banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ কমনওয়েলথ স্কলারস সমিতির অনুষ্ঠানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের ছোট করে দেখার কারণে তোপের মুখে পড়েছেন ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নতুনদের মধ্যে মেধাহীনতা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই তোপের মুখে পড়েন।

শনিবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ স্কলারর্স কমিশনের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে তিনি এই বক্তব্য রাখছিলেন। তার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত অনেকে। 

আজাদ চৌধুরী তার বক্তব্যের বলেন, ‘বৃটেনের শিক্ষার মান অনেক ভালো। তাই সেখানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নেই। সেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই সব ধরণের পড়াশোনা চলে। কিন্তু আমাদের দেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বেড়ে গেছে। এজন্য দেশের শিক্ষার মান অর্জন হচ্ছে না।’ এই বক্তব্যের পরপরই তাকে ব্যাপক তোপের মুখে পড়তে হয়।

উপস্থিত বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ মুশফিক মান্নান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েগুলকে ছোট করে দেখা মানে হচ্ছে এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবমূল্যায়ন করা। ব্রিটেনে যেমন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে তেমনই রয়েছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে। উভয়ই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সমাজ গঠনে এবং গবেষণা ও পাঠদান ক্ষেত্রে মূল্যবান অবদান রাখছে।

তিনি আরো বলেন, উন্নত বিশ্বর মত এই দেশেও প্রজুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এবং উনার বন্ধুদের মধ্যে যারা বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে দেশে ফিরেছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিরত আছেন এবং একইসাথে উন্নত গবেষণা করছেন।

উপস্থিত অনেকেই বলেন, ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ইউজিসির চেয়ারম্যান থাকাকালে প্রায়ে ৫০টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদেন দিয়েছেন। তাছারা আরও অন্যানরা জানান যে, তার (ড. আজাদ চৌধুরী) ইউজিসির চেয়ারম্যান নিয়োগের পূর্বে স্ট্যাম্ফরড বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপনা করেছেন এবং এখনো তার স্ত্রী অধ্যাপক ডঃ গুলশান আরা সেই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 ইউজিসি ড. আজাদ চৌধুরী বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়