banglanewspaper

মোস্তাফিজুর রহমান, বরগুনা: বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মা বাজারের আল আমিন নামে এক খাবার হোটেল ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির চার সদস্যের বিরুদ্ধে।

২৬ মার্চ সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা বাজারের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ ফাড়ির চার সদস্যরা হলেন, পদ্মা পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ. কনষ্টবল সাইফুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম এবং অপর এক পুলিশ সদস্যের নাম জানা যায়নি।

প্রতক্ষদর্শী, স্থানীয় বাসিন্দা,ব্যাবসায়ীসহ বাজার কমিটির নেতারা বলেন,পদ্মা এলাকা সহ আশেপাশে ফাঁঢ়ির সদস্যরা অনেক সময় সাদা পোশাকে চলাফেরা করেন । এতে প্রয় সময় বুঝা যায়না যে কে পুলিশ আর কে প্রতারক।

ব্যবসায়ী আল আমিন বলেন, গত ২৩ মার্চ তিনটি ডিম কেনার জন্য পুলিশ সদস্য (কনষ্টবল) সাইফুল ইসলাম দোকানে আসেন। দোকানে থাকা ডিম বনবিভাগের কর্মকর্তারা কাছে বিক্রী করা হয়েছে বলে তাকে পাশের দোকান থেকে ডিম নিতে অনুরোধ করি। এ সময় তিনি পাশের দোকান থেকে ডিম নিয়ে যান। তবে যাবার সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে হুমকি দিয়ে যান। এ হুমকির দুইদিন পর ২৬ মার্চ রাতে চার পুলিশ সদস্য দোকানে আসেন। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই কনষ্টবল সাইফুল ইসলাম ও তার সাথে থাকা অপর দুই সদস্য চড় থাপ্পর ও বেদম মারধর করেন। তারা তিনজন আমাকে মাথাসহ শরীরে প্রচন্ড মারধর করতে থাকেন।

পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ডিম কেনার জন্য ওই খাবার হোটেল গেলে আল আমিন আমাদের কাছে ডিম বিক্রি করেনি বরং আমরা চলে এলে আমাদের গালমন্দ করে। এ ঘটনায় তাকে একটি চর মেরেছি।

পদ্মা পুলিশ ফাড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশকে গালমন্দ করায় তিন কনষ্টবলের সাথে আমি গিয়েছিলাম। তবে তারা মারধর শুরু করলে আমি তাদের থামিয়েছি।

এ ব্যপারে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খবির আহমদ বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি, ওরা ডিম আনতে গিয়েছিল। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে ওই দোকানদারের কাছে গিয়ে হাত ধরে মিলেমিশে যাওয়ার জন্য বলেছি।

ট্যাগ: Banglanewspaper পাথরঘাটা ডিম ব্যবসায়ী পুলিশ মারধর