banglanewspaper

লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দেশের অধিকাংশ এলাকাতেই সূর্যের দেখা পাওয়া যায়নি। বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রাম ছাড়া প্রায় সারা দেশেই।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতের দিকে লঘুচাপটি বাংলাদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় বৃষ্টি পরিস্থিতি থাকতে পারে আরও দু’দিন। তাপমাত্রাও থাকবে অপরিবর্তিত।

ভারতের অন্ধ্র উপকূলের অদূরে বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট এই লঘুচাপটি অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সৃষ্ট মেঘমালা বাংলাদেশের আকাশে আসায় মোটামুটি সারাদেশেই গত দু’দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত না হলেও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি এবং সূর্যের দেখা না মেলায় ঠাণ্ডা হয়ে গেছে আবহাওয়া। রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ এলাকার তাপমাত্রাও কমে গেছে লক্ষণীয়ভাবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপটির প্রভাবে ২৫ ও ২৬ তারিখ (আজ ও কাল) মোটামুটি সারাদেশেই বৃষ্টি পরিস্থিতি চলমান থাকতে পারে। শুধু চট্টগ্রাম বিভাগে কিছুটা কম বৃষ্টি হতে পারে। ২৭ তারিখ থেকে আবহাওয়া অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তবে, লঘুচাপটি ভূমির দিকে উঠে যাওয়ায় এটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

লঘুচাপটির অবস্থান সম্পর্কে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, অন্ধ্র উপকূলের অদূরে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উপকূলীয় অন্ধ্র প্রদেশ, ওড়িশা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহীর তাড়াশে (৪৪ মিলিমিটার)। এই সময় রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে ৮ মিলিমিটার। বৃষ্টি কম হলেও সারা দিনই মেঘাচ্ছন্ন ছিল রাজধানীর আকাশ। সঙ্গে ছিল গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি।

এদিকে সূর্যের দেখা না মেলায় সারাদেশেই তাপমাত্রা কমেছে। চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া দেশের অন্য সব স্থানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রির নিচে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ট্যাগ: bdnewshour24 বৃষ্টি