banglanewspaper

গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা: গান-আবৃত্তি-অভিনয়সহ শিল্পের সব শাখায় যার দীপ্ত পদচারণা তিনি হলেন নিভৃতচারিণী এক সংস্কৃতিসেবী আনসার ভিডিপি অর্কেস্ট্রারের অন্যতম সেরা শিল্পী আসমা বাসার। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের যিনি আসমা দেবযানী নামে ব্যাপক পরিচিত।

সংগীতজ্ঞ বাবা কাজী আবুল বাশারের হাত ধরে ছোটবেলা থেকেই তার সঙ্গীতচর্চা শুরু। এরপর কেটে গেছে অনেকটা সময়। এরই মধ্যে তিনি ১৫৮ সিনেমার গানে কণ্ঠ দিলেও রয়ে গেছেন নীরবে-নিভৃতে। বাবা কাজী আবুল বাসার ছিলেন তার গানের ওস্তাদ, যিনি উত্তর কালিগঞ্জ সংগীত একাডেমি, সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠাতা। গানের জগতে আসা মূলত সেভাবেই।

বাবা-মার দুজনেরই অনুপ্রেরণায় তিনি অনুপ্রাণিত। পরিবারে সঙ্গীতের চর্চা দেখতে দেখতে তার বড় হওয়া। ছোটবেলা থেকেই বাবা, বড় বোন, ভাই তাদের দেখে এক সময় সঙ্গীতশিল্পী হওয়ার ইচ্ছা জাগে আছমা দেবযানীর। তারপর মায়ের উৎসাহে যশোর মাইকেল সঙ্গীত একাডেমিতে সঙ্গীতে ভর্তি হন। মূলত তিনি গানের হাতেখড়ি নেন তার বাবার কাছে।

এরপর ১৯৯৭ সালে ঢাকাতে চলে আসেন এবং জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক মিল্টন খন্দকারের কাছে প্রথম অ্যালবামের কাজ শুরু করেন। সব ধরনের গান গাইতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও রবীন্দ্র সঙ্গীতের প্রতি তার আগ্রহীটা একটু বেশি। যখন বাবার সাথে প্রথম মঞ্চে গান করেন ‘আয় খুকু আয়’…, তখন তিনি তিনি চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

বেতারে গান শুরু করেন ২০০৪ সালে এবং বিটিভিতে ২০০১ সালে। তবে মঞ্চে বাবার সাথে যেদিন প্রথম গান করেছিলেন সেদিনটি আজও তার মনে ভীষণভাবে ভালোবাসার স্থান দখল করে আছে। সেদিনের অনুভূতি’র কথা মনের করে তিনি হারিয়ে যান ছোট বেলায়। তিনি ২০০১ সালে ‘যোদ্ধা’ সিনেমাতে ৫টি গান গাওয়ার জন্য ফিল্ম মুভমেন্ট থেকে সেরা গায়িকার পুরস্কার অর্জন করেন।

২০১৩ সালে আনসার ও ভিডিপি থেকে সোনার মেডেল অর্জন করেন। ২০১৭ সালে তার বাবার প্রতিষ্ঠিত একাডেমি থেকে পুরস্কার পান। শখের বশে তিনি আবৃত্তি শুরু করেন। কিন্তু সবার অনুপ্রেরণায় এখন আবৃত্তি তার ভীষণ ভালোবাসার স্থান দখল করে নিয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি জাগৃতি প্রকাশনী থেকে ২০১৭ সালে একুশে বইমেলায় কবি নিপা লায়লার ‘নৈঃশব্দের গান’ কবিতার বই থেকে ১২টি কবিতা এককভাবে আবৃত্তি করেছেন। এছাড়া অনলাইন গ্রুপ ‘পেন্সিল’ থেকে একটি কবিতার সিডি বের হয়েছে ঐ জাগৃতি প্রকাশনী থেকে।

সেখানেও তার আবৃত্তি আছে। তবে সবার ভালোবাসাই তার কাছে বড় পুরস্কার। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘যোদ্ধা’ সিনেমার ৫টি গানই, এরপর ‘ভেজা বেড়াল’, ‘টাকা’, ‘লাল সবুজ’, ‘বকুল ফুলের মালা’ সিনেমার গান। তবে তার বেশি পছন্দ ‘টাকা’ সিনেমার গান- ‘সৃষ্টিকর্তা উপরে নিচে আছো তুমি আর কিছুতো চাই না আমি’।

তিনি আরো জানান “একজন শিল্পীর কাছে শ্রোতাদের অনেক প্রত্যাশা থাকে, সেই অর্থে তিনি শ্রোতাদের প্রত্যাশা হয়তো পূরণ করতে পারিনি। তবে চেষ্টা করেছি, জানি না কতটুকু সফল হয়েছি”। পর্দার আড়ালে থাকা এই গুণী মানুষ আসমা দেবযানী অন্যদের মত নিজের গান ও কবিতা সংরক্ষণ দিয়ে অত্যান্ত সংকিত।

তিনি আরো জানান, “১৫৮টি সিনেমাতে গান করেছি। কিন্তু যখন তিনি তার গানগুলো সংরক্ষণ করতে চেষ্টা করি, তখন অনেকাংশে বিফল হই”। কোম্পানিগুলো উক্ত গানগুলো সংরক্ষণ করে না। তাই সম্মিলিতভাবে চেষ্টা না করলে কারো একার পক্ষে গান-আবৃত্তি সংরক্ষণ করা সম্ভব নয় বলে হতাশা প্রকাশ করেন। 

জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক মিল্টন খন্দকারের নিকট তার প্রথম এ্যালবাম “মন প্রেমে পরিসনা” কাজ করার সময় বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মনির খান ও কণ্ঠশিল্পী সুজনের সাথে পরিচয় হয়। তাদের কাছে তিনি জানতে পারেন যে আনসার বাহিনীর অর্কেস্ট্রারে শিল্পীদের জন্য কাজ করার উপযোগী ক্ষেত্র। কণ্ঠশিল্পী মনির খান ও সুজনের সহযোগীতায় ২০০৮ সালে আনসার বাহিনীর অর্কেস্ট্রারে অডিশনের জন্য ডাক পান। অডিশনে ভালভাবেই উর্ত্তীণ হওয়ার সুবাদে ২০০৯ সালের ৫ মে সংঙ্গীত শিল্পী হিসেবে আনসার বাহিনীর অর্কেস্ট্রারে প্রবেশ করেন। শিল্পী হিসেবে করলেও ২০১৪ সালে চাকরীতে স্থায়ী হয় মহিলা আনসার হিসেবে। 

বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মনির খানের সাথে তিনি যে সব সিনেমায় কণ্ঠ দেন তা হলো “মানিক বাদশা, স্বপ্ন পুরণ, জ্বলছে কেন আগুন, বকুল ফুলেল মালা এবং নায়ক মান্নার শেষ সিনেমা দুদিনের দুনিয়া”।

তিনি একদিকে যেমন সঙ্গীতকে ভালবেসে সকলের মনে আনন্দ দিতে চান, তেমনি তিনি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিয়েও ভাবেন। সেই ভাবনায় ২০১০ সালে যশোরের বিসিএমসি প্রকৌশলী মহাবিদ্যালয় হতে ল্যাবরেটরি মেডিসিন বিষয়ে ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স্ সম্পন্ন করেন। একজন প্রতিষ্ঠিত প্যাথলিজড হওয়ার ইচ্ছায় এখন ঢাকার বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাইম এশিয়ায় ৪ বছর মেয়াদী বিএসসি কোর্স্-এ অধ্যায়ণরত আছেন। 

প্রত্যেকটি শিল্পীর একটি স্বপ্ন থাকে তিনি একজন প্লেব্যাক সিঙ্গার হবেন। সেক্ষেত্রে আসমা দেবযানী অনেকটাই সফল। ২০০০ সালে প্রথম সিনেমা যোদ্ধাতে তিনি প্লেব্যাক কিং এন্ড্রু কিশোরের সাথে গান করেন। এযাবৎ তিনি এন্ড্রু কিশোরের সাথে প্রায় বিশটি সিনেমায় গান করেছেন। ছাড়াও তার সাথে প্লেব্যাক করা বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পীরা হচ্ছেন আব্দুল হাদি, সুবির নন্দী, কুমার বিশ্বজিত, আগুন, আসিফ আকবর, পলাশ, মনির খান।

তিনি প্রায় ৫০টির বেশি বিজ্ঞাপনেও কন্ঠ দিয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য বাংলাদেশ মেলামাইন, ক্লাইফোর্ট্ ঘড়ি, শান্তা প্রিন্ট শাড়ী, ডলফিন দেশলাই, আলিবাবা লাচ্ছা সেমাই, শাহাজালাল হাউজিং ইত্যাদি।

তিনি সংবাদ পাঠিকা এবং উপস্থাপিকা হিসেবে অন-লাইন টিভি মিলিনিয়াম ইউএস-এ যুক্ত ছিলেন। চাকরী এবং পড়াশনার কারণে আপাতত তিনি এই বিষয়টি হতে বিরত আছেন। তবে ভবিষ্যতে তার ইচ্ছা আছে সংবাদ পাঠিকা এবং উপস্থাপিকা হিসেবে ভাললাগার জায়গাটিতে পুনরায় কাজ করবেন।

আনসার ভিডিপি বাহিনীর অবদান তিনি কখনোই ভুলবেন না বরং সারাজীবন শ্রদ্ধাচিত্রে স্মারণ করবেন। কারণ আনসার বাহিনীর অর্কেস্ট্রা তার সঙ্গীত জীবনে এমন একটি প্লাটফর্ম্ যেখান থেকে তিনি তার সঙ্গীত জীবনকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন। 

ট্যাগ: Banglanewspaper আনসার ভিডিপি অর্কেস্ট্রারের সেরা আসমা বাসার

নারীমেলা
শোকে-শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করল পুনাক

banglanewspaper

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

'শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ' শ্লোগানে আজ (রবিবার) বিকালে রাজধানীর মগবাজারে পুনাক কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা।

পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে জাতির জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায় এবং পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে পৈশাচিক ও নারকীয় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শুধু একটি পরিবারকেই নিশ্চিহ্ন করা হয়নি, বরং যুদ্ধবিদ্ধস্ত একটি নবীন রাষ্ট্রের এক অসাধারণ পথচলাকেও থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

পুনাক সভানেত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সপরিবারে খুন হন তখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে অন্য অনেকেই উপস্থিত থাকলেও বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন পুলিশের এক অকুতোভয় সদস্য এএসআই সিদ্দিকুর রহমান। তিনি সেদিন নিজের জীবনের পরোয়া না করে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে ঘাতকদের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন।

জীশান মীর্জা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে যেমন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছিল রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের বীর পুলিশ সদস্যরা। বাংলাদেশেকে স্বাধীন করতে পুলিশ সদস্যরাই সর্বপ্রথম বুক পেতে দিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বুলেটের সামনে। তিনি বলেন, পুলিশ হচ্ছে সেই সংগঠন যার সদস্যরা কখনো এ দেশের সাথে, এ দেশের ইতিহাসের সাথে বেঈমানি করেনি।

এএসআই সিদ্দিকুর রহমানের এ অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম সাহসিকতা (মরোণোত্তর) প্রদান করেন। এ মহতি উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান পুনাক সভানেত্রী।

অনুষ্ঠানে পুনাকের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

এর আগে দোয়া মাহফিল শেষে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ সব শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ট্যাগ:

নারীমেলা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর

banglanewspaper

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী নারীরা চাকরি হারিয়েছে, আয় কমে গেছে এবং একইসঙ্গে বৈষম্য, শোষণ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ, কর্মজীবী নারী, নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং নারীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার লক্ষ্যে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট লন্ডনের আয়োজনে ‘ভার্চুয়াল মিটিং অব কমনওয়েলথ মিনিস্টারস ফর উইমেনস অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ কোভিড-১৯’ বিষয়ে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের উইমেনস অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন তিনি

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ডাক্তার,নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের ৮০ ভাগ নারী, যারা অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্য দিয়ে করোনাকালে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বিদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছে যার ফলে তাদের পরিবারের নারী ও শিশু খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও আম্পান ও বন্যায় প্রায় ৬ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে।

ভার্চুয়াল সভায় কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নারীদের নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ ও জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

ট্যাগ:

নারীমেলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু ও নারী উন্নয়ন বিষয়ক বৈঠক

banglanewspaper

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে “শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম (৫ম পর্যায়)” শীর্ষক বিষয়ে কসবা উপজেলা চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকে জেলা তথ্য অফিসার(ভারপ্রাপ্ত)  দীপক চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এডভোকেট মো: আনিসুল হক ভূঁঞা, সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ,কসবা।বিশেষ অতিথি মোছা: রাহেলা বেগম,প্রধান শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মো: আলমগীর, প্রধান শিক্ষক, লতুয়ামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাছলিমা আক্তার,সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজিয়া সুলতানা ডলি, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাসুম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা আজাদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়াছমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুন নাহার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা সুলতান, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি এডভোকেট মো: আনিসুল হক ভূঁঞা, সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ,কসবা বলেন যোগ্য স্বামীর আশায় না থেকে নিজেকে যোগ্য করে তোলোন কেননা যোগ্যতাই আপনাকে মুক্তি দেবে তাছাড়া সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে হলে সমাজ থেকে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে এবং যৌতুক এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ,অটিজম ও শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ,মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিচর্যা এবং নিরাপদ মাতৃত্ব, স্যানিটেশন, পরিবেশ ও জন্ম নিবন্ধন, মাদক ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ,নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা র্কাযক্রমসমূহ,শিশুর পানিতে ডুবা প্রতিরোধ,পরিবেশ সুরক্ষা ও র্দুযোগকালীণ নারী ও শিশুর সচেতনতা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

শিশু ও নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রথা উচ্ছেদে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূরীকরণে সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিশেষ অতিথি মোছা: রাহেলা বেগম,প্রধান শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মো: আলমগীর, প্রধান শিক্ষক, লতুয়ামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাছলিমা আক্তার,সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজিয়া সুলতানা ডলি, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাসুম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা আজাদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়াছমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুন নাহার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা সুলতান, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বক্তব্য প্রদান করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে ৫০০ জন নারী উপস্থিত ছিলেন । পরিশেষে জেলা তথ্য অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) দীপক চন্দ্র দাস উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের যারযার অবস্থান থেকে সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন কুসংস্কার দূরীকরণে জনসচেতনা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে উঠান বৈঠক সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

ট্যাগ:

নারীমেলা
"প্রযুক্তি-ই হোক নারী মুক্তির দিশা" প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন

banglanewspaper

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় এবং আব্দুল জলিল ফাউন্ডেশন নওগাঁর
উদ্যোগে প্রযুক্তি-ই হোক নারী মুক্তির দিশা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের ঠিকানা কমিউনিটি সেন্টারে আব্দুল জলিল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তাজুল ইসলাম তোতার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব বারিষ্টার নিজাম উদ্দীন জলিল জন, এম,পি,নওগাঁ-৫। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজান হোসেন এবং উপ পরিচালক জেলা সমাজ সেবা কার্যালয় নূর মোহম্মদ। এসময় শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হাবীব রাজন বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ।

এদেশের উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই নারী। তাই নারী সমাজকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের উন্নয়নের পথে হাঁটতে হবে। নারীরা উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের শামিল করতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহার নারীকে তার অধিকার রক্ষায় যেমন এগিয়ে নিতে পারে, তেমনি তার ক্ষমতায়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আইসিটির ক্রমবর্ধমান বিকাশের পাশাপাশি একজন নারী শিক্ষিত হলে এবং তাকে এ খাতের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে উন্নয়ন সম্ভব।

প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন, নতুন প্রযুক্তি ভিত্তিক দক্ষতা ও আইসিটি পেশায় প্রবেশ করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ‘নারীদের উন্নয়ন এবং অর্থনীতির উন্নতি’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দক্ষিণ এশিয়ায় নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। আমরা নওগাঁতে আব্দুল জলিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রযুক্তি-ই হোক নারী মুক্তির দিশা প্রকল্পের আওতায় ১৫০ জন নারীকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বালম্বী করা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
 

ট্যাগ:

নারীমেলা
যোগ্যতা অর্জন করলে নারী পুরুষের প্রাপ্যতার ক্ষেত্র একই: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

banglanewspaper

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ‘এখন নারীরা দুর্বল আমি মানি না। প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার নারী, নারীরা বিচারপতি, ডিসি, এসপি, ওসি-সবই হচ্ছেন। যোগ্যতা অর্জন করলে নারী পুরুষের প্রাপ্যতার ক্ষেত্র একই। সরকার ৩৫টি ক্যাটাগরিতে ৩৯ হাজার নারীকে চাকরি দিয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে মুজিব বর্ষে এক লাখ নতুন নারী উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলা হলরুমে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মীসভায় প্রধান অতিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নারী বান্ধব সরকার। সরকার সামাজিক নিরাপত্তার যে কাজগুলো করেছে তার মধ্যে বৈপ্লবিক অবস্থান তৈরি করেছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দরিদ্র মায়েদের মাতৃত্বকালীন ভাতা চালু, বৃদ্ধি ও প্রসারিত করার মধ্য দিয়ে। বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতা অর্থাৎ পিছিয়ে পড়া অবহেলিত, উপার্জন নেই এমন ব্যক্তি বিশেষকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনার প্রয়াস বর্তমান সরকার নিয়েছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে আরও বেগবান ও বলিষ্ঠ করা। আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যমূলক সমাজ বিনির্মাণে। সে জায়গায় ক্রমান্বয়ে আমরা দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রকৃত অর্থে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে গণমানুষের রাষ্ট্রে আমরাই পরিণত করব।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে সমাজের বাধা পেরিয়ে নারীর অগ্রযাত্রা শুরু করেছিল। এখন তারাই জয়িতা হচ্ছেন। স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারই একমাত্র নারীবান্ধব সরকার। শেখ হাসিনার আমলে নারীরা অনেকে ক্ষমতাবান হয়েছে।

সন্তানদের শিক্ষা ও নাগরিক সনদে বাবার পাশাপাশি মায়ের নামও লিপিবদ্ধ হয়েছে। এই সরকারের আমলে নারীরা রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সকল নারী-পুরুষ নিয়ে সর্বত্র শহর করবেন। এটাই আওয়ামী লীগের মূল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।

ট্যাগ: