banglanewspaper

ডেস্ক রিপোর্ট: ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পাওয়া সংবাদটি সত্যিই বিস্ময়কর ছিল। অপ্রত্যাশিতও। পুরো বলিউড স্তম্ভিত। টিনসেল টাউনে তাই শোকের ছায়া। এই অপূরণীয় ক্ষতি কোনোদিন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। শ্রীদেবীর অকাল মৃত্যু যেন অন্য সব আলোচনাকে ছাপিয়ে গিয়ে নিজেই সবচেয়ে বড় সংবাদ হয়ে গেছে। 

বলিউডে অনেকেরই আদর্শ ছিলেন তিনি। এ কথা স্বীকারও করেছেন অনেকে, নানাভাবে। তাঁদেরই একজন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। প্রয়াত অভিনেত্রীর প্রতি সম্মান দেখাতে তিনি তাঁর পিয়ানোর কি-বোর্ডে বাজালেন বিখ্যাত ব্যালাড 'হ্যালেলুইয়া'। 

আর এরই একটি ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শেয়ার করে জ্যাকুলিন লেখেন, আজ বিহ্বল আমি.....জোর করে অনেক কিছুই মেনে নিতে হচ্ছে.....তিনি খুব দ্রুতই চলে গেলেন.....আমি তাঁর দারুণ ভক্ত ছিলাম। তিনিও আমার প্রতি সর্বদাই সদয় ছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া আমাকে অনেক কিছুই শিখিয়ে দিয়ে গেছে। জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত, নশ্বর। প্রতিটি মুহূর্ত গোনা হচ্ছে। তাঁর মতো আর কেউ হবে না। শ্রদ্ধা, শ্রীদবেী।
সূত্র : সোশাল মিডিয়া

ট্যাগ: Banglanewspaper শ্রীদেবী জ্যাকুলিন মিউজিক্যাল ট্রিবিউট

বিনোদন
মিশা-জায়েদ প্যানেল কি এবার চাপে আছে?

banglanewspaper

২০১৭-১৯ এবং ২০১৯-২১। এই দুই মেয়াদে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ক্ষমতা সামলেছেন মিশা সওদাগর (সভাপতি) ও জায়েদ খানরা (সাধারণ সম্পাদক)। প্রথম নির্বাচনে তাদের সঙ্গে ছিলেন চিত্রনায়িকা নূতন, পপি, পূর্ণিমা, রোজিনা, অঞ্জনা, নায়ক রিয়াজ, মামনুন ইমন, বাপ্পারাজ, নিরব হোসেন, সাইমন সাদিক, আলীরাজ এবং খল অভিনেতা ডন ও নানা শাহর মতো তারকারা। সেবার ওমর সানি (সভাপতি প্রার্থী) ও অমিত হাসান (সাধারণ সম্পাদক) প্যানেলকে তারা বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিল্পী সমিতিতে বসেছিলেন।

এরপর গত নির্বাচনে মিশা-জায়েদরা বলতে গেলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের সমিতির ক্ষমতায় আসেন। কারণ, ওই নির্বাচনে তাদের বিপক্ষে ছিল না কোনো প্যানেল। একমাত্র প্রতিপক্ষ ছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তিনি স্বতন্ত্র থেকে সভাপতি পদে লড়েছিলেন। কিন্তু টিকতে পারেননি। যদিও গতবারের নির্বাচনে মিশা-জায়েদদের সঙ্গে ছিলেন না ২০১৭-১৯ নির্বাচনের রিয়াজ, পপি ও পূর্ণিমার মতো তারকারা। তাতে ক্ষমতায় বসতে মোটেও বেগ পেতে হয়নি। কারণ রিয়াজ, পপি, পূর্ণিমাদের শূন্যস্থান পূরণ করেছিলেন রুবেল ও ডিপজল।

কিন্তু এবারের চিত্রটা বোধহয় একটু হলেও ভিন্ন। কারণ, এবার মিশা-জায়েদদের বিরুদ্ধে নির্বাচন করছেন একটি শক্তিশালী প্যানেল। যেটির সভাপতি পদে রয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চনের মতো নন্দিত অভিনেতা। সাধারণ সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছেন নিপুণ আক্তারের মতো জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। এছাড়া আছেন রিয়াজ, ফেরদৌস, ডিএ তায়েব, শাহনূর, নিরব হোসেন, মামনুন ইমন, সাইমন সাদিক, অমিত হাসান, শাকিল খান, নানা শাহ, আফজাল শরীফ, জেসমিন, কেয়া, পরীমনি ও গাঙ্গুয়ার মতো অভিনয়শিল্পীরা।

উল্লেখ্য যে, এদের মধ্যে নিরব, ইমন, সাইমন, নান শাহ, আফজাল শরীফ, কেয়া ও জেসমিনরা গতবার মিশা-জায়েদদের প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছিলেন। এবার তারা ভিড়েছেন কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলে। পাশাপাশি এবার মিশা-জায়েদদের বিরুদ্ধে শিল্পীদের রয়েছে নানা রকম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। এই কমিটি গত দুই মেয়াদে ১৮৪ জন শিল্পীর পূর্ণ সদস্যপদ কেড়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই সব শিল্পীদের করে রেখেছেন সহযোগী সদস্য। যার ফলে তারা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না। সে সব শিল্পীরা রীতিমতো ক্ষীপ্ত মিশা-জায়েদদের প্রতি।

পূর্ণ সদস্যপদ হারানো শিল্পীরা গত দুই বছর দফায় দফায় আন্দোলন করেন এফডিসির ভেতরে এবং বাইরে। করেন মানববন্ধনও। সেখানে মিশা-জায়েদদের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। এছাড়া সে সময় তাদেরকে নিষিদ্ধ করার হুমকিও দিয়েছিল চলচ্চিত্রের কয়েকটি সংগঠন। সম্প্রতি আবার সদস্যপদ হারানো শিল্পীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন এবারের নির্বাচন স্থগিত করার জন্য। যদিও হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। তবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া শিল্পীদের রুল প্রস্তুত হলে তা শুনবেন বলেও জানান আদালত।

এদিকে, দেড় বছর পর আড়াল ভেঙে বুধবার প্রকাশ্যে এসেছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। তিনি মিশা-জায়েদ কমিটিকে ইঙ্গিত করে খুবই ভয়ংকর অভিযোগ করেছেন। দাবি করেছেন, তার মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন নায়িকাকেও নাকি সদস্যপদ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।

কারও নাম না করে পপি বলেন, ‘বর্তমান শিল্পী সমিতির একটি মাত্র ব্যক্তির কারণে, তার পলিটিক্স, নোংরামি এবং অনেক রকম অপকর্মে অসহযোগিতার কারণে আমাকে বারবার অপমানিত হতে হয়েছে। আমার মতো রিয়াজ, ফেরদৌস, পূর্ণিমা, নিপুণদের ব্যবহার করে, আমাদের কাঁধে বন্দুক রেখে যে এই চেয়ারটিতে বসেছে, সে বিভিন্ন রকম অপকর্ম করার চেষ্টা করেছে, যাতে আমরা সায় দিইনি।’

নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে পপি বলেন, ‘আমার মতো শিল্পী, যে তিন-তিন বার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, আমার মতো শিল্পীকেও সদস্যপদ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এত বছর কাজ করার পর এটা একটা শিল্পীর জন্য কতটুকু অপমানের, সেটা আমি বুঝতে পারি। আমার মতো যে ১৮৪ জন শিল্পী সদস্যপদ হারিয়েছেন, তারা হয়তো আমার কষ্টটা বুঝতে পারবেন। আমিও তাদের কষ্টটা বুঝতে পারি।’

পাশাপাশি এবারের নির্বাচনে কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলকে সমর্থন দিয়ে তাদেরকে জয়ী করতে সকল শিল্পীদের প্রতি আহ্বানও জানান পপি। এদিকে, মঙ্গলবার এফডিসিতে কাঞ্চন-নিপুণদের প্যানেলের পরিচিতি সভায় বক্তৃতাকালে মিশা-জায়েদদের নামে ফৌজদারি মামলা করার হুঁশিয়ারি দেন খ্যাতিমান অভিনেতা আলমগীর। তিনি এবার কাঞ্চণ-নিপুণদের প্যানেলের হয়ে কাজ করছেন। অভিনেতার অভিযোগ, মিশা-জায়েদরা তার স্বাক্ষর জাল করে সেটি দলীয় প্রার্থীদের দেখিয়ে বলে বেড়াচ্ছেন, আলমগীর ভাই স্বাক্ষর করেছেন।

তবে শুধু পপি বা আলমগীরের মতো তারকা শিল্পীরাই নন, এবারের নির্বাচনে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ও খোরশেদ আলম খসরুর মত বেশ কয়েকজন নামি পরিচালক-প্রযোজকও কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলকে সমর্থন দিয়েছেন এবং তাদের পক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করছেন। সব মিলিয়ে এফডিসির অন্দরে জোর আলোচনা, সঙ্গে প্রশ্ন, তবে কি এবারের নির্বাচনে চাপে রয়েছে মিশা-জায়েদ প্যানেল? এর জবাব অবশ্য মিলবে শুক্রবার রাতে। কারণ, এদিন সকাল থেকে এফডিসিতে ভোট, ফলাফল রাতে।

দেড় শতাধিক শিল্পী ভোটাধিকার হারানোর ফলে এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪২৮ জন। দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট প্রার্থী ৪৪ জন। এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেতা পীরজাদা হারুন। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের ভূমিকায় দেখা যাবে খ্যাতিমান পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানকে। এবার লড়াইটা হবে জমজমাট। নির্বাচনকে সামনে রেখে এমনটাই মত চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের।

ট্যাগ:

বিনোদন
অবশেষে পপি মুখ খুললেন, বললেন না জানা অনেক কথা

banglanewspaper

দেড় বছরের আড়াল ভেঙে অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। মুখও খুললেন। বললেন না জানা অনেক কথা। কেনই বা তিনি এতদিন আড়ালে ছিলেন। বুধবার তার দেখা মিলল ফেসবুকে এক লাইভ ভিডিওতে। সেখানে তিনি জানান, শিল্পী সমিতির বিদায়ী কমিটির নেতৃত্বে কীভাবে একাধিক বার অপমানিত হতে হয়েছে। এ সময় আবেগতাড়িত হয়ে কেঁদেও ফেলেন নায়িকা।

পপি বলেন, ‘ভেবেছিলাম আর কখনও ক্যামেরার সামনে আসব না। কিন্তু একজন শিল্পী হিসেবে নিজের কিছু দায়বদ্ধতা থেকে আজকে কিছু কথা না বললেই না। দীর্ঘ ২৬ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক সুনামের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার জন্য অনেক কাজ করেছি। তিন-তিন বার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি।’

নায়িকা বলেন, ‘আজকে অনেক কষ্ট নিয়ে কথাগুলো বলা। আজ আমি কোথায়। আমি আছি। আমি আছি আপনাদের সকলের মাঝে। হয়তো ভাগ্যে থাকলে আবার ফিরব কাজে। তবে যে কথাটা বলতে চেয়েছিলাম, সেটি হচ্ছে, বর্তমান সমিতির একটি মাত্র ব্যক্তির কারণে। তার পলিটিক্স, তার নোংরামি এবং অনেক রকম অপকর্মে অসহযোগিতার কারণে আমাকে বার বার অপমানিত হতে হয়েছে। শুধু আমি না, আমার মতো রিয়াজ, ফেরদৌস, পূর্ণিমা, নিপুণ, আমাদের সকলকে ব্যবহার করে আমাদের কাঁধে বন্দুক রেখে যে এই চেয়ারটিতে বসেছে, সে বিভিন্ন রকম অপকর্ম করার চেষ্টা করেছে, যেখানে আমি সায় দিইনি বা আমরা সায় দিইনি।

নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে পপি বলেন, ‘আমাকে অনেক অপমানিত হতে হয়েছে। আমার মতো শিল্পী, যে তিন-তিন বার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, আমার মতো শিল্পীকে সদস্যপদ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এত বছর কাজ করার পর এটা একটা শিল্পীর জন্য কতটুকু অপমানের, সেটা আমি বুঝতে পারি। আমার মতো শিল্পীরা, যারা ভিকটিম হয়েছে, ১৮৪ জন শিল্পী, তারা হয়তো আমার কষ্টটা বুঝতে পারবে। বা আমিও তাদের কষ্টটা বুঝতে পারি।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এই নোংরামির কারণে আমি আমার মানসম্মান নিয়ে থাকার জন্য বা আমার জানের ভয় ছিল, সবকিছু মিলিয়ে আমি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি চলচ্চিত্র থেকে।’ পপির প্রতিশ্রুতি, ‘যদি কখনও পরিবেশ ভালো হয়, এই নোংরা মানুষ বা মানুষগুলো সরে যায় ইন্ডাস্ট্রি থেকে, তখন আবার কাজ করব।’ চলচ্চিত্রশিল্পকে বাঁচানোর জন্য কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদের সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

পপির এই বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে তিনি ইলিয়াস-কাঞ্চন নিপুণদের প্যানেলকে সমর্থন করছেন। মনে-প্রাণে তাদের বিজয় প্রত্যাশাও করছেন। এর আগে ২০১৭-১৯ মেয়াদের নির্বাচনে তিনি মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী পদে লড়াই করেছিলেন এবং জয়ীও হয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পরই মিশা-জায়েদদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে কমিটি থেকে বের হয়ে আসেন।

ওই সময় পপির বিরুদ্ধে শিল্পীদের জন্য ফান্ড গঠনের উদ্দেশে আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে পারিশ্রমিক নেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন তার কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান। একই অভিযোগ তোলা হয় ওই নির্বাচনে সহসভাপতি পদে জয়ী চিত্রনায়ক রিয়াজ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ফেরদৌসের বিরুদ্ধেও। পরে এই অভিযোগের প্রতিবাদ করে মিশা-জায়েদ কমিটি থেকে রিয়াজ-ফেরদৌসসহ বেরিয়ে আসেন পপি।

এরপর গত ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচনে কোনো প্যানেলের প্রার্থী হননি এই নায়িকা। তবে কাজ করেছিলেন আরেক জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর পক্ষে। তিনি সেবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে মিশা সওদাগরের বিপক্ষে লড়েছিলেন। কিন্তু হেরে যান। সে সময় মৌসুমীর পক্ষে কাজ করায় মিশা-জায়েদদের চক্ষুশূল হয়েছিলেন পপি। তাকে সদস্যপদ বাতিলের চিঠিও দেওয়া হয়।

এরপর ২০২০ সালে দেশে করোনাভাইরাস হানা দেওয়ার পর থেকেই লাপাত্তা ছিলেন পপি। কোথাও তার খোঁজ মিলছিল না। ফোন তো দূরে থাক, সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তার দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। শুধু সাংবাদিক বা সহকর্মীরা নয়, দেড় বছর ধরে পপিকে খুঁজছিলেন একজন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজকও। কারণ, তাদের দুটি ছবির কাজ ঝুলিয়ে রেখে আড়ালে চলে যান নায়িকা।

এরপর গত বছর গুঞ্জন ওঠে, পপি এক শিল্পপতিকে গোপনে বিয়ে করে সংসার করছেন। সম্প্রতি তার মা হওয়ার গুঞ্জনও ওঠে। জানা যায়, রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে পপি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পরে নায়িকার এক ঘনিষ্ঠজন সে খবরের সত্যতাও নিশ্চিত করেন। বাকি ছিল তার প্রকাশে আসা। এবার সেটাও করলেন নায়িকা। খুব শিগগির হয়তো কাজেও ফিরবেন তিনি।

ট্যাগ:

বিনোদন
মিশা-জায়েদদের নামে কেন ফৌজদারি মামলা করতে চান আলমগীর?

banglanewspaper

বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির গত দুই মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানদের নামে ফৌজদারি আইনে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খ্যাতিমান অভিনেতা আলমগীর। মঙ্গলবার বিকালে এফডিসিতে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণদের প্যানেলের প্রার্থী পরিচিতি সভায় বক্তৃতাকালে এ কথা জানান এই প্রবীণ অভিনেতা।

কিন্তু শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে কী এমন ঘটালেন মিশা-জায়েদরা, যে কারণে আলমগীরের মতো একজন বর্ষীয়ান অভিনেতা তাদের প্রতি এতটা ক্ষিপ্ত হলেন? আবার ফৌজদারি আইনে মামলা করারও হুঁশিয়ারি দিলেন?

আলমগীরের অভিযোগ, ‘মিশা-জায়েদ তাদের প্যানেলের সাংগঠনিক সম্পাদককে একটি ফাইল দেখিয়ে বলেছে, এখানে আলমগীর ভাইয়ের স্বাক্ষর রয়েছে। আমি ওই ফাইলটি দেখতে চাই। আমার বিশ্বাস, তারা হয়তো আমার স্বাক্ষর জাল করেছে। এখনো বুঝতে পারিনি ওই ফাইলে আসলে কী আছে। তাদের কার্যকলাপ ভালো লাগছে না। যার জন্য তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করবো।’

নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা আলমগীর আরও বলেন, ‘মিশা-জায়েদরা নিয়মিত প্রশাসনের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। অনেক সময় মিথ্যা এবং বাজে কথাও বলছে। এবার বোধ হয় একটু ভুল করেছে। এ বিষয়ে আমি নায়ক উজ্জ্বল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি এ ব্যাপারে অ্যাকশন নেব। সঙ্গে কেউ না থাকলে দরকার হলে একাই অ্যাকশন নেব।’

কিন্তু ঘটনা আসলে কী? কী আছে ওই ফাইলে? এ সম্পর্কে জানতে মিশা সওদাগর এবং জায়েদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা সাড়া দেননি। গত দুই বারের মতো এবারও নিজেদের প্যানেল থেকে মিশা সভাপতি এবং জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন।

এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচন। ২০২২-২৪ মেয়াদের এ নির্বাচনের ভোটযুদ্ধ আগামী শুক্রবার। এবার ভোট দেবেন মোট ৪২৮ জন শিল্পী। দুই প্যানেল এবং স্বতন্ত্র মিলে মোট প্রার্থী ৪৪ জন। এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন পীরজাদা হারুন। আপিল বিভাগের দায়িত্বে আছেন পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান।

ট্যাগ:

বিনোদন
নায়ক রিয়াজকে খুনের হুমকি! কিন্তু কেন?

banglanewspaper

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রিয়াজকে কে বা কারা খুন করার হুমকি দিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার বিএফডিসিতে প্যানেল পরিচিতি সভায় বক্তৃতাকালে এ কথা জানান রিয়াজ। এই অভিনেতা এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে লড়ছেন।

মঙ্গলবার বেলা তিনটা থেকে শুরু হয় কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের পরিচিতি সভা। সেখানে রিয়াজ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে তাকে গত কয়েকদিন ধরে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এফডিসিতে গেলে নাকি নায়কের হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে। সেই নম্বরগুলো রিয়াজ সংরক্ষণ করে রেখেছেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন অভিনেতা? রিয়াজ বলেন, ‘আমি জিডিও করিনি, কাউকে কিছু বলিওনি। যত দূর ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়েছি। নম্বরগুলো আমার ফোনে সেভ আছে। শুধু আমি না, আমার শিল্পী সমিতির কাউকে বা এফডিসির ঝাড়ুদারেরও যদি কিছু হয়, আমরা দেখে নেব। এফডিসির মাটি অন্যায় সহ্য করে না।’

শিল্পী সমিতির ২০১৭-১৯ মেয়াদের নির্বাচনে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানদের প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে দাঁড়িয়েছিলেন রিয়াজ। জয়ও পেয়েছিলেন। কিন্তু পরে মিশা-জায়েদদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দল থেকে বেরিয়ে যান রিয়াজ। সঙ্গে নিয়েছিলেন ফেরদৌস এবং পপিকেও।

সেই রিয়াজ এবার ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণদের প্যানেল থেকে মিশা-জায়েদদের বিপক্ষে নির্বাচন করছেন? খুনের হুমকি কি তার জন্য? এছাড়া গত শুক্রবার এফডিসিতে রিয়াজদের মিছিল থেকে তাদের প্যানেলের প্রার্থী ইমনকে পর পর দুইবার ধাক্কা মারে এক অপরিচিত যুবক। পরে জানা যায়, ওই যুবক শিল্পী সমিতির কেউ না, তবে মিশা-জায়েদ প্যানেলের পক্ষে কাজ করছে।

ওই ঘটনায় কড়া হুঁশিয়ারি দেন রিয়াজ। বলেন, ‘তাদের (মিশা-জায়েদ) ধাক্কাধাক্কির দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। মনে হচ্ছে এটা রিয়ার্সেল দিচ্ছে। আমরাও কিন্তু হাত বাড়িতে রেখে আসিনি। হাত আমাদের সঙ্গেও আছে। আমরা চরম সহনশীলতার পরিচয় দিচ্ছি।’

রিয়াজকে খুনের হুমকি এই হুঁশিয়ারির কারণেও দেওয়া হতে পারে বলে এফডিসির অন্দরে ফিসফাস। যদিও এসব নিয়ে মঙ্গলবারের প্যানেল পরিচিতি সভায় কোনো মন্তব্য করেননি বহু হিট সিনেমার এই নায়ক।

শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচনের ভোট ২৮ জানুয়ারি। ২০২২-২৪ মেয়াদের এই নির্বাচনে রিয়াজদের প্যানেল থেকে এবার সভাপতি পদপ্রার্থী ‘বেদের মেয়ে জোছনা’র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার।

এই প্যানেল থেকে বিভিন্ন পদে আরও আছেন ডি এ তায়েব,সাইমন সাদিক, শাহনুর, নিরব হোসেন, আরমান, ইমন, আজাদ খান, অমিত হাসান, ফেরদৌস, শাকিল খান, নানা শাহ, আফজাল শরীফ, কেয়া, পরীমনি, জেসমিন, সাংকো পাঞ্জা ও গাংগুয়া।

ট্যাগ:

বিনোদন
হাসপাতালে যেমন আছেন তুষার খান

banglanewspaper

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত খ্যাতিমান অভিনেতা তুষার খানের অবস্থা অপরিবর্তিত আছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা ও শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব নাসিম। মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘তুষার ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা আগের মতই আছে।’

নাসিম আরও জানান, ‍তুষার খানের ফুসফুসের ৫০ শতাংশ সংক্রমিত হয়েছে। তবে অক্সিজেনের মাত্রা আগের চেয়ে কিছুটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা প্রকাশ করেন এই অভিনেতা।

তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে শনিবার রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি হন তুষার খান। তাকে আইসিইউতে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে।

এর আগে রবিবার নাসিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তুষার ভাই প্রথমে বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেলেন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তিনি গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি হন। শ্বাসকষ্টসহ তার বেশ কিছু শারীরিক জটিলতা রয়েছে।’

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশের অভিনয় জগৎ থেকে চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এবং ছোটপর্দার অভিনেত্রী ফারিয়া শাহরিনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ হয়েছে। এবার সামনে এলো তুষার খানের খবর।

১৯৮২ সালে ‘আরণ্যক’ নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অভিনয়ে পথচলা শুরু তুষার খানের। এরপর দলটির প্রায় সব নাটকে তিনি অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত তিন যুগের বেশি সময় ধরে। এর মধ্যে মঞ্চের গণ্ডি ছাড়িয়ে কাজ করেছেন নাটক এবং সিনেমায়ও।

ট্যাগ: