banglanewspaper

মো. জসিউর রহমান (লুকন) নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: রাতে আটক দিনে মুক্তি, নাগরপুর থানার বাস্তব চিত্র এমনটাই পরিলক্ষিত হচ্ছে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিগত কয়েক মাস যাবৎ। সরোজমিনে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বললে নাম না প্রকাশের শর্তে তারা বলেন, গত ১৬.০৫.১৯ তারিখ রাত ১১.৪৫ মিনিটের সময় সন্ত্রাসী ও আদম ব্যবসায়ী চক্রের দ্বারা জিন্মি হওয়া মো. বিদ্যুত (৩৫) ও তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান (৬৫)কে বেকড়া ইউনিয়নের মুশুরিয়া উত্তর পাড়া গ্রামের গোরস্থানের কাছে সন্ত্রাসী তুলা মিয়ার ছেলে জাকির (৩২), চাঁন মিয়া, রফিকুল (৩৬) একটি বাড়িতে বিদ্যুত ও তার পিতা শাজাহানকে অপহরণ করে মারধর করে ও হত্যার ভয় দেখায়।

ঘরের মধ্যে আটকরে রাখে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান বলেন, আমাকে ওরা মারধর করে, গালে স্বজোরে থাপ্পর মারতে থাকে এক পর্যায়ে  আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যাই, তখন রফিকুল আমার বুকের উপর পা দিয়ে পাড়া দিয়ে দাড়ায়। আমার ছেলে অনেক ভয় পেয়েছে।

আটকৃতদের কাছে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে তারা দ্রুত নিকট আত্মীয়দের বিষটি জানায়। পরে আত্মীয়রা তাদের উদ্ধারে চেষ্টা করলে আত্মীয়দের মারপিট ও হুমকি ধামকি দিয়ে তারিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। এমত অবস্থায় আত্মীয়রা মোবাইল ফোনে নাগরপুর থানার (ডিওটি আফিসার) পুলিশের সাহায্য প্রার্থনা করলে তিনি তাল-বাহানা করে ওসির নম্বর দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরে ভূক্তভূগীরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে সাহয্যের আবেদন করলে বাংলাদেশ পুলিশের নির্দেশে নাগরপুর থানা পুলিশের ৬ সদস্যের একটি দল এসআই অশোক ভূষন সাহা (নি:) এবং এসআই মামুন মৃধার এর নেত্রীত্বে ঘটনা স্থলে পাঠায়।  

তারা ১৭.০৫.১৯ তারিখ রাত ১.৪৫ মিনিটের সময় বিদ্যুত ও তার পিতা শাজাহানকে অপহরনকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করে। এসময় অপহরনকারীদের কাছে থাকা দেশী ধারালো অস্র, বড় ছুরি, রামদা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ছবি বিদ্যুতের আত্মীয়ের মোবাইলে তুললে নাগরপুর থানা পুলিশ জোরপূর্বক তা ডিলিট (মুছে) ফেলে। পরে ভূক্তভূগী বিদ্যুতের কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে, এক পর্যায়ে নাগরপুর থানা পুলিশের ৬ সদস্য দলপতি এসআই অশোক ও মামুন মৃধা ৩ হাজার টাকা নিয়ে আসামী তুলা মিয়ার ছেলে জাকির ও রফিকুল ইসলামকে ১৭.০৫.১৯ তারিখ মধ্যরাত ২.৩৫ মিনিটে থানায় নিয়ে আসে নাগরপুর থানা পুলিশ।

পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেয়া আত্মীয়কে থানায় ডেকে নিয়ে পুলিশের ইচ্ছে মত অভিযোগ লিখে অভিযোগে স্বক্ষর করিয়ে নেয় ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। বার বার শুধু বলতে থাকে তুই ৯৯৯ নম্বরে ফোন কেন দিলি। ভূক্তভূগীরা বলে আমরা পুলিশের কবলে পড়ে রোজা রাখতে পারিনি। আমার পায়ের গোড়ালী কেটে গেছে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম পুলিশ আমাকে ফোন করে ক্ষতের ছবি তোলার কথা বলে ডেকে নিয়ে আমাদের সাথে এমন খারাপ ব্যাবহার করল যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। গত ১৭.০৫.১৯ তারিখ দুপুর ১২টার সময় আবার নাগরপুর থানা পুলিশ মামলা লেখার কথা বলে থানায় ডেকে নিয়ে আবার তাদের গালমন্দ করে এবং বাদীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে অভিযোগ তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করে। বাদীকে পুলিশ বলে আর যদি মামলা করতে চাস তবে টাকা লাগবে ২০ হাজার।এরচেয়ে ভাল তোরা মিলমিশ হয়ে যা।

বাদী যখন তাদের জীবনের নিরাপত্তা চায় তখন এসআই মামুন মৃধা তাদের বলে- আপনাদের জীবনের নিরাপত্তা দেয়া পুলিশের কাজ না, পুলিশ কি আপনাদের বাড়িতে গিয়ে বসে থাকবে। বাদী মামলা করতে চাইলে পুলিশ সদস্য বিভিন্ন ভাবে আপোশ করার জন্য চাপ দেয় এবং থানায় বসে দুই পক্ষকে ড়েকে মিটমাট করে দেয়ার কথা বলে ও বিদ্যুতকে চাকুরির ভয় দেখায়।

অপর দিকে উচ্চ স্বরে বলেন, আমি এসআই মামুন আমার নামে এসপি আফিসে বিচার দিয়ে কোন লাভ নেই। আমি চাইলে ওসি এবং এসপি, ডি আই জি কে ফোন দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারি। যুগ্ন কমিশনার বাতেন সাব আমার আপন মামার বন্ধু,মনে কইরেনা আমি ছোট মোট মানুষ, আমার তেজ নাই, খোঁজ নিয়ে দেখেন কোদালিয়া থেকে আমার নামে এসপি অফিসে কম্পলেইন করে কিছই/(বালটা ছিড়তে পাড়েনি) করতে পারেনি, নিজেকে জাহির করে মামলার বাদীদের শোনায় নাগরপুর থানার এসআই মামুন মৃধা। বাদীর সামনেই সন্ত্রাসী আসামীদের ছেড়ে দেয় নাগরপুর থানা পুলিশ। বিনিময়ে হাতিয়ে নেয় আসামীদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা। সন্ত্রাসীরা বাদীর সামনে দিয়ে বের হয়ে যাওয়াতে তারা আরও নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে। এমত অবস্থায় ভূক্তভূগীরা পুলিশ ও আইনের প্রতি আস্থা হাড়িয়ে ভয়ে মুখ বুজে সয়ে যাচ্ছে অন্যায় অবিচার। 

এমন ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে সকাল, দুপুর ও রাতে নাগরপুর থানয়। অসহায় ভূক্তভূগীরা এমত ঘটনায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছে। 

নাগরপুর থানার আফিসার ইনচার্জ মো. আলম চাঁদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই।

ট্যাগ: bdnewshour24 নাগরপুর

ঢাকা
টাঙ্গাইলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্বির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ 

banglanewspaper

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল নাগরপুর উপজেলা বিএনপি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দাম বৃদ্বির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে। 

শনিবার (৫ মার্চ) নাগরপুর উপজেলা বিএনপি সাবেক ভারপাপ্ত আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ছালাম সভাপতিত্বে পালিত হয়েছে এ বিক্ষোভ প্রতিবাদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মোঃ শরিফ উদদীন আরজু, মো. হাবিবুর রহমান হবি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম মিয়া, যুবদলের আহবায়ক মোঃ ফনির হোসেন ভূইয়া, সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম দিপন মোল্লা, ভাদ্রা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ হাবিব মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক
মোঃ শাজাহান শাজু, সদস্য সচিব মোঃ জিহাদ হোসেন ডিপটি প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, চাল, ডাল, তৈল সহ সকল পন্যের দম কমাতে হবে। দেশের মানুষের আয়ের সাথে খাদ্য দ্রব্যের আকাশ ছোঁয়া দামের আজ দিশেহারা বাঙালী। খাদ্যদ্রব্যের এ আকাশছোঁয়া দামের জন্য দায়ী এই সরকার। দেশের মানুষের আয়-ব্যয়ের সাথে সামাঞ্জস্য প্রয়োজন। সরকার এই  সামঞ্জস্য বজায় না রাখতে পারলে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে।

ট্যাগ:

ঢাকা
পাত্রী দেখে মোটরসাইকেলে ফেরার পথে প্রাণ গেল প্রবাসীর

banglanewspaper

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গাছের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আব্দুল্লাহ (২২) নামে মালয়েশিয়াপ্রবাসী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পেচারআটা-সলিং আঞ্চলিক সড়কের মোচারবাড়ী মোড়ে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ সম্প্রতি মালেয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন। শনিবার তিনি বিয়ের জন্য পাত্রী দেখে বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা উপজেলার পেচারআটা-সলিং আঞ্চলিক সড়কের মোচারবাড়ী মোড়ে পৌঁছলে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশের শিমুলগাছের সাথে ধাক্কা খায়। তাঁর বন্ধু অক্ষত থাকলেও ঘটনাস্থলেই আব্দুল্লাহর মৃত্যু হয়।

ট্যাগ:

ঢাকা
বিয়ের পরেও স্ত্রীর মর্যাদা পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে জুলিয়া!

banglanewspaper

জসিউর রহমান লুকন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের মৃত রজব মিয়ার মেয়ে জুলিয়া আক্তার জুলি স্ত্রীর মর্যাদা পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও পাননি কোনো সহায়তা। 

ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, একই ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. বাছেদ খান ওরফে বাচ্চু মাষ্টারের ছেলে মো. রাকিব খানের সাথে প্রেমে সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ে হয় তাদের।

গত ২৪ অক্টোবর ২০২১ সালে ভাদ্রা ইউনিয়নের কাজী মো. আবুল বাশার ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে পড়ান। বিয়েতে ভাদ্রা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. সাইফুল ইসলামসহ উপস্থিত ছিলেন অনেকেই। বিয়ের পর যথারীতি নতুন সংসার শুরু করে নবদম্পতি। প্রেমের শুরু থেকেই রাকিবের বড়লোক বাবা বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। বিয়ের কথা শুনে ছেলে রাকিবকে বাবা বাড়িতে আসতে না দেওয়ায়, নবদম্পতি আশ্রয় নেয় নানা শাশুড়ী বাড়িতে। এসব দেখে বাচ্চু মাষ্টার ছেলে হারানোর অভিযোগ দায়ের করে থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় ১ মাস পর, থানা পুলিশ নবদম্পতি উদ্ধার করে তাদের অভিভাবকদের কাছে ফিরিয়ে দেয়। আর তখন থেকেই জুলিয়ার সুখের সংসারে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। 

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, তখন থেকেই রাকিকে ওর বাবা বাড়িতে আটকে রেখেছেন। আমি রাকিবের বাড়িতে গেলে, ওরা মা সহ অনেকেই আমার কাছে বিয়ের কাবিননামা চায়, তখন হাতে কাবিননামা না থাকায়, আমাকে পশুর মত পিটিয়ে বাড়ি থেকে টেনে ছিড়ে বেড় করে দেয়। সাথে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। ফোনে ছিলো আমাদের প্রেম ও বিয়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছবি এবং ভিডিও। পরে রাস্তায় অচেতন অবস্থায় ফেলে চলে যায়। এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে সুস্থ হলে ভাদ্রা ইউনিয়নের কাজী মো. আবুল বাশারের কাছে আমাদের বিয়ের কাবিননামা আনার জন্য গেলে, তিনি বিভিন্ন অযুহাতে দিনের পর ঘোরাতে থাকেন। আজ পর্যন্ত তিনি কাবিননামা বা বিয়ের কোনো প্রামানপত্র দেয়নি। তবে, লোক মুখে শুনেছি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বাশার কাজী আমাদের বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করেছে।

তবে তিনি বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করেছেন কি না তা এখনো সঠিকভাবে বলেনি।

জুলিয়া আরও বলেন, রাকিবের বাবা ও তার পরিবারের সকলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মনগড়া বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য রটাচ্ছে। আমাদের বাসায় এসে বলে গেছেন, টাকা যত লাগে আমি খরচ করবো, তাও তোর মত ছোটলোকের খারাপ চরিত্রের মেয়েকে আমার বাড়ির বৌ করে আনবো না। আমার প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে, আমি তার ন্যায় বিচার চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন, আমাকে স্বামীর সংসার করার জন্য সহায়তা দান করুন। 

রাকিব ও জুলিয়ার বিয়ের বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে ভাদ্রা ইউনিয়নের কাজী মো. আবুল বাশারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গত ২৪ অক্টোবর রাকিব ও জুলিয়ার বিবাহ তিনি পরিয়েছিলেন। কিন্তু ৩১ অক্টোবর রাকিব-জুলিয়ার বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করেন। তবে আবুল বাশার এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়ননি। ক্যামেরা বের করা মাত্র তিনি দৌড় দেন।

বিয়ের বিষয়ে রাকিবের বাবা মো. আব্দুল বাছেদ ওরফে বাচ্চু মাষ্টারের বাড়িতে গেলে, তাদের বাড়ি তালাবন্ধ দেখা যায়। পরে, তিনি মুঠোফোনে জানান, চরিত্রহীনা মেয়েকে ছেলের বৌ হিসেবে মেনে নিতে রাজী নন। এছাড়াও বিয়ের সময় রাকিব বিয়ের অনুপযুক্ত ছিল। তাই কাজী রাকিবের বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করেন। তবে কথার প্রসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন শরিয়ত মোতাবেক রাকিব ও জুলিয়ার বিয়ে এখনো বিদ্যমান। তবে তাদের বিয়ের কোনো বৈধ রেজিষ্ট্রেশন নেই। 

রাকিব-জুলিয়ার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হতে ভাদ্রা ইউনিয়নের স্থানীয় কমপক্ষে ১০ জনকে জিজ্ঞেস করলে, তারা সকলে একবাক্যে বলেন, এটা তো উঁচুনিচু প্রেমের বিয়ে। আমাদের ইউনিয়নে ১০ গ্রামের মানুষ এ বিয়ে সম্পর্কে জানে। এ বিয়ের ঘটনা জানেনা এমন মানুষ এলাকায় খুঁজে পাওয়া যাবে না।

ট্যাগ:

ঢাকা
টাঙ্গাইলে ট্রাকে করে ফেনসিডিল বিক্রির সময় গ্রেফতার ২

banglanewspaper

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের একটি ট্রাক থেকে ১৮৪ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে টাঙ্গাইলে র‌্যাব-১২। 

গ্রেফতাররা হলেন- কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের বাহিরমাদী গ্রামের মো. হেরেশ মন্ডলের ছেলে মো. অপিনুর রহমান (২৫) ও হারান মন্ডলের ছেলে মো. মিঠুন (১৯)।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মো. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাধীন নগর জলফৈ সাকিনস্থ আশিকপুর বাইপাস জয়গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের পূর্ব পাশে টাঙ্গাইল টু ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফাতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৮৪ বোতল ফেনসিডিল, একটি ট্রাক, নগদ ৩ হাজার টাকা, তিনটি মোবাইল এবং ৩টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। 

পরে, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তাদের কাছ থেকে জব্দকৃত ফেনসিডিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায়, বহুদিন ধরে ফেনসিডিল অবৈধভাবে সীমান্তবর্তী জেলা থেকে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতো।তাদের বিরুদ্ধের টাঙ্গাইল জেলার সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

ট্যাগ:

ঢাকা
টাঙ্গাইলে সাড়ে ৭ কোটি টাকার দরপত্র নিয়ে মারামারি

banglanewspaper

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে গ্রামীণ রাস্তায় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার দরপত্রের লটারি নিয়ে মারামারি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও গতকাল ১৬ জানুয়ারি ১ কোটি ২১ লাখ টাকার হেয়ারিং বন্ডের কাজের সিডিউল বিক্রি না করার অভিযোগ উঠেছে পিআইও অফিসের বিরুদ্ধে।

হেয়ারিং বন্ডের দরপত্র কিনতে আসা ঠিকাদার মজিবর ও আজিজুল বলেন, গতকাল রবিবার আমরা দরপত্র কিনতে পিআইও অফিসে গেলে অফিস তালাবদ্ধ দেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. আবু বকরকে ফোন দিয়ে সিডিউলের প্রসঙ্গে কথা শুরু করলে তিনি ফোন কেটে দেন। এ বিষয়ে অফিস থেকে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।

এ ঠিকাদাররা অভিযোগ করে বলেন, পিআইও টাকা খেয়ে কাজ হয়তো কাউকে দিয়ে দিয়েছে। 

অপরদিকে, লটারির এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়। পরে লটারির কার্যক্রম স্থগিত করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান। 

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ ঘটনা ঘটে। 

সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর নাগরপুরে ১০টি সেতুর জন্য সাত কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার ১২৬ টাকার দরপত্র আহবান করা হয়। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি। সে অনুয়ায়ী সোমবার ছিল লটারীর নির্ধারিত দিন। দুপুর ১টার দিকে লটারি শুরু করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। লটারির শেষ মুহুর্তে এসে দুটি কাজের লটারি বাকি থাকতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুদরত আলী কাশাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে খালের উপর প্রায় ৭২ লাখ টাকার সেতু নির্মাণের কাজটি লটারি না করতে ইউএনও ও অংশ গ্রহনকারী সকল ঠিকাদারকে অনুরোধ করেন। তার অনুরোধে সকলে সম্মতি জানায়।

মেসার্স তাবিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী পারভেজ হাসান অভিযোগ করে বলেন, ওনাদের হাতাহাতির ঘটনায় এসময় আমিসহ আহত হন আমিন টেডার্সের কাজি জহির সুমন, নজরুল টেডার্সের নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় ঠিকাদারদের বিক্ষোভের মুখে ইউএনও লটারী স্থগিত করেন। 

এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ও হামলাকারীদের বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়েছেন জেলার ঠিকাদার নেতারা। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুদরত আলী বলেন, কোন মারামারির ঘটনা ঘটেনি। লটারির শেষ মুহুর্তে একটি সেতুর কাজ চেয়েছিলো ছাত্রলীগ। ভিডিও করা ও ঠিকাদারদের বসা নিয়ে একটু ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। 

দরপত্র না বিক্রি করা এবং মারামারির বিষয়ে কথা বলতে উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. আবু বকরকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও কথা বলতে তার অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, লটারির শেষ সময়ে এসে ঠিকাদারদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিশৃংখলা পরিস্থিতির কারণে লটারীর সকল কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে।

ট্যাগ: