banglanewspaper

আব্দুর রশীদ তারেক, নওগাঁ: কুজাইল দক্ষিণপাড়া নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ছোট যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত ছবির মতো একটি ছোট্ট গ্রাম। সেই গ্রামের একজন সফল নারী সানজিদা আক্তার তৃশা।

নদীর তীরে স্বামীর পরিত্যাক্ত জমিতে সবজি চাষ করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন সানজিদা। স্বামীর পাশাপাশি তিনিও এখন নিজের সংসারে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছেন। তার দেখে উৎসাহিত হচ্ছে আশেপাশের অন্য নারীরাও।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার ২নং কাশিপুর ইউনিয়নের কুজাইল গ্রামে ছোট যমুনা নদীর তীরে গেলে চোখে পড়বে সবুজে ঘেরা সবজি খেত। খেতের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে পেয়াজ, রসুন, আলু, ধনিয়া, মরিচ ও মুলার গাছসহ নানা সবজির গাছ। প্রায় ৩বছর আগে সানজিদা পার্শ্ববর্তি এক কৃষকের সবজি চাষ দেখে অনুপ্রাণিত হোন। পুরুষেরা পারলে মেয়েরা কেন পারবে না এই ইচ্ছে শক্তি থেকে সানজিদাও শুরু করেন নদীর তীরে তার স্বামীর পরিত্যাক্ত প্রায় ১৫শতাংশ জমিতে বিভিন্ন প্রকারের সবজির চাষ। 

সফল নারী সানজিদা বলেন, এক সময় সংসারের কাজকর্ম শেষ করার পর অলস বসে বসে সময় কাটাতাম। পাশের এক কৃষক নদীর তীরে তার জমিতে বছরের পুরো সময় কোন না কোন সবজি চাষ করতো। সেই কৃষক নিজের পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে বাজারে সবজি বিক্রি করে ভালো লাভ করতো।

তখন আমার মনে একটি জেদ কাজ করলো যে পুরুষরা পারলে আমি পারবো না কেন। তখন আমার স্বামীর সহযোগিতা নিয়ে শুরু করি সবজি চাষ। সবজি চাষের প্রথম বছরে বাজারে আমার জমির মূলা সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়েছিলো।

তিনি আরো বলেন আমি নিজেই সবজি জমিতে সার, বীজ বপন করি, পানি সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে ফসলের রক্ষনাবেক্ষনের সব কাজ নিজেই করি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আমি নিজের খেতে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করে নিজের পরিবারকে খাওয়াতে পারছি। কারণ বর্তমানে বাজারের প্রতিটি সবজিতেই দেওয়া থাকে মাত্রারিক্ত সার ও কীটনাশক যা মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

আমি নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করে স্থানীয় বাজারে এই সবজি বিক্রি করে বছরে প্রায় ১৫-২০হাজার টাকা আয় করছি। সেই অর্থ দিয়ে নিজের সন্তানদের পড়ালেখার খরচ যোগানসহ অন্যান্য চাহিদা পূরন করতে পারছি। স্বামীর কাছ থেকে আমাকে আর হাত পেতে অর্থ নিতে হয় না। আজ আমার দেখাদেখি আশেপাশের অনেক নারীরা এই সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। আমার কাছে অন্যরা পরামর্শ নিতে এলে আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা ও তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করি। তবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমি আমার এই সবজি চাষের পরিসরটাকে আরো বৃদ্ধি করতে চাই।

ওই গ্রামের হালিমা খাতুন বলেন আমার স্বামী দিনমজুরের কাজ করে। আমার সংসারে এক সময় অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। সানজিদা আপার পরামর্শে আমিও আমার বাড়ির উঠানে অল্প অল্প করে শিম, লাউ, পালংশাকসহ নানা প্রজাতির সবজি চাষ করছি। এখন আমার সংসারের জন্য বাজার থেকে তেমন সবজি কিনতে হয় না। নিজের সংসারের প্রয়োজন মিটিয়ে আমি অতিরিক্ত সবজিগুলো বাজারে বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছি।

একই গ্রামের শবনব আক্তার বলেন, সানজিদা আপার দেখাদেখি আমিও আমার বাড়ি উঠানে ও পরিত্যাক্ত জমিতে সবজি চাষ শুরু করেছি। আমি বর্তমানে অলস সময়কে এই সবজি চাষ করার কাজে ব্যয় করছি। নিজেদের উৎপাদিত বিষমুক্ত এই সবজি যেমন নিজেদের জন্য ভালো তেমনি দেশের জন্য ভালো। 

উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো: আহসান হাবিব রতন বলেন, সানজিদা আপা এই অঞ্চলের একটি দৃষ্টান্তর। আমি তাকে সার্বক্ষণিক ভাবে সহযোগিতা প্রদান করে আসছি। সানজিদা আপার দেখাদেখি আশেপাশের আরো অনেক মহিলারা সাবলম্বী হওয়ার দৃষ্টান্তর স্থাপন করেছেন। কেউ হাঁস-মুরগী পালন করছেন, কেউ গরু-ছাগল আবার কেউ সবজি চাষ করছেন। আমি তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছি। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: শহীদুল ইসলাম বলেন, আমি নিজে গিয়ে সানজিদা আপার সবজি খেতসহ অন্যান্য মহিলাদের সবজি খেত পরিদর্শন করেছি। আসলেই তাদের এই উদ্যোগ প্রশাংসার দাবীদার। দেশের অর্থনীতিতে বর্তমানে গ্রামাঞ্চলের মহিলারাও পুরুষের পাশাপাশি ব্যাপক ভ’মিকা রাখছেন।

সানজিদাসহ যে কেউ আমাদের কাছে কৃষি সম্পর্কিত সহযোগিতা ও পরামর্শ চাইলে আমি ও আমার অফিস সব সময় তাদের পরামর্শ দিতে প্রস্তুত রয়েছি। আমি আশা রাখি শুধু সানজিদা নয় এক সময় উপজেলার সব মহিলারা তাদের পরিত্যাক্ত বাড়ির উঠান ও জমিতে সাধ্যমতো সবজি চাষ করে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করবেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 পরিত্যাক্ত জমি রাণীনগর

নারীমেলা
শোকে-শ্রদ্ধায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করল পুনাক

banglanewspaper

জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।

'শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ' শ্লোগানে আজ (রবিবার) বিকালে রাজধানীর মগবাজারে পুনাক কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা।

পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে জাতির জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায় এবং পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে পৈশাচিক ও নারকীয় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শুধু একটি পরিবারকেই নিশ্চিহ্ন করা হয়নি, বরং যুদ্ধবিদ্ধস্ত একটি নবীন রাষ্ট্রের এক অসাধারণ পথচলাকেও থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

পুনাক সভানেত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সপরিবারে খুন হন তখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে অন্য অনেকেই উপস্থিত থাকলেও বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন পুলিশের এক অকুতোভয় সদস্য এএসআই সিদ্দিকুর রহমান। তিনি সেদিন নিজের জীবনের পরোয়া না করে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে ঘাতকদের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন।

জীশান মীর্জা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে যেমন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছিল রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের বীর পুলিশ সদস্যরা। বাংলাদেশেকে স্বাধীন করতে পুলিশ সদস্যরাই সর্বপ্রথম বুক পেতে দিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বুলেটের সামনে। তিনি বলেন, পুলিশ হচ্ছে সেই সংগঠন যার সদস্যরা কখনো এ দেশের সাথে, এ দেশের ইতিহাসের সাথে বেঈমানি করেনি।

এএসআই সিদ্দিকুর রহমানের এ অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম সাহসিকতা (মরোণোত্তর) প্রদান করেন। এ মহতি উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান পুনাক সভানেত্রী।

অনুষ্ঠানে পুনাকের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

এর আগে দোয়া মাহফিল শেষে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ সব শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ট্যাগ:

নারীমেলা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর

banglanewspaper

করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী নারীরা চাকরি হারিয়েছে, আয় কমে গেছে এবং একইসঙ্গে বৈষম্য, শোষণ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ, কর্মজীবী নারী, নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সহায়তা এবং নারীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার লক্ষ্যে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট লন্ডনের আয়োজনে ‘ভার্চুয়াল মিটিং অব কমনওয়েলথ মিনিস্টারস ফর উইমেনস অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ কোভিড-১৯’ বিষয়ে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের উইমেনস অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন তিনি

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ডাক্তার,নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের ৮০ ভাগ নারী, যারা অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্য দিয়ে করোনাকালে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বিদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছে যার ফলে তাদের পরিবারের নারী ও শিশু খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও আম্পান ও বন্যায় প্রায় ৬ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে।

ভার্চুয়াল সভায় কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নারীদের নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ ও জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

ট্যাগ:

নারীমেলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু ও নারী উন্নয়ন বিষয়ক বৈঠক

banglanewspaper

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে “শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম (৫ম পর্যায়)” শীর্ষক বিষয়ে কসবা উপজেলা চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকে জেলা তথ্য অফিসার(ভারপ্রাপ্ত)  দীপক চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এডভোকেট মো: আনিসুল হক ভূঁঞা, সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ,কসবা।বিশেষ অতিথি মোছা: রাহেলা বেগম,প্রধান শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মো: আলমগীর, প্রধান শিক্ষক, লতুয়ামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাছলিমা আক্তার,সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজিয়া সুলতানা ডলি, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাসুম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা আজাদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়াছমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুন নাহার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা সুলতান, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি এডভোকেট মো: আনিসুল হক ভূঁঞা, সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ,কসবা বলেন যোগ্য স্বামীর আশায় না থেকে নিজেকে যোগ্য করে তোলোন কেননা যোগ্যতাই আপনাকে মুক্তি দেবে তাছাড়া সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে হলে সমাজ থেকে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে এবং যৌতুক এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ,অটিজম ও শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ,মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিচর্যা এবং নিরাপদ মাতৃত্ব, স্যানিটেশন, পরিবেশ ও জন্ম নিবন্ধন, মাদক ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ,নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা র্কাযক্রমসমূহ,শিশুর পানিতে ডুবা প্রতিরোধ,পরিবেশ সুরক্ষা ও র্দুযোগকালীণ নারী ও শিশুর সচেতনতা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

শিশু ও নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রথা উচ্ছেদে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূরীকরণে সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিশেষ অতিথি মোছা: রাহেলা বেগম,প্রধান শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মো: আলমগীর, প্রধান শিক্ষক, লতুয়ামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাছলিমা আক্তার,সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজিয়া সুলতানা ডলি, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাসুম আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা আজাদ, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়াছমিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামসুন নাহার, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানজিনা সুলতান, সহকারী শিক্ষক, চন্ডিদ্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বক্তব্য প্রদান করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে ৫০০ জন নারী উপস্থিত ছিলেন । পরিশেষে জেলা তথ্য অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) দীপক চন্দ্র দাস উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের যারযার অবস্থান থেকে সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন কুসংস্কার দূরীকরণে জনসচেতনা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে উঠান বৈঠক সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

ট্যাগ:

নারীমেলা
"প্রযুক্তি-ই হোক নারী মুক্তির দিশা" প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন

banglanewspaper

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় এবং আব্দুল জলিল ফাউন্ডেশন নওগাঁর
উদ্যোগে প্রযুক্তি-ই হোক নারী মুক্তির দিশা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের ঠিকানা কমিউনিটি সেন্টারে আব্দুল জলিল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তাজুল ইসলাম তোতার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব বারিষ্টার নিজাম উদ্দীন জলিল জন, এম,পি,নওগাঁ-৫। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজান হোসেন এবং উপ পরিচালক জেলা সমাজ সেবা কার্যালয় নূর মোহম্মদ। এসময় শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হাবীব রাজন বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ।

এদেশের উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই নারী। তাই নারী সমাজকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের উন্নয়নের পথে হাঁটতে হবে। নারীরা উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের শামিল করতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহার নারীকে তার অধিকার রক্ষায় যেমন এগিয়ে নিতে পারে, তেমনি তার ক্ষমতায়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আইসিটির ক্রমবর্ধমান বিকাশের পাশাপাশি একজন নারী শিক্ষিত হলে এবং তাকে এ খাতের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে উন্নয়ন সম্ভব।

প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন, নতুন প্রযুক্তি ভিত্তিক দক্ষতা ও আইসিটি পেশায় প্রবেশ করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ‘নারীদের উন্নয়ন এবং অর্থনীতির উন্নতি’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দক্ষিণ এশিয়ায় নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। আমরা নওগাঁতে আব্দুল জলিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রযুক্তি-ই হোক নারী মুক্তির দিশা প্রকল্পের আওতায় ১৫০ জন নারীকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বালম্বী করা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
 

ট্যাগ:

নারীমেলা
যোগ্যতা অর্জন করলে নারী পুরুষের প্রাপ্যতার ক্ষেত্র একই: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

banglanewspaper

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ‘এখন নারীরা দুর্বল আমি মানি না। প্রধানমন্ত্রী নারী, স্পিকার নারী, নারীরা বিচারপতি, ডিসি, এসপি, ওসি-সবই হচ্ছেন। যোগ্যতা অর্জন করলে নারী পুরুষের প্রাপ্যতার ক্ষেত্র একই। সরকার ৩৫টি ক্যাটাগরিতে ৩৯ হাজার নারীকে চাকরি দিয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে মুজিব বর্ষে এক লাখ নতুন নারী উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলা হলরুমে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মীসভায় প্রধান অতিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নারী বান্ধব সরকার। সরকার সামাজিক নিরাপত্তার যে কাজগুলো করেছে তার মধ্যে বৈপ্লবিক অবস্থান তৈরি করেছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দরিদ্র মায়েদের মাতৃত্বকালীন ভাতা চালু, বৃদ্ধি ও প্রসারিত করার মধ্য দিয়ে। বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতা অর্থাৎ পিছিয়ে পড়া অবহেলিত, উপার্জন নেই এমন ব্যক্তি বিশেষকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনার প্রয়াস বর্তমান সরকার নিয়েছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে আরও বেগবান ও বলিষ্ঠ করা। আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যমূলক সমাজ বিনির্মাণে। সে জায়গায় ক্রমান্বয়ে আমরা দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রকৃত অর্থে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে গণমানুষের রাষ্ট্রে আমরাই পরিণত করব।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে সমাজের বাধা পেরিয়ে নারীর অগ্রযাত্রা শুরু করেছিল। এখন তারাই জয়িতা হচ্ছেন। স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারই একমাত্র নারীবান্ধব সরকার। শেখ হাসিনার আমলে নারীরা অনেকে ক্ষমতাবান হয়েছে।

সন্তানদের শিক্ষা ও নাগরিক সনদে বাবার পাশাপাশি মায়ের নামও লিপিবদ্ধ হয়েছে। এই সরকারের আমলে নারীরা রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সকল নারী-পুরুষ নিয়ে সর্বত্র শহর করবেন। এটাই আওয়ামী লীগের মূল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।

ট্যাগ: