banglanewspaper

ওমর ফারুক, বান্দরবান: বান্দরবান জেলার ৩২টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার তৃণমূল আওয়ামী লীগের কর্মীরা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০নং বান্দরবান আসন থেকে বর্তমান সাংসদ বীর বাহাদুরের উপর আস্থা রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬জুলাই) বান্দরবান শহরের অরুণ সারকী টাউন হলে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় দু'হাত তুলে সর্বসম্মতিতে এ সিদ্ধান্তের জানান দেন তাঁরা। বিশেষ এ বর্ধিত সভায় জেলাসহ তৃণমূল আওয়ামী লীগ  এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা এবং জেলা শাখার নেতা-কর্মীদের নিয়ে সকাল ১১টায় শুরু হওয়া বিরতিহীন এ বিশেষ সভা শেষ হয় বিকেল ৪টায়।

তৃণমূলের বক্তরা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বীর বাহাদুরের অবদান স্মরণ করেন এবং তাঁকে সুষম উন্নয়নের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। 

বান্দরবান শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম তাঁর সংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থা তুলে ধরে বলেন- "বীর বাহাদুর স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখান এবং সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেন"। তিনি নিরাপদ বান্দরবানের জন্য বীর বাহাদুরকে ৬ষ্ঠ বারের মত নির্বাচিত করে সংসদে পাঠানোর আহ্বান জানান। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ক্যশৈহ্লা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩০০নং সংসদীয় আসনের টানা পাঁচ বারের সাংসদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এম.পি। 

সহস্রাধিক কাউন্সিলর ও ডেলিগেটসদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইমলাম বেবী। তিনি জানান, বিশেষ এ বর্ধিত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হবে। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত দাশ ও যুগ্মসাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মীপদ দাশ বক্তব্যে বহিষ্কৃত নেতাদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণকরে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটসদের তাদের বর্জন করার আহ্বান জানান এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ারও অনুরোধ করেন। প্রধান অতিথি বীর বাহাদুর তাঁকে একক প্রার্থী নির্বাচন করায় দলের সকল নেতা-কর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, "সামনের সরকার হবে কর্মী বান্ধব সরকার। ওয়াদা দিয়ে যাচ্ছি। ওয়াদা পূরণ করতে না পারলে আপনাদের সামনে আর আসবো না"। তিনি সহস্রাধিক কাউন্সিলর ও ডেলিগেটসদের উদ্দেশ্যে বলেন, "যদি কখনো মনে করেন দলে তাদেরকে (বহিস্কৃতদের) প্রয়োজন আছে, তাহলে সেদিন থেকে আমি নেই"। প্রতিমন্ত্রী বহিস্কৃত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, শুন্যের সাথে শুন্য যোগ হয়েছে, সুতরাং তাদের রেজাল্টও শুন্যই হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর পরই সভাপতি ক্য শৈ হ্লা কাউন্সিলর ও ডেলিগেটসদের দুপুরের খাবারের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিশেষ এ বর্ধিত সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

ট্যাগ: Banglanewspaper বান্দরবান বীর বাহাদুর