banglanewspaper

পুলিশের কাজে বাঁধা ও নাশকতার অভিযোগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক শরীফুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় এই মামলা করেন। তবে বিষয়টি সোমবার (১ অক্টোবর) প্রকাশ হয়।

যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের সভাপতি হাবিবুন নবী খান সোহেল, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ অন্তত ৫০ নেতাকর্মী।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে মগবাজার রেলগেট এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। এছাড়া সমাবেশ থেকে নাশকতার উসকানিও ছড়ানো হয়। এসব অভিযোগে হাতিঝিল থানার এসআই শরীফুল ইসলাম বাদি হয়ে বিএনপির শীর্ষ ১০ নেতাসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গতরাতেই এই মামলা করেন। মামলাটি দুপুরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

ট্যাগ: bdnewshour24 ফখরুল

আইন-আদালত
সুনামগঞ্জে পর্নোগ্রাফি মামলায় অধ্যক্ষ ও চেয়ারম্যান কারাগারে

banglanewspaper

পর্নোগ্রাফি মামলায় সুনামগঞ্জে এক অধ্যক্ষ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়িছে আদালত। সোমবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করলে প্রধান বিচারিক হাকিম আবদুর রহিম জামিন তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন- জেলার দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাস ও তার ছোট ভাই হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বড়ভাকৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রঙ্গলাল দাস।

বিবিয়ানা কলেজের অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাসের সাথে মামলার বাদী এক নারীর প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন। ওই ঘটনায় ২০২০ সালে দুই ভাইকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন ওই নারী। পরবর্তীতে উচ্চ আদলত থেকে জামিন নেন দুই আসামি। জামিনের মেয়াদ শেষে দুপুরে প্রধান বিচারিক হাকিম আদলতে হাজির হলে হাকিম তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুম আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
শফিক তুহিনের মামলায় আসিফের বিচার শুরু

banglanewspaper

গায়ক ও সুরকার শফিক তুহিনের করা তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মামলায় বিচার শুরু হলো আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের। বৃহস্পতিবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন এই গায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ সময় আসিফ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এদিন গায়ক আসিফের আইনজীবী মামলা থেকে তার মক্কেলের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। বিচারক উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসিফের আবেদন খারিজ করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেন।

২০১৮ সালের ৪ জুন সন্ধ্যায় আসিফসহ অজ্ঞাত আরও চারজনের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে তেজগাঁও থানায় মামলা করেন তার একসময়ের সহকর্মী শফিক তুহিন। এর এক দিন পরেই রাত দেড়টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল আসিফকে তার মগবাজারের স্টুডিও থেকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

ওই সময় শফিক তুহিন তার মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের ১ জুন রাত ৯টার দিকে একটি চ্যানেলের ‘সার্চ লাইট’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসিফ অনুমতি ছাড়াই তার সংগীতকর্মসহ অন্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন।

পরে শফিক বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তর করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন। ঘটনা জানার পর তিনি ২ জুন রাতে বিষয়টি উল্লেখ করে ব্যক্তিগত ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন।

শফিক তুহিনের সেই পোস্টের নিচে অশালীন মন্তব্য করেন আসিফ। তাকে হুমকিও দেন। পরের দিন রাত ১০টার দিকে আসিফ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে শফিক তুহিনের বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা বক্তব্য দেন। তাকে শায়েস্তা করবেন বলে হুমকিও দেন।

পাশাপাশি আসিফ ভক্তদের উদ্দেশে বলেন, শফিক তুহিনকে যেখানেই পাবেন, সেখানেই প্রতিহত করবেন। আসিফের এই বক্তব্যের পর তার ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শফিক তুহিনকে হত্যার হুমকি দেন। আসিফের লাইভ লাখ লাখ মানুষ দেখে। তিনি উসকানি দিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন শফিক তুহিন। এতে তার মানহানি হয়েছে বলেও জানান।

যদিও সে সময় গ্রেপ্তারের পাঁচ দিন পর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরীর আদালত থেকে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পান আসিফ। ওই দিনই তিনি ছাড়া পান কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে। তবে তিন বছর পর সেই মামলায় ফের বিপাকে বাংলা গানের ‘যুবরাজ’ খ্যাত আসিফ আকবর।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
কয়েদিদের ফোন সরবরাহ করেন কারারক্ষীরা, প্রমাণ পেয়েছে দুদক

banglanewspaper

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের এনফোর্সমন্টে টিম। অভিযানে কয়েদিদের কাছে কারারক্ষীদের যোগসাজশে ফোন সরবরাহ করার প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সালাম আলী মোল্লার নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনার সময় তারা সরেজমিনে এই অনিয়মের সন্ধান পান। বিষয়টি ঢাকা টাইমসকে নিশ্চিত করেন দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম সূত্রে জানা যায়, কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কয়েদিদের অবৈধ ফোন সরবরাহ করা, নিম্নমানের খাবার প্রদান, ক্যান্টিনের খাবারের দাম বেশি রাখা এবং সঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান না করাসহ বেশ কিছু অভিযোগ অনুসন্ধানে এই অভিযান পরিচালনা করে দুদক।

অভিযানের সময় কারারক্ষীদের যোগসাজশে কোনো কোনো কয়েদির মোবাইলফোন ব্যবহারের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে একটি মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে বলেও জানায় দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম।

দুদক টিম অভিযোগ যাচাই ও সত্য উদঘাটনে জন্য সরেজমিনে কাশিমপুর কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে কারাগারে রান্নাঘর, ক্যান্টিন ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে। এ সময় রান্নাঘরটি অপরিচ্ছন্ন থাকার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষকে অভিহিত করে দুদক।

এনফোর্সমেন্ট টিম আরও জানায়, কার্ডের মাধ্যমে ক্যান্টিনের খাবার বিতরণ করা হয়। তবে কার্ডের বিপরীতে টাকা জমার সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
নতুন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী

banglanewspaper

দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। আগামীকাল শুক্রবার নতুন প্রধান বিচারপতি শপথ নেবেন বলে জানা গেছে।

সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের একমাত্র ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে। সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।’

১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৭৪ সালে সাতক্ষীরার সরকারি পিসি কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে বিএ পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এমএ পাস করেন তিনি।

এরপর ধানমন্ডি ল’কলেজ থেকে এলএলবি পাস করে ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন ফয়েজ সিদ্দিকী। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

২০০১ সালে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান বর্তমান আপিল বিভাগের এ বিচারপতি।

২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

১৯৫৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আবদুল গোফুর মোল্লা ও মা মরহুমা নূরজাহান বেগম। ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

ট্যাগ:

আইন-আদালত
বিচারপতি নিয়োগে আইন করার তাগিদ দিলেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি

banglanewspaper

সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর করতে আইন প্রণয়নের তাগিদ দিলেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেছেন, বিচারপতি নিয়োগে আইন করা অপরিহার্য। তাহলে বিচারপতি নিয়োগের কাজটি আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত হবে এবং জনগণের মধ্যে বিচারপতি নিয়োগে স্বচ্ছতা সম্পর্কে ভিত্তিহীন ধারণা দূর হবে।

বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দেওয়া বিদায় সংবর্ধনায় একথা বলেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে এ সংবর্ধনা দেয় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়। আর বারের পক্ষে সহসভাপতি শফিক উল্লাহ সংবর্ধনা দেন।

লিখিত বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘একটি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস হল জনগণের আস্থা। সাধারণ মানুষের এই আস্থা অর্জনের জন্য বিচারকদের একদিকে যেমন উঁচু নৈতিক মূল্যবোধ ও চরিত্রের অধিকারী হতে হবে, তেমনি অন্যদিকে সদা বিকাশমান ও পরিবর্তনশীল আইন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও সামাজিক মূল্যবোধ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।’

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘এ কথা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই যে, এখনও বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ জনগণের প্রবল আস্থা রয়েছে। কিন্তু মামলার সংখ্যা বিবেচনায় বিচারকের সংখ্যা অপ্রতুল। মামলার জট নিরসনে দেশের অধঃস্তন আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত বিচারকের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে দ্বিগুণ করা প্রয়োজন।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পান সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা পদে থাকতে পারেন ৬৭ বছর পর্যন্ত।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। সে হিসাবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর তার ৬৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে। সেদিনই সুপ্রিম কোর্টের শীর্ষ পদ থেকে তার অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু সরকারি ছুটি ও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের অবকাশের কারণে বুধবার তিনি শেষ অফিস করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে বিচারপতি মাহমুদ হোসেন আপিল বেঞ্চে বিচারিক কাজে অংশ নেন। বিদায় সংবর্ধনার পর আর আপিল বিভাগ আর বসেনি। আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, আইনজীবীরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তবে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেন। পরে বারের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, বারের সভাপতি নেই। সম্পাদককে সবকিছু জানানোর কথা থাকলেও আমাকে কিছু জানানো হয়নি। বারকে অবজ্ঞার প্রতিবাদে আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করলাম।

ট্যাগ: