয়। পাকিস্তানের যেখানে ২ মাস ও শ্রীলঙ্কার মাত্র এক দিনের ইমপোর্ট বিল পেমেন্টের সামর্থ্য রয়েছে। সেখানে আমাদের বাংলাদেশের সাত থেকে সাড়ে-সাত মাসের ইমপোর্ট বিল পেমেন্টে করার মতো রিজার্ভ রয়েছে। কিন্তু এরপরও আমাদের সতর্কতার পাশাপাশি মিতব্যয়ী হতে হবে।

আনিসুল হক বলেন, আমরা চাই মামলা জট কমুক। কিন্তু মামলার শুরু হয় জমি-জমা নিয়ে। রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে, আপনাদের (সাব-রেজিস্ট্রারদের) আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই বিভাগে এখন পিএসসি থেকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় সাব-রেজি অফিস বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন দেশবাসীকে সেবা দিতে হবে।

বিআরএসত্রের সভাপতি মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, নিবন্ধন অধিদফতরের মহাপরির্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, বিআরএসএ’র মহাসচিব মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

ট্যাগ: