banglanewspaper

কে.এম রিয়াজুল ইসলাম, বরগুনাঃ বরগুনার প্রধান তিনটি নদী পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর যেখানে সাগরে মিশেছে ঠিক সেখানে; নবগঠিত তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের স্নিগ্ধ বেলাভূমি- 'শুভসন্ধ্যার' বিস্তীর্ণ বালুচরে  উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় জোছনা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ডিসেম্বর।

একদিকে সীমাহীন সাগর; আরেকদিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট টেংরাগিড়ি। একদিকে দীর্ঘ ঝাউবন, তিন তিনটি নদীর বিশাল জলমোহনা; আরেকদিকে সীমাহীন সাগর। সবমিলিয়ে নদ-নদী আর বন-বনানীর এক অপরূপ সমাহার- শুভ সন্ধ্যা সৈকত!

প্রেম পিয়াসীর অপেক্ষায়  খোলা সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঝাউবন।তুমি আসবে তারই প্রতীক্ষায়। দক্ষিণের খোলা বাতাস ঝাউবন স্পর্শ করে যাচ্ছে পরম আবেশে। খোলা বাতাসের ছোঁয়ায় প্রেমিকার উড়ন্ত চুলের মতো দুলছে ঝাউগাছগুলো। জন্ম থেকেই সমুদ্রের খোলা বাতাস গায়ে মেখে ঝাউগাছগুলো এখন অনেক বড় হয়ে উঠেছে। সমুদ্রের আছড়ে পড়া ঢেউ আর ঝাউগাছের মাঝখানে শূন্য বালুরাশি।

এ যেন দৃষ্টিনন্দন এক সৈকত! সমুদ্রের মৃদু ঢেউ, বালুময় দীর্ঘ সৈকত আর ঝাউবনের সবুজ সমীরণের এ দৃশ্যটি যেন প্রকৃতি প্রেমের একটি উদাহরণ। এই প্রেমময় দৃশ্যপটের নাম- শুভ সন্ধ্যা।দক্ষিণে তাকালে অথৈ সাগরের ঢেউ আর ঢেউয়ের সাথ দোল খেল মাছ ধরার ট্রলার ব্যাতীত আর কিছুই দেখা যাবে না।

শহুরে সভ্যতায় হয়তো পেয়েছেন আপনি অনেক কিছু। কিন্তু হারিয়েছেন কী- কখনো কি ভেবে দেখেছেন! শ্রাবণের জলে সর্বাঙ্গ ভিজিয়েছেন কবে সর্বশেষ- মনে পড়ে!

শরত-শিশিরে নগ্ন পায়ে হেঁটেছেন কবে সেই স্মৃতি জানি ভুলেই গেছেন! মোম-জোছনায় চোখ-মন ভরানো হয় না কতকাল তা আপনার চেয়ে ভালো আর কে জানে! তাইতো এই আয়োজন, "জোছনা উৎসব"।

ত্রিমোহনার রূপালি জলরাশি ঘেঁষে বিস্তীর্ণ সৈকতে বসে হৈমন্তী পূর্ণিমা দেখে আপনি শিহরিত হবেনই। জোছনাপাগল হাজারো মানুষের সাথে গান, কবিতা, পুঁথি, জারি সারি শুনে/শুনিয়ে মুগ্ধ আপনাকে হতেই হবে।
আসছে পূর্ণিমায় এখানেই জলজোছনায় একাকার হবে জোছনাবিলাসী হাজারো মানুষ।

অভিজ্ঞতা আর স্মৃতিকে সমৃদ্ধ করতে প্রিয় স্বজনদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তালতলীর শুভসন্ধ্যা সৈকতে, বরগুনার জোছনা উৎসবে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের স্নিগ্ধ বেলাভূমি ‘শুভ সন্ধ্যার’ বিস্তীর্ণ বালুচরে পঞ্চমবারের মত এ উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।

এ উৎসবকে ঘিরে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বরগুনা জেলা প্রশাসন। পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় বরগুনার নয়নাভিরাম সৌন্দর্যকে দেশ বিদেশের পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে এ উৎসবে যোগ করা হয়েছে নানা আয়োজন। উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যেই শুভ সন্ধ্যা সৈকতে শুরু হয়েছে বাহারি পণ্যের পসরা সাজানোর প্রস্তুতি। 

এখানে আসলে দেখা যাবে, সাগর পাড়ে সবুজের সমারোহে বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ ও পাখির কুহুতান। মৃদু ঢেউয়ের ভালোবাসা পায়ে লাগিয়ে, স্নিগ্ধ বাতাস গায়ে লাগিয়ে এখানে দাঁড়িয়ে একেকটি গোধূলি সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখার মুহূর্তটা কোনো পর্যটকের পক্ষে ভুলে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। প্রকৃতি প্রেমের এমন লোভে পড়ে গেলে এই স্বর্গে যেতে মন চাইবে বারবার।

শুধু সমুদ্র ভ্রমণ কিংবা সৈকতের বালুময় সৈকত দর্শনার্থীর মন ভরাবে তা নয়। সমুদ্রের পাশাপাশি আরো অনেক কিছু দেখার সুযোগ মিলবে এখানে এলেই।

শুভ সন্ধ্যার পাশেই আশার চরের অবস্থান। অসংখ্য মৎস্যজীবীর বসবাস এই চরে। আবার শীতের মৌসুমে পর্যটকরাও সেখানে যান। দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, গভীর অরণ্য, বিশাল শুঁটকিপল্লী রয়েছে আশার চরে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে যাওয়া মানুষ শুঁটকি উৎপাদনের জন্য চরটিতে ঘর বাঁধে। বছরে সাত থেকে আট মাস থাকে শুঁটকি উৎপাদনের ব্যস্ততা। তালতলী রাখাইন পল্লী আশার চরের কাছেই রয়েছে তালতলীর বিশাল রাখাইন পল্লী। বঙ্গোপসাগরের তীরে এ পল্লী কুপিবাতি জ্বালিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাঁতে কাপড় বোনার কাজ। তাঁতশিল্প ছাড়াও রাখাইনদের ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরও অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হতে পারে।

আশারচরের শুঁটকি পল্লী, টেংরাগিড়ি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, সোনাকাটা ইকোপার্কের হরিণসহ বন্যপ্রাণী ইত্যাদি দেখার পাশাপাশি দেখা মেলে মৎসজীবীদের কর্মব্যস্ততা আর সৈকতের বুকে স্থানীয় শিশুদের উচ্ছ্বাস। এখানে নদী সমুদ্রের তাজা মাছ পাওয়া যায় ফকিরহাট বাজারের ছোট ছোট খাবারের হোটেলগুলোতে, যা পর্যটকদের পেট ভরাবে। এখানে খুব অল্প টাকায় খাওয়া যাবে মাছ ভাত বা গ্রামীণ স্থানীয় সব খাবার। এই সৈকতটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নবীন বিবেচনায় খাবার ও মাছের দাম তুলনামূলক সস্তা।

যেভাবে যাবেনঃ

জোছনা উৎসবের জন্য নলবুনিয়া শুভসন্ধ্যা'র উদ্দেশে বরগুনা থেকে একাধিক লঞ্চ ছেড়ে যাবে ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায়। কেবিন ভাড়া সিঙ্গেল ১,২০০/- ডাবল-২,০০০/- ডেক-৩০০/-(আসা-যাওয়া) বরগুনা থেকে "শুভ সন্ধ্যা" যেতে সময় লাগবে কমবেশি তিন ঘণ্টা।

বরগুনার নদী বন্দর (লঞ্চঘাট) থেকে ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তালতলীর শুভসন্ধ্যা সৈকতের উদ্দেশ্যে দু’টি দ্বিতল লঞ্চ ছেড়ে যাবে।

বরগুনা থেকে যারা যাবেন তারা লঞ্চের বুকিং দেয়ার জন্য (বাবুল লাল ঘোষ- নাজির, বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়- ০১৭১৪৯০৬৬৮১) এবং ( পলাশ লস্কর, অফিস সহকারী, সহকারী কমিশনার ভূমি এর কার্যালয় বরগুনা-০১৭৩৭৩৭৪৪২৪) এই দু’টি নম্বরে ফোন দিয়ে লঞ্চের কেবিন বুকিং দিতে পারেন।

ডাবল কেবিন ২০০০ টাকা। সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা। ডেক ৩০০ টাকা। সিঙ্গেল, ডাবল কেবিন এবং ডেকের প্রতিজন যাত্রীর জন্য প্যাকেট লাঞ্চ সরবরাহ করা হবে।

লঞ্চে কেবিন সংখ্যা একেবারেই সীমিত। কেবিন না পেলেও কোন সমস্যা নেই। সাথে মাদুর আর বিছানার চাদর আনলে আপনি কেবিনের চেয়ে অনেক বেশি সাচ্ছন্দে যেতে পারবেন। দল বেঁধে আড্ডা আর কোরাস গানের সাথে সাথে আপনি মাত্র তিন ঘন্টার মধ্যে পেঁছে যাবেন শুভসন্ধ্যার স্নিগ্ধ সৈকতে।

আমতলী লঞ্চঘাট থেকে  ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তালতলীর শুভসন্ধ্যা সৈকতের উদ্দেশ্যে একটি দ্বোতলা লঞ্চ ছেড়ে যাবে।

আমতলী থেকে যারা যাবেন তারা লঞ্চ বুকিং দেয়ার জন্য (মোঃ মজিবুর রহমান, নাজির, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় আমতলী- ০১৭৯২২৫৩৫৮৬) এই নম্বরে ফোন দিয়ে লঞ্চের বুকিং দিতে পারেন।

ডাবল কেবিন ২০০০ টাকা। সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা। ডেক ৩০০ টাকা। ডাবল কেবিন এবং ডেকের প্রতিজন যাত্রীর জন্য প্যাকেট লাঞ্চ সরবরাহ করা হবে।

লঞ্চে কেবিন সংখ্যা একেবারেই সীমীত। কেবিন না পেলেও কোন সমস্যা নেই। সাথে মাদুর আর বিছানার চাদর আনলে আপনি কেবিনের চেয়ে অনেক বেশি সাচ্ছন্দে যেতে পারবেন। দল বেঁধে আড্ডা আর কোরাস গানের সাথে সাথে আপনি মাত্র তিন ঘন্টার মধ্যে পেঁছে যাবেন শুভসন্ধ্যার স্নিগ্ধ সৈকতে।

এছাড়া পাথরঘাটা থেকে যারা যাবেন তারা লঞ্চ_বুকিং দেয়ার জন্য পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের নাজির আব্দুল্লাহ আল মামুন- (০১৭১৪৭২৭৯২৩) এর সাথে যোগাযোগ করবেন।

লঞ্চ শুভসন্ধ্যায় ভেড়ার পর আর কেউ লঞ্চে অবস্থান করতে পারবেন না। লঞ্চ নদীর মাঝখানে চলে যাবে। সুতরাং অতটাকা কেবিন ভাড়া দিয়ে কেবিনে যাওয়ার চেয়ে সাধারণ আসনের টিকেট কেটে দল বেঁধে ডেকে যাওয়াটাই হবে অনেক বেশি আরাম দায়ক বলে মনে করছেন অধিকাংশ জোছনা সারথীরা।

বরগুনা থেকে যারা লঞ্চ মিস করবেন তারা কীভাবে যাবেন?

১. সড়কপথে বাস/মটরবাইকে গোলবুনিয়া, চালতাতলী, লতাকাটা হয়ে ট্রলারযোগে তালতলী।

২. তালতলী থেকে ভাড়ায় চালিত মটরবাইকে নলবুনিয়া "শুভসন্ধ্যা" সৈকত (ভাড়া জনপ্রতি ৫০/-টাকা)

পটুয়াখালী থেকে কীভাবে যাবেন?

১. বাসযোগে সরাসরি তালতলী (ভাড়া-১৫০/-)

২. তালতলী থেকে মটরবাইকে নলবুনিয়া "শুভ সন্ধ্যা" সৈকত (ভাড়া জনপ্রতি-৫০/-)

বরিশাল থেকে কীভাবে যাবেন?

১. রূপাতলী স্ট্যান্ড থেকে বাসযোগে সরাসরি তালতলী (ভাড়া-২০০/-)
২. তালতলী থেকে মটরবাইকে নলবুনিয়া "শুভসন্ধ্যা" সৈকত (ভাড়া জনপ্রতি -৫০/-)

ঢাকা থেকে কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলী এবং সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বরগুনার উদ্দেশ্যে সকালে এবং বিকেলে বাস ছেড়ে আসে। ভাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। তাছাড়া ঢাকা সদরঘাটা থেকে প্রতিদিন বিকেল ৫টায় এবং ছয়টায় দু’টি দোতলা লঞ্চ ছেড়ে আসে। ভাড়া ডেক ৩০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা এবং ডাবল কেবিন ২২০০ টাকা।
 

ট্যাগ: bdnewshour24 বরগুনা শুভ সন্ধ্যা জ্যোৎস্না উৎসব

ভ্রমণ
কক্সবাজারের আকাশে রোমাঞ্চকর প্যারাসেইলিং

banglanewspaper

আকাশে উড়ে পাহাড়, সমুদ্র দেখার সাধ কার না মনে জাগে! আজন্ম লালিত এই সাধ পূরণ করা সম্ভব প্যারাসেইলিংয়ের মাধ্যমে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যটকদের কাছে প্যারাসেইলিংয়ের কদর অনেক। বাংলাদেশে প্যারাসেইলিং করে রোমাঞ্চর অভিজ্ঞতা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং করা যায়। বেশ কয়েক বছর ধরে কক্সবাজার ভ্রমণ আসা পর্যকটরা প্যারাসেইলিংয়ের আনন্দ নিচ্ছেন।

কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে সৈকতের হিমছড়ি দরিয়ানগর পয়েন্টে মেরিন ড্রাইভের দক্ষিণ পাশের সৈকতে প্যারাসেইলিং করা হয়। দুইটি প্রতিষ্ঠান সেখানে পর্যটকদের জন্য প্যারাসেইলিংয়ের আনন্দ উপভোগের সুযোগ দিচ্ছেন। সেখানে গেলেই চোখে পড়বে প্যারাসুটে চড়ে মানুষ আকাশে উড়ছে। নিচে উত্তাল সমুদ্র।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্যারাসেইলিংয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দরিয়ানগরে ভিড় করেন পর্যটকরা। এ আনন্দ পেতে ব্যয় করতে হবে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।

একটি প্যারাসুটে বেঁধে দেওয়া হবে আপনাকে, একটি স্পিড-বোট আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে সমুদ্রে, আর সেই তীব্র গতিতে আপনি ঠিক একটা ঘুড়ির মতই উড়তে থাকবেন।

পাখির মতো সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়ে বেড়ানোর একমাত্র উপায় প্যারাসেইলিং। রোমাঞ্চকর এ প্যারাসেইলিং এর স্বাদ নেওয়ার সবচেয়ে সুন্দর স্থান হলো সৈকত। বর্তমানে দরিয়ানগরে দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্যারাসেইলিং করার ব্যবস্থা আছে।

প্যারাসেইলিং করার কয়েকটি প্যাকেজ আছে। খরচ পড়বে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা। ২০০০ টাকার রাইডে আপনি শুধু আকাশে উড়তে পারবেন। ২৫০০ টাকার রাইডে আপনি আকাশেও উড়তে পারবেন আবার নামার সময় সমুদ্রের পানিতে হালকা পা স্পর্শও করতে পারবেন।

৫ থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত আপনি প্যারাসেইলিংয়ের মাধ্যমে পাখির মতো আকাশে উড়তে পারবেন। ৩০০-৫০০ ফুট পর্যন্ত উপরে ভেসে বেড়াবেন।

১২ বছরের নিচে, দুর্বলচিত্তের মানুষ কিংবা হার্টের রোগী ছাড়া সবাই নিশ্চিন্তে প্যারাসেইলিং করতে পারেন। তবে আপনার যদি উচ্চতা ভীতি থাকে তবে প্যারাসেইলিং না করাই ভালো।

প্যারাসেইলিং করার আগে অবশ্যই উড্ডয়নকারীকে একটি বন্ডে সই করতে হয়। বন্ডে লেখা থাকে প্যারাসেইলিংয়ের সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় নেবে না সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। তাই কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই আপনাকে এই উপভোগ করতে হবে।

যদিও যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা দুর্ঘটনার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে প্যারাসেইলিং রাইড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এজন্য একটি স্পিডবোট, একটি জেট স্কি রেডি থাকে আপদকালীন সময়ের জন্য।

প্যারাসেইলিংয়ের সময় হাতে মোবাইল ফোন, চোখে চশমা না রাখাই ভালো। আকাশে ওড়ার রোমাঞ্চকর এই দৃশ্য ধারণ করতে চাইলে বডি মাউন্টেড অ্যাকশন ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন। তবে সেলফি স্টিকের মাধ্যমে ফোনে ভিডিও ধারণ না করাই ভালো। হাত থেকে ফসকে সাগরে আপনার ফোনের সলিল সমাধি হতে পারে।

ট্যাগ:

ভ্রমণ
নিকলী হাওর ভ্রমণের খুঁটিনাটি

banglanewspaper

“বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে চাই না আর” কবি জীবনানন্দ দাশের উক্তির সঙ্গে মিলে বলতে হয় যে প্রকৃতির অকৃত্রিম, অনাবিল ও অফুরন্ত সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। এর প্রতি পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পাহাড়, নদী ও হাওরের নির্মল উজ্জ্বলতা। এমনই এক অপরূপ সৌন্দর্যমন্ডিত স্থান কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর।

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় অবস্থিত এই হাওর সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বর্ষাকালে হাওরের দখিনা বাতাসে নৌকার ভেসে চলা, দ্বীপের মত গড়ে ওঠা ঘরবাড়ির সৌন্দর্য এক অপরূপ দৃশ্যপট তৈরি করে। আবার শুষ্ক মৌসুমে রূপ পাল্টিয়ে ভিন্ন সাজে সেজে ওঠে পুরো হাওর এলাকা। জ্যোৎস্না রাতে নিকলী হাওরের সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়। হাওরের তরতাজা মাছের স্বাদ পেতে, স্বচ্ছ পানির খেলা দেখতে, দ্বীপের বুকে ভেসে থাকা ছোট ছোট গ্রামের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন নিকলী হাওর।

উপযুক্ত সময়

হাওরের পানির রূপ দেখতে হলে নিকলী ভ্রমণের উপযুক্ত সময় জুলাই থেকে আগস্ট মাস। বর্ষাকালে দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশির বুকে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো সবচেয়ে উপভোগ্য। হাওরের ভিন্ন রূপ দেখার জন্য যেকোনো সময় যেতে পারেন।

নিকলী যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে বাস কিংবা ট্রেন দুই ধরনের যানবাহনই ব্যবহার করতে পারবেন নিকলী হাওরে যাওয়ার জন্য। তবে কিশোরগঞ্জ, ভৈরব কিংবা আশেপাশের এলাকা থেকে সিএনজি করে যাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে ট্রেনে যাওয়ার উপায়: ঢাকা থেকে ট্রেনে গিয়ে একদিনে ঘুরে আসা সম্ভব নিকলী হাওর। এ জন্য আন্তঃনগর এগারো সিন্ধু ট্রেনে উঠতে হবে। এই ট্রেন বুধবার বন্ধ থাকে। সপ্তাহের ৬ দিনই কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে বিমানবন্দর, টঙ্গী, নরসিংদী ও ভৈরব স্টেশন হয়ে কিশোরগঞ্জ পৌঁছায়। শ্রেণি অনুসারে ট্রেনের টিকেট ভাড়া ১২৫-২৫০ টাকা। ট্রেনে গেলে সকাল ১১ টার মধ্যে গচিহাটা স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব। স্টেশন থেকে ইজিবাইকে জনপ্রতি ভাড়া নেবে ৩৫ টাকা। রিজার্ভ সিএনজি নিলে ৩০০-৩৫০ টাকা ভাড়া নেবে। এতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টা। একদিনে ভ্রমণ করে ফেরার সময় বাসে আসতে হবে।

ঢাকা থেকে বাসে নিকলী ভ্রমণের উপায়:

বাসে নিকলী হাওরে যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঢাকার গোলাপবাগ, শনির আখড়া, সাইনবোর্ড থেকে যাতায়াত কিংবা অনন্যা সুপার সার্ভিস বাসে উঠতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৫.৩০ মিনিট থেকে ১৫ মিনিট পরপর বাস ছেড়ে যায়। বাস ভাড়া জনপ্রতি ১৯০-২২০ টাকা। বাসে আসলে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি স্টেশনে আসতে সময় লাগবে সাড়ে তিন ঘণ্টা, সেখান থেকে সিএনজি রিজার্ভে ভাড়া খরচ হবে ৩৫০-৪০০ টাকা এবং নিকলী যেতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট। কিশোরগঞ্জ বা ভৈরব থেকেও রিজার্ভ সিএনজি নিয়ে যাওয়া যায় নিকলী হাওরে। এতে সময় ও ভাড়া খরচ হবে কম।

খাবার ব্যবস্থা:

নিকলী হাওরে ভাল মানের খাবার হোটেল আছে। এর মধ্যে হোটেল সেতু, ক্যাফে ঢেউ সবচেয়ে ভাল। হাওরের তাজা মাছ ও লোভনীয় অনেক খাবার দিয়ে পেট ভরে খেতে পারবেন এসব হোটেলে।

কীভাবে ঘুরবেন:

হাওরের সৌন্দর্য দেখতে হলে অবশ্যই আপনাকে নৌকা ভ্রমণ করতে হবে। নৌকা ভ্রমণ করার জন্য ছোট বা বড় নৌকা ভাড়া করতে পারেন। ছোট নৌকায় ঘণ্টায় ভাড়া ৪০০-৫০০ আর বড় নৌকায় ঘণ্টায় ভাড়া নিবে ৭০০-৮০০। নৌকায় ভাসতে ভাসতে হাওরের চারপাশের মনোমুগ্ধকর রূপ দেখতে দেখতে প্রথমে যাবেন ছাতিরচর গ্রামে। বর্ষায় পানি বেশি থাকে বিধায় হাওরে গোসল করতে পারেন। তবে নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট নিয়ে যাওয়া ভাল। জলাবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে যান মনপুরায়। আধো ভাসমান চরে কিছুক্ষণ সময় কাটান। উন্মুক্ত হাওরে শেষ বিকেলের চমৎকার দৃশ্য দেখতে পুনরায় ফিরে আসেন নিকলী বেড়িবাঁধে। ফিরে আসার জন্য কটিয়াদি বাস স্টেশন থেকে সন্ধ্যার বাসে উঠে পড়ুন।

থাকতে হলে করনীয়

নিকলী তে খুব ভাল মানের আবাসিক হোটেল নেই। রাত থাকতে হলে আপনাকে কিশোরগঞ্জ সদরে চলে আসতে হবে। চাইলে নৌকায় বা ক্যাম্পিং করে রাত কাটাতে পারেন। এতে নিরাপত্তার কথা মাথায় রাখতে হবে।

নিকলীর আরও কিছু দর্শনীয় স্থান:

গুরই শাহে জামে মসজিদ, নিকলী বেড়িবাঁধ, পাহাড় খার মাজার, গুরই প্রাচীনতম আখড়া।

ট্যাগ:

ভ্রমণ
বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ

banglanewspaper

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। কভিড-১৯ মহামারির ধাক্কায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত খাত হিসেবে অনিশ্চয়তার সামনে দাঁড়িয়ে এ বছর পালিত হচ্ছে দিবসটি। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘পর্যটন ও গ্রামীণ উন্নয়ন’।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটলে ১৯৭০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করে জাতিসংঘ। তবে সংস্থাটি পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করে ১৯৭৪ সালে। সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে ১৯৮০ সালে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা এ বছর বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটন’কে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের বিকাশে অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে।’ একই সাথে বিশ্ব দরবারে দেশের পর্যটন শিল্পকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার উপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের স্বতস্ফুর্তভাবে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশের অন্যতম এজেন্ডা ‘গ্রাম হবে শহর’ যা এ বছর জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক ঘোষিত প্রতিপাদ্যের সাথে অত্যন্ত সংগতিপূর্ণ। পর্যটন বিশ্বে শ্রমঘন এবং সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে স্বীকৃত।’ 

ট্যাগ:

ভ্রমণ
করোনাকালে বিনামূল্যে বিশ্বভ্রমণ!

banglanewspaper

করোনাভাইরাস প্রায় গোটা বিশ্বকে কবজা করার পর ভ্রমণের ইচ্ছা শুধু যেন স্বপ্নই হয়ে উঠেছিল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক দেশ নিজস্ব সীমান্ত বন্ধ করেছে। দেশের মধ্যেও ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি দেখা গেছে। প্রায় ২০০ কোটি মানুষকে লকডাউনের ফলে কার্যত গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। শুধু মানুষ নয়, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ যাত্রীবাহী বিমান আকাশে উড়তে পারেনি। এমন জরুরি পরিস্থিতিতে জনপ্রিয় অনেক শহর ও অঞ্চল বিনামূল্যে ভার্চুয়াল ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে।

যেমন চীনের প্রাচীর বরাবর হাঁটার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। পেরুর বিখ্যাত মাচুপিচু পর্বত নিজের মতো করে আবিষ্কার করা যাচ্ছে। জর্দানের পেত্রা দেখে মুগ্ধ হওয়াও সম্ভব অথবা নেদারল্যান্ডসের টিউলিপবাগানের দৃশ্য উপভোগ করা যাচ্ছে। প্রকৃতিপ্রেমীরা অনেক জাতীয় পার্কের রূপ দেখতে পাচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের বিখ্যাত ইয়োসেমাইট ঘুরে দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বের প্রায় দুই হাজার ৫০০ মিউজিয়াম নিজস্ব ভার্চুয়াল দরজা খুলে দিয়েছে। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষ বসার ঘর থেকেই মঙ্গল গ্রহে টহল দিতে পারছে। গ্রিস নিজস্ব পর্যটন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। অতিথিরা ভার্চুয়াল জগতে গ্রিসের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাচ্ছে। ভবিষ্যতে পর্যটন আরও বেশি করে স্থানীয় পর্যায়ে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে বলে একটা প্রত্যাশা জেগে উঠছে। সূত্র : ডয়চে ভেলে

ট্যাগ:

ভ্রমণ
বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যাবে ৪১টি দেশ

banglanewspaper

বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ৪১টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে। বৈশ্বিক বেসরকারি সংস্থা হেনলিগ্লোবাল ২০২০ সালের বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট নির্ণয় করতে গিয়ে গত সপ্তাহে (৭ জানুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছে।

হেনলিগ্লোবাল ২০২০ সালের বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২২৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান হচ্ছে ৯৮তম। এর আগের বছর ২০১৯ সালে এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৯তম। তার আগের বছর ২০১৮ সালে ছিল ১০০ তম।

হেনলিগ্লোবালের করা গত ১৫ বছরের তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত ২০০৬ সালে বাংলাদেশের পাসপোর্ট সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ছিল। ওই বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬৮তম। এরপর থেকেই বাংলাদেশের অবস্থান পতনের দিকে যেতে থাকে। গত ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম এ, যা এই যাবতকালের সর্বোচ্চ পতন। এর পরের বছর থেকে অবশ্য বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা উন্নতির দিকে।

এবারের হেনলিগ্লোবালের র‌্যাংকিং ২০২০ এর তালিকায় অবস্থান করা বিশ্বের প্রথম পাঁচটি দেশ হচ্ছে, জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি এবং ইতালি।

তালিকা অনুযায়ী, প্রতিবেশি দেশ ভারতের অবস্থান ৮৪তম, নেপালের অবস্থান ১০১তম, পাকিস্তানের অবস্থান ১০৪তম, শ্রীলংকার অবস্থান ৯৭তম, ভুটান ৮৯তম, মিয়ানমারের অবস্থান ৯৪তম।

হেনলিগ্লোবালের র‌্যাংকিং অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ৪১টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে।

৪১টি দেশের মধ্যে এশিয়ার দেশগুলো হচ্ছে- ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং তিমুর লেস্ট।

আফ্রিকার দেশগুলো হচ্ছে- কেপ ভার্দ আইল্যান্ড, ক্যামরস আইল্যান্ড, গাম্বিয়া, গায়েনা, কেনিয়া, লেসটো, মাদাগাসার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেনেগাল, সেচিলিস, সিয়েরালিওন, সোমালিয়া, টোগো, এবং উগান্ডা।

ওসেনিয়ার দেশগুলো হচ্ছে- কুক আইল্যান্ড, ফিজি, মাইক্রোনেসিয়া, নিউই, সামোয়া, টুভালু এবং ভানুয়াতু।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলো হচ্ছে- বাহামাস, বারবাডোস, ব্রিটিস ভার্জিন আইল্যান্ড, ডমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জ্যামেইকা, মন্টেরাত, সেন্ট তিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিন্স এন্ড দ্য গ্রেনাদিনস, এবং ক্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাকো।

আগাম ভিসা ছাড়াই ল্যাটিন আমেরিকা অঞ্চলের একটি দেশ ভ্রমণ করতে পারবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা। দেশটি হচ্ছে- বলিভিয়া।

ট্যাগ: