banglanewspaper

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান আবারো নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ‘মাসিক অপরাধ সভা’ অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আকবর আলী মুন্সী। সভায় পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সি তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন। উপজেলার সার্বিক আইনশৃংখলা দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণসহ ডিসেম্বর মাসের কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়। 

এর আগে গত বছর জুলাই ও অক্টোবর মাসেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছিলেন। গতকাল পুরস্কার বিতরণের সময় জেলার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত। গত বছর ২৪ মে ওসি মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পা ল থানায় অফিসার ইনচাজ (তদন্ত) ও অপরাধ অপারেশন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

ওসি মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান পড়া-লেখা শেষ করে ২৭ তম আউটসাইট ক্যাডেটে উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। পরে তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় অফিসার ইনচাজ (তদন্ত) হন। ঢাকায় কর্মময়জীবনে নানা অপরাধ দমনে ব্যাপক সফলতা স্বাক্ষর রেখেছেন। তার সাহসিক অভিযান ও কর্মকান্ডের জন্য একাধিকবার কেতাব প্রাপ্ত হন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায়।

কেন্দুয়া থানায় যোগদানের পরে তিনি বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার ক্লু উদঘাটন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, প্রতারক গ্যাঙ্গ, কিশোর গ্যাঙ্গ ও বহুল আলোচিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গ্যাঙ্গ আবিস্কারসহ উপজেলার প্রতিটি বাজারের নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে অগ্রনী ভূমিকা পালন এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ সার্বিক অপরাধ দমনে বেশ সুনাম অর্জন কুড়িয়েছেন।

ওসি মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, কাজের মূল্যায়নে সবাই খুশি হয়। আমিও তাই। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় আমার কাজের যে মূল্যায়ন করছেন ভবিষ্যতে সেই ধারা বজায়ে রাখতে সচেষ্ট থাকবো।

ট্যাগ: bdnewshour24 কেন্দুয়া

ময়মনসিংহ
চোর সন্দেহে তিন যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ৩

banglanewspaper

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় চোর সন্দেহে তিন যুবককে বাড়ি থেকে ধরে এনে গাছে বেঁধে সাত ঘণ্টা নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, এনায়েতপুর ইউপি সদস্য তারা মিয়া, কথিত অটোর মালিক সাইদুল ও নির্যাতনকারী শামীম।

ফুলবাড়িয়া থানার ওসি জাকির হোসেন মোল্লা আজ রাতে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

রবিবার রাতে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিযনের মাঝিরঘাট বাজার থেকে সাইদুল নামে এক ব্যক্তির একটি অটো চুরি হয়। সেই অটো চুরির সন্দেহে সোমবার সকাল ১০টার দিকে মেম্বার তারা মিয়া ও তার লোকজন জুলহাস (২৪), বাবু (২২) ও রিপন (২৫) নামে তিন যুবককে বাড়ি থেকে ধরে এনে মাঝিরঘাট বাজারে আমগাছে বেঁধে সাত ঘণ্টা নির্যাতন করেন। নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ইউপি সদস্যসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

ট্যাগ:

ময়মনসিংহ
সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে খেজুর রস

banglanewspaper

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শীতের সকালে গ্রামে-গ্রামে এমন কি ছোট-বড় বাজারগুলোতে গাছিরা মাটির কলসি ভারে করে খেজুরের রস বিক্রি করতো। সময়ের বিবর্তনে সে চিত্র পাল্টে আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময় গ্রামে-গঞ্জের রাস্তাগুলোতে অনেক খেজুর গাছ দেখা গেলেও বর্তমানে উপজেলার  প্রায় রাস্তাগুলো খেজুর গাছশূন্য। ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলার ঐতিহ্য সু-স্বাদু খেজুর রস। 

শীতকালে খেজুর রসের তৈরি নানা প্রকার পিঠা-পায়েস ছিল হালুয়াঘাটের মানুষের নবান্নের সেরা উপহার। খেজুর রস থেকে তৈরি খেজুরের গুড় দিয়ে ভাপা পিঠা খাওয়ার মজা-ই ছিলো অন্যরকম। এখন খেজুর রস না পাওয়ায় সেই চিরন্তন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ। শীতকালে খেজুরের রস থেকে তৈরি ঝুলা গুর ও পাটি খেজুরের গুর পাওয়া গেলেও তা স্বাদে-গন্ধে আর আগের মতো নয়। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা এতে বিভিন্ন উপকরণের মিশ্রণে এটি যে কত নম্বর করে ফেলেছে তা আর পরখ করার উপায় নেই। 

জুগলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের গাছি  করিম মিয়া বলেন, "গ্রামে এখন খেজুর গাছ নেই বললেই চলে। পুরো গ্রামে যে কয়েকটি গাছ আছে, পরিচর্যার অভাবে সেগুলোতেও ভালো রস আরহণ করতে পারছি না।"

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হালুয়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, খেজুরের রস ও গুড়ের চাহিদা থাকলেও দিনকে দিন খেজুর গাছ কমে যাচ্ছে। সরকারী পৃষ্ঠ পোষকতায় যেভাবে তাল গাছ লাগানো হচ্ছে আশা করি সেভাবেই যদি খেজুর গাছ লাগানো হতো তাহলে ভোক্তার চাহিদা পরিপূর্ণ হতো বলে আমি মনে করি।
 

ট্যাগ:

ময়মনসিংহ
রাতে জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি, নিহত ২ যাত্রী

banglanewspaper

ঢাকা থেকে জামালপুরগামী একটি কমিউটার ট্রেনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দলের আক্রমণে নিহত হয়েছেন দুই রেলযাত্রী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও একজন।

বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। ট্রেনটি গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা পার হওয়ার পর ডাকাত দলের কবলে পড়ে।

ডাকাতের হামলায় মারা যাওয়া দু’জন যাত্রীর মধ্যে একজন হলেন- জামালপুর শহরের ইকবালপুর এলাকার মো. ওয়াহিদের ছেলে মো. নাহিদ (৪০) এবং মৃত অপরজন অজ্ঞাত (৪০) পরিচয়ের পুরুষ ব্যক্তি। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় জামালপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন রুবেল (২২) নামের অপর এক যাত্রী। তিনি জেলার ইসলামপুর উপজেলার মাঝপাড়া গ্রামের হীরু মিয়ার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ট্রেনযাত্রীদের বরাতে রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে তারা ঢাকা থেকে কমিউটার ট্রেন জামালপুরে যাচ্ছিল। ট্রেনটি ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেলস্টেশন ছাড়ার পর ট্রেনের ছাদের যাত্রীদের অনেকেই ডাকাতদলের কবলে পড়েন। ৪/৫ জনের ডাকাতদলটি অনেক যাত্রীর কাছ থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোনসেট লুট করে ট্রেনের ইঞ্জিনের দিকে চলে যায়। এরপর ট্রেনটি রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার পর ময়মনসিংহ রেলস্টেশন ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই যাত্রী ফারুক ও নাহিদসহ বেশ কয়েকজন ট্রেনের ছাদে ডাকাতদের খুঁজতে যান। তারা ডাকাতদের চিনতে পেরে কিছু বলার আগেই ডাকাতরা তাদের ওপর হামলা করে। ডাকাতরা নাহিদ ও অপর একজনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। পরে রুবেল মিয়াকেও ছুরিকাঘাত করে মারাত্মক আহত করে। এতে ওই তিন যাত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় ট্রেনের ছাদেই পড়ে থাকেন।

রাত ১০টার দিকে ট্রেনটি জামালপুর রেলস্টেশনে পৌঁছলে গুরুতর আহত তিন যাত্রীকে ছাদ থেকে নামিয়ে জামালপুর সদর হাসপাতালে নেয় রেলওয়ে থানা পুলিশ। তাদের মধ্যে নাহিদ ও অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার মো. জাকিউল আলম খান। গুরুতর আহত রুবেল জামালপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  

রেল পুলিশের জামালপুর থানার (জিআরপি) এসআই সোহেল রানা বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল গিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে জামালপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মৃত দুই ব্যক্তির মরদেহ জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ:

ময়মনসিংহ
গফরগাঁওয়ে মুখে বিষ ঢেলে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

banglanewspaper

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক গৃহবধূকে যৌতুকের জন্য মারধর করে মুখে বিষ ঢেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে নিহত গৃহবধূর স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন।

নিহত গৃহবধূর নাম দিলরুবা খাতুন (৩০)। তিনি উপজেলার সালটিয়া ইউনিয়নের রৌহা গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে।

জানা যায়, গত দশ মাস আগে উপজেলার রাওনা ইউনিয়নের খারুয়া বড়াইল গ্রামের মোনায়েম মাস্টারের ছেলে মনিরুজ্জামান খাঁন মানিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে দিলরুবার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে দিলরুবার ওপর নির্যাতন করে আসছিল তার স্বামী মানিক। বিয়ের কিছুদিন পর দিলরুবা তার বাবার কাছ থেকে এক লাখ এনে দিলেও স্বামী মানিক আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে আসছিল।

নিহত দিলরুবার পরিবারের দাবি, গত ৩০ জুন (বুধবার) মানিক যৌতুকের জন্য স্ত্রীর মুখে বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা করে। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মুমুর্ষূ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে দিলরুবা মারা যান।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনুকূল সরকার জানান, এ ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ:

ময়মনসিংহ
মাদ্রাসাশিক্ষকের কাছে কাবিননামা চেয়ে পোশাকশ্রমিকের অনশন

banglanewspaper

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিয়ের কাবিননামার দাবিতে মাদ্রাসাশিক্ষকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন পোশাকশ্রমিক এক প্রেমিকা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামে। অনশনকারী ওই নারীর বাড়ি দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের কোরাজ মিয়ার কন্যা। কামরুন্নাহার গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকার রোয়া ফ্যাশনের একজন পোশাকশ্রমিক।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষকের নাম রফিকুল ইসলাম। তিনি চকপাড়া গ্রামের আকাবর আলীর ছেলে। রফিকুল স্থানীয় পানবর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ও দুই সন্তানের জনক।

এ ঘটনার পর থেকে রফিকুল ইসলাম গা-ঢাকা দিয়েছেন।

এর প্রতিকার চেয়ে কামরুন্নাহার ইতোমধ্যে ইউএনও এবং থানা পুলিশে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মঙ্গলবার বিকালে কামরুন্নাহার বলেন, তার সাথে শিক্ষক রফিকুল ইসলামের ছোট বোন আলেয়া (২৭) পোশাক কারখানায় চাকরি করত। সে সুবাদে রফিকুল ইসলাম তার বোনের কাছে গাজীপুরে মাঝে-মধ্যে বেড়াতে আসত। এক পর্যায়ে রফিকুলের সাথে তার মন দেয়া-নেয়া শুরু হয়। এ সম্পর্ক চলে প্রায় ৭ বছর। এই সময়ের মধ্যে রফিকুল তাকে জানায়নি সে বিবাহিত। প্রেম চলার সময়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে রফিকুলকে বিয়ে করার জন্য বললে সে এক মৌলভী দিয়ে বিয়ে পড়ান, কিন্তু ওই সময়ে কাবিননামা সম্পন্ন হয়নি। গত ১৭ মে কাবিননামা করে দিতে বললে জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কুরুয়া বাজারের মন্টু নামে এক কাজীর মাধ্যমে একটি কাবিননামা তৈরি করা হয়। এ সময় ওই কাজীর কাছে কাবিননামার নকল চাইলে সে আগামী ৮ দিন পর তা দেয়া হবে বলে জানায়। নির্দিষ্ট সময় পর কাবিনের নকল আনতে ওই এলাকায় গেলে ওই কাজীর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। পরে এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ৭ জুন ঝিনাইগাতীর ইউএনও এবং থানা পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এছাড়া কাবিননামার দাবিতে অনশন শুরু করি।

রফিকুল ইসলামের ছোট বোন আলেয়া জানান, কামরুন্নাহার ঝিনাইগাতীতে তার ভাইয়ের গ্রামের বাড়িতেও বেড়াতে আসত। বিয়ের কাবিন না হলেও সংসার করেন তারা। এক পর্যায়ে কামরুন্নাহার বিয়ের কাবিনের জন্য চাপ দিলে রফিকুল নানাভাবে টালবাহানা শুরু করেন। উপায়ান্ত না পেয়ে কামরুন্নাহার অনশন শুরু করেন। এ ঘটনার পর থেকে তার ভাই গা-ঢাকা দিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জাবাবে আলেয়া বলেন, আমার বান্ধবীকে বিয়ে করবে বলে ভাই রফিকুল স্ত্রী ও সন্তানদের কথা কামরুন্নাহারকে না জানাতে অনুরোধ করেন। তার স্ত্রী ঝিনাইগাতী শহরে থাকে আর গ্রামের বাড়িতে বৃদ্ধ মা-বাবাকে দেখার মতো কেউ নেই। এ কারণে বাড়িতে একজন কাজের লোকের দরকার। তাই কামরুন্নাহারকে সে বিয়ে করতে চেয়েছিল।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনিনুর রহমান উকিল অনশনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে মাদ্রাসাশিক্ষক রফিকুল ইসলাম ইসলাম এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন।

থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থল যেহেতু গাজীপুর- তাই মামলা সেখানেই হওয়ার কথা। তারপরও এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ট্যাগ: