banglanewspaper

টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্থানীয় এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে অর্থবহ অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি এই গ্রহ এবং তার অধিবাসীদের প্রতি অঙ্গীকারে অটুট থাকতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতা স্থানীয় এবং বৈশ্বিক উভয় পর্যায়ে সমভাবেই প্রয়োজনীয়। কাজেই আমি সকল বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারে অটুট থাকার অনুরোধ জানাব, যা আমরা এই গ্রহ এবং মানুষের জন্য করেছি।’

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেলে টেকসই উন্নয়নের (এসডিজি সম্মেলন) উপর উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামে ‘লোকালাইজিং দ্য এসডিজিস’ এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কো-মডারেটরের দায়িত্ব পালনকালে ভাষণে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধারণার বিনিময় উন্নয়ন যাত্রা সম্পর্কে আমাদের বোধগম্যতাকে বাড়িয়ে তুলবে এবং এটি আমাদের নিজস্ব প্রসঙ্গে সেরা অনুশীলনগুলোর প্রতিরূপে সহায়তা করবে। আমি নিশ্চিত আমরা একত্রে এসডিজির সুবিধাগুলোকে সবচেয়ে প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারব, যাদের অবস্থান প্রায়শই সমাজের একেবারে তলানিতে থাকে’।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০০ সালে সহস্রাব্দের ঘোষণাপত্র এবং ২০১৫ সালে এসডিজি গ্রহণের অনুষ্ঠানের সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন। এসডিজি হল মানুষের প্রয়োজন, আকাঙ্খা এবং অধিকারের বহিঃপ্রকাশ। এসডিজি স্থানীয়করণ হল স্থানীয় স্তরে কৌশলগুলো বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগগুলো প্রতিফলিত করে।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়করণ লক্ষ্যকে স্থানীয় বাস্তবতা ও আকাঙ্খায় রূপান্তরিত করে। এটি ব্যক্তি হিসেবে উদ্বুদ্ধকরণ এবং বাস্তবায়নের জন্য একটি সংহত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই পদ্ধতির প্রচার করে’।

এসডিজি’র জন্য স্থানীয়করণ কৌশলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এসডিজির লক্ষ্যসমূহকে সম্পৃক্ত করেছি এবং আবার আমাদের ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতেও জুড়ে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের কাজে লাগিয়ে ‘হোল সোসাইটি অ্যাপ্রোচ’ গ্রহণ করেছে, বিশেষ করে তাদের জন্য যারা একেবারে নিচুতে অবস্থান করছে। আমরা সরকারি দপ্তরের জন্য তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব এবং কাজগুলো চিহ্নিত করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দপ্তরগুলো নিজস্ব অ্যাকশন প্লানগুলো সুসমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করছে। আমরা অভিনব পর্যবেক্ষণ কাঠামোও তৈরী করেছি এবং যার জন্য আমরা বাস্তব সময়ে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে একটি অনলাইন এসডিজি ট্র্যাকার চালু করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৪০টি সূচক নির্ধারণ করেছে। এর বাইরে ১৭টি লক্ষ্য থেকে ৩৯টি সূচক বাছাই করা হয়েছে। বাকি একটি সূচক জরুরি প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে স্থানীয় প্রশাসন সনাক্ত করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সকল পর্যায়ে সকল স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের ক্ষমতায়নে এসডিজি স্থানীয়করণ করাই হচ্ছে একমাত্র প্রক্রিয়া। এর লক্ষ্যই হচ্ছে টেকসই উন্নয়নকে স্থানীয় প্রয়োজন ও প্রত্যাশা পূরণে আরো কার্যকর প্রাসঙ্গিক করা। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার এবং পৌরসভাগুলো স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ক্ষমতায়ন ও সমাজ সেবা বিশেষ করে সময় সংকটে হবে মূল চালিকা শক্তি। তারা আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করবে। স্থানীয় সরকার এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অ্যাম্বেসেডরের ভূমিকা পালন করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এসডিজির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে স্থানীয়দের ক্ষমতায়নে ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ২০৩০ এজেন্ডার লক্ষ্য জনগণের কাছে অর্থবহ করে তুলতে পারে। কার্যকর ফলাফল বয়ে আনতে স্থানীয় নেতাদের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে আমাদের সক্ষমতায় ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নই মূল বিষয়। তিনি আরো বলেন, জাতীয় ও স্থানীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এসডিজি বাস্তবায়নে সংসদ ভূমিকা রাখতে পারে। এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নের প্রকৃত সহযোগিতার চেতনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির প্রশাসক এ্যাচিম স্টেইনার, ইন্টার পার্লামেন্টারিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট গ্যাবরিয়েলা চ্যুয়েভাস ব্যারন, ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়র মেয়র ত্রি রিসমহারিনি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কারী মো. আবুল কালাম আজাদ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ট্যাগ: bdnewshour24

জাতীয়
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে জাতিসংঘ

banglanewspaper

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিকের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদেরকে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো জানিয়েছেন এই কথা।

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন মিয়া সেপ্পো। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন।

প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক কারণে আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু তারা এখন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে। কিন্তু, তাদের উচিত এখন নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।

শেখ হাসিনা বলেন, যে সব এনজিও বাংলাদেশে কাজ করছে সেসব এনজিও রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের নিজ দেশেও কাজ করতে পারে।

বৈঠকে তারা কোভিড-১৯, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা করেন।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রত্যেক সরকারি চাকরিতে বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী বিজিবি এবং সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

জলবায়ু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি তার দল ও সহযোগি সংগঠনগুলোও বিপুলসংখ্যক বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করছে।

মিয়া সেপ্পো বাংলাদেশে তার অবস্থানের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল।

অ্যাম্বাসেডর এট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
শিক্ষক-অভিভাবককে হারালাম: প্রধানমন্ত্রী

banglanewspaper

একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান লেখক, বিশিষ্ট নজরুল গবেষক, বাংলা একাডেমির সভাপতি, জাতীয় অধ্যাপক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী এই প্রত্যক্ষ সাক্ষী যেসব ইতিহাস গ্রন্থিত করেছেন তা বাংলা সাহিত্যের জন্য অমূল্য সম্পদ। নজরুল গবেষণায় ড. মো. রফিকুল ইসলামের অবদান অনন্য। বিশিষ্ট এই গুণী লেখক ও গবেষকের সাহিত্য কর্ম বাঙালি জাতিকে সবসময়ই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। তিনি মনেপ্রাণে জাতির পিতার আর্দশকে ধারণ ও লালন করতেন এবং মুজিববর্ষের নানা আয়োজন সফল করতে দক্ষতার সঙ্গে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। বাংলা সাহিত্য ও গবেষণায় তিনি একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন।

সরকার প্রধান বলেন, তার মৃত্যুতে আমি আমার শিক্ষক, গুরুজন ও অভিভাবককে হারালাম। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমার প্রিয় শিক্ষকের উৎসাহ ও প্রেরণা আমাকে সাহস জুগিয়েছে এবং এগিয়ে যেতে শক্তি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম (৮৭)।

ট্যাগ:

জাতীয়
ওএসডি থেকেই অবসরে মাহবুব কবীর, থাকবেন ইভ্যালিতে

banglanewspaper

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) থেকেই অবসরে যাচ্ছেন আলোচিত অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন। তার অবসর আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

তবে অবসরে গেলেও তিনি আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। মন্ত্রণালয় থেকে অবসরের প্রজ্ঞাপন জারির পর নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাহবুব কবীর এ কথা জানিয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহবুব কবীরকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর ধারা ৪৩(১) (ক) অনুযায়ী আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।

তিনি ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ও ল্যাম্পগ্রান্টসহ ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী এক বছর অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) পাবেন।

একইসঙ্গে তিনি বিধি অনুযায়ী অবসর ও অবসরোত্তর ছুটিকালীন সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাহবুব কবীর মিলন সবশেষ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। রেলওয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি ঠেকাতে তিনি নানা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে গত বছরের ৬ আগস্ট তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।

এর আগে তিনি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য এবং কিছু সময়ের জন্য সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও ছিলেন। সে সময় খাদ্যে ভেজাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন।

ট্যাগ:

জাতীয়
বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী

banglanewspaper

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বৈদেশিক বিনিয়োগে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে, তাই অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ সময়, ২০২৫ সালের মধ্যে আইটি খাত থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে হোটেল রেডিসনে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সামিটের মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাজার তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এই সম্মেলনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানাই। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে। বিশ্বে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাজার তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ঠিক করেছি। করোনায় এক লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছি। আমাদের মাথাপিছু আয় ২৫৫৪ মার্কিন ডলার।

বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ  করে শেখ হাসিনা বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার কাজে নামেন জাতির পিতা। দেশীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করে দেশকে উন্নত করাই ছিল তার লক্ষ্য। তিনি তার এ আশা পূরণ করতে পারেননি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এসে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বড় বড় প্রজেক্ট বেসরকারি খাতে দিয়েছি। রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বন্ড ব্যবস্থা অটোমেশন করেছি। অর্থনৈতিক কূটনীতি প্রধান্য দিচ্ছি। বিভিন্ন বাণিজ্য জোটের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ট্যাগ:

জাতীয়
করোনার আফ্রিকান ধরন নিয়ে স্বাস্থ্যের সতর্কবার্তা

banglanewspaper

করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ নিয়ে বিমান, সমুদ্র ও স্থলবন্দরসহস দেশের সব পোর্ট অফ এন্ট্রিতে সতর্কবার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একইসাথে সবাইকে নিয়মিত মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব কথা জানানো হয়। দেশের সার্বিক করোনার পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ বার্তা দেন সংস্থাটির মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া একটি নতুন ভ্যারিয়েন্টকে আতঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের সকল পোর্ট অব এন্ট্রিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, জাতীয় কারিগরি কমিটি, ন্যাশনাল ইমুনাইজেশন টেকনিক্যাল কমিটিসহ (নাইট্যাগ) স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সভা করছেন। তারা বিভিন্ন দেশের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। সেই সভা থেকেই আমরা সবার নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য যে সমস্ত কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হয়, সেগুলো আমরা নেব। আমরা সবার সহযোগিতা নিয়ে মোকাবিলা করতে চাই, করোনা মোকাবিলা করতে চাই।

ট্যাগ: