banglanewspaper

আলফাজ সরকার আকাশ, শ্রীপুর (গাজীপুর): শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের পূর্বশর্ত। মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শিক্ষা, বিশেষ করে নারী শিক্ষা।

দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন পুরুষের পাশাপাশি সুশিক্ষিত নারী জনশক্তি। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনায় পরিপূর্ণ মেধা বিকাশের ক্ষেত্র তৈরী করা মাধ্যমিক শিক্ষার একটি অন্যতম লক্ষ্য। শিক্ষা মানুষের ব্যক্তিত্ব বিকাশে যেমন সাহায্য করে তেমনই মানুষকে তার মৌলিক স্বাধীনতা সম্পর্কে সচেতনও করে থাকে।

এছাড়া প্রাথমিক স্তরে অর্জিত শিক্ষার মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতা সম্প্রসারিত এবং সুসংহত করার মাধ্যমে উচ্চতর শিক্ষার যোগ্য করে তোলাও এই মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার উদ্দেশ্য। জ্ঞানার্জনের এ প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত পটভুমির পরিপ্রেক্ষিতে নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক করে তোলাও মাধ্যমিক শিক্ষার অন্যতম বিবেচনার বিষয়ও বটে।

ইসলাম ধর্মের মানবতাবাদী জীবনাদর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেম, সততা, সহনশীলতা, ন্যায়নিষ্ঠা, উদারতা, শ্রমের মুল্যায়ন ও মর্যাদা, পরিবার ও সমাজের প্রতি কর্তব্যবোধ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক জীবন-যাপন ও সাম্যের চেতনায় উজ্জীবিত হয় এমন দিক বিবেচনায় রেখে ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার যথাযথ মূল্যায়নসহ আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে নারী শিক্ষার পথিকৃৎ শ্রীপুরের আবেদ আলী গার্লস্ হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠা। মেধা, মননশীলতা, লেখাপড়ায়, এসএসসি ও জেএসসি ফলাফলে ইর্ষণীয় স্থান দখল করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরেই।

বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পিছনের ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে জানা যায় স্বাধীনতার পরে দীর্ঘকাল কাগজে-কলমে শিক্ষাদীক্ষার হার বাড়লেও প্রকৃত শিক্ষার মান ছিল হতাশাজনক। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষ শিক্ষাব্যবস্থার অধ:গতির কারণে বিশেষ করে মেয়েদের হেলা-ফেলার চোখে দেখার কারণে এলাকাবাসীর চাহিদা ও দাবির মুখে শ্রীপুর পৌরসভাধীন বেড়াইদেরচালা গ্রামে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পার্শ্বে আলোকিত সমাজ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে নারীর মুল্যায়ন বৃদ্ধির জন্যে স্থানীয় বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, দানবীর, একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবদুল মালেক মাস্টারের দানকৃত ৫৫ শতাংশ জমির উপর স্থানীয় একদল টগবগে শিক্ষিত সুস্থ উদ্যোগী তরুণদের সাথে নিয়ে শ্রমজীবি মানুষের সহায়তায় ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকদের তত্বাবধানে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয় আবেদ আলী গার্লস্ হাইস্কুল।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা ২০০৯ সালে স্কুলটির পাঠদানের অনুমতি দেয় এবং ২০১২ সালে স্বীকৃতি দেয়। ২০১১ সালে প্রথম জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় স্কুলের নামে অংশগ্রহন করে শুরু থেকেই সম্মান জনকহারে জিপিএ-৫ নিয়ে শতভাগ উত্তির্ণ হয়। ২০০৪ সালে অত্র প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হলেও অদ্যাবধি শিক্ষকদের সরকারী অংশের বেতন বা এমপিও (মান্থলী পেমেন্ট অর্ডার) হয়নি। এমপিও না থাকার পরেও স্কুলের শিক্ষকবৃন্দের শিক্ষার্থীদেরকে লেখা-পড়ায় কোন ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ করতে পারেনি স্কুল সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীদের দেয়া বেতন-ভাতা দিয়ে শিক্ষকবৃন্দের সম্মানি এবং স্কুলের বিভিন্ন খরচ চালানো হয়। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় গত ৭/৮ বছরে শতভাগ ও ইর্ষণীয় শীর্ষস্থান নিয়ে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের অবস্থান সম্মানের সাথে ধরে রেখেছে। ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এ যাবত ৭ বছরে জেএসসি পরীক্ষায় ৫৪২জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে এবং শতভাগ পাশ সহ ২৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ও তাদের মধ্যে ৯৪ জন বিভিন্ন গ্রেডে সরকারি বৃত্তি পেয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।

এসএসসি পরীক্ষায় ২০১১-২০১৮ পর্যন্ত ৮ বছরে অংশগ্রহনকারী ৪১০জন থেকে ১৩৬জন জিপিএ-৫ সহ সম্মানের সাথে শীর্ষস্থান ধরে রেখে দিয়েছে।

স্কুলের ছাত্রী অর্পিতা রায় শ্রেয়া, সোনিয়া আক্তার, জোহরা আক্তার, ফাইয়াজ ফারুকী মৌশী জানায়, স্কুলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানের কারণে সময় বেশী পাওয়া যায় বিধায় পড়াগুলো অতি সহজে আয়ত্বে চলে আসে এবং দিনের পড়া দিনে শেষ করা যায়। আমাদের স্কুলের মাল্টিমিডিয়ায় শিক্ষা ও ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহার করার কারণে পরীক্ষায় আমাদের কারোরই বাইরের বা কোচিংয়ের সহযোগীতা নিতে হয়না বিধায় আমাদের স্কুলের আশ-পাশে কোন কোচিং সেন্টারও নেই। যেহেতু অত্র স্কুলের শিক্ষকরা সকাল ৮টা থেকে ৩টা পর্যন্ত নিয়মিত নির্ধারিত ক্লাস নেয় ও বিরতি দিয়ে ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিশেষ নজরদারীর পাঠদানে ব্যস্ত থাকে তাই শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে হয়না এবং শিক্ষকরাও প্রাইভেট পড়ায় না।স্কুলে মেয়েদের জন্য একশত সজ্জাবিশিষ্ট একটি হোস্টেল আছে।

হোস্টেলে অবস্থানরত ছাত্রী ওমামা হোসেন দোলনা, আরিফা আক্তার লাবণী, মাহমুদা আক্তার সীমা, সাবিকুন নাহার জানায় হোস্টেলের তদারকীতে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পরিচালক মন্ডলী। মেয়েদের সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে একটি মেডিকেল টিম রয়েছে তারাই মেয়েদের টিকা প্রদান, মাসিক চেক-আপ ও  প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করে থাকেন।

এলাকাবাসী জানান, ৭৯ সদস্যবিশিষ্ট ৪টি কমিটি রয়েছে, যার মধ্যে ১টি ১২ সদস্যবিশিষ্ট গভর্ণিং বডি, ১টি ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কার্যক্রম বাস্তবায়ন কমিটি, ১টি ১৬ সদস্য বিশিষ্ট পিটিএ (অভিভাবক-শিক্ষক) কমিটি ও ৭ সদস্য বিশিষ্ট স্টুডেন্ট ক্যাবিনেট কমিটির সবাই একসাথে বসেই মিটিং করেন। স্কুলের দাতা ও গভর্ণিং বডির সদস্য প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার তাজুল ইসলাম জানান, আমাদের আবেদ আলী গার্লস্ হাইস্কুলে রেইনি সিজন, উইন্টার সিজন, সামার সিজন কিংবা হাফ ডে বা হাফ স্কুল নেই। এই স্কুলে সরকারী দিবস উদযাপন, ধর্মীয় ও বিনোদনমুলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করে থাকে। উচ্চ শিক্ষিত-অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক মন্ডলীদ্বারা আধুনিক যন্ত্র ও শিক্ষা-উপকরণ দিয়ে শ্রেণী কক্ষে দিনের পড়া দিনেই শিখিয়ে দেয়।

স্কুলের শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান কামাল, মোঃ দুলাল মিয়া, সাহিদা আক্তার জানান, অত্র স্কুলের শেণি কক্ষ, শিক্ষক মিলনায়তন, পাঠাগার, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাবের অপেক্ষাকৃত স্বল্পতা থাকা সত্বেও দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া  ছাত্রীদের বিশেষ নজরদারীর মাধ্যমে বাড়তি সময় দিয়ে পড়া শিখিয়ে দেয়া হয়। এতে তাদের নিকট থেকে মাসিক ধার্যকৃত বেতনের বাইরে কোন বাড়তি ফি-বেতন বা টাকা নেয়া হয়না।

স্কুলের পিটিএ সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম জানান, সরকার তথা শিক্ষা মন্ত্রনালয় ২০১০ সাল থেকে প্রতিটি স্কুলে পিটিএ গঠনের প্রক্রিয়া চালুর কথা বললেও অত্র বিদ্যালয়ে ২০০৬ সাল থেকেই পিটিএ (অভিভাবক-শিক্ষক) কমিটি, ২০১১ সাল থেকে প্রতি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের কথা বললেও ২০০৮ সাল থেকেই মাল্টিমিডিয়া চালু আছে।

এ ব্যাপারে আব্দুল আউয়াল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের প্রভাষক এবং প্রধানমন্ত্রীর এটু আই প্রকল্পের জেলা এম্বাসেটর মো: হাবিবুর রহমান জানান, শ্রীপুরে আবেদ আলী গার্লস হাই স্কুলই প্রথম ডিজিটাল স্কুল হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শিক্ষার্থীরা ভিডিও চিত্র দেখে দ্রুত ক্লাস শেষ করতে পারে বলে ক্লাসের পড়া বেশী রিভাইস দিতে পারে এবং তাদের ক্লাসের পরে খেলা-ধুলার সুযোগ থাকে।

প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান জানান, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নিয়মে ছাপানো ডায়েরী ও বর্ষ পরিকল্পনানুযায়ী পাঠদান করা হয় যাহা অভিভাবকদের জন্য পর্যবেক্ষনের সুযোগ থাকে। ২০১১ সাল থেকে স্কুল ম্যানেজমেন্ট সওফটওয়্যার চালু করা হয়েছে । তাই আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের হাজিরা এবং বাড়ি ফেরার সময়-ক্ষণ জানান দিতে পারে। তাদেরকে নির্ধারিত পোষাকেই যথাসময়ে বিদ্যালয়ে হাজির হতে হয়। সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিতে হয়। নোট বই এবং প্রাইভেট পড়া নিষেধ। মেধা ও শতভাগ উপস্থিতির জন্য পুরষ্কার দেয়া হয়। অতিরিক্ত ফি বা কোচিং ফি ছাড়াই অস্টম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রীদের অতিরিক্ত ক্লাস নেয়া হয় বিধায় স্কুলের ফলাফল ভালো হয়।

গভর্ণিং বডির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ আব্দুল মালেক মাস্টার বলেন , শিক্ষকতা থেকে ২০০০ সালে অবসর গ্রহণ করার পর থেকেই চিন্তা করছিলাম অবহেলিত মেয়েদের জন্য একটি আদর্শ নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ার। সেমতে স্থানীয় উদ্যোগী লোকজন ও তরুণ প্রজন্মের সহায়তায় এই স্কুলটি ২০০৪ সালে আমার পিতা আবেদ আলীর নামে দাঁড় করালাম। ফলাফল যাচাই-বাছাইয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি উপজেলায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা হলেও আমরা এর অনেক আগে থেকেই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছি। সকল কর্মকান্ডে ডিজিটালাইজেশন পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হলে একজন দিনমজুরের সন্তানও উচ্চশিক্ষা অর্জনে সক্ষম হবে। বর্তমানে এলাকার প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদার প্রেক্ষিতে অত্র স্কুলটিকে মাধ্যমিক থেকে উন্নিত করে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে রূপান্তরের প্রয়াসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আকতার জানান, আবেদ আলী গার্লস্ হাইস্কুল শ্রীপুর উপজেলার মধ্যে নারী শিক্ষা বিস্তার এবং নিয়ম-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একটি অনন্য সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাদের উত্তোরোত্তর উন্নতি কামনা করছি । ডিজিটাল সাইডে কিভাবে সারা বাংলাদেশে আরো ভাল করা যায়, সেই ব্যাপারে আরো বেশী প্রতিযোগী হয়ে উঠতে হবে, শিক্ষকদের আরো আধুনিক মন-মানষিকতায় উন্নত হয়ে শিক্ষা প্রদান করতে হবে।

ট্যাগ: banglanewspaper ডিজিটাল আধুনিক নারী শিক্ষা শ্রীপুর আবেদ আলী গার্লস হাইস্কুল

নারীমেলা
নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে রাজধানীতে চলছে উদ্যোক্তা হাট

banglanewspaper

‘আনিসুল হক কোহর্ট ফর গ্রোথ অব উইমেন অন্টপ্রেনিউরস’ প্রকল্পের আওতায় রাজধানীতে শুরু হয়েছে আনিসুল হক কোহর্ট উদ্যোক্তা হাট। দুই দিনব্যাপী এ মেলায় অংশ নিয়েছেন ৩০ নারী উদ্যোক্তা।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে উদ্যোক্তা হাট উদ্বোধন করেন চার নারী উদ্যোক্তা। বুধবারও এ হাট চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

বিকালে হাট পরিদর্শন করেন আনিসুল হক ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ভাইস চ্যান্সেলর ড. রুবানা হক। তিনি হাটের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখার পাশাপাশি অংশ নেওয়া নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং ফান্ডিংয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। নারী উদ্যোক্তাদের আরও বেশি সফল করার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

হাটের উদ্বোধন করেন গুটিপার উদ্যোক্তা তাসলিমা মিজি, প্রজেক্ট সেকেন্ড হোমের স্বত্বাধিকারী সুমনা শারমীন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিনিয়র লেকচারার বিউটি আক্তার এবং বিডিওএসএন এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা। হাটে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বিষয়ে একটি উন্মুক্ত আড্ডা পরিচালনা করেন শাহীন’স হেল্পলাইনের ফাউন্ডার ও সিইও মো. আমিনুল ইসলাম শাহীন।

একইসঙ্গে নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করতে উদ্যোক্তাদের হিসাব সংরক্ষণে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠান এসএমই ভাই-এর সঙ্গে বিডিওএসএন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

সারা বছর একরেট ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়ামুল করিম টিপু বলেন, নতুন ধারার পণ্যের মূল্য নির্ধারণে সারা বছর একরেট কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের বেশি ভাগ ক্রেতায় মধ্যবিত্তরা। আমরা উদ্যোক্তা হাটে অংশগ্রহণ করেছি অনুপ্রেরণার গল্প কল সেন্টারের অপরাজিতা উপন্যাস উপহার দেবার মাধ্যমে। এই অনুপ্রেরণার বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে আমাদের হার না মানা অপরাজিতাদের হাতে। সামনে উদ্যোক্তা হাট মেলার সঙ্গে বড়ভাবে থাকব।

হাটের দ্বিতীয় দিন বেলা ১১টায় নারী উদ্যোক্তার নিজস্ব ব্র্যান্ডিং বিষয়ে একটি আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। আড্ডা পরিচালনা করবেন ব্র্যান্ড প্র্যাকটিশনারস বাংলাদেশের ফাউন্ডার ও সিইও মির্জা মুহাম্মদ ইলিয়াস। এ ছাড়া বিকেলে ব্র্যান্ডিং বিষয়ে একটি আড্ডা থাকছে।

উদ্যোক্তা হাটে ৩০ জন নারী উদ্যোক্তা ৩০টি স্টলে তাদের পণ্য ও সেবা নিয়ে বসেছেন। উদ্যোগগুলো হলো পারফেকশন অব পরিণীতা, রঙ্গীমা, ধবল, ফাইনফেয়ার ক্র্যাফট, বাঙালি, ফারহানাস ড্রিম, ডিএস ক্রিয়েশন, শ্রদ্ধা, অ্যানেক্স লেদার, সিজনস বুটিক, আমরা পারি, আই ক্লে, প্রয়াস, আইকনিক ক্রিয়েশন, ট্যাম ক্রিয়েশন, পূর্ণতা ক্র্যাফট, শাবাব লেদার, স্যানট্রেন্ড, এআরবি ডিজাইন, একাত্তর সোর্সিং লিমিটেড, ফ্রেন্ডস কনসালটেন্সি, কাদম্বরী এক্সক্লুসিভ, আশা ফুড, জে বি কালেকশন, বি. টেক কন্সট্রাকশন অ্যান্ড কনসাল্টিং, ওয়াসি ক্রাফট, সাতরঙ, এক্সট্রা মাইলেজ কেয়ার, নন্দন কুটির ও জি স্পাইস। এছাড়া বিশেষ সেবা হিসেবে ব্যাংক এশিয়া, এসএমই ভাই, বিকাশ, মেডিমেটের স্টল থাকছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা দিতে সারা বছর একরেট ই কর্মাস প্রতিষ্ঠানটি তাদের পক্ষ থেকে কল সেন্টারের অপরাজিতা উপন্যাসটি উপহার দেন।

প্রকল্প সহযোগিতায় রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আনিসুল হক স্টাডি সেন্টার, ইনোভেশন অ্যান্ড অন্ট্রোপ্রেনিওরশিপ ডিপার্টমেন্ট এবং নাগরিক টিভি। হাটের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার প্রথম আলো। এ ছাড়া পার্টনার হিসেবে আছে টেকশহর ডটকম, ঢাকা এফএম, টেকভিশন টোয়েন্টিফোর ডটকম, স্বজন এবং নিজল ক্রিয়েটিভ। এ প্রকল্পে সহযোগিতা করছে আনিসুল হক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এবং চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব প্লাটফর্ম।

ট্যাগ:

নারীমেলা
গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ নারীই যেসব ভুল করেন

banglanewspaper

নারীদের গর্ভাবস্থায় শরীরে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এ সময় হরমোনের মাত্রা ওঠানামা থেকে শুরু করে ওজন, স্তন ও শরীরের অন্যান্য অংশের পরিবর্তন ঘটে। তাই এ সময় শরীরের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। অনেকেরই গর্ভাবস্থায় করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। তাই গর্ভাবস্থায় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন—

খাবার এড়িয়ে চলা

গর্ভাবস্থায় বারবার ক্ষুধা ও বমি বমি ভাব অনুভব করা স্বাভাবিক। এ সময় বিভিন্ন খাবারের প্রতি লোভ হতে পারে। আবার অনেকেই খাবার দেখলে নাক সিঁটকায়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬-১০ জন নারী গর্ভাবস্থায় খাবার এড়িয়ে যান।

তবে প্রথম কয়েক মাসে খাবার এড়িয়ে যাওয়ার ভুল করবেন না। কারণ প্রথম কয়েক মাসে শিশুর অত্যাবশ্যক অঙ্গ গঠন ও বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই সে সময় আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন খনিজ ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

ওজন বেড়ে গেলে দুশ্চিন্তা

গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়বেই। কারণ তখন স্বাস্থ্যকর খাবার ও বেশি খাওয়া হয়। এমনকি হরমোনের মাত্রা ক্রমাগত পরিবর্তিত হওয়ায় ওজন বেড়ে যায়। তবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বরং এ সময় সামান্য স্ট্রেস ও উদ্বেগ আপনার ও শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। এ কারণে মন শান্ত রাখা উচিত। স্বাস্থ্যকর খাবার স্ট্রেস এড়াতে সাহায্য করে।

ওষুধ গ্রহণ

গর্ভাবস্থায় পেশি ব্যথা, ফোলাভাব, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা ও আরও অনেক কিছুসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমস্যা কমানোর জন্য কখনো চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ওষুধ খাবেন না।

শারীরিক কার্যকলাপ না করা

গর্ভাবস্থায় অনেকেই কায়িক শ্রম থেকে বিরত থাকেন। তবে এ সময় হালকা ব্যায়াম ও হাঁটা শিশুর স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে পারে। গর্ভাবস্থায়ে সব সময় বসে শুয়ে থাকা উচিত নয়। এতে শরীর আরও ফুলে যেতে পারে। তাউ নিজেকে যতটা সম্ভব সক্রিয় রাখা উচিত।

দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা না নেওয়া

স্বাস্থ্যকর গর্ভাবস্থা ও ডেলিভারির জন্য অবশ্যই ভালো স্বাস্থ্যসেবা জরুরি। নিয়মিত চেকআপ ও শারীরিক সুস্থতার জন্য এ সময় দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা নিতে হবে। কোন হাসপাতালে ডেলিভারি করাবেন কিংবা কোন ডাক্তারকে দেখাবেন এসব বিষয়ে দেরি করবেন না।

উপরের এসব সাধারণ ভুল ছাড়াও, বেশ কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো গর্ভবতীদের বিরত থাকতে হবে। যেমন- ধূমপান, অ্যালকোহল পান বা ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাবার যেমন- প্রক্রিয়াজাত ও চিনিযুক্ত খাবার খাবেন না। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। কম ঘুম গর্ভাবস্থায় ক্লান্তি বাড়ায়।

ট্যাগ:

নারীমেলা
শোকে-শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করল পুনাক

banglanewspaper

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

'শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ' শ্লোগানে আজ (রবিবার) বিকালে রাজধানীর মগবাজারে পুনাক কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা।

পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে জাতির জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায় এবং পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে পৈশাচিক ও নারকীয় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শুধু একটি পরিবারকেই নিশ্চিহ্ন করা হয়নি, বরং যুদ্ধবিদ্ধস্ত একটি নবীন রাষ্ট্রের এক অসাধারণ পথচলাকেও থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

পুনাক সভানেত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সপরিবারে খুন হন তখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে অন্য অনেকেই উপস্থিত থাকলেও বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন পুলিশের এক অকুতোভয় সদস্য এএসআই সিদ্দিকুর রহমান। তিনি সেদিন নিজের জীবনের পরোয়া না করে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে ঘাতকদের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন।

জীশান মীর্জা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে যেমন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছিল রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের বীর পুলিশ সদস্যরা। বাংলাদেশেকে স্বাধীন করতে পুলিশ সদস্যরাই সর্বপ্রথম বুক পেতে দিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বুলেটের সামনে। তিনি বলেন, পুলিশ হচ্ছে সেই সংগঠন যার সদস্যরা কখনো এ দেশের সাথে, এ দেশের ইতিহাসের সাথে বেঈমানি করেনি।

এএসআই সিদ্দিকুর রহমানের এ অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম সাহসিকতা (মরোণোত্তর) প্রদান করেন। এ মহতি উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান পুনাক সভানেত্রী।

অনুষ্ঠানে পুনাকের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

এর আগে দোয়া মাহফিল শেষে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ সব শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ট্যাগ:

নারীমেলা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর

banglanewspaper

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী নারীরা চাকরি হারিয়েছে, আয় কমে গেছে এবং একইসঙ্গে বৈষম্য, শোষণ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ, কর্মজীবী নারী, নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং নারীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার লক্ষ্যে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট লন্ডনের আয়োজনে ‘ভার্চুয়াল মিটিং অব কমনওয়েলথ মিনিস্টারস ফর উইমেনস অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ কোভিড-১৯’ বিষয়ে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের উইমেনস অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন তিনি

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ডাক্তার,নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের ৮০ ভাগ নারী, যারা অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্য দিয়ে করোনাকালে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বিদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছে যার ফলে তাদের পরিবারের নারী ও শিশু খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও আম্পান ও বন্যায় প্রায় ৬ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে।

ভার্চুয়াল সভায় কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নারীদের নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ ও জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

ট্যাগ:

নারীমেলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু ও নারী উন্নয়ন বিষয়ক বৈঠক

banglanewspaper

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে “শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম (৫ম পর্যায়)” শীর্ষক বিষয়ে কসবা উপজেলা চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকে জেলা তথ্য অফিসার(ভারপ্রাপ্ত)  দীপক চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এডভোকেট মো: আনিসুল হক ভূঁঞা, সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ,কসবা।বিশেষ অতিথি মোছা: রাহেলা বেগম,প্রধান শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মো: আলমগীর, প্রধান শিক্ষক, লতুয়ামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাছলিমা আক্তার,সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজিয়া সুলতানা ডলি, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাসুম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা আজাদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়াছমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুন নাহার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা সুলতান, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি এডভোকেট মো: আনিসুল হক ভূঁঞা, সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ,কসবা বলেন যোগ্য স্বামীর আশায় না থেকে নিজেকে যোগ্য করে তোলোন কেননা যোগ্যতাই আপনাকে মুক্তি দেবে তাছাড়া সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে হলে সমাজ থেকে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে এবং যৌতুক এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ,অটিজম ও শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ,মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিচর্যা এবং নিরাপদ মাতৃত্ব, স্যানিটেশন, পরিবেশ ও জন্ম নিবন্ধন, মাদক ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ,নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা র্কাযক্রমসমূহ,শিশুর পানিতে ডুবা প্রতিরোধ,পরিবেশ সুরক্ষা ও র্দুযোগকালীণ নারী ও শিশুর সচেতনতা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

শিশু ও নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রথা উচ্ছেদে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূরীকরণে সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিশেষ অতিথি মোছা: রাহেলা বেগম,প্রধান শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মো: আলমগীর, প্রধান শিক্ষক, লতুয়ামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাছলিমা আক্তার,সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজিয়া সুলতানা ডলি, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাসুম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা আজাদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়াছমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুন নাহার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা সুলতান, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বক্তব্য প্রদান করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে ৫০০ জন নারী উপস্থিত ছিলেন । পরিশেষে জেলা তথ্য অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) দীপক চন্দ্র দাস উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের যারযার অবস্থান থেকে সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন কুসংস্কার দূরীকরণে জনসচেতনা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে উঠান বৈঠক সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

ট্যাগ: